X
বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

এখনও বাবুল আক্তারের সন্তানদের খোঁজ পায়নি পিবিআই

আপডেট : ১৬ মে ২০২১, ০১:৫৯

স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় গ্রেফতার হওয়া সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের দুই সন্তানকে এখনও খুঁজে পায়নি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল তার বাসার যে ঠিকানা দিয়েছিলেন, সেটি ভুল ছিল। পরে পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল বাসার আসল ঠিকানা দেন। তবে সেই বাসাতেও বাবুলের দুই সন্তানকে পাওয়া যায়নি। বাড়িওয়ালার বরাত দিয়ে পিবিআই জানিয়েছে, বাবুলকে গ্রেফতারের দিনই তার নতুন স্ত্রী আগের ঘরের দুই সন্তানকে নিয়ে অজ্ঞাতস্থানে চলে গিয়েছেন। এই অবস্থায় দুই সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাদের নানা-নানি।

পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল ভুল ঠিকানা দিয়েছিল। পরে আবারও জেরার মুখে আসল ঠিকানা দেয়। আমরা সেই বাসায় লোক পাঠিয়েছিলাম। কিন্তু সেখানে কেউ নেই। তাদের খোঁজা হচ্ছে। দুই-একদিনের মধ্যেই তাদের অবস্থান জানতে পারবো।’

২০১৬ সালের ৫ জুন ভোরে চট্টগ্রামের জিইসি মোড়ে বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় ঢাকায় অবস্থান করা মিতুর স্বামী বাবুল আক্তার চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার অভিযোগে নিজের জঙ্গি-বিরোধী কার্যক্রমের জন্য স্ত্রীকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে তিনি অভিযোগ করেন। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে প্রায় ছয় মাস দুই সন্তানকে নিয়ে বাবুল আক্তার খিলগাঁও মেরাদিয়ায় তার শশুর বাড়িতে থাকতেন। তবে কয়েক দিনের মাথায় তদন্তে নতুন মোড় নেয়। এক পর্যায়ে বাবুল আক্তার দুই সন্তানকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি থেকে বের হয়ে আলাদা থাকা শুরু করেন। এরপর থেকে আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তার শ্বশুর মোশারফ হোসেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে আদালতের নির্দেশে মামলাটির তদন্তভার পিবিআইকে দেওয়া হয়। পিবিআই তদন্তে নেমে প্রাথমিক সাক্ষ্য-প্রমাণ যোগাড়ের পর গত ১১ মে বাবুল আক্তারকে গ্রেফতার করে। এর আগে পুরানো মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয় আদালতে। নিহত মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন বাদি হয়ে একই ঘটনায় নতুন একটি মামলা দায়ের করেন। বাবুল গ্রেফতার হওয়ার পর তার দুই সন্তানের নিরাপত্তা ও বৈধ অভিভাবক হিসেবে কার কাছে থাকবে সে বিষয়ে প্রশ্ন ওঠে।

বাবুল গ্রেফতারের পর থেকেই মিতুর বাবা মোশারফ হোসেন ও মা শাহেদা মোশারফ অভিযোগ করেছেন, গত সাড়ে তিন বছর ধরে বাবুল আক্তার তাদের দুই নাতি-নাতনির সঙ্গে দেখা সাক্ষাত ও কথা বলতে পারছেন না। তারা দুই নাতি-নাতনিকে তাদের হেফাজতে দেওয়ার দাবি করেন।

পিবিআইয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, বাবুল আক্তারের দুই সন্তানকে কারও হেফাজতে দিতে হলে আদালতের নির্দেশনা লাগবে। কিন্তু তার আগে তাদের খুঁজে বের করা প্রয়োজন। দুই সন্তানকে খুঁজে পেলে বাবুল আক্তারের ইচ্ছা এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তার দুই সন্তানকে বৈধ অভিভাবকের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

পিবিআইয়ের ওই কর্মকর্তা জানান, বাবুল আক্তার প্রথমে চাতুরতা অবলম্বন করে বাসার ভুল ঠিকানা দিয়েছিলেন। যাতে তার নতুন স্ত্রী ও সন্তানদের কেউ খুঁজে না পায়। কিন্তু পরে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে সত্য তথ্য দিয়েছেন। তারা প্রযুক্তির সহায়তায় বাবুলের নতুন স্ত্রীর অবস্থান জানার চেষ্টা করছেন। বাবুলের নতুন স্ত্রীই তার আগের ঘরের দুই সন্তান কোথায় আছেন তা ভালো বলতে পারবেন। দুই সন্তানকে উদ্ধারের পর তাদের আদালতের মাধ্যমে বৈধ অভিভাবকের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আরও খবর:

বাদী বাবুল আক্তার এবার স্ত্রী হত্যার প্রধান আসামি

এসপি বাবুলের অন্য নারীর সঙ্গে সম্পর্কের জেরে মিতুকে হত্যা: মামলার বাদী

স্ত্রী হত্যা মামলায় সাবেক এসপি বাবুল গ্রেফতার

 

/এনএল/এফএএন/

সম্পর্কিত

সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র নিশ্চুপ নেই: হাইকোর্ট

সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র নিশ্চুপ নেই: হাইকোর্ট

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র নিশ্চুপ নেই: হাইকোর্ট

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৪৫

সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র নিশ্চুপ নেই বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাওয়া রিটের শুনানিতে বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।

শুনানির শুরুতে অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন আদালতকে বলেন, ‘এই রিট আবেদনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনায় রাষ্ট্রের ব্যর্থতা ও স্থানীয় প্রশাসনকে সরাসরি দায়ী করা হয়েছে। আমরা আবেদন থেকে এই শব্দগুলো প্রত্যাহারের দাবি জানাই। কারণ, হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র বসে নেই। কুমিল্লা, রংপুরে অনেক দুর্বৃত্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যথাযথ পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে।’

তখন আদালত বলেন, ‘হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ, বাসস্থান ও উপাসনালয়ে হামলার ঘটনায় পুলিশ অ্যাকশন নিয়েছে, মামলা হয়েছে, অনেকে গ্রেফতার হয়েছেন। এ অবস্থায় আমরা কি রাষ্ট্রকে দায়ী করতে পারি?’

এরপর আদালত রিটকারী আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়াকে আবেদন সংশোধন করতে বলেন এবং আদেশের সময় নির্ধারণ করেন।

এর আগে ২১ অক্টোবর দেশজুড়ে হিন্দু সম্প্রদায় ও তাদের বাসস্থান এবং উপাসনালয়ে হামলার বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। একইসঙ্গে রিটে হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ প্রদান, হিন্দু সম্প্রদায়কে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ দোষী কর্মকর্তাদের আদালতের হাজিরার নির্দেশনা চাওয়া হয়। এছাড়াও রিটে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে এমন সব ধরনের পোস্ট এবং ভিডিও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে অপসারণের নির্দেশনা চাওয়া হয়। 

সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট অনুপ কুমার সাহা ও স্নেহালতা সাহা এ রিট দায়ের করেন।

রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, আইন মন্ত্রণালয় সচিব, তথ্য, যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সচিব, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সচিব, পুলিশের আইজি, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, রংপুর ও ফেনীর ডিসি-এসপিসহ ১৯ জনকে বিবাদী করা হয়।

রিট আবেদনে সাম্প্রদায়িক হামলা সংক্রান্ত বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করা হয়।

 

/বিআই/আইএ/

সম্পর্কিত

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

ফিলিস্তিনে এক হাজার হাফেজকে সম্মাননা

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৪:২০

ফিলিস্তিনের বেসরকারি একটি ধর্মীয় সংস্থা দেশটির অন্তত এক হাজার হাফেজে কোরআনকে বিশেষ সম্মাননা দিয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (২৭ অক্টোবর) গাজায় অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে হাফেজদের বিশেষ এ সম্মাননা দেওয়া হয়। খবর আনাদুলু এজেন্সির।

তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাটির বিস্তারিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি বছরের শুরুতে ফিলিস্তিনের ‘দারুল কোরআনুল কারিম ওয়াস সুন্নাহ’ নামের বেসরকারি একটি সংস্থা পবিত্র কোরআনুল কারিম মুখস্থ বিষয়ক একটি ক্যাম্প ঘোষণা করে। ক্যাম্পের অধীনে ছোট-বড়, নারী-পুরুষ মিলিয়ে অন্তত এক হাজার ফিলিস্তিনি পবিত্র কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চে ফিলিস্তিনের জাতীয় পরিচয়ের প্রতীক কেফিয়াহ (সাদার মধ্যে কালো ডোরাকাটা রুমাল) পরিহিত হয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন তারা। অধিবেশনের ফাঁকে ফাঁকে সুরেলা তিলাওয়াত ও আরবি নাশিদ গোটা অনুষ্ঠানস্থলটিকে মোহময় করে তোলে।

‘দারুল কোরআনুল কারিম ওয়াস সুন্নাহ’-এর গাজা উপত্যকার আঞ্চলিক প্রধান আব্দুর রহমান জামাল বলেন, ‘আমরা নিয়মিতভাবে হাফেজে কোরআন—যারা মূলত আল্লাহর পরিবারভুক্ত, তাদের নিয়ে এমন অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকি। আপনারা আজ যা দেখছেন, দুনিয়ায় তা হাফেজদের জন্য একটি সম্মান। তবে আল্লাহর কাছে তাদের জন্য এরচেয়ে উত্তম ও স্থায়ী সম্মান অপেক্ষা করছে।’

এই ক্যাম্পে অংশ নিয়ে হিফজ সম্পন্নকারী মুফতি আব্দুর রহমান মুরতাজা অনুভূতি জানিয়ে বলেন, ‘দারুল কোরআনের এ ক্যাম্পে ভর্তি হওয়ায় আল্লাহ আমাদের বেশ সম্মানিত করেছেন। গত কয়েকটি মাস আমরা কোরআনের খুব কাছাকাছি কাটিয়েছি। মুখস্থ করার পাশাপাশি বেশকিছু আয়াতের অর্থও উপলব্ধি করতে পেরেছি।’

‘দারুল কোরআনুল কারিম ওয়াস সুন্নাহ’ হচ্ছে একটি উন্নয়ন সংস্থা। ১৯৯২ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। কোরআনের বহুমুখী পাঠের উন্নয়নে এটি কাজ করে। সংস্থাটির প্রধান বেলাল ইমাদ জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে তাদের সংস্থার উদ্যোগে এ পর্যন্ত অন্তত ৩০ হাজার ফিলিস্তিনি হাফেজ হয়েছে।

 

সূত্র: আনাদুলু এজেন্সি

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

নতুন সাজে খুলতে যাচ্ছে উপমহাদেশের প্রথম মসজিদ

নতুন সাজে খুলতে যাচ্ছে উপমহাদেশের প্রথম মসজিদ

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

মসজিদে একই ওয়াক্তে একাধিক জামাত করা যাবে কি?

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩:১০

অ্যাপসে রাইড শেয়ারিং না করে চুক্তি ভিত্তিক যাত্রী পরিবহন করলে সংশ্লিষ্ট চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। একইসঙ্গে রাইড শেয়ারিং সেবার নীতিমালা অনুযায়ী নির্দিষ্ট ভাড়ার বেশি নিলে রাইড শেয়ারিং প্রতিষ্ঠান ও চালকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সংস্থাটি।

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) বিআরটিএ’র এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী মোটরযান মালিক, মোটরযান চালক এবং রাইড শেয়ারিং সেবাগ্রহণকারীদের অবহিত করা যাচ্ছে যে, অ্যাপস ভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সেবা প্রদান এবং গ্রহণের জন্য সরকার কর্তৃক রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালা-২০১৭ প্রবর্তন করা হয়েছে। এ নীতিমালা অনুযায়ী বিআরটিএ থেকে রাইড শেয়ারিং এনলিস্টমেন্ট সার্টিফিকেট গ্রহণ করে রাইড শেয়ারিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট সেবা প্রদান ও গ্রহণ এবং সুনির্দিষ্ট পরিমাণ ভাড়া আদায় করার শর্ত রয়েছে।

এতে বলা হয়, কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে, কতিপয় মোটরযান চালক এ নীতিমালার শর্ত পালন করছেন না। শর্ত পালন না করে চুক্তিভিত্তিক রাইড শেয়ারিং সেবা প্রদান ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে, যা রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালার পরিপন্থী। অ্যাপস ছাড়া চুক্তির ভিত্তিতে রাইড শেয়ারিং সেবা গ্রহণ না করার জন্য সেবাগ্রহণকারীদের অনুরোধ করা যাচ্ছে। এ অবস্থায় রাইড শেয়ারিং সার্ভিস নীতিমালার বিধান অমান্য করে চুক্তিভিত্তিক মোটরযান পরিচালনাসহ অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করলে সংশ্লিষ্ট রাইড শেয়ারিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান, মোটরযান মালিক, মোটরযান চালক এবং সেবাগ্রহণকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চুক্তিভিত্তিক যাত্রী পরিবহন ও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় সংক্রান্ত যেকোনও অভিযোগ সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং), রাইড শেয়ারিং শাখা, বিআরটিএ, সদর কার্যালয়, বনানী, ঢাকা-১২১২, মোবাইল নম্বর: ০১৭১৪৫৫৬৫৭০, ফোন নম্বর: ০২-৫৫০৪০৭৪৫, ইমেইল: [email protected] বরাবর দাখিল করার অনুরোধ করা যাচ্ছে।

 

/এসএস/আইএ/

সম্পর্কিত

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০০

মাদক হিসেবে দেশে ইয়াবার পরেই চাহিদা ফেনসিডিলের। তথ্য বলছে, এই চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। আর এই ‘সুযোগ’কে কাজে লাগিয়ে ভারতের সীমান্ত এলাকায় গড়ে ‍উঠেছে অবৈধ ল্যাব ও কারখানা। আর নাম পাল্টিয়ে অন্য পরিচয়ে দেশে ঢুকছে মাদকটি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে অন্তত পাঁচটি নতুন নামে ফেনসিডিল (কোডিন) প্রবেশে করছে। ফেনসিডিল নামটি বেশি পরিচিত হওয়ায় মাদক চোরকারবারিরা বিভিন্ন নামে সিরাপ তৈরি করে সেগুলো বাংলাদেশে পাচার করছে। এ বিষয়ে দ্রুত ভারতকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ।

বুধবার (২৭ অক্টোবর) দিনব্যাপী বাংলাদেশে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর ও ভারতের নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর মহাপরিচালক পর্যায়ে সপ্তম দ্বিপাক্ষিক সভায় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের একজন কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভারতকে বিভিন্ন তথ্য প্রমাণসহ এবারের সম্মেলনে মাদকের অনেক বিষয়ে জানানো হয়েছে। আমরা তাদের বলেছি, ভারত থেকে প্রতিনিয়ত ফেনসিডিল আসছে। কোরেক্স, এস্কাফ, এমকে ডিল (কোডিন ফসফেট) এবং কোডোকফ নামে ফেনসিডিল জাতীয় এই মাদক আসছে। প্লাস্টিক ও কাচের বোতলে এসব মাদক পাচার করা হয়।’

বাংলাদেশের পূর্ব-পশ্চিম ও উত্তর দিকের সীমান্ত এলাকা দিয়ে এই ফেনসিডিল চোরকারবারিরা পাচার করে। বোতল ছাড়াও পলিথিন, ড্রামে করেও কোডিন দেশে আনা হয়। চোরাচালানের মাধ্যমে আনা এই মাদক দেশে এনে বোতলজাত করেও একটি চক্র মাদকসেবীদের হাতে তুলে দেয়।

ভারতের সীমান্ত এলাকায় এ রকম কিছু কারখানা আছে, যেখানে ফেনসিডিল উৎপাদনের প্রধান উপাদান কোডিন মজুত ও ফেনসিডিল জাতীয় মাদক তৈরি করে বাংলাদেশে পাচার করা হয়। এসব অবৈধ কারখানা ধ্বংস করার জন্য ভারতকে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ।

বাড়ছে হেরোইন পাচার

ভারতে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোকে বাংলাদেশ জানিয়েছে, সাম্প্রতি ভারত--বাংলাদেশের পশ্চিম সীমান্ত দিয়ে হেরোইন পাচার বৃদ্ধি পেয়েছে।  উদ্ধার হওয়া হেরোইন চালন তাই নির্দেশ করে বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

এছাড়াও ভারত থেকে বিভিন্ন ইনজেকশন প্রবেশ করছে। জয়পুরহাট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে এসব ইনজেকশন পাচার করা হয়।

নতুন রুটে গাঁজা পাচার

গাঁজা পাচারের জন্য চোরাকারবারিরা নতুন নতুন রুট সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে দেশের উত্তরাঞ্চলের কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট সীমান্ত দিয়ে গাঁজা পাচার করা হচ্ছে।

ইয়াবা পাচারে ভারতের রুটও ব্যবহার করা হয়

ভারতে যেসব ইয়াবা মাঝেমাঝে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধরে, তা মিয়ানমার থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করা হয়। ভারতের ত্রিপুরা, আসাম ও পশ্চিম বাংলার রুট ব্যবহার করে বাংলাদেশে এসব ইয়াবা প্রবেশের চেষ্টা করে মাদক কারবারিরা। ভারতকে এ বিষয়ে আরও তৎপর হয়ে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেছে বাংলাদেশের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর।

মাদকের কেনাবেচা ভার্চুয়াল মুদ্রায়

বর্তমানে মাদক চোরাকরবারিরা মাদক পাচার ও কেনাবেচায় তাদের ধরণ পরিবর্তন করেছে বলে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতকে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ দাবি করেছে, কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ভুয়া ব্যক্তির ঠিকানায় মাদক পাচার হচ্ছে। এসব মাদক কেনাবেচার ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল মুদ্রা ব্যবহার করছে চোরকারবারিরা। যা দুই দেশেই অবৈধ মুদ্রা। এতে অর্থপাচার হচ্ছে। এ বিষয়টি নিয়ে দুই দেশই একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। এছাড়াও হুন্ডির মাধ্যমেও তারা মাদকের টাকা পাচার করে।

মাদক প্রতিরোধে ত্রিপক্ষীয় সভা চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ কোন মাদকের উৎপাদন করে না, তারপরও বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি ভুক্তোভোগী। মিয়ানমার থেকে যেমন ইয়াবা ও আইস আসে, তেমনি ভারত থেকে আসে ফেনসিডিল, গাঁজা, হেরোইন, ইনজেকশনসহ বিভিন্ন মাদক। তাই এ বিষয়ে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ত্রিপক্ষীয় সভার প্রয়োজনের কথা বাংলাদেশ ভারতকে বলেছে। বাংলাদেশে পক্ষ থেকে ভারতেকে বলা হয়েছে, ‘সুশাসন ও নিরাপত্তার জন্য বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে ত্রিপক্ষীক সভা করলে অনেক কিছুরই সমাধান হবে।’

মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক আব্দুস সবুর মণ্ডল বলেন, ‘আমরা ষষ্ঠ দ্বিপাক্ষিক সভায় ভারতকে কিছু বিষয়ে তথ্য দিয়েছিলাম, কিছু ফেনসিডিল উৎপাদনকারীর নাম ঠিকানা দিয়েছিলাম, সেগুলো ভারত ধ্বংস করেছে। আমরা আবারও কিছু বিষয়ে তাদের জানিয়েছি, দুই দেশই ঐক্যবদ্ধ হয়ে মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এ জন্য তথ্য আদান-প্রদান, অভিজ্ঞতা শেয়ার, নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় একমত হয়েছি।’

 

/ইউএস/আইএ/

সম্পর্কিত

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব চেয়ে কঠোর জনপ্রশাসন

আপডেট : ২৮ অক্টোবর ২০২১, ১৩:০০

‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’ শতভাগ কার্যকরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। বিধিমালা কার্যকরে কঠোর হওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুরনো বিধিমালা যুগোপযোগী করার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।  

সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ অনুযায়ী প্রতি পাঁচবছরে সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব দেওয়ার কথা থাকলেও তা মানছেন না অধিকাংশ কর্মকর্তা-কর্মচারী। এ বিষয়ে সরকারের তদারকি না থাকাকেই দায়ী করছেন অনেকে। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারি চাকরিজীবীদের সম্পদের হিসাব নিতে চলতি বছরের ২৪ জুন সব মন্ত্রণালয় এবং বিভাগগুলোকে চিঠি পাঠিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে দেওয়া চিঠিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নিজ নিজ মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব দিতে বলেছে।

জানা গেছে, চিঠিতে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হলেও আশাব্যাঞ্জক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। ইতোমধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত, নৌপরিবহন, ভূমি মন্ত্রণালয়, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব চেয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চিঠি পাওয়ার পর ভূমি মন্ত্রণালয় ২৫ আগস্ট, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ ২০ সেপ্টেম্বর, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২৮ জুলাই, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় ১৮ আগস্ট, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ১১ জুলাই, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ ১৪ জুলাই নিজ দফতর ও সংস্থাগুলোকে সম্পদের হিসাব জমা দেওয়ার জন্য নোটিস পাঠিয়েছে।

তবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এর মধ্যে না নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলা হলেও সেটা কী হতে পারে তা নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি জনপ্রশাসন সচিব কে এম আলী আজম।

তিনি জানিয়েছেন, ‘প্রত্যেক সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তা চাকরিতে যোগদানের সময় সম্পদের একটা হিসাব দেন। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর পর আবার হিসাব জমা দেবেন তারা। সেটাকে ভিত্তি ধরে যাচাই-বাছাই করা হবে। এবার যারা হিসাব দেবেন তাদের তালিকা করা হবে। পর্যায়ক্রমে সবাইকে হিসাবের আওতায় আনা হবে।’

সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ এর বিধি-২ (সংজ্ঞা) অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীর সংজ্ঞায় ওই কর্মচারীর পরিবারের সদস্য বলতে ‘সরকারি কর্মচারীর সঙ্গে বসবাস করেন অথবা করেন না, তার স্ত্রী/স্বামী, সন্তান বা সৎ সন্তানরা এবং তার সঙ্গে বসবাসরত এবং তার ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল তার নিজের অথবা স্ত্রীর/স্বামীর অন্যান্য আত্মীয়স্বজনকেও বোঝাবে। ফলে শুধু চাকরিজীবীর সম্পদের হিসাব দিলেই হবে না। দিতে হবে পরিবারের অন্য সদস্যদের সম্পদের হিসাবও।

হিসাব দেওয়া নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনেকটাই চাপে রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এ প্রসঙ্গে কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা রাজি হননি।

এদিকে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, ‘মন্ত্রিপরিষদে আমরা যারা আছি তারাও নিজ নিজ সম্পদের হিসাব দেবো।

/এফএ/

সম্পর্কিত

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

চুক্তিতে রাইড শেয়ার করলে চালক ও যাত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র নিশ্চুপ নেই: হাইকোর্ট

সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র নিশ্চুপ নেই: হাইকোর্ট

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

নতুন পাঁচ নামে দেশে ঢুকছে ফেনসিডিল

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক ‘শব্দ-প্রসঙ্গ’ সংবিধানে যুক্ত করতে রিট

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

সেগুনবাগিচায় আবাসিক হোটেল থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

সেগুনবাগিচায় আবাসিক হোটেল থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

রাজধানীতে মাদকসহ ৮৯ জন গ্রেফতার

রেজা কিবরিয়া-নুরের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলার আবেদন

রেজা কিবরিয়া-নুরের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলার আবেদন

চকবাজারে যুবকের লাশ উদ্ধার

চকবাজারে যুবকের লাশ উদ্ধার

ঢামেকে কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

ঢামেকে কারাবন্দি হাজতির মৃত্যু

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা: সাংবাদিক ইমন কারাগারে

সর্বশেষ

সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র নিশ্চুপ নেই: হাইকোর্ট

সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনায় রাষ্ট্র নিশ্চুপ নেই: হাইকোর্ট

মাকে হত্যায় ছেলের মৃত্যুদণ্ড

মাকে হত্যায় ছেলের মৃত্যুদণ্ড

‘প্রতিবাদ’ শব্দটিকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে: রিজভী

‘প্রতিবাদ’ শব্দটিকে নির্বাসনে পাঠানো হয়েছে: রিজভী

‘বছরে ৩৫ বার দ্রব্যের দাম বাড়লেও ৭ বছরে শ্রমিকের বেতন বাড়ে না’

‘বছরে ৩৫ বার দ্রব্যের দাম বাড়লেও ৭ বছরে শ্রমিকের বেতন বাড়ে না’

ফিলিস্তিনে এক হাজার হাফেজকে সম্মাননা

ফিলিস্তিনে এক হাজার হাফেজকে সম্মাননা

© 2021 Bangla Tribune