X
মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪
২১ ফাল্গুন ১৪৩০

ড. ইউনূসকে কেন বিজ্ঞাপন-বিবৃতি দিতে হলো?

মাসুদা ভাট্টি
১২ মার্চ ২০২৩, ২১:৫৪আপডেট : ১২ মার্চ ২০২৩, ২১:৫৪

এই মুহূর্তে দেশের রাজনীতি-সচেতন সব মহলের আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন পোস্টে প্রকাশিত একটি বিজ্ঞাপন। প্রকাশিত এই বিজ্ঞাপনটি একটি বিবৃতি, যাতে আন্তর্জাতিকভাবে বিভিন্ন অঙ্গনে খ্যাতনামা ৪০ জন ব্যক্তি সই করেছেন। বাংলাদেশে যেকোনও ইস্যুতে দেশের বুদ্ধিজীবী এবং প্রখ্যাত ব্যক্তিরা বিবৃতি দিয়ে থাকেন, কিন্তু সেসব বিজ্ঞাপন আকারে কোথাও প্রকাশিত হয় না। গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ হিসেবেই এসব বিবৃতি প্রকাশিত হয়। এরকম খবর কেবল দেশে নয়, আন্তর্জাতিক মানের সংবাদমাধ্যমেও বিবৃতিসমূহ খবর আকারেই প্রকাশিত হয়।

নোবেল বিজয়ী আন সাং সুচি’র মুক্তি চেয়ে (যদিও এবার ক্ষমতা হারানোর পর তার জন্য কেউ আর মুক্তি চেয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বলে জানা যায়নি, এর আগে যখন তিনি বন্দি ছিলেন তখন দেওয়া হয়েছিল) কিংবা বাংলাদেশের সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে যাতে হয়রানি করা না হয় সে জন্য বরেণ্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিবৃতি দিয়েছেন এবং সেগুলো গণমাধ্যমে খবর হিসেবে প্রকাশিত হয়েছে, কিন্তু আলোচ্য বিবৃতিটি আন্তর্জাতিকভাবে ৪০ জন বরেণ্য ব্যক্তি, যার মধ্যে আবার দুজন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বীও ছিলেন, কেন সংবাদ হিসেবে গুরুত্ব না দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেরই দৈনিক ওয়াশিংটন পোস্ট বিজ্ঞাপন হিসেবে প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিলো সে প্রশ্ন রেখেই এ বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চাইছি।

এই বিজ্ঞাপনের কেন্দ্রীয় চরিত্রে আছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিজ্ঞাপনের ভাষায় স্পষ্ট বলা হয়েছে যে বিদেশে দেওয়া হলেও বাংলাদেশে তাকে তার প্রাপ্য সম্মান দেওয়া হয়নি, তাকে হেনস্তা করা হয়েছে, তাকে পরিস্ফূটিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি, তাকে অন্যায্যভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, বারবার হয়রানিমূলক তদন্তের মুখোমুখি হতে হচ্ছে এবং অবিলম্বে তার উদ্যোগকে স্বীকৃতি দিয়ে ড. ইউনূসের শক্তিকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ কেবল একা নয়, বিশ্বের প্রতিটি রাষ্ট্রই এখন প্রবল অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন। গতকালই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহত্তম একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক ‘ফেইল’ করেছে বলে প্রকাশিত খবর থেকে জানা গেছে। চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মহামারি-উত্তর পৃথিবীতে বাংলাদেশের মতো জনবহুল এবং সীমিত সম্পদের রাষ্ট্রগুলোকে টিকে থাকার জন্য এখন নানাবিধ কৌশল ও কৃচ্ছ্রসাধনের পথে হাঁটতে হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ দেশ থেকে ও দেশে ছুটে বেড়াচ্ছেন (এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোর কথা বলা হচ্ছে, এপ্রিলে যাচ্ছেন জাপান) বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য এবং আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর (বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি) কাছে হাত পাতছেন দেশের জনগণের জীবনযাপনকে সহনীয় খরচের মধ্যে রাখার উদ্দেশ্যে।

এমতাবস্থায় আমরা যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রভাবশালী দৈনিকে বিজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হতে দেখলাম, যিনি কিনা বাংলাদেশের জনগণকে ক্ষুদ্রঋণ দিয়ে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন। বলাই বাহুল্য, এই ৪০ জন প্রখ্যাত ব্যক্তির কাছ থেকে বিবৃতি সংগ্রহ এবং সেটি বিজ্ঞাপন আকারে প্রকাশ করার পেছনে বিরাট অঙ্কের অর্থনৈতিক যোগ রয়েছে এবং রয়েছে এক বা একাধিক পরিকল্পনাও। কারণ, এত ‘এফোর্ট’ এবং খরচ করে এরকম একটি বিজ্ঞাপন-বিবৃতি প্রকাশ এমনি এমনিই করা হবে সেটা কোনও ‘সওদাগরি বুদ্ধিতেই’ সংগত হতে পারে না। সাধারণত এরকম বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয় কোনও পণ্য কিংবা কখনও কখনও কোনও রাষ্ট্র যদি আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে ‘বিনিয়োগ’ আহ্বান করে, তখন যুক্তরাজ্য বা যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত পত্রিকাগুলোতে বিশেষ বিজ্ঞাপন-ক্রোড়পত্র প্রকাশ করে থাকে।

মূলত তখন বিনিয়োগের জন্য দেশটি কতটা যোগ্য সে বিষয়েই আলোকপাত করা হয়ে থাকে। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট দেশটিকে তখন একটি লোভনীয় পণ্য হিসেবে দেখানো হয় যে এসব দেশে বিনিয়োগ করা হলে বিনিয়োগকারীরা কী পরিমাণ লাভবান হবেন, সেটিই ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে বলা হয়। আলোচ্য বিজ্ঞাপনটি যদি কেউ মনোযোগ সহকারে পাঠ করেন তাহলে বুঝবেন যে এখানে এই পণ্যের নামটি ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতি বিনিয়োগের জন্যই মূলত এই খ্যাতনামা ব্যক্তিবর্গ বাংলাদেশের সরকার-প্রধানকে আহ্বান জানিয়েছেন।

দুঃখজনক সত্য হলো, চলমান অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে এ ধরনের ব্যক্তিকে প্রাধান্য দিয়ে ‘আবেদনটি’ একই সঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক এবং ‘দৃষ্টিকটু’। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের একমাত্র ইস্যু ড. ইউনূসের সম্মান ফিরিয়ে আনা এবং কোটি কোটি মানুষের মুখে অন্ন জোগানোটা কিছু নয়, সবার আগে ড. ইউনূসকে ডেকে ‘তার শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে’।

একটু আলোকপাত করা যাক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ‘শক্তির’ ওপর। সমালোচকরা বলে থাকেন যে দেশে একটি অরাজনৈতিক ১/১১ সরকারের প্রেক্ষাপট তৈরির প্রাক্কালে ক্ষুদ্রঋণ একটি অর্থনৈতিক বিষয় হওয়া সত্ত্বেও গ্রামীণ ব্যাংক তথা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে নোবেল দেওয়া হয়েছিল। সামরিক শাসক এরশাদ থেকে শুরু করে দেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৯৯৬ সালের শাসনামলেও ড. ইউনূস রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সব ধরনের সুবিধাদি লাভ করেছেন এবং গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি পদে আসীন থেকে এর সব সুযোগকে কাজে লাগে একের পর এক প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করে গেছেন, যাতে গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগৃহীতাদের কোনও হিস্যা না রেখেই এবং বাঙালির ‘দারিদ্র্যকে’ বিদেশে একটি পণ্য হিসেবে সফল ব্যবহারের মাধ্যমে কেবল ব্যক্তিগত সফলতাই অর্জন করেছেন। তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ কথা প্রায়ই উচ্চারিত হয় যে তিনি আসলে দেশের কোনও দুর্যোগ তথা সমস্যায় কখনও সশরীরে কিংবা ‘বিবৃতি’ দিয়েও পাশে দাঁড়ান না। উল্লেখ থাকে যে একুশে আগস্টের গ্রেনেড হামলার নিন্দা জানিয়ে তার কাছে বিবৃতি চাওয়া হলে তিনি তাতে সই করতে অস্বীকৃতি জানান।

সারা দেশে বোমা হামলাসহ জঙ্গি হামলার কোনোটিতেই ড. ইউনূসের পক্ষ থেকে কিংবা তার সেন্টারের পক্ষ থেকে কখনও নিন্দা জানানো দূরে থাক, কখনও এ বিষয়ে কোথাও কথা বলেছেন বলেও জানা যায় না। একমাত্র তখনই দেশের জনগণের কাছে ড. ইউনূসের চিঠি লেখার প্রয়োজন পড়েছিল যখন তিনি ফাঁকা মাঠে একটি রাজনৈতিক দল খোলার প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন। এ দেশের জনগণকে তিনি কেবল তার প্রয়োজনেই মনে করেন বাকি ঝড়-খরা-জলোচ্ছ্বাসে এ দেশের জনগণের পাশে তিনি দাঁড়ানোর প্রয়োজন বোধ করেন না।

শুধু দুই-তিন বছরের জন্য দেশকে অরাজনৈতিক নেতৃত্বের (মূলকথা ড. ইউনূসের হাতে) হাতে তুলে দেওয়ার জন্য তিনি আহ্বান জানান দেশের ও বিদেশের ‘গণতন্ত্রপন্থি’-দের কাছে।

তিনি বাংলাদেশের পক্ষে বিশেষ করে বাংলাদেশকে ব্র্যান্ডিং করে দেশের জন্য কোনও বিনিয়োগ এনেছেন এমন খবরও আমরা জানি না। তিনি তার গঠিত সংস্থাগুলোর জন্য বিদেশি সাহায্য আনেন এবং তার হিসাবের গরমিল হলেও সেসব নিয়ে কোনও প্রশ্ন তোলা যাবে না। প্রশ্ন তুললেই তার পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন থেকে শুরু করে অনেক ক্ষমতাধররাই কখনও সরকারকে সরাসরি, কখনও আরেক দেশের প্রেসিডেন্টকে দিয়ে চাপ দেওয়ার কাজটি করে থাকেন। এই বিজ্ঞাপন-বিবৃতিটিও আসলে এটাই প্রমাণ করে যে ড. ইউনূস একজন ক্ষমতাবান ও শক্তিধর ব্যক্তি এবং প্রচ্ছন্নভাবে বাংলাদেশকে এই হুমকিই দিয়ে রাখা হলো যে ড. ইউনূসকে যদি ‘স্বীকৃতি’ ও ‘সুযোগ’ দেওয়া না হয় তাহলে পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। এই বিজ্ঞাপন-বিবৃতিটি আসলে আর কিছুই নয়, একজন ব্যক্তিকে (পড়ুন ড. ইউনূস) দিয়ে একটি রাষ্ট্রকে (পড়ুন বাংলাদেশ) বিদেশিদের আক্রমণ। উল্লেখ করতেই হয় যে এমন একটি বিজ্ঞাপন-বিবৃতি প্রকাশিত হলো, ড. ইউনূসের এ দেশীয় একজন সমর্থকেরও নাম সেখানে নেই বা এই ৪০ জনের মধ্যে একজন বাংলাদেশি বিশিষ্টজনকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

কর ফাঁকির মামলা, বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগ কিংবা গ্রামীণফোনের চাকরিচ্যুতদের মামলায় বিরাট অঙ্কের অর্থ লেনদেনের খবর প্রকাশ ছাড়া বিগত অনেক দিন ধরেই বাংলাদেশে ড. ইউনূস একটি অনালোচিত নাম। কিন্তু হঠাৎ করে এই বিজ্ঞাপন-বিবৃতি প্রকাশিত হওয়ার খবরে সবাই মনে করছেন, ১/১১-এর আগে যেমন ড. ইউনূসকে কেন্দ্র করে একটি অরাজনৈতিক শক্তি রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের চেষ্টায় নেমেছিলেন এবং সে লক্ষ্যে বিদেশি শক্তিসমূহ ‘মঙ্গলবার ক্লাব’ গঠন করে প্রতি সপ্তাহে সেখান থেকে বাংলাদেশের ভাগ্য নির্ধারণের চেষ্টা চালিয়েছিল এবং ফলশ্রুতিতে একটি অরাজনৈতিক সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়ে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের চেষ্টা করা হয়েছিল, এবারও কি তবে সেটিই হতে যাচ্ছে?

সময় বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে যে ১/১১-এর আগে ঠিক এরকম সময়েই ড. ইউনূসকে বিদেশিরা আলোচনায় নিয়ে এসেছিল এবং এবারও একটি বিজ্ঞাপন-বিবৃতি দিয়ে ড. ইউনূসকে রাজনীতির কেন্দ্রে নিয়ে আসা হলো কিনা? এই সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেওয়া তো যায়ই না, বরং এ কথা জোর দিয়েই বলা যায় যে এই বিজ্ঞাপন-বিবৃতির অন্য কোনও গুরুত্ব না থাকলেও এর রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাজনীতির গতি-প্রকৃতি বুঝতে হলেও এই বিজ্ঞাপন-বিবৃতির ‘আতা-পাতা’ বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের আগে যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহর ছিল ষড়যন্ত্রকারী ও খুনিদের একটি আস্তানা। সেখানে বসে নির্বিঘ্নে বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা ১৯৭৫ সালে যেমন হয়েছে, এখনও তা অব্যাহত রয়েছে। ৮ আগস্ট ১৯৭৫ সালে যুক্তরাজ্যের একটি দৈনিকে বঙ্গবন্ধু সরকারবিরোধী একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয় বলে আমাকে নিশ্চিত করেছিলেন প্রখ্যাত সাংবাদিক আব্দুল মতিন এবং একুশের গানের রচয়িতা আব্দুল গাফ্‌ফার চৌধুরী। তারা দুজনেই মনে করতেন যে ৮ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র উদ্বোধনের দিনই তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং সেদিনটিকেই বঙ্গবন্ধুবিরোধী একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশের দিন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল।

১৯৭৫ সাল আর ২০২৩ সাল এক নয়। কিন্তু দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীদের চেহারা ও চরিত্র একফোঁটা বদলেছে বলে মনে করার কোনোই কারণ নেই। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতি-প্রকৃতির ওপর এই বিজ্ঞাপন-বিবৃতির প্রভাব থাকবে না, সেটিও ভাববার কোনও কারণ থাকতে পারে না।

লেখক: এডিটর ইনচার্জ, দৈনিক আমাদের অর্থনীতি


[email protected]

/এসএএস/এমওএফ/

*** প্রকাশিত মতামত লেখকের একান্তই নিজস্ব।

বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না চিনিকলে, এখনও জ্বলছে আগুন
পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না চিনিকলে, এখনও জ্বলছে আগুন
শাহবাগ থানার জব্দ করা গাড়ির গ্যারেজে আগুন
শাহবাগ থানার জব্দ করা গাড়ির গ্যারেজে আগুন
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনে প্রতি সপ্তাহে বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ ডিসিদের
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনে প্রতি সপ্তাহে বাজার মনিটরিংয়ের নির্দেশ ডিসিদের
সীমান্ত সম্মেলনে যোগ দিতে বিএসএফ প্রতিনিধি দল ঢাকায়
সীমান্ত সম্মেলনে যোগ দিতে বিএসএফ প্রতিনিধি দল ঢাকায়
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ