মেটার আপকামিং মিক্সড রিয়েলিটি হেডসেটের বেশ কিছু ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। ধারণা করা হচ্ছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই ডিভাইসটির ছবি অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশ করেছে মেটা। ‘প্রজেক্ট ফিনিক্স’ নামে পরিচিত এই হেডসেটটি তুলনামূলক হালকা ও চশমার মতো নকশার হতে পারে।
প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম আপলোডভিআর ছবিগুলো খুঁজে পেয়েছে। মেটার প্রকাশ করা ‘হরাইজনওএস প্রেসক্রিপশন লেন্স’ নামের একটি অ্যাপে ছবিগুলো ছিল। অ্যাপটি মূলত যাঁদের চোখের জন্য প্রেসক্রিপশন লেন্স প্রয়োজন, তাঁদের জন্য তৈরি করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে অ্যাপটি সরিয়ে নেওয়া হয়।
আপলোডভিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অ্যাপের ছবিগুলোতে হেডসেটটিকে বিভিন্ন দিক থেকে দেখা যায়। ছবিগুলো গত এক বছরের বেশি সময় ধরে প্রজেক্ট ফিনিক্স নিয়ে প্রকাশিত বিভিন্ন তথ্য ও গুজবের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
মেটার অন্যান্য কোয়েস্ট হেডসেটের তুলনায় প্রজেক্ট ফিনিক্সের নকশা কিছুটা আলাদা। এটি এক্সরিয়ালের অরা হেডসেটের মতো চশমাসদৃশ হতে পারে। প্রকাশিত একটি ছবিতে হেডসেটের সঙ্গে একটি তারও দেখা গেছে। এর মাধ্যমে ধারণা করা হচ্ছে, ডিভাইসটি আলাদা একটি ছোট কম্পিউটিং ইউনিট বা পকের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে কাজ করবে।
তবে প্রকাশিত ছবিগুলোতে হেডসেটের সামনের অংশ দেখা যায়নি। ফলে সেখানে ক্যামেরা বা অন্য কোনো সেন্সর থাকবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। ধারণা করা হচ্ছে, হাতের অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে ডিভাইসটি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে আলাদা কন্ট্রোলারের প্রয়োজন নাও হতে পারে।
মেটা এখনো এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। তবে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া মেটার বার্ষিক ‘কানেক্ট’ সম্মেলনে প্রজেক্ট ফিনিক্সের আনুষ্ঠানিক ঝলক দেখা যেতে পারে। সম্মেলনে কন্ট্রোলার ছাড়া ডিভাইস ব্যবহারের বিষয়ে একটি সেশনও রাখা হয়েছে।
তবে হেডসেটটি কবে বাজারে আসবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগের বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ডিভাইসটি ২০২৭ সালের প্রথমার্ধের আগে বাজারে আসার সম্ভাবনা কম। সে ক্ষেত্রে এবারের সম্মেলনে মেটা শুধু হেডসেটটির নকশা বা সম্ভাব্য ফিচার সম্পর্কে ধারণা দিতে পারে।









