X
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে অর্থের যোগান নিশ্চিত নয়

আপডেট : ২২ মে ২০২১, ২৩:১৪

সরকারের শতবর্ষী ডেলটা প্ল্যান ২১০০ বাস্তবায়নে প্রতিবছর প্রয়োজন হবে মোট দেশজ আয়ের দুই শতাংশ। কিন্তু কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার বরাদ্দ দিচ্ছে শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ। বাকি ১ দশমিক ২ শতাংশ কোন উৎস্য থেকে আসবে তা নিশ্চিত করা যায়নি।
কাজটি কঠিন হবে বলে মনে করেন সরকার সংশ্লিষ্টরা। তারা আরও মনে করেন, অতিরিক্ত অর্থ সংস্থানে সরকারের সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা এবং ডেলটা প্ল্যান ২১০০-এর সামষ্টিক অর্থনৈতিক কাঠামোতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহের বিষয়ে যে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে তার সঙ্গে কিছু সৃজনশীল প্রচেষ্টার প্রয়োজন হবে। সরকারের শতবর্ষী ডেলটা প্ল্যানে এসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
‘বিনিয়োগ ব্যয় পুনরুদ্ধার’ নীতিতে জোর দেওয়া হচ্ছে
শতবর্ষী ডেলটা প্ল্যানে বলা হয়েছে, এর বিভিন্ন কল্পদৃশ্যে বর্ণিত জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের বিপরীতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ সামগ্রিক সরকারি বিনিয়োগ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত। কর বাবদ পাওয়া অর্থ ও সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে আহরিত অর্থ এবং গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডসহ বৈদেশিক অর্থায়নের সমন্বয়ে সরকারি তহবিলের যোগান কৌশল নির্ধারিত হয়েছে।
জানা গেছে, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট বিনিয়োগে সুবিধাভোগীদের নিকট থেকে অর্থ আদায়ের মাধ্যমে ‘বিনিয়োগ ব্যয় পুনরুদ্ধার’ নীতি প্রয়োগে জোর দেওয়া হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে, ডাচ ডেলটার কথা বলা হয়। যাতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ, পানি সরবরাহ পয়ঃনিষ্কাশন, এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এ নীতির মাধ্যমে অর্থায়ন করা হয়। ব্যয় পুনরুদ্ধার নীতি অনুসরণ করে এ সকল খাতে বিনিয়োগ ও রক্ষণাবেক্ষণের সম্পূর্ণ অর্থায়ন হওয়ার পাশাপাশি সেখানকার পানি ব্যাবস্থাপনাও অধিকতর বিকেন্দ্রিকৃত করা হয়েছে। ডাচদের পানিসম্পদ খাতে বিনিয়োগের ৮০ শতাংশ ব্যয়সহ রক্ষণাবেক্ষণের শতভাগ ব্যয় স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এ অর্থের বেশিরভাগ অংশ স্থানীয় পানি ব্যবস্থাপনা সংগঠনগুলো দেয়।
পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, এ ক্ষেত্রে পানি ব্যবস্থাপনা সংগঠনগুলো অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে প্রয়োজনে ভর্তুকি প্রদান করে এবং সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে পাওয়া অর্থ আদায়ের মাধ্যমে বিনিয়োগ ব্যয় পুনরুদ্ধার নীতির বাস্তবায়নে বেসরকারি সমবায় সমিতি হিসেবে কাজ করে।
বাংলাদেশে ব-দ্বীপ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও অনুরূপ নীতি প্রয়োগের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের শহর এলাকায় পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা সংক্রান্ত রক্ষাণাবেক্ষণ কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে সুবিধাভোগীদের নিকট থেকে অর্থ আদায়ের মাধ্যমে বিনিয়োগ ব্যয় পুনরুদ্ধারের প্রচলন নেই।
এ ছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় পুনরুদ্ধারও অতি নগণ্য। গতানুগতিকভাবে নগরে পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন, এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়োগ করা মূলধন পুনরুদ্ধারেরও প্রচলন নেই। বন্যা ব্যবস্থাপনা এবং সেচের ক্ষেত্রেও এ সকল ব্যয় পুনরুদ্ধার করা যায় না। এ ক্ষেত্রে পানি ব্যবস্থাপনা সংগঠনগুলোর অনুপস্থিতি একটি বড় কারণ বলে ডেলটা প্ল্যান সারসংক্ষেপে উল্লেখ করেছে পরিকল্পনা কমিশন।
কঠিন বর্জ্যের ক্ষেত্রে আসতে পারে কর
ডেলটা প্ল্যানের সারসংক্ষেপে শহর এলাকার পানি সরবরাহ ও পয়ঃনিষ্কাশনের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো এবং বিধিবিধান রয়েছে।
এ ক্ষেত্রে এমন একটি যুগোপযোগী নীতি গ্রহণ করা উচিৎ যাতে পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি সেবার রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ক্রমান্বয়ে শতভাগ পুনরুদ্ধার করা যায়।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী ওয়াসা থেকে শুরু করে অন্যান্য এলাকায়ও মূলধন ব্যয় পুনরুদ্ধারের কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। কঠিন বর্জ্যের ক্ষেত্রে একটি আধুনিক সম্পদ কর ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা ও এর সঙ্গে বার্ষিক ভিত্তিতে সেবার মূল্য যুক্ত করে ব্যয় পুনরুদ্ধার করা যেতে পারে বলে ডেলটা প্লানে বলা রয়েছে।
জলবায়ুর অভিঘাত প্রশমন এবং অভিযোজন কর্মসূচিতে অর্থায়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০-এর অর্থায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
তবে বেসরকারি খাতে বিশেষ করে নবায়নযোগ্য শক্তি শিল্পকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে মধ্যস্থতাকারীদের ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ সরকারি খাত। জলবায়ু পরিবর্তন অভিঘাত মোকাবিলায় বেসরকারি উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য আরও অনেক কিছু করার প্রয়োজন রয়েছে।
কার্যকর প্রচেষ্টার মাধ্যমে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড থেকে বাংলাদেশের প্রতিবছর দুই দশমিক শূন্য বিলিয়ন ডলারের বেশি সহায়তা পাওয়ার উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে।
বেসরকারি অর্থায়ন
ডেলটা প্লানে বেসরকারি অর্থায়নের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, বেসরকারি খাতের কার্যকর অংশগ্রহণ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ অর্থায়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে মনে করে পরিকল্পনা কমিশন। পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, ডেলটা প্লান ২১০০-এর প্রাক্কলন অনুসারে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট অকাঠামোগত প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য বাংলাদেশের বেসরকারি খাত থেকে প্রতিবছর মোট দেশজ আয়ের নূন্যতম শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ যোগান দেওয়া সম্ভব হবে।
সেচ ও ড্রেজিং
বহির্বিশ্বের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, পানি পরিশোধন, পানি সরবরাহ এবং পয়ঃব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার চমৎকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আরও দুটি সম্ভাবনা হলো- সেচ ও ড্রেজিং। ড্রেজিং কার্যক্রমে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বেসরকারি খাতের যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে বলে ডেলটা প্লানে উল্লেখ রয়েছে।
পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, ড্রেজিংয়ে পাওয়া বালু ও মাটি বিক্রি করে ড্রেজিং ব্যয় উল্লেখযোগ্যহারে কমানো যেতে পারে। ড্রেজিংয়ের জন্য যথাযথ চুক্তির তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সর্বোত্তম চর্চা অনুসরণ করতে পারে বলে পরিকল্পনায় বলা হয়েছে।
বেসরকারি অর্থায়নের ক্ষেত্রে ভূমি পুনরুদ্ধারে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব (পিপিপি) আরেকটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করেছে পরিকল্পনা কমিশন। কমিশন ডেলটা প্লানে বলেছে, পিপিপি অনুমোদন কাঠামোতে নদীখননের সঙ্গে ভূমি পুনরুদ্ধারের সমন্বয় করা হলে তা বেসরকারি খাতের জন্য আকর্ষণীয় হবে। পিপিপি উদ্যোগের মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন (বিআইডব্লিউটি)-এর জন্য নদীবন্দর অবকাঠামো প্রতিষ্ঠা করাও সম্ভব।
আরও যত উৎস
জানা গেছে, সরকারের ডেলটা প্ল্যানের প্রথম ধাপে অর্থাৎ আগামী ১০ বছরের মধ্যে বাস্তবায়নযোগ্য ৮০টি প্রকল্প ব্যয়ের অর্থের যোগান নিশ্চিত করতে প্রতিবছর জাতীয় আয়ের ২ দশমিক ৫ শতাংশের মধ্যে ২ শতাংশ রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে, বাকি শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ বেসরকারি খাত থেকে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
ডেলটা প্ল্যান তৈরিতে নেদারল্যান্ডস সরকার এরই মধ্যে ৮৭ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। বিশ্বব্যাংকও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে।
এই মহাপরিকল্পনায় বাংলাদেশ ডেলটা তহবিল প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, তহবিলের সম্ভাব্য উৎস হিসেবে বাংলাদেশ সরকার, উন্নয়ন সহযোগী, পরিবেশ এবং জলবায়ু সম্পর্কিত তহবিল, বিশেষ করে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ) এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব পিপিপি পদ্ধতিকে বিবেচনা করা হয়েছে।
অর্থায়নের ক্ষেত্রে ‘কস্ট রিকভারি’র জন্য ক্রমান্বয়ে বেনিফিশিয়ারি পে প্রিন্সিপাল নীতি অনুসরণ করার কথা বলা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে বড় শহরগুলোতে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা খাতে পরিচালন ও রক্ষণাবেক্ষণ (ওএন্ডএম) ব্যয় আদায়ের ক্ষেত্রে এ নীতিমালা কার্যকর করার প্রচেষ্টা নেওয়া হয়েছে এবং তা পর্যায়ক্রমে অনান্য ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করার সুপারিশ করা হয়েছে।
সরকারের শতবর্ষী ডেলটা প্ল্যানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিপর্যয় থেকে রক্ষার কৌশল খুঁজে বের করাকে। এরপর রয়েছে পানির নিরাপত্তা। এ ছাড়া টেকসই নদী-অঞ্চল, জলাভূমি সংরক্ষণ, আন্তঃদেশীয় নদীর পানির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কথাও বলা হয়েছে ডেলটা পরিকল্পনায়।
এ প্রসঙ্গে মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের মূল কারিগর পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সিনিয়র সচিব) শামসুল আলম জানিয়েছেন, ‘কয়েক ধাপে ডেলটা প্ল্যান ২১০০ বাস্তবায়ন করা হবে। ২০৩১ সাল নাগাদ থাকবে প্রথম ধাপ। ২০৩১ থেকে ২০৫০ সাল নাগাদ পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপ, এবং এরপর তৃতীয় ধাপ বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২১০০ সাল।’

পরিকল্পনা কমিশন পাঁচ বছর পর পর পুরো ডেলটা প্ল্যানের তথ্য হালনাগাদ করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। শামসুল আলম জানিয়েছেন, ‘ডেলটা প্ল্যান বাস্তবায়নে কতো টাকা খরচ হতে পারে, তারও একটি ধারণা দিয়েছে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ। এই মোতাবেক কাজ এগিয়ে নিলেই শতবর্ষী এ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন অসম্ভব নয়।’

/এফএ/ইউআই/

সম্পর্কিত

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

‘পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা অস্বাভাবিক কিছু নয়’

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৯:৩০

‘পদ্মা সেতুর পিলারের সঙ্গে ফেরির ধাক্কা লাগার ঘটনা অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে এতে ফেরির আরও বড় ক্ষতি হতে পারতো। মানুষের প্রাণহানির সম্ভাবনাও ছিল। এ নিয়েই আমরা উদ্বিগ্ন। এতে পিলারের তেমন কোনও ক্ষতি হয়নি। যেটুকু হয়েছে তা কোনওভাবেই আশঙ্কাজনক নয়। এ ধরনের কয়েকগুণ শক্তিশালী ধাক্কা সামাল দেওয়ার সক্ষমতা প্রতিটি পিলারেরই রয়েছে। সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে এ সেতুর প্রতিটি পিলার’—বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে আলাপকালে এসব তথ্য জানান পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, এত বড় নদীতে পানির স্রোত খুব বেশি। তাই হয়তো নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেরিটি পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগেছে। এতে ফেরিটির আরও বড় ক্ষতি হতে পারতো। ফেরিটি ডুবেও যেতে পারতো। এতে বহু মানুষের প্রাণহানিও ঘটতে পারতো। সম্পদের ক্ষতি হতে পারতো। এ বিষয়টি নিয়েই আমরা বেশি উদ্বিগ্ন ছিলাম। কারণ যে ধাক্কা লেগেছে, তা সহ্য করার কয়েকগুণ ক্ষমতা সেতুর প্রতিটি পিলারের রয়েছে। তবে ফেরিসহ নৌযানগুলোকে আরও সাবধানতা অবলম্বন করে সেতু এলাকা অতিক্রম করার অনুরোধ থাকবে চালকদের প্রতি।

আরও পড়ুন:
পদ্মা সেতুর পিলারে বার বার ফেরির ধাক্কা কেন?

পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কা, থানায় জিডি

এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরীর নেতৃত্বে মন্ত্রণালয়ের একটি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত টিম। পরিদর্শন শেষে ঢাকায় ফিরে নৌ সচিব বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সাধারণ চোখে বড় কোনও ক্ষতি নজরে পড়েনি। সেতু কর্তৃপক্ষও এমন কোনও অভিযোগ করেনি। ফেরির ধাক্কায় সেতুর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে সেতু কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের কোনও আলাপ বা কথাবার্তা হয়নি।

তিনি জানিয়েছেন, ফেরির ধাক্কায় পিলারের ক্ষতি কতোটুকু গভীর তা সেতু কর্তৃপক্ষই বলতে পারবে। পরিদর্শনে গিয়ে আমরা যে বিষয়টি দেখেছি, সেটি হলো ফেরির সঙ্গে পিলারের ধাক্কা লাগার ঘটনাটিতে চালকের খামখেয়ালিপনা কতটুকু? প্রাথমিকভাবে তাতে আমাদের মনে হয়েছে—নিয়ন্ত্রণ হারিয়েই আসলে ফেরিটি পিলারের সঙ্গে ধাক্কা লেগেছে। এটি অনিচ্ছাকৃত। আমরা চালকদেরকে আরও সতর্ক হয়ে ফেরি চালানোর পরামর্শ দিয়েছি। যদিও সংশ্লিষ্ট চালককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বিআইডব্লিউটিএ। 

অপর এক প্রশ্নের জবাবে সচিব জানিয়েছেন, সেতু এলাকা অতিক্রমকালে অন্যান্য নৌযান চালকদের পিলারের কাছাকাছি নির্দিষ্ট সীমানা ছেড়ে জাহাজ, ফেরি বা নৌযান চালাতে হবে কিনা তা সেতু কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট করবে। যদি করে তাহলে নৌ-যানের চালকরা তা অবশ্যই মানবেন। চালকদেরকে আরও সতর্কতার সঙ্গে ফেরি চালানোর প্রশিক্ষণ দেওয়ারও প্রয়োজন রয়েছে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাংলাবাজার ঘাট থেকে ২৯টি যানবাহন নিয়ে শিমুলিয়া ঘাটে আসার পথে বিআইডব্লিউটিএ’র রো রো ফেরি শাহ জালাল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর ১৭ নম্বর পিলারে আঘাত করে। এর মাত্র তিন দিন আগেও গত মঙ্গলবার রো রো ফেরি শাহ মখদুমও পদ্মা সেতুর ১৬ নম্বর পিলারে ধাক্কা দেয়।

শুক্রবার পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিলারে  ফেরি ‘শাহজালাল’র ধাক্কার ঘটনায় মাদারীপুরের শিবচর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। শুক্রবার (২৩ জুলাই) রাত ১০টার দিকে জিডিটি করেন পদ্মা সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান মোহম্মদ আব্দুল কাদের।

জিডিতে বলা হয়েছে, ফেরি শাহজালাল’র ধাক্কায় পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিলারের পাইল ক্যাপের ওপরের ভাগ ও সাইড ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর আগেও একাধিকবার বিআইডব্লিউটিসির ফেরি পদ্মা সেতুর পিলারে আঘাত হেনেছে। বিআইডব্লিউটিসিকে মৌখিক ও লিখিতভাবে সাবধানতার সঙ্গে ফেরি চালানোর অনুরোধ করেছিল সেতু কর্তৃপক্ষ।  ফেরিটির ফিটনেস ও চালকের যোগ্যতা বা দক্ষতা ছিল কিনা, তা তদন্ত করে দেখার অনুরোধ করা হয়।

পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিলারের সঙ্গে শুক্রবার রো রো ফেরি শাহ্ জালালের ধাক্কার ঘটনায় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। শনিবার সকাল ১০টায় রো রো ফেরি শাহ্ পরানে চড়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ্ উদ্দিন চৌধুরী।

এ সময় বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক ও বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক শাহীনুর রহমান ভূঁইয়া, বিআইডব্লিউটিসির এজিএম আহমেদ আলী, এজিএম রুবেলুজ্জামান ও পদ্মা সেতু বিভাগের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কা লাগার ঘটনা ‘অসতর্কতা’ বলেই মনে করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি)। সংস্থাটি বলছে, পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোতের টানে অনেক সময় ফেরি নিয়ন্ত্রণে রাখা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এছাড়া এই রুটে অনেক পুরনো ফেরি চলছে যেগুলোর অনেক যন্ত্রাংশই বিভিন্ন সময় বিকল হয়ে পড়ে। এতে ফেরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

এদিকে, পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দেওয়ার ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিআইডব্লিউটিসি। তদন্ত কমিটির সদস্য বিআইডব্লিউটিসির এজিএম (মেরিন) আহম্মেদ আলী জানান, অসতর্কতা ও স্রোতের কারণে ফেরি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে পদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কা দিতে পারে। তবে অধিকতর তদন্ত করলে বিস্তারিত জানা যাবে।

এ বিষয়ে পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প ব্যবস্থাপক দেওয়ান মো. আব্দুল কাদের বলেন, ফেরির ধাক্কায় পিলারের কোনও ক্ষতি হয়নি।

/এমআর/

বাংলাদেশের চামড়াজাত ও সিরামিক পণ্যে আগ্রহ দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ীদের

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৮:৪১

বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্য এবং সিরামিক পণ্য আমদানি করতে আগ্রহী দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ীরা। এছাড়া খাদ্য সামগ্রীর বিষয়ে আগ্রহ রয়েছে ব্যবসায়ীদের।

দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে আয়োজিত ইমপোর্ট গুড ফেয়ারে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ। সেখানে তৈরি পোশাক, পাট ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক পণ্য, হস্তশিল্প যেমন‑ পিতলের পণ্য, ঐতিহ্যবাহী পুতুল ইত্যাদি প্রদর্শন করা হয়।

বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে শনিবার (২৪ জুলাই) পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা ও সম্ভাবনাময় আমদানিকারকরা বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্য এবং সিরামিক পণ্য সম্পর্কে গভীর আগ্রহ দেখান। এছাড়া, অর্গানিক খাদ্য সামগ্রী, যেমন- মিশ্রিত বাদাম, মধু, মরিঙ্গা চা ও ঘি দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে।

মেলার উদ্বোধনের পরে রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম কোরিয়ান ইমপোটার্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান, দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্য, শিল্প ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক এবং অন্যান্য রাষ্ট্রদূতগণকে বাংলাদেশের স্টল পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানান এবং তাদেরকে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প পণ্য উপহার প্রদান করেন।

এ রকম মেলায় অংশগ্রহণ দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে মনে করে দূতাবাস।

/এসএসজেড/এমএস/

‘২১ কোটি ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে’

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৮:৩০

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক জানিয়েছেন , বিভিন্ন উৎস থেকে আমরা যে ভ্যাকসিনের প্রতিশ্রুতি পেয়েছি এবং কিনেছি তার সংখ্যা ২১ কোটি। অর্থাৎ এখন পর্যন্ত ২১ কোটি ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করেছি। সময়মতো পেলে বাংলাদেশ কোনও দেশ থেকে ভ্যাকসিনে পিছিয়ে থাকবে না। যথাসময়ে ৮০ শতাংশ জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনা যাবে।

শনিবার (২৪ জুলাই) বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রাশিয়ার ১ কোটি ডোজ স্পুটনিক ভি,  চীনের সিনোফার্মের ৩ কোটি ডোজ, অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৩ কোটি, কোভ্যাক্সের আওতায় ৭ কোটি ও জনসন অ্যান্ড জনসনের ৭ কোটি ডোজ টিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগামী ২৬ বা ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে আরও ৩০ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা দেশে আসবে। টিকা সংরক্ষণে ২৬টি কোল্ড ফ্রিজার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে আনা হয়েছে। এগুলোয় মাইনাস ৭০ ডিগ্রিতে রাখার মতো টিকাও সংরক্ষণ করা যাবে। বিভিন্ন দেশ থেকে নতুন করে আরও যে টিকা আসবে, সেগুলো সংরক্ষণ করতে কোনও সমস্যা হবে না।

তিনি আরও বলেন, গ্রামে বয়স্ক লোকজনকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে টিকা দেওয়া হবে। আমরা নির্দেশনা দিয়েছি। শিক্ষক-ছাত্রদেরও অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। সম্মুখসারির যোদ্ধা যারা তাদের পরিবারের ১৮ বছরের বেশি বয়সীদের টিকা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সুরক্ষা অ্যাপের মাধ্যমে সেটি দ্রুত চালু হয়ে যাবে বলে আমি আশা করছি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের তথ্য বলছে যারা ভর্তি হচ্ছে ৯০ শতাংশই ভ্যাকসিন নেয়নি। না নেওয়ার কারণে তারা সংক্রমিত হয়ে অসুস্থ হয়েছে। তাদের মধ্যে গ্রামের মানুষ বেশি। ঢাকায় যারা চিকিৎসা নিচ্ছেন তাদের শতকরা ৭৫ ভাগই প্রত্যন্ত এলাকার। তাদের বেশিরভাগই ভ্যাকসিন নেয়নি এবং বয়স্ক মানুষ। গ্রামের বয়স্ক মানুষদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে যদি আমরা ভ্যাকসিন দিতে পারি , তাহলে রোগী ও মৃত্যুর সংখ্যা কমবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ বি এম খুরশিদ আলম,  বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিক্যাল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম এ মুবিন খান ও সাধারণ সম্পাদক ড. আনোয়ার হোসেন খান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

/এসও/এমআর/

সম্পর্কিত

জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ টিকা আসছে শনিবার

জাপান থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আড়াই লাখ টিকা আসছে শনিবার

ঢাকায় পৌঁছেছে মডার্নার আরও ৩০ লাখ টিকা

ঢাকায় পৌঁছেছে মডার্নার আরও ৩০ লাখ টিকা

এক কোটি ১৪ লাখের বেশি ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ

এক কোটি ১৪ লাখের বেশি ভ্যাকসিন দেওয়া শেষ

বয়স ৩০ বছর হলে নেওয়া যাবে টিকা

বয়স ৩০ বছর হলে নেওয়া যাবে টিকা

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ১৮:৩৭

চলতি সপ্তাহে ঈদুল আজহার ছুটিতে দেশে করোনাভাইরাস শনাক্তে নমুনা পরীক্ষা কমেছে। আর তাতে কমেছে শনাক্তের সংখ্যাও।

আজ শনিবার (২৪ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতর করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা, শনাক্তের সংখ্যা, সুস্থতার সংখ্যা ও মৃত্যু সংখ্যা বিশ্লেষণে এ তথ্য জানিয়েছে।

অধিদফতর জানায়, চলতি সপ্তাহে (১৮ জুলাই থেকে ২৪ জুলাই) দেশে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২ লাখ ২ হাজার ১১৩টি। আর গত সপ্তাহে (১১ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই) নমুনা পরীক্ষা হয়েছিল ২ লাখ ৮৪ হাজার ৪২৯টি। অর্থ্যাৎ গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে নমুনা পরীক্ষার হার কমেছে ২৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

সেই সঙ্গে চলতি সপ্তাহে রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৬০ হাজার ৯৩৩ জন আর গত সপ্তাহে রোগী শনাক্ত হয়েছিলেন ৮৩ হাজার ৯৬ জন। গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে রোগী শনাক্তের হার কমেছে ২৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

চলতি সপ্তাহে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ৩৭৭ জনের মৃত্যুর কথা জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। গত সপ্তাহে মারা গিয়েছিলেন এক হাজার ৪৮০ জন। চলতি সপ্তাহে গত সপ্তাহের তুলনায় মৃত্যুহার কমেছে ছয় দশমিক ৯৬ শতাংশ।

তবে নমুনা পরীক্ষার হার, শনাক্তের হার এবং মৃত্যুহার কমলেও গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে রোগী সুস্থ হয়েছেন বেশি। চলতি সপ্তাহে ৬৫ হাজার ১৭৬ জন সুস্থ হয়েছেন আর গত সপ্তাহে সুস্থ হয়েছিলেন ৫৫ হাজার ২৪ জন। অর্থ্যাৎ, গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে সুস্থতার হার বেড়েছে ১৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

/জেএ/ ইউএস/

সম্পর্কিত

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে কাল

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে কাল

দেশে করোনায় মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়ালো

দেশে করোনায় মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়ালো

অচলাবস্থা নিরসনে নতুন উদ্যোগ

অচলাবস্থা নিরসনে নতুন উদ্যোগ

ভারত থেকে ২০০ টন অক্সিজেন আসছে কাল

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২০:৪৭

ভারত থেকে ২০০ টন তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে। শনিবার (২৪ জুলাই) ভারতীয় দূতাবাসের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ কথা জানানো হয়।

পোস্টে বলা হয়, ‘কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টায় সহায়তা হিসেবে ভারত সরকারের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রথম আন্তঃসীমান্ত অক্সিজেন এক্সপ্রেসের মাধ্যমে ২০০ মেট্রিক টন তরল মেডিক্যাল অক্সিজেন ভারত থেকে আগামীকাল (২৫ জুলাই) বেনাপোল পৌঁছাবে।’

এদিকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. শরিফুল আলম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ভারতের ঝাড়খণ্ড প্রদেশের জামশেদপুর টাটানগর থেকে স্থানীয় সময় শনিবার সকাল ১০টায় দশটি কন্টেইনারে তরল অক্সিজেন নিয়ে একটি ট্রেন বাংলাদেশের উদ্দেশে ছেড়ে এসেছে। আজ রাত ১০টার মধ্যে ট্রেনটি বেনাপোল স্টেশন হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে। আগামীকাল সকাল নাগাদ এটি বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু পশ্চিম প্রান্তে পৌঁছানোর পরে এ অক্সিজেন খালাস করা হবে।

এর আগে ঈদের দিন বুধবার ভারত থেকে ১৮০ টন তরলীকৃত অক্সিজেন বেনাপোল বর্ডার দিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। করোনা পরিস্থিতিতে একটি গ্রিন করিডোর ব্যবহার করা হয়েছে এই আমদানির জন্য। দুই স্থলবন্দরের কর্মকর্তাদের সহায়তায় ঈদের দিন এই অক্সিজেন বাংলাদেশে এসেছিল।

/এসএসজেড/এফএ/এসএস/ইউএস/

সম্পর্কিত

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

নমুনা পরীক্ষার সঙ্গে কমেছে শনাক্তও

দেশে করোনায় মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়ালো

দেশে করোনায় মৃত্যু ১৯ হাজার ছাড়ালো

চিকিৎসকদের কোয়ারেন্টিন বাতিল, আর কত হারাবেন তারা?

চিকিৎসকদের কোয়ারেন্টিন বাতিল, আর কত হারাবেন তারা?

সরকারি হাসপাতালে ফাঁকা আইসিইউ বেড কমে ৪৫

সরকারি হাসপাতালে ফাঁকা আইসিইউ বেড কমে ৪৫

সর্বশেষ

গৃহযুদ্ধ থেকে অলিম্পিক, সিরিয়ার এক কিশোরীর বিস্ময়কর যাত্রা

গৃহযুদ্ধ থেকে অলিম্পিক, সিরিয়ার এক কিশোরীর বিস্ময়কর যাত্রা

শান্তিচুক্তির বিরোধিতাকারী তালেবান যোদ্ধাদের দলে ভেড়াচ্ছে আইএস!

শান্তিচুক্তির বিরোধিতাকারী তালেবান যোদ্ধাদের দলে ভেড়াচ্ছে আইএস!

জরিমানা ও ব্যবস্থাপকের কারাদণ্ডে যা বললো প্রিমিয়ার সিমেন্ট

জরিমানা ও ব্যবস্থাপকের কারাদণ্ডে যা বললো প্রিমিয়ার সিমেন্ট

ট্রলারডুবির ১৮ ঘণ্টা পর ১৬ জেলে জীবিত উদ্ধার

ট্রলারডুবির ১৮ ঘণ্টা পর ১৬ জেলে জীবিত উদ্ধার

কৃষকের ঘর থেকে জাতীয় দল, কেমন চলছে শরিফুলের দিনকাল

কৃষকের ঘর থেকে জাতীয় দল, কেমন চলছে শরিফুলের দিনকাল

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট স্থগিত

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে রশিতে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে রশিতে বেঁধে পেটানোর অভিযোগ

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

লকডাউন অমান্য: রাজধানীতে গ্রেফতার ৩৮৩ জন

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

কমলাপুর বিআরটিসি ডিপোতে হঠাৎ আগুনে পুড়লো বাস

প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েলের, খেলতে না চাওয়ায় শাস্তি

প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েলের, খেলতে না চাওয়ায় শাস্তি

শরীরে ক্যামেরা নিয়ে চলবে চট্টগ্রামের ৪ থানার পুলিশ

শরীরে ক্যামেরা নিয়ে চলবে চট্টগ্রামের ৪ থানার পুলিশ

এক ক্যাটাগরিতে তিন রেকর্ড চীনের, ভারতের প্রথম পদক

এক ক্যাটাগরিতে তিন রেকর্ড চীনের, ভারতের প্রথম পদক

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

ডেল্টা প্ল্যান-২১০০‘কৌশলগুলোর বাস্তবায়ন কঠিন হবে না’

বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

ডেল্টা প্ল্যান-২১০০বাস্তবায়ন না হলে ক্ষতির মুখে পড়বে সামষ্টিক অর্থনীতি

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

লবণাক্ততা রোধে যা বলা আছে ডেল্টা প্ল্যানে

হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০হটস্পট মোকাবিলায় যতো কৌশল

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে যা করতে হবে

ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে যা করতে হবে

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ : সরকারের এ মহাপরিকল্পনায় যা থাকছে

ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ : সরকারের এ মহাপরিকল্পনায় যা থাকছে

© 2021 Bangla Tribune