গত বছরের ডিসেম্বরে হওয়ার কথা ছিল আর্চারির ১৬তম জাতীয় চ্যাম্পিয়নশীপ। কিন্তু, নানান কারণে সেই সময় প্রতিযোগিতা আয়োজন করা যায়নি। অবশেষে সেই আয়োজন হতে যাচ্ছে। আগামী ২১ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে জাতীয় আর্চারি চ্যাম্পিয়নশীপ।
আসন্ন জাতীয় আর্চারিতে রেকর্ড ৭১টি ক্লাব ও সার্ভিসেস দল অংশ নিচ্ছে। ঘরোয়া আর্চারিতে এই প্রথম থাকছে প্রাইজমানিও। চার দিনব্যাপী প্রতিযোগিতায় প্রায় চার শতাধিক আর্চার পদকের জন্য লড়বেন। রিকার্ভ ও কম্পাউন্ডের ১০টি ইভেন্টের ৩০টি করে স্বর্ণ, রুপা ও ব্রোঞ্জের খেলাগুলো হবে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ফেডারেশনের সাধারন সম্পাদক তানভীর আহমেদ। তার পাশেই বসে আর্চারি ফেডারেশনের সভাপতি ড. মোখলেস উর রহমান প্রাইজমানির কথা তুলে ধরে বলেছেন, “এবার আমরা প্রাইজমানির ধারা চালু করেছি। তবে, একক ইভেন্টে। স্বর্ণজয়ী ৫০ হাজার, রুপাজয়ী ২৫ হাজার এবং ব্রোঞ্জজয়ী ১০ হাজার টাকা প্রাইজমানি পাবে। সামনের দিকে প্রাইজমানি আরও বাড়বে।”
প্রাইজমানি ঘোষণার দিনে আলোচনায় ছিল পুলিশ আর্চারি ক্লাবের অংশ না নেওয়াটা। এই প্রসঙ্গে তানভীর আহমেদ বলেছেন, “আমরা শুনেছি জাতীয় আর্চারিতে পুলিশ খেলবে কি খেলবে না এটা নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে নিজে কথা বলেছি। আমরা পুলিশ আর্চারি ক্লাবকে তিনবার চিঠি দিয়েছি। আমরা বলেছি, আপনাদের যতগুলো সহযোগিতা লাগে আমরা দিবো। যদি কোচ লাগে সেটাও আমরা দিবো। তাদেরকে খেলার জন্য অনেক অনুরোধ করেছি। হয়তো জাতীয় নির্বাচনের পর তারা ফের আর্চারিতে ফিরবে।”
এবার বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে খেলছে বিকেএসপি আর্চারি ক্লাব। একই সংস্থার দুটি ক্লাব কেন খেলছে সেই প্রশ্নের জবাবে তানভীর বলেন, “বিকেএসপি ছয়টা টিম করতে চায়। ট্রেনিংটা তারা করায়। আর আর্চারির পিছনে তারা অনেক অর্থ ব্যয় করে। তাদের কথা হলো, আমরা প্লেয়ার তৈরি করি আর এসব প্লেয়ারদের অন্যান্য ক্লাবগুলো নিয়ে গিয়ে বছরে একবার খেলে কাউন্সিলরশীপ পায়। তাদের ছয়টি বিকেএসপি আছে, সবগুলোকেই তারা জাতীয় চ্যাম্পিয়নশীপে খেলাতে চায়। এটা ওদের পার্ট। সেই জন্য বিকেএসপির দুইটা দল এবারের প্রতিযোগিতায় খেলছে। আপনি দেখেন বাংলাদেশ আর্মি, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীরও কিন্তু দুইটা টিম আছে।”









