X
শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল ২০২১, ১০ বৈশাখ ১৪২৮

সেকশনস

প্রসঙ্গ মাল্যবান

বৃষ্টির মতো এখানে হীরার টুকরা ঝরছে

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৪:০৭

অপেক্ষার রং কালো। মানে ও সবকটা রং শুষে নিয়েছে। এই তো মনে হলো, যখন ‘মাল্যবান’ পড়লাম।

প্রথম মুগ্ধ করল ভাষা। এত মধু কেন ভাষায়? হ্যাঁ, বাংলা ভাষা মধুক্ষরা, ছি ছি, সে তো যেকোনো ভাষাই। সাহিত্যিক তো ভাষার মধুর মৌমাছি। তার মৌচাকে উৎকৃষ্ট মধু সে সংগ্রহ করবে এটাই স্বাভাবিক, এটাই তার জন্য সহজ।

‘কবির ভাষা’ বলে একটা নামডাক আছে। ‘মাল্যবান’-এ ভাষার বিলাসিতা আছে, কিন্তু কোথাও কবির ভাষা খুঁজে পেলাম না। উপমার ভেতর একটা হাতে ধরার, ঘ্রাণ নেওয়ার গুণ থাকতে হয়। সেই গুণ তৈরির পথ গল্প আর কবিতায় আলাদা। আমি গুণ তৈরির গল্পের পথটাই পেলাম। তবে তার গল্পগুলোকে যদি কবিতায় রূপান্তরিত করা যায়, সেসব ২০১১ থেকে ২১ সালের উৎকৃষ্টতম কবিতা হয়ে উঠবে।

আমি জীবনানন্দ দাশের উপন্যাস পড়িনি আগে। ‘মাল্যবান’ নামটা প্রথম শুনি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কোনো লেখায়। নামটা সকালবেলার মতো ভালো লেগেছিল। মনে হয়েছিল, হাতে কাগজের গাঁদাফুলের মালা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এক রূপবান পুরুষ, বয়স ত্রিশের মতো। যাহোক, মাল্যবানের বয়স বেয়াল্লিশ। মিলল না। তবে কাগজের মালা নিয়ে সে দাঁড়িয়ে ছিল সত্যিই। হ্যাঁ, মাল্যবান কাগজের মালা হাতে দাঁড়িয়ে আছে। ফুলে সুবাস নেই। তা শুধু সুন্দর। আর কার গলায় পরাবে মালাটা? সে মানুষটা নেই। হাতের মালা কি হাতেই রয়ে যাবে?

মাল্যবান তার স্ত্রীর কাছে গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য লড়ছে। সে কী সংগ্রাম! আর সংগ্রাম তখনই চলমান, যখন হয় সংগ্রামী বেঁচে আছে আর লক্ষ্য থেকে যাচ্ছে অধরা। সংগ্রামী হলেও মাল্যবান কেবলই কোণঠাসা হচ্ছে। স্ত্রীর কাছে তার মনটা বেধড়ক পিটুনি খাচ্ছে (না, এখানে স্পয়লার নেই। আমি গল্প বলে দেবো না)। মার্কিন চিত্রনাট্যকার জন ট্রুবির একটা কথার আমি এরকম অর্থ করেছি, কোনো চরিত্রকে প্রিয় করে তোলে দুটো বিষয়। এক, তার দুর্বলতা। দুই, তার ব্যাকস্টোরি। মাল্যবানের পেছনের গল্পটা বনের ধারে সন্ধ্যার মতো।

যখন পড়ছি, আমার চোখে একটা নীরব নদীর ছবি ভেসে উঠেছে, যে নদীর ওপারে বন, এপারেও। সময়টা সন্ধ্যা। আর নদীর কূলে বারো থেকে চৌদ্দ বছরের একটি ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। ভীত। কিন্তু সে পথ হারায়নি। নিজেই নিজেকে এখানে নিয়ে এসেছে। তারপর ভয় পাচ্ছে। তবু দাঁড়িয়ে আছে। চলে যা! যাবে না। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভয় খেতে থাকবে। ভয়কে বুঝতে চাইবে। কিন্তু এর শেষ দেখতে চাইবে না। শেষ দেখার জন্য সে ঈশ্বরের ওপর ভরসা করে আছে। অথচ, ঈশ্বরে তার বিশ্বাস নেই।

কী আশ্চর্য, উৎপলা এমনভাবে কথা বলছে, যেন মাল্যবান মানুষ নয়। অতি সাধারণ গৃহস্থালি কথায় মাল্যবানকে সে এত নীচে নামাচ্ছে যেকোনো সদাচারী মানুষের পক্ষে অসম্ভব। তীব্রতা এতটাই উৎপলাকে ঠিক স্বাভাবিক মনে হয় না। এমন অকারণ ঘৃণা ছড়াচ্ছে কেন রে মেয়েটা? মনে কি কোনো গোপন ব্যথা আছে? অথবা এমন কি হতে পারে যে মাল্যবানকে সে জাগাতে চায়? জ্বরের ঘোরে আমরা যেভাবে শত্রুকে মারি, বারবার কিল ঘুষি চাপড় দেই কিন্তু তাদের রাবারের মতো শরীরে কিছুই যেন লাগে না, যত লাগে না তত ক্ষেপে উঠি, অনেকটা তেমন। উৎপলা কিসে এমন জ্বরগ্রস্ত? সক্রেটিসের স্ত্রী জানথিপে বুঝি অমন ছিলেন? মাল্যবানের আচরণে সক্রেটিসের ছায়া আছে। তবে ছায়াই। শরীর না।  

হঠাৎ হঠাৎ তাদের অতীতের আলো এসে পড়েছিল কয়েকবার। উৎপলার অতীতটাও তেমনই আড়াল করা, যেমন আড়ালে মাল্যবানের। স্বদেশি আন্দোলনের নায়কেরা উৎপলার মনে হবু বরের একটা ভাবমূর্তি তৈরি করে দিয়ে গেছে। সেই ভাবমূর্তিটার সাথেই তো বেচারি মেলাতে চাচ্ছে মাল্যবানকে। মিলছে না তো হাতুড়ি ছেনির ঘা মারছে। কিন্তু উৎপলা তো শিল্পী নয়। যদিও তার এসরাজ বাজানো হাত। মাল্যবানের হাতে কোনো ছেনি নেই, হাতুড়ি নেই। তার হাতে তো কাগজের মালা। তবে হাত দুটো ব্যথা করতে থাকে মালা ধরে রাখতে রাখতে। একা জীবন মাল্যবান ভয় করে। একা থাকার নিয়তি তার নয়। সুখী হওয়ার নিয়তিও তার নয়। মাল্যবান মালাটা নিজের গলাতেই তুলল। তার নামটাও বুঝি তার প্রতীক হয়ে ঠোঁট টিপে হাসছে।

মাল্যবানের চিড়িয়াখানাটা আমাকে ভোগাবে রে। যখন মাল্যবানের ওই জায়গাটা ভোর ৫টা ছুঁই ছুঁই বলেই কিনা জানি না, মাথার ভেতর একটা বদ্ধ সরোবর তৈরি হয়েছিল। সরোবরের ওপর কুয়াশা ঝুলে ছিল। আমি কুয়াশার ভেতর দিয়ে দেখছিলাম ওদের। জীবনানন্দকে দেখলাম অপদেবতার মতো হাসতে হাসতে ওদের পেছন পেছন চলেছে। 

গোটা চিড়িয়াখানায় সবাই বাঘ সিংহ সিন্ধঘোটক হাতি বানর—এদের দেখেছে। তবে আসল চিড়িয়া দুটি এসেছে ওদের দেখতে। বানরেরা প্রত্যেকে গরাদ ধরে হাসছিল। এমনকি ধনেশ, শামকল পাখিও। ওরা এমন চরকির মতো পাক খাচ্ছিল, যদি বের হতে চায়, ভাঙা পড়তে হবে। যদি ভাঙা না পড়ে, তো আমরণ ঘুরেই যাবে। এ জায়গাটায় কাফকায়েস্ক। কাফকায়েস্ক আমি মাল্যবানে আরো অন্তত তিনটি জায়গায় পেলাম। বিশেষ করে মাল্যবানের ঘরে তা কাফকার চেয়ে নিরেট মনে হয়েছে আমার!

উপন্যাসের মাঝামাঝি মানে রণক্ষেত্রে মাঝমাঠ। মাল্যবান ঘুরে দাঁড়িয়েছে। গ্রাফে ওপরে চড়ছে। সেয়ানে সেয়ানে গুলি বিনিময়।

মাল্যবান, উৎপলার কথা বলেছি, মনুর কথা বলব না? সে প্রকটভাবেই আছে, তবু তার যেন কোনো অস্তিত্ব নাই। এই মানুষগুলোকে মধ্যবিত্ত রান্নাঘরে চুলার আড়ালে পড়া দেয়ালের মতো করে আঁকতে হয়। মনুকেও তেমনিভাবে আঁকা।

‘মাল্যবান’ পড়তে পড়তে আমার এক পরিচিত পরিবারের কথা মনে এলো। সেখানে স্বামী যে তেল কেনে, স্ত্রী অপ্রয়োজনেই তার সবটা কড়াইয়ে ঢেলে দেয়। স্ত্রী যে ডাল রাধে, স্বামী তার সবটা প্লেট ডুবিয়ে ঢেলে নেয়। বাইরে এমন তুচ্ছ সব প্রকাশ। অথচ, ভেতরে পরস্পরের প্রতি ঘৃণার প্রতিযোগিতা। গ্রাফ বোরাকের মতো ঊর্ধ্বমুখী। ব্যক্তিত্বের লড়াইয়ে তেলে ঝালপোয়া পুড়ে শক্ত হয়ে গেল, ডাল সব শেষ হয়ে গেল, মাঝখান থেকে মেয়েটা কিছু খেতে পেল না। তবে বাবা-মায়ের প্রতিযোগিতাটা চলল। একটা চরকির মতো, একটা সেন্টারে যার সার্কলটা আটকে গেছে। সেন্টারটা ভেঙে ফেলবে সাধ্য কোথায়। সাধ্যটা চুরি করে নিয়ে গেছে সমাজ, নির্ভরশীলতার শেকল, আর খুব সম্ভব, যৌনতা।

‘মাল্যবান’ একটা বিষের শিশিকে ভালোবাসার গল্প। যে শিশি পড়ে ভেঙে গেল কিনা হঠাৎ হঠাৎ এসে মাল্যবান আর উৎপলা দেখে যায়। সন্তুষ্ট হয়ে ফিরে যায়, না ভাঙেনি।

এই আবিষ্কার আমার আরো আগে কেন হলো না? ‘মাল্যবান’টা পড়া হলো। আমি কেন পড়িনি আরো আগে? না পড়লে ক্ষতি হয়ে যেতে পারত। আমি কী ভেবে অপেক্ষা করেছিলাম?

২.

বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরির কিছু ব্যাকরণ আছে। মাল্যবান আর উৎপলা যখন শোবার ঘরে, কেন আমি তাদের অন্ধকারের ঘরের এক কোণে ইঁদুরের উৎপাতের ভেতর দাঁড়িয়ে থাকছি? যখন ওরা খাবার টেবিলে, কেন আমি মাল্যবানের কাঁধে হাত রেখে তার প্লেটের দিকে তাকিয়ে আছি, নইলে জানালার সবুজ শিক ধরে দাঁড়িয়ে বাইরে তাকিয়ে আছি, ওদের দিতে তাকাতেও রুচি হচ্ছে না? কেন আমার পড়ার ঘর বিবমিষা জাগানো অথচ একইসঙ্গে হাস্যকর সব উপকরণে ভরে উঠল? কারণ, ডিটেল। শরীর ঢেকে দেওয়া জড়োয়া ডিটেল নয়। এই ডিটেল চারু ও আন্তরিক। অন্ধকারে রাস্তায় ডাকতে ডাকতে যে কুকুর চলে গেল, সে মিরপুরের যেকোনো নেড়িকুকুর হলে পাঠকের কাজ চলে যাবে। কিন্তু তা যদি হয় বেনারসি পল্লির সেই লেজকাটা সাদা কুকুর, ডিটেল চারুতা পায়, পাঠক সম্মান পায়।

গল্পের লেখক যে সাধনায় পাঠককে সম্মান দেওয়ার উপায় আত্মস্থ করেন সে সাধনা গল্পের মৌলসাধনা। জীবনানন্দ এমন সাধক যখন তার সাধনার বর লুকিয়ে রাখেন, তার পেছনে নিশ্চয়ই কোনো উদ্দেশ্য থাকে। ওটা নিছক খেয়াল নয়। হয়তো প্রকৃতির মতোই বড় কোনো পরিকল্পনার অংশ করে রেখেছিলেন এসব কাজকে, জীবনানন্দ। নয়ত সময়ের অপেক্ষায় ছিলেন, যেসময় জীবন তাকে দেয়নি।

যারা নারুতো দেখেছে তারা মনে করতে পারবেন, গারা নামে একটা চরিত্র আছে, কিশোর বয়সী। সেই কিশোরে শরীরের ভেতর মরুভূমির এক দানব মন্ত্রবন্দি করা আছে। মন্ত্রটা ভেঙে পড়লেই গিয়ে তার শরীর থেকে সেই দানব বেরিয়ে এলো। দেখা গেল শক্তিশালী, বিষাদগ্রস্ত, নৃশংস যে গারা, তার ভেতর মন্ত্রবন্দি মরুভূমির দানবটা ভীষণ মজার লোক। ফুর্তির ঢেউ সারাক্ষণ তার হাত পায়ের সঞ্চালনে, কথার তরঙ্গে তোলপাড় খেলছে। জীবনানন্দকে আমার সেই দানব মনে হলো। ভয়ানক ক্ষমতাশালী, বিষাদী, কৌতুকে ভরা মন। তার শব্দচয়নগুলো ঝনঝনিয়ে বাজে। জানালায় টোকা মারে না। দুম করে কপাট খুলে ঢুকে পড়ে।

জীবনানন্দ সম্বন্ধে যে দুঃখী বলে একটা রপ্তধারণা আছে, মাল্যবানে লেখককে সামনে পেছনে ওপর নিচ মিলিয়ে চিনতে পেরে তার সঙ্গে বেশি মিল পাওয়া যায় না।

নতুন কোনো উত্তেজনার খবর পার্লিয়ার সাথে শেয়ার না করে পারি? ও বাইরে থেকে এসেছে, ক্লান্ত। কথা শোনার মুডে ছিল না। এসময় ওর ইংরেজি হ্যাশট্যাগ চলে।

‘জীবনানন্দ কেন তাঁর সময়ে সমস্ত উপন্যাস ট্রাঙ্কে আটকে রেখেছিলেন জানো?’

‘হোয়াই?’

‘আমার মনে হয় তিনি শুধু কবি পরিচয়টা চেয়েছিলেন।’

‘ক্যুড বি।’

‘যদি এসব প্রকাশ পেত তখন-তখনই, ইতিহাস হয়ত অন্যভাবে লেখা হতো।’

‘হোয়াই? লাইক?’

‘জীবনানন্দ বোধ হয় তাঁর সময়ের নম্বর ওয়ান ঔপন্যাসিক ছিলেন।’

প্রথম পার্লিয়া আগ্রহী হয়ে উঠল।

‘হোয়াট!’

‘ইয়েস মাই লেডি! তাঁর ভাষা, চেতনাপ্রবাহের ধারা তখনকার। কিন্তু ডার্কনেসটা এখনকার। উপন্যাসে ভদ্রলোক মানিকগোত্রীয়। কিন্তু উপন্যাসে মানিক আমাকে যা দিতে পারেননি, মাল্যবানে জীবনানন্দ আমাকে তা দিয়েছেন।’

‘আনবিলিভেবল! বোধ হয় তোমার চাওয়াটা কম ছিল, তাই মনে হচ্ছে।’

‘আমি নিশ্চিত, জীবনানন্দ উপন্যাসে রবীন্দ্রনাথের চেয়ে বড় প্রতিভা।’

‘রিডিকিউলাস! বোধ হয় নতুন পাঠের উত্তেজনা থেকে তুমি বলছ!’

বন্যা যখন উচ্চতম বিপদসীমা স্পর্শ করছে, উপরিতলের জলে উচ্ছ্বাস তখন সবচেয়ে কম। কিন্তু স্রোতের মোমেন্টাম সবচেয়ে বেশি। উচ্চতম বিপদসীমার ধরে চরিত্রকে বাঁচিয়ে রেখে রেখে এগিয়ে নিয়ে, ওই অল্প উচ্ছ্বাসের ভেতরও চরিত্রের উন্মাদনাকে প্রকাশ করা গদ্যের অশেষ সাধনার ব্যাপার। সঙ্গে যদি বাঁকানো বাস্তবতা থাকে যাকে পরাবাস্তবতা বলা যায়, যদি আকার দেওয়া পরাবাস্তবতা থাকে যাকে জাদুবাস্তবতা বলা যায়, সেই সাহিত্য ঝাঁপে ঝাঁপে ভবিষ্যৎ পার হতে থাকে।

মাল্যবান তেমন উপন্যাস। আচ্ছা এ উপন্যাস নিয়ে কি এগোবে কোনো আজকের কোনো চলচ্চিত্রকার? বৃষ্টির মতো এখানে হীরার টুকরা ঝরছে!

/জেডএস/

সম্পর্কিত

শূন্য প্রান্তরে একা

শূন্য প্রান্তরে একা

শঙ্খ ঘোষের পাঁচটি কবিতা

শঙ্খ ঘোষের পাঁচটি কবিতা

ঐশী গল্প

ঐশী গল্প

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

সর্বশেষ

শূন্য প্রান্তরে একা

শূন্য প্রান্তরে একা

শঙ্খ ঘোষের পাঁচটি কবিতা

শঙ্খ ঘোষের পাঁচটি কবিতা

ঐশী গল্প

ঐশী গল্প

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

অন্যমনস্কতার ভেতর বয়ে যাওয়া নিঃশব্দ মর্মর

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

মজিদ মাহমুদের সাক্ষাৎকার

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

শামসুজ্জামান খান : বাঙালি সংস্কৃতির অতন্দ্র প্রহরী

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

স্মৃতিতে বোশেখী মেলা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

Bangla Tribune is one of the most revered online newspapers in Bangladesh, due to its reputation of neutral coverage and incisive analysis.
© 2021 Bangla Tribune