X
বৃহস্পতিবার, ০৫ আগস্ট ২০২১, ২১ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

‘বাংলাদেশ নিয়ে আইএস-সহ অন্যান্য জঙ্গিগোষ্ঠীর আগ্রহ আছে’

আপডেট : ২০ আগস্ট ২০১৯, ২৩:৫৪





জন টি গডফ্রে ‘বাংলাদেশের অবস্থান এমন একটা জায়গায়, যেখানে আইএস ও অন্যান্য জঙ্গিগোষ্ঠীর ব্যাপক আগ্রহ আছে। তারা নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধি কিংবা নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এই হুমকি মোকাবিলায় আরও বেশি সতর্ক থাকা প্রয়োজন। প্রয়োজন নজরদারি বাড়ানো।’
যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসবাদ দমন ও সহিংস জঙ্গিবাদ মোকাবিলা বিষয়ক ব্যুরোর আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক বিষয়ক উপ-সমন্বয়কারী জন টি গডফ্রে বাংলা ট্রিবিউনের কাছে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন।
সম্প্রতি গডফ্রে সংক্ষিপ্ত এক সফরে ঢাকায় এসেছিলেন। সেসময় মার্কিন দূতাবাসে কয়েকজন সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। সেসময় তিনি বলেন, ‘ওয়াশিংটন মনে করে বাংলাদেশকে দুর্ভাগ্যজনকভাবে জঙ্গি হামলার শিকার হতে হয়েছে। এর মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া হলি আর্টিজান বেকারির হামলা সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। এ ঘটনার পর সরকার তথা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে বেশকিছু সফলতাও আছে। তাদের (জঙ্গিদের) নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দিয়েছে। যেসব সূত্র থেকে হুমকি ছিল সেসব হুমকি এখন হুমকি আর নেই।’
গডফ্রে বলেন, ‘কিন্তু আরেকটু বড় পরিসরে যদি বলা যায়, তাহলে বলতে হবে বাংলাদেশের অবস্থান এমন একটা জায়গায়, যেখানে আইএস ও অন্যান্য জঙ্গিগোষ্ঠীর আগ্রহ আছে। জঙ্গিরা তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি কিংবা নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেওয়ার চেষ্টা করতে পারে। এই হুমকি মোকাবিলায় বাংলাদেশকে আরও বেশি সতর্ক থাকা ও নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন বলে মত দেন তিনি।
গত কয়েক বছর ধরে আইএস-এর উত্থান-পতন হয়েছে, কিন্তু আল কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশের যে শাখা, তারা চুপচাপ রয়েছে। তারা বাংলাদেশের জন্য ভবিষ্যতে আতঙ্কের বিষয় হতে পারে কিনা জানতে চাইলে গডফ্রে বলেন, “হ্যাঁ, গত কয়েক বছর ধরেই পুরো বিশ্ব আইএস-এর দিকে বেশি নজর দিয়েছে। কারণ, তারা ইরাক-সিরিয়াসহ বিভিন্ন জায়গায় নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। কিন্তু আল কায়েদা হলো সুযোগসন্ধানী একটা সংগঠন। তারা চুপচাপ থেকে নিজেদের পুনর্গঠিত করেছে। তাদের নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি করেছে। আন্তঃদেশীয় সন্ত্রাসবাদের জন্য তারা ‘ভ্যানগার্ড’ হিসেবে কাজ করে। তারা আবার নিজেদের অবস্থান ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছে। এটা অবশ্যই চিন্তার বিষয়।”
সাংবাদিকদের সঙ্গে গডফ্রের এই আলাপচারিতার সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার। তারা দুজনই জানান, সন্ত্রাসবাদ দমনে ওয়াশিংটন বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সন্ত্রাস দমন ও কাউন্টার র্যা ডিক্যালাইজেশনের কাজ চলছে। এছাড়া নারী ও যুবকদের সম্পৃক্ত করেও বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে অংশিদারত্বের ভিত্তিতে এসব কর্মসূচি আরও বাড়ানো হবে হবে বলে জানান যুক্তরাষ্ট্রের এই দুই প্রতিনিধি।
উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশে নতুন ধারার দুই জঙ্গি সংগঠন— আইএস অনুসারী নব্য জেএমবি এবং আল-কায়েদা অনুসারী আনসার আল ইসলাম সক্রিয় রয়েছে। তারা রাজধানীসহ সারাদেশে লেখক, ব্লগার, প্রকাশকসহ ভিন্ন মতালম্বী ও ধর্মালম্বী এবং বিদেশি নাগরিকদের টার্গেট করে হামলা চালিয়ে আসছিল। রাজধানীর কূটনৈতিক এলাকা গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার পর সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে জঙ্গিদের কোণঠাসা করেছে ঠিকই। তবে এখনও তাদের পুরোপুরি নির্মূল করা যায়নি।
ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার এবং জন টি গডফ্রে জঙ্গিবাদ দমনে হার্ড অ্যাপ্রোচ (অভিযান)-এর পাশাপাশি ডি-র‌্যাডিক্যালাইজেশন বা কাউন্টার র‌্যাডিক্যালাইজেশন-এর জন্য বাংলাদেশ কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারে জানতে চাইলে সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে অভিজ্ঞ এই মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, “এই সমস্যা কঠিন, কিন্তু এর সহজ সমাধানও আছে। ‘হোমগ্রোন’ জঙ্গিদের ব্যাপারে সমাজের কিছু ভূমিকা রয়েছে। উগ্রবাদে যারা দীক্ষিত হয়েছে তাদের মানসিকতার পরিবর্তন যেমন দরকার, তেমনি শুধু ব্যক্তি নয়, যে পরিবেশ তাকে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ করছে সেই পরিবেশেরও পরিবর্তন দরকার। অনেক সময় মানুষ তার জীবনে নাটকীয় কিছু পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায়। তারা নিজেদের পাশাপাশি অন্যদেরও ঝুঁকিতে ফেলে।’
উগ্রবাদে দীক্ষিত হওয়ার লক্ষণগুলো সম্পর্কে সবাইকে জানানোর পরাশর্ম দেন তিনি। বলেন, ‘কেউ দীক্ষিত হলে তার সমাধানের ব্যবস্থা সম্পর্কেও জানতে হবে। তাহলে মানুষ উপকৃত হতে পারে। এটার বাস্তবায়ন কিছুটা কঠিন, কিন্তু জরুরি।’
গডফ্রে বলেন, ‘যেখানে মানুষ নিজেদের নানা কারণে প্রান্তিক বলে মনে করে সেখানে এ ধরনের কর্মসূচির বাস্তবায়ন আরও কঠিন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দেখেছি, মানুষ যখন মত প্রকাশ করতে পারে না, তখন সে নিজেকে প্রান্তিক মনে করে, একঘরে হয়, হতাশ হয়। তরুণরা যদি নিজের উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা প্রকাশ করতে না পারে, সেদিকে যদি কেউ নজর না দেয়, তাহলে তা র‌্যাডিকালাইজেশনে উদ্বুদ্ধ করতে পারে।’
তিনি বলেন, “সরকারের বাইরে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে ‘হেলদি’ ডায়ালগ করতে হবে। যে কারণগুলো মানুষকে উগ্রবাদের পথে নিয়ে যায়, সেগুলো শনাক্ত করতে হবে। সংলাপে শুধু রোগ নির্ণয় হবে না, এসবের সমাধানের পথও দেখাবে। এছাড়া সবার কাছে বেশি বেশি করে কাউন্টার মেসেজ, ক্রেডিবল ভয়েস, ইসলামে কী আছে, এর সঠিক ভাষ্য কী, সেসব প্রচার করতে হবে।’
গডফ্রের মতে, এটা শুধু যে সরকারের দায়িত্ব, তা না; সবাইকে এ ধরনের কাজে এগিয়ে আসতে হবে।
বর্তমান বিশ্বে অনলাইন র‌্যাডিক্যালাইজেশন একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশেও এ হুমকির বাইরে নয়। অনলাইনের জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো প্রপাগান্ডা প্রচার হচ্ছে। এগুলো দেখে বা শুনেও অনেকেই র‌্যাডিক্যালাইজড হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে করণীয় সম্পর্কে সন্ত্রাসবাদ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ গডফ্রে বলেন, ‘আমি এর সাধারণ উত্তর দিতে পারি। কিন্তু সত্যি কথা হলো এর কোনও একক উত্তর নেই। এটা একটা জটিল বিষয়। ওয়েবসাইট বা প্রপাগান্ডা প্রচারের পথগুলো বন্ধ করে র‌্যাডিকালাইজেশন বন্ধ করা যাবে না। মুভিং কনটেন্ট সরিয়ে নেওয়াটাই যথেষ্ট নয়।’
গডফ্রে বলেন, ‘কৌশলটা হলো, বিকল্প ভাষ্যটা খুব জরুরি। আইএস ও অন্যান্য জঙ্গিগোষ্ঠী যে প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছে তার বিকল্প ভাষ্য প্রচার করা। হেট স্পিচের বিরুদ্ধে মোর স্পিচ প্রয়োজন। ইফেকটিভলি কাউন্টার করতে হবে।’
ইরাক-সিরিয়াতে আইএস তাদের কথিত খেলাফত হারানোর পর ফরেন টেরোরিস্ট ফাইটার বা এফটিএফ সদস্যরা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ থেকেও কয়েকজন আইএস-এ যোগ দিয়েছিল। যদিও বাংলাদেশ সরকার এফটিএফ বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের করণীয় কী হতে পারে—এ প্রশ্নের জবাবে গডফ্রে বলেন, ‘ইরাক ও সিরিয়ায় যারা গেছেন তারা অনেক বেশি উদ্বেগের কারণ। সবাই খুবই ভয়ঙ্কর ও বিপজ্জনক। তারা তাদের হারানো নেটওয়ার্ক আবারও গড়ে তুলতে পারে। তারা আবারও শক্তি সঞ্চয় করতে পারে এবং হুমকি হয়ে উঠতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘শুধু বাংলাদেশ নয়, দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর প্রতি আইএস-এর আগ্রহ রয়েছে। এটা খুবই উদ্বেগের। আমরা মনে করি, ইরাক ও সিরিয়ায় যেসব দেশের নাগরিক আইএস-এর হয়ে কাজ করছে, সেসব দেশগুলোর উচিত হবে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের ব্যবস্থা করা, নজরদারির মধ্যে রাখা কিংবা ডি-র‌্যাডিকালাইজেশনের মাধ্যমে সমাজের মূল ধারায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ করে দেওয়া।’
নিজের এ পরামর্শের ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, ‘তারা (জঙ্গিরা) হয়তো সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলে কিছুদিন থাকবে। তারপর তারা নানা জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে করে শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের অন্য দেশগুলোর জন্যও ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।’

/এইচআই/

সম্পর্কিত

ঋণগ্রহীতার গুদামেই জামানত, খেলাপি প্রতিষ্ঠানকে আবার ঋণ!

ঋণগ্রহীতার গুদামেই জামানত, খেলাপি প্রতিষ্ঠানকে আবার ঋণ!

ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই শিশুর দণ্ড: ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যাখ্যা চাইলেন হাইকোর্ট

ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই শিশুর দণ্ড: ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যাখ্যা চাইলেন হাইকোর্ট

উপ-নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করতে পারবে ইসি, হাইকোর্টের নির্দেশ

উপ-নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করতে পারবে ইসি, হাইকোর্টের নির্দেশ

করোনা আতঙ্কের মধ্যেই ডেঙ্গুর আশঙ্কাজনক রূপ

করোনা আতঙ্কের মধ্যেই ডেঙ্গুর আশঙ্কাজনক রূপ

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে: ইউজিসি

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ১৬:০৮

দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রম বাড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে এই কার্যক্রম নির্ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন পদক্ষেপ নির্ধারণে ইউজিসি ভার্চুয়াল সভা এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্তের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ইউজিসি ৯ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে।

কমিটির আহ্বায়ক ও ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ চন্দ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক সত্য প্রসাদ মজুমদার, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ভিনসেন্ট চ্যাং, ইউজিসি সচিব (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. ফেরদৌস জামান, গবেষণা সহায়তা ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক মো. কামাল হোসেন, আইএমসিটি বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া, এসপিকিউএ বিভাগের উপ-পরিচালক বিষ্ণু মল্লিক যুক্ত ছিলেন।

সভায় ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে যুগোপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ইউজিসি প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে। সরকারের চতুর্থ শিল্প বিপ্লব সম্পর্কিত বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও পরিকল্পনা বাস্তবায়ন উদ্যোগের সঙ্গে সমন্বয় করবে।

অধ্যাপক সাজ্জাদ আরও বলেন, ‘জ্ঞান ও দক্ষতায় শিল্পক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ চাহিদা পূরণে বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্প-প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ নির্ধারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি ও এফবিসিসিআই সমন্বিত উদ্যোগ নেবে।

উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব বিষয়ে আগামী ৯ থেকে ১১ ডিসেম্বর একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউজিসি।

 

/এসএমএ/এনএইচ/

সম্পর্কিত

এসএসসির ইংরেজি ভার্সনের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

এসএসসির ইংরেজি ভার্সনের অ্যাসাইনমেন্ট প্রকাশ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর শাহাদত বার্ষিকী পালনের নির্দেশ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর শাহাদত বার্ষিকী পালনের নির্দেশ

মুজিববর্ষেরই জাতীয়করণের ঘোষণা চান শিক্ষকরা

মুজিববর্ষেরই জাতীয়করণের ঘোষণা চান শিক্ষকরা

মতিঝিল আইডিয়ালের আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ

মতিঝিল আইডিয়ালের আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্তের নির্দেশ

শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ১৬:০৩

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মেয়াদ ১০ আগস্ট মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এত দিন বন্ধ থাকলেও শুক্রবার (৬ আগস্ট)  থেকে দেশের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিল্প, কল-কারখানা বিধিনিষেধের আওতা বহির্ভূত থাকবে। 

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

৬ আগস্ট থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চালানোর ঘোষণা দিয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

ইউএস বাংলার মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) মো. কামরুল ইসলাম জানান, সকল ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স অভ্যন্তরীণ সকল রুটে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করতে যাচ্ছে। ঢাকা থেকে পরিচালিত রুটগুলোর মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সৈয়দপুর, যশোর, সিলেট, বরিশাল ও রাজশাহী। অভ্যন্তরীণ রুটে ৭২ আসন বিশিষ্ট ব্র্যান্ড নিউ এটিআর ৭২-৬০০ এয়ারক্রাফট দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।



/সিএ/এনএইচ/

সম্পর্কিত

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে: ইউজিসি

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে: ইউজিসি

ভয়ংকর এলএসডি-আইস: যা ঘটেনি সেটাই দেখেন আসক্তরা

ভয়ংকর এলএসডি-আইস: যা ঘটেনি সেটাই দেখেন আসক্তরা

ডা. এম এ মোহায়মেন মারা গেছেন

ডা. এম এ মোহায়মেন মারা গেছেন

চেকপোস্ট অমান্য করা দ্রুতগতির গাড়ি কেড়ে নিলো পুলিশ সদস্যের প্রাণ

চেকপোস্ট অমান্য করা দ্রুতগতির গাড়ি কেড়ে নিলো পুলিশ সদস্যের প্রাণ

ভয়ংকর এলএসডি-আইস: যা ঘটেনি সেটাই দেখেন আসক্তরা

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ১৫:৫৫

দেশে নতুন চারটিসহ যে ২৭ ধরনের মাদক উদ্ধার হয়েছে তার মধ্যে ভয়াবহতার তালিকায় এগিয়ে আছে লাইসার্জিক অ্যাসিড ডাইইথ্যালামাইড (এলএসডি), ক্রিস্টাল মেথ বা আইস বা মেথামফিটামিন।

বুধবার ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত নায়িকা পরীমণিকে আটক করার সময় র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক খন্দকার আল মঈন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, পরীমণির বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশাপাশি আইস ও এলএসডিও উদ্ধার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আইস বা ক্রিস্টাল মেথ ইয়াবার চেয়েও শক্তিশালী। ইয়াবায় মিথাইল অ্যামফিটামিন ব্যবহার করা হয় নির্দিষ্ট পরিমাণে। আইস বা ক্রিস্টাল মেথ মানে শতভাগ মিথাইল অ্যামফিটামিন।

মাদকাসক্তদের নিয়ে কাজ করেন এমন চিকিৎসকরা বলছেন, এলএসডি এক ধরনের সাইকেডেলিক ড্রাগ। এটি সেবনে আমাদের ইন্দ্রিয়গুলো মাত্রাতিরিক্ত উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠে। মারাত্মক হ্যালুসিনেশনও হতে থাকে। যা নেই সেটাই দেখে সেবনকারী, মাথার ভেতর শব্দও শোনে। যা সামনে নেই, সেটারও স্পর্শ পায়।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “এলএসডি সেবনকারীদের অনেকেই বলেন, তারা কালার (রঙ) ‘শুনতে’ পায়, শব্দ ‘দেখতে’ পায়। এমন বিচিত্র সব অনুভূতি হয়। এটা যদি ‘ব্যাড ট্রিপ’ তথা খারাপের দিকে গড়ায় তবে হত্যা বা আত্মহত্যা পর্যন্ত করতে পারে সেবনকারী। এমন ঘটনা আমাদের দেশেই ঘটেছে।’

এসব মাদকের সাইডএফেক্ট

অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এলএসডি যখন কেউ নেয় তখন তার সাফোকেটিং ব্রিদিং হয়। ঘামাতে থাকে। বুক ধড়ফড় করে। মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। তখন অনিয়ন্ত্রিত যেকোনও আচরণ করতে পারে।’

অপরদিকে, আইস হলো ইয়াবার উন্নত সংস্করণ- এমনটা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা সেবনে ঘুম কমে যায়। অবসাদ বাড়িয়ে তোলে। তখন এর ওপরই পুরোপুরি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে সেবনকারী। একপর্যায়ে অলীক সব চিন্তা শুরু করে আসক্ত ব্যক্তি।’

আইস মানুষের হৃৎস্পন্দন এমনভাবে বাড়িয়ে দেয় যে অনেক সময় কার্ডিও টক্সিসিটি তৈরি হয়। যার কারণে হৃৎস্পন্দন অস্বাভাবিক বেড়ে যায়।

এসব মাদক নেয় কারা?

কোন বয়সের রোগীদের এই সময় বেশি পাচ্ছেন? জানতে চাইলে চিকিৎসক ও আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, এসব মাদক অপেক্ষাকৃত তরুণ ও ধনীরাই বেশি নিচ্ছে।

ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বয়সটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আগে এ কাতারে স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদের পাওয়া যেত। এখন মধ্যবয়সীদেরও রোগী হিসেবে পাওয়া যাচ্ছে।’

৩০ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে অনেক রোগী পাচ্ছি জানিয়ে ডা. হেলাল বলেন, ‘এটা কোনও জরিপ নয়। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, ব্যবসায়ী এবং মধ্যবয়সী প্রতিষ্ঠিত মানুষরাই আসছেন অনেক।’

তবে এখন পুরুষের তুলনায় নারীদের সংখ্যা কম হলেও অনেক নারী আসক্তকেও রোগী হিসেবে পাচ্ছেন জানিয়ে ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এখন নারী আসক্তের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়।’

ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) একেএম হাফিজ আক্তার বলেন, ‘আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত যে তথ্য রয়েছে তাতে দেখেছি, আইস ও এলএসডি বেশ ব্যয়বহুল মাদক। ধনী পরিবারের সন্তানরা এসব সেবন করে। প্রতিবার আইস সেবন করতে তাদের খরচ হয় ১০-১২ হাজার টাকা।’

 

 

/এআরআর/জেএ/ইউআই/এফএ/আপ-এনএইচ/
টাইমলাইন: পরীমণি
০৫ আগস্ট ২০২১, ১৫:৫৫
ভয়ংকর এলএসডি-আইস: যা ঘটেনি সেটাই দেখেন আসক্তরা
০৪ আগস্ট ২০২১, ২২:৪১
০৪ আগস্ট ২০২১, ২১:৩৯
০৪ আগস্ট ২০২১, ২১:০৪

সম্পর্কিত

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে: ইউজিসি

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে: ইউজিসি

শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট

শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট

ডা. এম এ মোহায়মেন মারা গেছেন

ডা. এম এ মোহায়মেন মারা গেছেন

চেকপোস্ট অমান্য করা দ্রুতগতির গাড়ি কেড়ে নিলো পুলিশ সদস্যের প্রাণ

চেকপোস্ট অমান্য করা দ্রুতগতির গাড়ি কেড়ে নিলো পুলিশ সদস্যের প্রাণ

ডা. এম এ মোহায়মেন মারা গেছেন

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ১৫:৪৪

দেশের অগ্রণী সামরিক কার্ডিও-থোরাসিন সার্জন মেজর জেনারেল (অব.) ডা. এম এ মোহায়মেন মারা গেছেন। মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) বার্ধক্যজনিত রোগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। বুধবার (৪ আগস্ট) তাকে বনানী সামরিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। 

দাফনের আগে পূর্ণ সামরিক শবযাত্রার পর তাকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। পারিবারিকভাবে ঘনিষ্ঠ একজন দায়িত্বশীল বাংলা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য জানান। 

সদ্য প্রয়াত ডা. এম এ মোহায়মেন ১৯৩৬ সালের ৫ ডিসেম্বর বগুড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। সামরিক সার্জন হিসেবে তিনি আর্মি মেডিক্যাল কর্পস, পাকিস্তান আর্মি (১৯৫৯-১৯৭১) এবং আর্মি মেডিক্যাল কর্পস, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে (১৯৭৩-১৯৯৬) দায়িত্বপালন করেন। কর্মজীবনে অবদানের জন্য এম এ মোহায়মেন জয় পদক ও সংবিধান পদক লাভ করেন। 

মৃত্যুকালে ডা. এম এ মোহায়মেন মৃত্যুকালে তার স্ত্রী নিলুফার মোহায়মেন, দুই সন্তান জায়েদ মোহায়মেন, নাঈম মোহায়মেনসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে যান। 

 

/এসটিএস/এনএইচ/

সম্পর্কিত

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে: ইউজিসি

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে: ইউজিসি

শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট

শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট

ভয়ংকর এলএসডি-আইস: যা ঘটেনি সেটাই দেখেন আসক্তরা

ভয়ংকর এলএসডি-আইস: যা ঘটেনি সেটাই দেখেন আসক্তরা

চেকপোস্ট অমান্য করা দ্রুতগতির গাড়ি কেড়ে নিলো পুলিশ সদস্যের প্রাণ

চেকপোস্ট অমান্য করা দ্রুতগতির গাড়ি কেড়ে নিলো পুলিশ সদস্যের প্রাণ

চেকপোস্ট অমান্য করা দ্রুতগতির গাড়ি কেড়ে নিলো পুলিশ সদস্যের প্রাণ

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০২১, ১৫:৩৩

ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়েতে দ্রুতগতির প্রাইভেট কারের চাপায় পুলিশ কনস্টেবল রাব্বি ভূঁইয়া নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া থানাধীন দোহাজারী হাইওয়ে থানার সামনে পুলিশ চেকপোস্টে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, সরকারি বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে চেকপোস্ট পরিচালনার সময় একটি প্রাইভেট কারকে থামতে সংকেত দেওয়া হয়। এরপর চেকপোস্ট অমান্য করে দ্রুতগতিতে যাওয়ার সময় একটি প্রাইভেট কারটি দুই পুলিশ কনস্টেবলকে চাপা দেয়। এসময় ঘটনাস্থলেই কনস্টেবল রাব্বি ভূঁইয়া নিহত হন। এছাড়া কনস্টেবল মোহাম্মদ আরাফাত আহত হয়।

হাইওয়ে কুমিল্লা রিজিয়নের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রহমত উল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, চাপা দেওয়ার পর গাড়িটিকে আটক করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু চালক পালিয়ে গেছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

কনস্টেবল রাব্বি ভূঁইয়া ২০১৬ সালের ১২ আগস্ট বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে কনস্টেবল পদে যোগদান করেন। তার গ্রামের বাড়ি নরসিংদী জেলার পলাশ থানায়। 

 

/আরটি/এনএইচ/

সম্পর্কিত

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে: ইউজিসি

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে: ইউজিসি

শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট

শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট

ভয়ংকর এলএসডি-আইস: যা ঘটেনি সেটাই দেখেন আসক্তরা

ভয়ংকর এলএসডি-আইস: যা ঘটেনি সেটাই দেখেন আসক্তরা

ডা. এম এ মোহায়মেন মারা গেছেন

ডা. এম এ মোহায়মেন মারা গেছেন

সর্বশেষ

কোনও অত্যাচারের পরিণতি ভালো হয় না: নওশাবা

কোনও অত্যাচারের পরিণতি ভালো হয় না: নওশাবা

বিসিবি অ্যাওয়ার্ড নাইট চালু প্রসঙ্গে যা বললেন পাপন

বিসিবি অ্যাওয়ার্ড নাইট চালু প্রসঙ্গে যা বললেন পাপন

কারখানায় নামাজ আদায় ও টুপি পরতে মানা, শ্রমিকদের ‘বিক্ষোভ’

কারখানায় নামাজ আদায় ও টুপি পরতে মানা, শ্রমিকদের ‘বিক্ষোভ’

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে: ইউজিসি

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষায়িত ল্যাব স্থাপন করা হবে: ইউজিসি

শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট

শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট

শেখ কামালের জন্মদিনে বিসিবিতে মিলাদ ও দোয়া

শেখ কামালের জন্মদিনে বিসিবিতে মিলাদ ও দোয়া

খুলনায় প্রস্তুত ৩০৭ বুথ, টিকা পাবে ৬১৪০০ জন

খুলনায় প্রস্তুত ৩০৭ বুথ, টিকা পাবে ৬১৪০০ জন

ভয়ংকর এলএসডি-আইস: যা ঘটেনি সেটাই দেখেন আসক্তরা

ভয়ংকর এলএসডি-আইস: যা ঘটেনি সেটাই দেখেন আসক্তরা

সোয়া দুই কোটি টাকা ভ্যাট দিলো গুগল

সোয়া দুই কোটি টাকা ভ্যাট দিলো গুগল

ডা. এম এ মোহায়মেন মারা গেছেন

ডা. এম এ মোহায়মেন মারা গেছেন

শেখ কামাল ক্রীড়া পুরস্কারে সালাউদ্দিন-রোমানদের উচ্ছ্বাস

শেখ কামাল ক্রীড়া পুরস্কারে সালাউদ্দিন-রোমানদের উচ্ছ্বাস

চেকপোস্ট অমান্য করা দ্রুতগতির গাড়ি কেড়ে নিলো পুলিশ সদস্যের প্রাণ

চেকপোস্ট অমান্য করা দ্রুতগতির গাড়ি কেড়ে নিলো পুলিশ সদস্যের প্রাণ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ঋণগ্রহীতার গুদামেই জামানত, খেলাপি প্রতিষ্ঠানকে আবার ঋণ!

জনতা ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারি পর্ব-৩ঋণগ্রহীতার গুদামেই জামানত, খেলাপি প্রতিষ্ঠানকে আবার ঋণ!

ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই শিশুর দণ্ড: ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যাখ্যা চাইলেন হাইকোর্ট

ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই শিশুর দণ্ড: ম্যাজিস্ট্রেটের ব্যাখ্যা চাইলেন হাইকোর্ট

উপ-নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করতে পারবে ইসি, হাইকোর্টের নির্দেশ

সিলেট-৩ আসন উপ-নির্বাচনের নতুন তারিখ নির্ধারণ করতে পারবে ইসি, হাইকোর্টের নির্দেশ

করোনা আতঙ্কের মধ্যেই ডেঙ্গুর আশঙ্কাজনক রূপ

করোনা আতঙ্কের মধ্যেই ডেঙ্গুর আশঙ্কাজনক রূপ

ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি

ফুলকোর্ট সভা ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি

টানা ডিউটিতে ‘ক্লান্ত’ পুলিশ

টানা ডিউটিতে ‘ক্লান্ত’ পুলিশ

কাকরাইলে গ্যারেজের আগুন নিয়ন্ত্রণে

কাকরাইলে গ্যারেজের আগুন নিয়ন্ত্রণে

কাকরাইলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

কাকরাইলে গাড়ির গ্যারেজে আগুন

২৩ ভবন মালিককে সোয়া ২ লাখ টাকা জরিমানা

২৩ ভবন মালিককে সোয়া ২ লাখ টাকা জরিমানা

মাকে তাড়িয়ে দেওয়া সন্তানদের সতর্ক করলো পুলিশ

মাকে তাড়িয়ে দেওয়া সন্তানদের সতর্ক করলো পুলিশ

© 2021 Bangla Tribune