X
বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ১৩ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

বঙ্গবন্ধু ১০০ বাংলাদেশ ৫০

আপডেট : ২১ মার্চ ২০২১, ১৬:০০

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন বাংলাদেশ স্বাধীন করেন, একটি স্বাধীন জাতির জন্ম দেন, তখন তার বয়স মাত্র পঞ্চাশ বছর। ১৯৪৮ সালে যখন তিনি ভাষা আন্দোলনের সূচনা করেন এবং পূর্ব পাকিস্তানকে একটি স্বাধীন অস্তিত্ব দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগোতে শুরু করেন তখন তার বয়স ত্রিশের কোঠাও পেরোয়নি। ভাবতে নিশ্চয়ই অবাক লাগার কথা যে, এরপর থেকে এই মানুষটি আর সংসার করেছেন কিংবা শান্তিময় পারিবারিক জীবনযাপন করেছেন বলে আমরা প্রমাণ পাই না। পঞ্চান্ন বছরের জীবনে ১৩ বছরেরও অধিককাল তিনি কাটিয়েছেন জেলখানায়। তার মানে পঞ্চান্ন বছরের ক্ষুদ্র জীবনে তিনি বাইরে ছিলেন ৩৭ বছর মাত্র। এই ৩৭ বছরের থেকে আমরা যদি শৈশব ও কৈশোরকালটি বাদ দেই, তার মানে যদি ১৮ বছর থেকে একজন মানুষের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার কালপর্বটি ধরা হয় তাহলে মাত্র ১৯ বছরকাল সময় তিনি প্রকৃতপক্ষে কাজ করতে পেরেছেন। এবং এই ঊনিশ বছরে তিনি একটি স্বাধীন দেশ সৃষ্টি করে, একটি জাতিকে নবজন্ম দিয়ে বাঙালি হিসেবে তার একটি আত্মপরিচয় দিয়ে, একটি ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’কে সুদৃঢ় ও সক্ষম একটি অর্থনৈতিক ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশ নামটিকে তিনি ‘হাইলাইট’ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এর বিনিময়ে তাকে বাঙালি কী দিয়েছে? শিশুসন্তানসহ সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা এবং জীবৎকালে মিথ্যা সমালোচনা এবং মৃত্যু-পরবর্তীকালে নোংরা ও বিকৃত অপবাদ। গত ১৭ই মার্চ ছিল মহান মানুষটির শততম জন্মবার্ষিকী।

বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকীর অর্থ হচ্ছে বাংলাদেশের বয়স হলো ৫০ বছর। কারণ, ৫০ বছর বয়সে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন করেছিলেন। এই পথ খুব সহজ ছিল না, সে কথা আজকের বাংলাদেশে দাঁড়িয়েও খানিকটা উপলব্ধি করা যায়। সেটা কীভাবে সে কথায় পরে আসছি। তার আগে এ কথা বলে নিতে চাই যে, বঙ্গবন্ধু ১৯৪৮ সালে যে সত্য উপলব্ধি করেছিলেন যে, পাকিস্তানের সঙ্গে আসলে একীভূত হয়ে টেকা যাবে না। কারণ, এই ভারত ভাগের ভেতর দিয়ে যে দু’টি রাষ্ট্রের জন্ম হলো, তারমধ্যে পাকিস্তান রাষ্ট্রটি সর্বার্থেই অদ্ভূত। ধর্মের ভিত্তিতে পাকিস্তান হলেও বিপুল সংখ্যক হিন্দু ধর্মাবলম্বীর বাস এই পাকিস্তানে। ভারতে বিপুল সংখ্যক মুসলমানের বসবাস হলেও সে দেশটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে যে সংবিধানটি গ্রহণ করতে সক্ষম হয় তা মূলত সেক্যুলার অর্থাৎ সর্বধর্ম সমন্বয়ের। আর পাকিস্তানে দ্রুততম সময়ে একটি সংবিধান প্রণয়ন তো দূরের কথা, স্বাধীনতার মাত্র বছরখানেকের মাথায়ই গণতন্ত্রকে নড়বড়ে করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র শুরু হয়। কথিত আছে যে, পাকিস্তানের জাতির পিতা মুহম্মদ আলী জিন্নাহ্কে প্রকারান্তরে হত্যাই করা হয়েছিল এবং প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানকে মূলত ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছিল ষড়যন্ত্র করে। এমনকি এতকাল পরে এসেও পাকিস্তান একটি সর্বসম্মত সংবিধান প্রণয়ন করতে পারেনি, এখনও দেশটিতে কথায় কথায় রাষ্ট্রক্ষমতার দখল নেয় সেনা বাহিনী এবং কোনও নির্বাচিত সরকারপ্রধানই সে দেশে মেয়াদ পূরণ করতে পারে না বলে কথা রয়েছে। এই পাকিস্তানের সামরিক-বেসামরিক আমলাতন্ত্রের নিগঢ় ভেঙে বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ডটিকে আলাদা একটি জাতি পরিচয়ের ভিত্তিতে স্বাধীন করা যে চাট্টিখানি কথা নয়, তার প্রমাণ আমরা পাই মাত্র নয় মাসের যুদ্ধে ত্রিশ লাখ মানুষকে হত্যা এবং দুই লক্ষ নারীকে ধর্ষণের ঘটনার ভেতর দিয়ে। কতটা ভয়ংকর এবং নিষ্ঠুর হতে পারলে মাত্র নয় মাসে এত মানুষকে হত্যা করতে পারে একটি সেনাবাহিনী, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ চলেছিল প্রায় ছয় বছরকাল, বছরের হিসাবে সেই যুদ্ধেও বাংলাদেশের তুলনায় কম মানুষ মারা গেছে। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ ছিল বহুপাক্ষিক, আর বাঙালির স্বাধীনতা যুদ্ধ ছিল মূলত একপাক্ষিক, পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ছিল এক্ষেত্রে মূল শত্রু এবং তাদের দেশীয় দোসররা ছিল তাদের একমাত্র সঙ্গী। মার্চে আক্রমণ শুরু হওয়ার প্রায় আট মাস পরে ভারত এই যুদ্ধের একটি অংশ হয়ে ওঠে বটে, কিন্তু তখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও পাকিস্তানের পক্ষে যারা ছিল তাদের মধ্যে অনেকেই এখন যেচেপড়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে চাইলেও সে সময়ের বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। এরকম সম্পূর্ণ বৈরী পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করা যে একমাত্র বঙ্গবন্ধুর পক্ষেই সম্ভব ছিল, এ কথা আজ সকল গবেষকই স্বীকার করেন। আর কারও পক্ষেই বিভক্ত বাঙালিকে ঐক্যবদ্ধ করা সম্ভবপর ছিল না।

মোটকথা, ভাষা আন্দোলনের সময়কাল থেকেই আমরা এই বিভক্তির লক্ষণ দেখতে পাই। তারও আগে পাকিস্তান আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু নিজে পাকিস্তানের পক্ষে কাজ করলেও অতি দ্রুত তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে, কত বড় ভুলের ঘটনা ঘটে গেছে কিন্তু পাকিস্তানের বাস্তবতা মেনে নিয়েই পাকিস্তানের নিগড়ে থেকেই নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের হাত থেকে বাঙালিকে নিষ্কৃতি দিতে চেয়েছিলেন। সে জন্য অপেক্ষা করেছেন, নেতৃত্বগুণে সকলকে একত্রিত করেছেন, কৌশল প্রণয়ন করেছেন এবং একজন রাজনীতিবিদ হয়েও রণকৌশল নির্ধারণে তিনি যেকোনও বিখ্যাত সামরিক নেতাকেও হার মানিয়েছেন, হয়ে উঠেছেন ‘জেনারেল পাবলিক’-এর ‘জেনারেল’। আর স্বাধীনতার পর সংবিধান প্রণয়ন থেকে আন্তর্জাতিক ভাবে ‘বাস্কেট কেইস’ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া রাষ্ট্রের জন্য সামষ্টিক অর্থনীতি প্রণয়ন ছিল আরও দুরূহ এবং কষ্টসাধ্য ব্যাপার। বঙ্গবন্ধু সেটিও সফলভাবে করে দেখাতে পেরেছিলেন স্বাধীনতার মাত্র এক বছরের মাথায়। আমরা ভুলে যাই যে, বঙ্গবন্ধু এই রাষ্ট্র ও তার জনগণকে একদম নিজের মতো করেই চিনতেন এবং বুঝতেন। সেই সময়ে বৈশ্বিক ট্রেন্ডকে মাথায় রেখে তিনি যে দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন তা একটি ভগ্নপ্রায়, বিভক্ত রাষ্ট্রের জন্য সর্বৈক উপযুক্ত ছিল তা পরবর্তীতে মালয়েশিয়া এবং সিঙ্গাপুরের শাসকদ্বয় আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছেন। দুঃখজনক সত্য হলো, সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বিশেষ করে পশ্চিমা বিরোধিতা তথা আন্তর্জাতিক কূট-রাজনীতি ততটা সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারেনি। তার কারণ হিসেবে আমরা অনেক কিছুই চিহ্নিত করতে পারলেও মূলত দু’টি বিষয়কে আমরা প্রাধান্য দিতে পারি।

এক. পুবের সঙ্গে পশ্চিমা বাণিজ্যের জন্য চীনের বাইরে সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়ার মতো দু’টি দ্বীপরাষ্ট্র যার একটির ভেতর দিয়ে আবার দুই পৃথিবীকে সংযোগকারী একটি প্রণালি চলে গিয়েছে সেটির প্রয়োজনীয়তা এবং, দুই. রাজনৈতিকভাবে সিঙ্গাপুর এবং মালয়েশিয়া দু’টি দেশ বাংলাদেশের মতো এতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না, অন্ততপক্ষে পশ্চিমের কাছে। এছাড়া একই সঙ্গে একথাও সত্য যে, এই দু’টি দেশেই ধর্ম-পরিচয়টা এতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল না, যতটা এখন গুরুত্বপূর্ণ, এবং বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যা তখনও চরম এক বাস্তবতা ছিল, এখনও যা তেমনই আছে। ভারত উপমহাদেশে আরেকটি মুসলিম-প্রধান রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয়তা তথাকথিত মুসলিম বিশ্ব কোনোদিনই উপলব্ধি করেনি আর পশ্চিম বাঙালি মুসলমানকে পাকিস্তানের বর্ধিত অংশ বলেই মনে করেছে। কিন্তু এই টানাপড়েনে বঙ্গবন্ধু বৈশ্বিকভাবে বাঙালিকে যে পরিচয় এনে দিতে সফল হয়েছিলেন সে পরিচয়ে এখন আর বাঙালি মুসলমান না থাকলেও পাকিস্তানের নিগড় থেকে বের হওয়ার জন্য বাঙালির ধর্মনিরপেক্ষ পরিচয়টি তৎকালীন উদার ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলোর জন্য বাংলাদেশ ও বাঙালিকে সমর্থন দেওয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। না হলে ভারতসহ সোভিয়েত পরাশক্তির সমর্থন সে সময় আর কোনোভাবেই আনা সম্ভব হতো বলে মনে করার কোনও কারণ আছে কি? নেই। আর এই দুই রাষ্ট্রের সমর্থন না থাকলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন কতটা সম্ভবপর হতো সে প্রশ্ন নিয়ে বেশি এগোনোর কিছুই নেই, আমরা শুধু উদাহরণ হিসেবে পাকিস্তানে বালুচ এবং সিন্ধিদের কথাই বলতে পারি। স্বাধীনতা তারাও চায়, জোরালোভাবেই চায় কিন্তু এ পর্যন্ত এই দুই জাতিগোষ্ঠীর স্বাধীনতার পক্ষে কোনও রাষ্ট্রকে কথা বলতে শোনা যায়নি, কোনোদিন যাবে বলেও মনে হয় না। অথচ পাকিস্তানে সামরিক বেসামরিক সকল সরকারই এই দুই জাতিগোষ্ঠীর স্বাধীন হওয়ার ইচ্ছাকে নিষ্ঠুরভাবে দমন করে চলেছে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকেই।

আজকে পাকিস্তান থেকে প্রায়ই আওয়াজ ওঠে ‘হামে বাংলাদেশ বানা দো’ (আমাদের বাংলাদেশ বানিয়ে দাও)– দুঃখজনক সত্য হলো, এই আওয়াজও আসলে ক্ষোভ থেকেই, বাংলাদেশকে ভালোবেসে নয়। এর কারণ আর কিছুই নয়, পাকিস্তান থেকে মাত্র ৫০ বছর আগে বাংলাদেশ আলাদা হয়েছে, এই ৫০ বছরে পাকিস্তান যা করে দেখাতে পারেনি, বাংলাদেশ তাই-ই করে দেখিয়েছে। অথচ বাংলাদেশের সামনে বাধার পাহাড় পাকিস্তানের তুলনায় কোনও অংশেই কম ছিল না। আকারে বড় দেশ পাকিস্তান, প্রাকৃতিক সম্পদে বাংলাদেশের চেয়ে পাকিস্তান সমৃদ্ধশালী, কেবল তাই-ই নয়, পঞ্চাশ বছর আগে যে বিশাল অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাঙালিকে বঞ্চিত করে পশ্চিম পাকিস্তানে হয়েছিল তার প্রায় পুরো অর্থায়নই হয়েছিল বাঙালির টাকায়। ফলে স্বাধীন বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় খুব সহজেই ‘বাস্কেট কেইস’ আখ্যা দিতে পেরেছিল। অপরদিকে পাকিস্তান বাংলাদেশ বিচ্ছিন্ন হয়ে আর নিজের শক্তিতে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। বাংলাদেশের অর্থায়ন ছিল বলেই ইসলামাবাদ কিংবা পিন্ডির মতো এরকম আধুনিক শহর নির্মাণ করতে পেরেছিল কিন্তু তারপর এই পঞ্চাশ বছরে পাকিস্তানে দ্বিতীয় কোনও নগর পত্তন হয়েছে বলে নজির নেই। সর্বসম্প্রতি গাওয়াদর বন্দরকে কেন্দ্র করে যে অর্থনৈতিক করিডোর পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক শিরোনামে নিয়ে আসছে বারবার তা মূলত চীনের ভারতবিরোধী অর্থায়ন এবং এই বিশাল চৈনিক বিনিয়োগ যে পাকিস্তানকে একটি দেউলিয়া রাষ্ট্রে পরিণত করতে যাচ্ছে সে বিশ্লেষণ অর্থনীতির যেকোনও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম খুললেই চোখে পড়বে। যেকোনও সূচকেই পাকিস্তানের চেয়ে কয়েক কদম এগিয়ে বাংলাদেশ– এই সত্য পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ, গবেষক কিংবা চিন্তকদের পক্ষে হজম করা কঠিন, ফলে তারা হতাশ হয়েই বারবার বলছেন যে, তাদের যেন বাংলাদেশ বানিয়ে দেওয়া হয়। এটা অক্ষমের ফাঁকা বুলি। কারণ, গত পঞ্চাশ বছরে পাকিস্তান রাষ্ট্রটি আর কিছু না পারুক সে দেশের জনগণকে পুরোপুরি অক্ষম এক প্রপঞ্চে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছে।

সেটা কী করে এবং সেখান থেকে বাংলাদেশেরও কী শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে সে বিষয়ে পরবর্তী কিস্তিতে বাংলা ট্রিবিউনের সুবর্ণজয়ন্তীর বিশেষ আয়োজনের কলাম বিভাগে আলোচনা করার আগ্রহ রাখি।

লেখক: ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, দৈনিক আমাদের অর্থনীতি

[email protected]

/এসএএস/এমএমজে/

সম্পর্কিত

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

সালাউদ্দিনের স্মৃতিতে

কেমন ছিল মুক্তিযুদ্ধের সেই দিনগুলো

আপডেট : ২১ জুলাই ২০২১, ২৩:০৬

মুক্তিযুদ্ধে অস্ত্র হাতে পাক হানাদার বাহিনীদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে একদল বীর বাঙালি। আরেকটি দল ছিল, যারা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ না করলেও মাঠে ফুটবল খেলে দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছে। যারা স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল নামেই পরিচিত। ভারতের বিভিন্ন শহরে ফুটবল খেলে জনমত গড়ে অর্থ সংগ্রহ করেছে দলটি। যুদ্ধের সময় জাকারিয়া পিন্টু-কাজী সালাউদ্দিন-নওশেরুজ্জামানদের কম ত্যাগ স্বীকার করতে হয়নি। কোনও সময় আধপেটা থাকতে হয়েছে, কখনোবা ঘুমানোর জায়গাও ঠিকমতো জোটেনি!

তারপরও তাদের দমানো যায়নি। শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেছেন মাতৃভূমির জন্য। আর সেই দলটির সবচেয়ে কনিষ্ঠ সদস্য ছিলেন কাজী সালাউদ্দিন। মাত্র সাড়ে ১৬ বছর বয়সে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ দিয়েছিলেন অন্যদের সঙ্গে। স্বাধীন না হওয়া পর্যন্ত দলটির সঙ্গে থেকে বিভিন্ন শহরে প্রদর্শনী ম্যাচ খেলেছেন। লাল-সবুজ পতাকার জন্য গড়েছেন জনমত।

দেশের জন্য ফুটবল খেলে লড়াই করতে যাচ্ছেন, তাই ধরেই নিয়েছিলেন সামনে বিপদসংকুল রাস্তা অপেক্ষায়মান। আর পরতে পরতে সেই বাধা অতিক্রমও করে গেছেন।

সেই দিনগুলো মনে পড়লে এখনও নস্টালজিক হয়ে পড়েন দেশের ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তি কাজী সালাউদ্দিন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নিই। পেছনে ফিরে আর তাকাইনি। জানি এই লড়াই-সংগ্রামে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হবে। তারপরও পিছপা হইনি। লক্ষ্য ছিল, যেভাবেই হোক দেশকে স্বাধীন করতে সরাসরি ভূমিকা রাখতে হবে। সেটাই করার চেষ্টা করেছি।’

সাড়ে ৮ মাসব্যাপী ফুটবল খেলে নানান সময় বিভিন্ন ধরনের কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। সালাউদ্দিন সেই স্মৃতি রোমন্থন করলেন এভাবে, ‘আমাদের এমনও দিন গেছে আধপেটা খেয়ে থাকতে হয়েছে। দেখা গেছে খাবার সংকট। তাই আমরা বেশি সময় ধরে অনুশীলন করে গেছি। যেন একবেলা না খেতে হয়। এমন সময় কেটেছে আমাদের একাধিক দিন। তারপরও আমরা ভেঙে পড়িনি।’

খাবারের পাশাপাশি আবাসন সংকটও ছিল তীব্র। একটা বাসার মধ্যে পুরো দল থেকেছে। সেখানেই রান্না-বান্না। বলতে গেলে দুর্বিষহ জীবন কেটেছে। সালাউদ্দিনের ভাষায়, ‘এক বাসাতে যদি ৩০ জন থাকে, ঘুমায়, বাথরুম একটি, তাহলে বুঝে নিন কতটুকু কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। তারপরও আমরা মুখ বুঝে মেনে নিয়েছি। কারণ তো সেই একটাই— দেশকে যে করেই হোক স্বাধীন করতে হবে।’

একপর্যায়ে দেশ স্বাধীন হলো। যে যার মতো দেশে ফিরে এলো। কলকাতা থেকে তখন অন্যদের মতো অনেক কষ্টে ঢাকায় এসেছিলেন সালাউদ্দিন। ধানমন্ডির বাসায় তখন তাকে দেখে অন্যরা চিনতেই পারেনি! সেই সাড়ে ১৬ বছরের তরুণ সালাউদ্দিন এখন সাফ ও বাফুফের সভাপতি হিসেবে এক যুগের বেশি সময় ধরে আছেন। মাঝে স্বাধীনতার পরে তারকা খেলোয়াড় কিংবা কোচ হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছেন। বাংলাদেশের প্রথম সুপারস্টার বললে তার নামই সবার আগে চলে আসে।

তবে সেজন্য স্বাধীন দেশকেই সামনে আনছেন সবার আগে, ‘দেশ স্বাধীন হয়েছে বলেই আমি আজ এই পর্যন্ত এসেছি। তা না হলে তো আসতে পারতাম না।’

 

 

/টিএ/কেআর/

সম্পর্কিত

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

‘প্রশাসন আর মানুষের মাঝে এখন কোনও দেয়াল নেই’

‘প্রশাসন আর মানুষের মাঝে এখন কোনও দেয়াল নেই’

ভয় নয়, জয়ের উৎসব গণিতের

ভয় নয়, জয়ের উৎসব গণিতের

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

আপডেট : ০৬ জুলাই ২০২১, ০০:২৫

একটি ট্রফির জন্য দেশের ফুটবলে হাহাকার! সেই ২০০৩ সালে সাফ ফুটবলে ট্রফি জিতেছে বাংলাদেশ, এরপর থেকে ট্রফি যেন ‘সোনার হরিণ’! সাফ কিংবা বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ অথবা হালের নেপালে তিন জাতির ফুটবল প্রতিযোগিতা- কোনোটিতেই ট্রফি ছুঁতে পারেনি লাল-সবুজের সেনানিরা। শুধু কী তাই! স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে পেছনে ফিরে তাকালে দেখা যাবে হাতে গোনা চারটি সাফল্য ফুটবলে বড় অর্জন হিসেবে সঙ্গী।

স্বাধীনতার আগ থেকেই ফুটবল ছিল ভীষণ জনপ্রিয়। স্বাধীন হওয়ার পর ফুটবলে জনপ্রিয়তা যেন নতুন রূপে মাত্রা পায়। ৭০, ৮০ ও ৯০ দশকের ফুটবল যেন ছিল এই দেশের বিনোদনের অন্যতম মাধ্যম। কাজী সালাউদ্দিন থেকে শুরু করে চুন্নু-আসলাম-বাদল রায়সহ তারকার অভাব ছিল না। ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে একেকজন ছিলেন ভাস্বর। সেই সময় বিভিন্ন প্রতিযোগিতা কিংবা আন্তর্জাতিক ম্যাচে ইরান, থাইল্যান্ড কিংবা ভারতের সঙ্গে সমান তালে খেলার চেষ্টা করতো বাংলাদেশ। অনেক সময় সমানে সমান লড়াই হতো। কিন্তু পরিতাপের বিষয় সেই সময় যাদের খেলা দেখতে দর্শকরা মাঠে যেত, ঠিক তারাই কিনা থেকেছেন আন্তর্জাতিক ট্রফিশূন্য! পরবর্তীতে কোচ কিংবা কর্মকর্তা হয়েও অতৃপ্তি ঘোচাতে পারেননি কেউ।

’৮০ দশক থেকে সাফ গেমসের (বর্তমানে এসএ গেমস) পাশাপাশি সাফ ফুটবলের প্রচলন হয়েছে। সাফ তো ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। কিন্তু সে সময় একাধিক প্রতিযোগিতার ফাইনালে খেললেও ট্রফি জেতা আর হয়নি। এছাড়া বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব খেললেও সাফল্য সেভাবে ধরা দেয়নি।

সেই আফসোস এখনও অনেকের মনে বিদ্যমান। তাদের সেই কষ্ট অবশেষে ঘুচিয়েছেন আরেক কিংবদন্তি প্রয়াত মোনেম মুন্নার নেতৃত্বের দল। ১৯৯৫ সালে মিয়ানমারে প্রথম চার জাতি ফুটবলের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। স্বাধীন বাংলাদেশে ফুটবলে প্রথম কোনও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় শিরোপা জয়।

মোনেম মুন্নার নেতৃত্বে একদল বীর সেনানি অসাধারণ খেলে স্বাগিতক মিয়ানমারকে হারিয়ে ট্রফি জিতেছিল। অথচ গ্রুপ পর্বে স্বাগতিক দলটির কাছেই হারতে হয়েছিল!

জার্মান কোচ অটো ফিস্টারের কোচিংয়ে মিয়ানমারে প্রথম আন্তর্জাতিক ফুটবলে ট্রফি জয়ের স্বাদ পেয়েছিল বাংলাদেশ। এরপরের ট্রফিও এসেছে সব বিদেশি কোচের অধীনেই।

এরপর ১৯৯৯ সালে কাঠমান্ডুতে সাফ গেমস ফুটবলে সোনা জিতে সবাইকে চমকে দেন আলফাজ-জুয়েল রানারা। সেখানেও ইরাকি কোচ সামির শাকিরের অবদান।

সেই ধারা অব্যাহত ছিল ২০০৩ সালেও। অস্ট্রিয়ান কোচ জর্জ কোটানের অধীনে প্রথমবারের মতো ‘দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ’ বলে অভিহিত সাফ ফুটবলের শিরোপা জেতে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। ঢাকার মাঠে কনকনে ঠান্ডার মধ্যে স্টেডিয়াম ভর্তি দর্শকের উপস্থিতিতে সেই ট্রফি জয়ের পর আর সাফ ফুটবলে সাফল্য আসেনি। শুধু ২০১০ সালে এসএ গেমসে ঢাকার মাঠে এমিলি-ওয়ালিরা সোনা জিতেছিল। বর্তমানে জাতীয় দল অনেক সুযোগ-সুবিধা পেলেও সেভাবে সাফল্য আনতে পারছে না। সাফল্যের ঘর শূন্যই রয়ে গেছে। বরং এই সময়ে হারতে হয়েছে ভুটানের কাছে!

জাতীয় দলের পাশাপাশি আমাদের ক্লাব ফুটবলে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী লিমিটেড ও মোহামেডান স্পোর্টিং অন্য মাত্রা যোগ করেছে। এখনও দুই দলের খেলা হলে অনেকেই নস্টালজিক হয়ে পড়েন। যদিও ফুটবলের সেই ক্রেজ আর নেই। মাঠে দর্শক হয় না সেভাবে। তারপরও স্বাধীন বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবলে দুটি দলের নাম আলাদা করেই লেখা থাকবে। ক্লাব ফুটবলে আবাহনীর পাশাপাশি মোহামেডানও দেশে ও দেশের বাইরে সম্মান কুড়িয়ে এনেছে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামালের হাতে গড়া আবাহনী দেশের ফুটবলে অন্যরকম আবহ তৈরি করেছিল। আইরিশ কোচ উইলিয়াম বিল হার্টের অধীনে প্রথম বাংলাদেশের কোনও ক্লাব আধুনিক ফুটবল খেলতে শুরু করে। এরপর ক্লাবটি ধীরে ধীরে সমর্থকদের মনের কোঠায় জায়গা করে নেয়।

৮০’র দশকের শেষ দিকে ভারতে নাগজি কাপে আবাহনী শিরোপা জিতে ঢাকায় এসেছিল। সেটাই দেশের কোনও ক্লাবের বাইরে প্রথম ট্রফি জয়। দর্শকদের উন্মাদনা তখন ছিল দেখার মতো। এছাড়া বিটিসি কাপ, চার্মস কাপ ও বরদুলই ট্রফি জিতে নিজেদের ট্রফির শোকেস সমৃদ্ধ করেছে তারা। সবশেষ এএফসি কাপে জোনাল সেমিফাইনালে খেলে ইতিহাস গড়েছে আকাশি-নীল জার্সিধারিরা।

অন্যদিকে এশিয়ান কাপ উইনার্স কাপের দ্বিতীয় পর্বে গিয়ে মোহামেডানও চমক দেখায়। যদিও এক যুগের বেশি সময় ধরে সাফল্যবিহীন ক্লাবটি এখনও ধুঁকছে।

ফুটবলের অতীত ইতিহাস বেশ রোমাঞ্চকর হলেও বর্তমানে সেই আভা নেই। কাজী সালাউদ্দিনের যুগে বেঁচে থাকার জোর লড়াই চলছে ফুটবলের!

 

/টিএ/কেআর/

সম্পর্কিত

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

‘প্রশাসন আর মানুষের মাঝে এখন কোনও দেয়াল নেই’

‘প্রশাসন আর মানুষের মাঝে এখন কোনও দেয়াল নেই’

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

আপডেট : ২১ জুন ২০২১, ১০:৫০

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ২০২১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫০ বছর উদযাপন করছে বলেই রূপকল্প-২০২১ নির্ধারণ করা হয়েছে। সাম্প্রতিককালে আমরা স্বাধীনতার ৫০ বছরকে ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর সঙ্গে যুক্ত করেছি। তাই আমাদের সার্বিক পরিকল্পনাটি ২০২০-২১ সালকে ঘিরেই আবর্তিত হচ্ছে। সেই সময়কে কেন্দ্র করে আমাদের যাত্রাপথও চিহ্নিত করেছি।

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতের অর্জনের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুয়ায়ী তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে আমাদের বেশ অর্জন রয়েছে। এগুলো নিম্নরূপ:

১. ২০২১ সালের আগেই ডিজিটাল বাংলাদেশ সুষ্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। 

২. থ্রি-জি মোবাইল প্রযুক্তির পর দেশে ফোর-জি মোবাইল প্রযুক্তির ব্যবহার বিস্তৃত হয়েছে। মোবাইল প্রযুক্তিকে আরও সুরক্ষিত করতে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে (আঙুলের ছাপ) সিম নিবন্ধিত হয়েছে। শিগগিরই এনইআইআর (ন্যাশনাল ইকুইপেমন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার) চালু করে সিম ও মোবাইল সেট ব্যবস্থাপনা পূর্ণাঙ্গভাবে ডিজিটাল করা হচ্ছে। 

৩. পাঁচ হাজার ৭৩৭টি ডিজিটাল সেন্টার এবং ৮ হাজার ২০০ ডিজিটাল ডাকঘরের মাধ্যমে জনগণকে ছয়শ’র বেশি ধরনের ডিজিটাল সেবা প্রদান করা হচ্ছে। 

৪. ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত ফাইবার অপটিক ক্যাবল সম্প্রসারণ করা হয়েছে। 

৫. প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল, হাওর, বিল, চর, পাহাড়ি, উপকূলীয় ও দ্বীপ এলাকায় মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হচ্ছে।

৬. দেশে ১৭ কোটির ওপরে মোবাইল সিম ব্যবহার করা হচ্ছে।  ইন্টারনেট গ্রাহক ১১ কোটিতে পৌঁছেছে।

৭. ২৫ হাজার ওয়েবসাইট নিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম ওয়েব পোর্টাল ‘তথ্য বাতায়ন’ চালু করা হয়েছে, যা আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত ও পুরস্কৃত হয়েছে।

৮. সারাদেশে জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদানের পাশাপাশি স্মার্টকার্ড প্রদান করা হয়েছে। 

৯. মেশিনরিডেবল পাসপোর্ট চালু করা হয়েছে। এরপর ই-পাসপোর্ট চালু হয়েছে। 

১০. ডিজিটাল অপরাধ দমনে ও ডিজিটাল নিরাপত্তাবিধানে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৮ প্রণয়ন করা হয়েছে। এটির প্রয়োগও করা হচ্ছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সি স্থাপিত হয়েছে। সিটিডিআর চালু হয়েছে। সার্ট চালু হয়েছে। ফরেনসিক ল্যাব চালু হয়েছে। 

১১. মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রবেশ করেছে মহাকাশ বিজ্ঞানের যুগে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ উৎক্ষেপণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। 

১২. লার্নিং আর্নিং, শি পাওয়ার, হাইটেক পার্ক, বিসিসি, বিআইটিএম, এলআইসিটি ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় প্রশিক্ষণ দিয়ে লাখ লাখ তরুণকে ডিজিটাল যুগের উপযোগী মানবসম্পদে পরিণত করা হয়েছে ও কর্মসংস্থান করা হয়েছে। 

১৩. তথ্যপ্রযুক্তি খাতে মাত্র ২৬ লাখ ডলারের রফতানি এখন এক বিলিয়নে উন্নীত হয়েছে। ডিজিটাল শিল্প খাতকে কর সহায়তা ও নগদ সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

১৪. দেশে ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদন ও রফতানি শুরু হয়েছে। মোবাইল ফোনের বাজারের শতকরা ৮২ ভাগ দেশে উৎপাদিত হয়। মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপ রফতানি হয়।

১৫. ডিজিটাল-কমার্স নীতিমালা-২০১৮, জাতীয় তথ্যপ্রযুক্তি নীতিমালা-২০১৮ ও জাতীয় টেলিকম নীতিমালা-২০১৮ প্রণীত হয়েছে। মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটি গাইডলাইন, সিগনিফিকেন্ট মার্কেট প্লেয়ার গাইডলাইন, ইনফ্রাস্ট্রাকচার গাইডলাইন, কোয়ালিটি অব সার্ভিস গাইডলাইন, আইএসপিএবি গাইডলাইন প্রণীত হয়েছে। টাওয়ার শেয়ারিং লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এ অনুসারে টাওয়ার তৈরি শুরু হয়েছে। 

১৬. ফোর টায়ার ডাটা সেন্টার চালু হয়েছে। 

১৭. সি-মি-উই-৬ এর সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। প্রকল্পটিও অনুমোদিত হয়েছে। ২০২৪ সালে এটি চালু হবে। 

১৮. ডিজিটাল শিল্প যুগের ৫টি প্রযুক্তির কৌশলপত্র প্রণীত হয়েছে।

১৯. দেশে ৫৮৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াইফাই জোন চালু করা হয়েছে। আরও ১২ হাজার ফ্রি ওয়াইফাই জোন চালু হচ্ছে।

২০. ব্যান্ডউইথের দাম ২৮ হাজার টাকা থেকে ২৮৫ টাকায় নামিয়ে আনা হয়েছে। 

২১. ই-নথিতে সরকার ডিজিটাল পরিচালনার অসাধারণ সক্ষমতা অর্জন করেছে।

বস্তুত এ অর্জনের ছোট বড় ঘটনাগুলো ছোট করে তুলে ধরতেও অনেক লম্বা সময় লেগে যাবে। প্রতি মুহূর্তে সেই তালিকাও দীর্ঘ হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী।

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

কেমন ছিল মুক্তিযুদ্ধের সেই দিনগুলো

কেমন ছিল মুক্তিযুদ্ধের সেই দিনগুলো

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

আপডেট : ০৪ জুলাই ২০২১, ২০:২৭

‘মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে’ বলে মনে করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। তিনি বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে বা আমাদের কাছ থেকে ছিনতাই করে নেওয়া হয়েছে। বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সামরিক সরকার আমাদের মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নকে ছারখার করে দিয়েছে।’

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর উপলক্ষে বাংলা ট্রিবিউনকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় মুজাহিদুল ইসলাম এসব কথা বলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ‘সরকার সুবর্ণজয়ন্তীর উৎসব করতে দিচ্ছে না, পারমিশনও দিচ্ছে না।’

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ত্রিশ লাখ শহীদের সঙ্গে অবমাননা করা হয়েছে।’

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘আমি ৫০ বছরের কথা ভাবি না, আমি মনে করি এখনই আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ফেরত যেতে হবে।’

সেলিম বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ চাই আমরা। এটা আওয়ামী লীগ-বিএনপি দিয়ে হবে না। এরা লুটেরা, ধনিক শ্রেণির দল হয়ে গেছে। এর বাইরে যারা সমাজতন্ত্রমুখী চিন্তা করে, বামপন্থী দল তাদের নেতৃত্বে সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। সেটাই আমাদের কাজ।’

/এসটিএস/এমআর/

সম্পর্কিত

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

‘প্রশাসন আর মানুষের মাঝে এখন কোনও দেয়াল নেই’

‘প্রশাসন আর মানুষের মাঝে এখন কোনও দেয়াল নেই’

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

আপডেট : ১২ জুলাই ২০২১, ২২:২১

স্বাধীনতার ৫০ বছরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের রাজনীতি, আধিপত্য বিস্তার, শিক্ষা ও গবেষণায় পিছিয়ে থাকার কারণ এবং প্রশাসনিক দুর্বলতা নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপ করেছেন ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম মোস্তফা।

বাংলা ট্টিবিউন: বাংলাদেশের ৫০ বছরের ইতিহাসে ছাত্র সংগঠনের কী ভূমিকা ছিল? ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধি হিসেবে সেটাকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?

গোলাম মোস্তফা: স্বাধীনতাসহ স্বাধীনতা পরবর্তী সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ছাত্র সংগঠনের উল্লেখযোগ্য ভুমিকা ছিল। মানুষের অধিকার, শিক্ষা- সবগুলো আন্দোলনে  ছাত্র সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ছাত্রদের আত্মদানের মধ্য দিয়েই যাবতীয় গণযুদ্ধ সম্পূর্ণ হয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউন: স্বাধীনতার এক শ’ বছরে কী আশা করেন?

গোলাম মোস্তফা: আমাদের তরুণদের বা ছাত্রদের একটাই প্রত্যাশা। যে কারণে আমার স্বাধীনতার যুদ্ধ করেছি, যে আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে, যে তিনটি মূলনীতি- সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার তা যেন ততদিনে নিশ্চিত হয়। আর সামাজিক বৈষম্য থাকবে না এমন দৃশ্যই দেখতে চাই। প্রতিষ্ঠা হবে ন্যায়বিচার। দুর্নীতিমুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশই আমাদের প্রত্যাশা।

বাংলা ট্রিবিউন: ক্যাম্পাসে রাজনীতির সংস্কৃতির পরিবর্তন আসছে কি? কী ধরনের পরিবর্তন দেখছেন?

গোলাম মোস্তফা: ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সংস্কৃতি বলতে দুটি ধারা- একটা গণতন্ত্রের পক্ষে, শিক্ষার পক্ষে, শিক্ষার্থীদের অধিকারের পক্ষে। আরেকটি সরকারে সমর্থনপুষ্ট। তারা সবসময় একটা বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার জন্য ছাত্রদের বিপক্ষে দাঁড়ায়। শিক্ষাঙ্গনে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালায়। বিভিন্ন সরকারের পরিবর্তনে সরকার দলীয় ক্যাডার পরিবর্তন হয়, তবে এ সংস্কৃতির পরিবর্তন হয়নি।

বাংলা ট্রিবিউন: বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার ওপর এখন রাজনৈতিক প্রভাবটা কেমন?

গোলাম মোস্তফা: বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর বর্তমান সময়ে অবশ্যই রাজনৈতিক প্রভাব আছে। স্বায়ত্তশাসিত চারটি বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর সরকারি হস্তক্ষেপ আছে। উপাচার্যকে নিয়োগ দেন আচার্য। আর আচার্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া কিছুই করতে পারেন না। আমরা ছাত্র ফেডারেশনের পক্ষ থেকে আগেও বলেছি গণতান্ত্রিক সিন্ডিকেট করে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হোক। শিক্ষকরা দলীয় লেজুড়বৃত্তিক হয়ে পড়ছে। ফলে শিক্ষার উন্মুক্ত দিক বিঘ্নিত হচ্ছে।

বাংলা ট্রিবিউন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষে পা দিলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি কোন দিকে? বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে আমাদের গৌরবের ঢাবি ক্রমান্বয়ে পেছাচ্ছে। এর পেছনে কী কারণ থাকতে পারে?

গোলাম মোস্তফা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ, স্বাধীনতার ৫০ বছর এগুলো তো একেকটি মাইলফলক হওয়ার কথা ছিল। এগুলো মানুষ অর্জন দিয়ে উদযাপন করবে। সেই জায়গায় এখন নৈরাশ্য আর হতাশা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংক নিচের দিকে যাচ্ছে, এটা সত্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজ গবেষণা করা। সেই জায়গায় পিছিয়ে যাচ্ছে। গবেষকের ওপর যখন নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয় তখন গবেষণা হয় না। করোনাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা করার চেষ্টা করেছিল কিন্তু তাদের সহযোগিতা করা হয়নি। গবেষণা খাতে বরাদ্দ কম। দলীয়ভাবে নিয়োগের কারণে শিক্ষকতায় আগ্রহ থাকলেও তরুণরা এতে আসছেন না। যারা আসছে তারা এটাকে জীবিকা নির্বাহের উপায় হিসেবে নিচ্ছে। যার কারণে গবেষণা তাদের কাছে মুখ্য নয়। যা সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কিছু গবেষণা পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে মুখ থুবড়ে পড়ছে। যার ফলে অন্যরাও আগ্রহ হারাচ্ছে।

বাংলা ট্রিবিউন: ছাত্র সংগঠনগুলোর কার্যক্রমকে কীভাবে মূল্যায়ন করবেন? সহাবস্থান আছে?

গোলাম মোস্তফা: সকল সংগঠনে সেই অর্থে সহাবস্থানের পরিবেশ নেই। প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে কিছুটা আছে। তারা পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে ছাত্রদের স্বার্থে কথা বলে। যৌথ প্লাটফর্মে কাজ করে। আরেকটি দল আছে, তাদের মূলকাজ হলো দলীয় লেজুড়বৃত্তি আর সরকারি ক্ষমতাকে ব্যবহার করে ব্যক্তিগত লাভ। ছদ্মবেশে তারা ছাত্রদের পক্ষে কথা বলে। সুযোগ বুঝে বিপক্ষে দাঁড়ায়।

বাংলা ট্রিবিউন: হলগুলোতে ক্ষমতাসীনদের একক আধিপত্য রয়েছে বলে অনেকের অভিযোগ, এ বিষয়ে কী বলবেন?

গোলাম মোস্তফা: বিএনপির সময় ছাত্রদল, আওয়ামী লীগের সময় ছাত্রলীগ হলগুলো দখল করে থাকে এটা সত্য। তাদের নিপীড়নে অনেক শিক্ষার্থী প্রাণও হারিয়েছে।

বাংলা ট্রিবিউন: ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে ভিন্নমত গ্রহণের প্রবণতা কেমন আছে?

গোলাম মোস্তফা: ভিন্নমত গ্রহণের প্রবণতা অনেকের মধ্যে আছে। অনেকের মধ্যে নেই। যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে, যারা প্রগতিশীলতায় বিশ্বাস করে, তারা সকল মতকেই প্রাধান্য দেয়। যারা এসবে বিশ্বাসই করে না, সহনশীলতায় বিশ্বাস করে না, যারা মুখোশধারী, তারা আধিপত্য বিস্তারে বিশ্বাসী, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে বিশ্বাসী। এগুলোর ফলে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয়।

 

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

‘প্রশাসন আর মানুষের মাঝে এখন কোনও দেয়াল নেই’

‘প্রশাসন আর মানুষের মাঝে এখন কোনও দেয়াল নেই’

সর্বশেষ

বাগেরহাটে পানিবন্দি হাজারো পরিবার, টর্নেডোতে বিধ্বস্ত বাড়িঘর

বাগেরহাটে পানিবন্দি হাজারো পরিবার, টর্নেডোতে বিধ্বস্ত বাড়িঘর

ক্যাম্প থেকে পালিয়ে কুড়িগ্রামে আটক ৯ রোহিঙ্গা

ক্যাম্প থেকে পালিয়ে কুড়িগ্রামে আটক ৯ রোহিঙ্গা

করোনায় আটকে আছে ত্রিদেশীয় বৈঠক

করোনায় আটকে আছে ত্রিদেশীয় বৈঠক

কিউকম ও রানার এর মধ্যে ব্যবসায়িক চুক্তি

কিউকম ও রানার এর মধ্যে ব্যবসায়িক চুক্তি

বলপূর্বক কাবুল দখল করলে তালেবান স্বীকৃতি পাবে না: যুক্তরাষ্ট্র

বলপূর্বক কাবুল দখল করলে তালেবান স্বীকৃতি পাবে না: যুক্তরাষ্ট্র

বিলের মাঝখানে উপহারের ঘর, ডুবলো পানিতে

বিলের মাঝখানে উপহারের ঘর, ডুবলো পানিতে

নতুন রূপে ‘বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের’ পথ চলা

নতুন রূপে ‘বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের’ পথ চলা

পাকিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৯ ওভারের ম্যাচটিও শেষ হলো না

পাকিস্তান-ওয়েস্ট ইন্ডিজের ৯ ওভারের ম্যাচটিও শেষ হলো না

দেয়ালেও করোনাভাইরাস, সাতক্ষীরা মেডিক্যালের ল্যাব বন্ধ

দেয়ালেও করোনাভাইরাস, সাতক্ষীরা মেডিক্যালের ল্যাব বন্ধ

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় পরিবেশমন্ত্রীর

যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় পরিবেশমন্ত্রীর

সেই লাকী আক্তারের কণ্ঠে কন্যা ও কান্নার গল্প (ভিডিও)

সেই লাকী আক্তারের কণ্ঠে কন্যা ও কান্নার গল্প (ভিডিও)

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের দেখভালে জাতিসংঘ-সরকার একমত

ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের দেখভালে জাতিসংঘ-সরকার একমত

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

হাসি-কান্নার ভেলায় ‍ফুটবলের ৫০ বছর

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতে যেসব অর্জন

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

মুক্তিযুদ্ধ হারিয়ে গেছে: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণায় পিছিয়ে যাচ্ছে’

‘প্রশাসন আর মানুষের মাঝে এখন কোনও দেয়াল নেই’

‘প্রশাসন আর মানুষের মাঝে এখন কোনও দেয়াল নেই’

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ৫০ দেশ ঘুরবে ‘সুবর্ণযাত্রা’

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে ৫০ দেশ ঘুরবে ‘সুবর্ণযাত্রা’

উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িক শক্তির পুনরুত্থান

উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িক শক্তির পুনরুত্থান

‘ছাত্র রাজনীতিকে আমি সহশিক্ষা বলব’

‘ছাত্র রাজনীতিকে আমি সহশিক্ষা বলব’

এখন ‘সহমত ভাই’ চর্চা চলে

এখন ‘সহমত ভাই’ চর্চা চলে

‘ছাত্র সংগঠনগুলোর সহাবস্থান এখন খাতা-কলমে’

‘ছাত্র সংগঠনগুলোর সহাবস্থান এখন খাতা-কলমে’

© 2021 Bangla Tribune