X
শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

বিরক্তিকর মনে হওয়ায় মাস্ক পরি না

আপডেট : ১২ জুন ২০২১, ১৭:৩৬

দিনাজপুরের সীমান্তবর্তী এলাকা হিলিতে দিন দিন করোনা সংক্রমণের হার বাড়লেও স্বাস্থ্যবিধি মানছে না মানুষ। হাটবাজার ও রাস্তাঘাটে অধিকাংশ মানুষ মাস্ক না পরেই চলাচল করছে। এতে সংক্রমণ ঝুঁকিতে রয়েছে সবাই। মাস্ক পরে চলাফেরা করতে কষ্ট হয়, অতিরিক্ত গরম লাগে এমন নানা অজুহাতে মাস্ক পরছে না হিলিতে বাজার করতে আসা মানুষজন।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, হিলিতে আগে কম থাকলেও এখন করোনা সংক্রমণের হার বাড়ছে প্রতিদিন। গত ১০ দিনে ২১ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে হিলিতে করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৭ জন। এর মধ্যে একজন মারা গেছেন। ৯৬ জন সুস্থ হয়েছেন। বর্তমানে রোগী আছেন ২১ জন। হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দেশে ফেরা ছয়জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তারা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

হিলি বাজার ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ মানুষ মাস্ক ছাড়াই বাজার করতে এসেছেন। মাস্ক না পরার নানা অজুহাত দেখান তারা। দোকানগুলোতে গাদাগাদি করে পণ্য কিনছেন। দেখে বোঝার উপায় নেই, দেশে করোনা মহামারি চলছে। স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি নেই। এ অবস্থায় করোনা সংক্রমণের হার আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে সচেতন মহল।

হিলি বাজারে পণ্য কিনতে আসা আশরাফুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গত কয়েকদিন ধরে তাপমাত্রা খুব বেশি। মাস্ক পরে থাকলে অতিরিক্ত গরম লাগে। মাস্ক পরে চলাফেরা করতে কষ্ট হয়। বিরক্তিকর মনে হওয়ায় মাস্ক পরি না।

বাজারে আসা তার মতো অধিকাংশ মানুষ মাস্ক না পরেই ঘোরাফেরা করছেন। দু-একজন মাস্ক পরলেও থুতনিতে নামিয়ে রেখেছেন। কেউ কেউ পকেটে রেখেছেন।

হিলিতে দিন দিন করোনা সংক্রমণের হার বাড়লেও স্বাস্থ্যবিধি মানছে না মানুষ

মাস্ক পরেননি কেন জানতে চাইলে হিলি বাজারের ভ্যানচালক খালেদ হোসেন বলেন, আমি নিয়মিত মাস্ক পরি। পান খাচ্ছি, এজন্য খুলে ভ্যানে ঝুলিয়ে রেখেছি।

হিলি বাজারের ব্যবসায়ী আজম খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমরা সবসময় মাস্ক পরি। কিন্তু বাজারে আসা মানুষজন মাস্ক পরে না। মাস্ক না পরেই কেনাকাটা ও ঘোরাফেরা করছেন তারা।

তিনি বলেন, মানুষ স্বাস্থ্যবিধি না মানায় কয়েকদিন ধরে হিলিতে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। ভারত থেকে প্রতিদিন দেড়-দুইশ ট্রাক ঢুকছে। ট্রাকের সঙ্গে তিনশ-চারশ লোকও ঢুকছেন। তারা বন্দরের চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছেন, ঘোরাফেরা করছেন। এতে সংক্রমণের হার বাড়ছে।

হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নূর-এ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বন্দর দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম চলছে। প্রত্যেক ট্রাকচালকের শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ, মাস্ক পরা নিশ্চিত, জীবাণুমুক্ত করে ভারত থেকে দেশে ঢুকতে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ভারত থেকে দেশে ফেরা যাত্রীদের করোনা পরীক্ষাসহ ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। যাদের করোনা ধরা পড়ে তাদের আইসোলেশন সেন্টারে পাঠানো হয়।

তিনি বলেন, নিয়মিত মাস্ক পরিধান ও স্বাস্থ্যবিধি মানুষ যাতে মেনে চলে; তা আমরা নিশ্চিত করছি। একই সঙ্গে করোনার লক্ষণ থাকলে যেন পরীক্ষা করে সেজন্য পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছি।

/এএম/

সম্পর্কিত

অটোরিকশা থেকে চাঁদা আদায় নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১৩

অটোরিকশা থেকে চাঁদা আদায় নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১৩

ফুটবল খেলায় ও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করায় আটক ৪৪

ফুটবল খেলায় ও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করায় আটক ৪৪

গাইবান্ধায় কাভার্ডভ্যান-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

গাইবান্ধায় কাভার্ডভ্যান-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

রংপুর মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

রংপুর মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

কক্সবাজারে নেমে যাচ্ছে বন্যার পানি, খাদ্য সংকট

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০৯:৩২

টানা কয়েকদিন ধরে ভারি বর্ষণে কক্সবাজারে সৃষ্ট বন্যার পানি নেমে যাচ্ছে। এতে ভেসে উঠছে ক্ষতচিহ্ন। ফসলির জমির পাশাপাশি গ্রামীণ সড়কগুলোর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুর্গত এলাকায় বসবাসরত মানুষের মাঝে দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যের অভাব। এ সংকটে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে পানি ও ত্রাণ সহায়তা।

জেলায় কয়েকদিন ধরে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দি হন চকরিয়া, রামু, কক্সবাজার সদর, টেকনাফ এবং উখিয়ার ৫১টি ইউনিয়নের আড়াই লাখ মানুষ। পানিতে ডুবে আছে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের কয়েকটি স্থান। বন্যা দুর্গত এসব এলাকার মানুষরা পড়েছেন অবর্ণনীয় দুর্ভোগে।

এদিকে বন্যার্ত মানুষদের সহযোগিতার জন্য ছুটে চলছে প্রশাসনের লোকজন ও জনপ্রতিনিধিরা। তারা রান্না করা খাবার এবং শুকনো খাবার পৌঁছে দিচ্ছেন ঘরে ঘরে। একই সঙ্গে ত্রাণসামগ্রীও দেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানিয়েছেন, বন্যা কবলিত এসব মানুষের জন্য ৩০০ মে. টন চাল ও নগদ ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বরাদ্দ আরও বাড়ানো হবে। সরকারের পাশাপাশি যার যার অবস্থান থেকে বন্যা কবলিত মানুষের পাশে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরও জানান, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে স্বাস্থ্যসেবা, রাস্তাঘাট, কৃষি, মৎস্য, লবণ, ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ সংস্কার করা হবে। ইতোমধ্যে কক্সবাজার সদরে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান, সদর, ঈদগাঁও ও রামুতে সংসদ সদস্য সাইমুন সরওয়ার কমল এবং চকরিয়া ও পেকুয়ায় সংসদ সদস্য জাফর আলমসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও নেতারা সহায়তা নিয়ে মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছেন, জেলার ৭১টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভার মধ্যে ৫১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ৫২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে ৭৬ হাজার ৫০০ পরিবারের আড়াই লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছিলেন। প্রাথমিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ ৩২ কোটি টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্লাবিত এলাকার জন্য ইতোমধ্যে ৩০০ মেট্টিক টন চাল দুই হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও ১৫ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে। পানি শুকিয়ে গেলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, গত তিন ধরে ভারি বর্ষণে পাহাড়ধস ও বন্যার পানিতে ভেসে ২০ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

/এমএএ/

সম্পর্কিত

সিনহা হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ

সিনহা হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করায় বাবার জরিমানা

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করায় বাবার জরিমানা

ফুটবল খেলায় ও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করায় আটক ৪৪

ফুটবল খেলায় ও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করায় আটক ৪৪

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০৯:১৪

চলমান কঠোর লকডাউনে জামালপুরের ইসলামপুরে বসেছে পশুর হাট। এলাকাবাসী জানান, শুক্রবার (৩০ জুলাই) বিকালে ইসলামপুর উপজেলা থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে গাইবান্ধা ইউনিয়নের নাপিতেরচর হাটে হাজার হাজার ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগমে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলে গরু-ছাগল ক্রয়-বিক্রয়।

ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সাপ্তাহিক ওই গরু হাট পরিচালনা করেন গাইবান্ধা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন এবং ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আবু সুফিয়ান শান্ত। লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন তৎপর থাকলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না ওই গরু হাটটিতে। গরু হাটটিতে তিল ধারণের জায়গায় নেই ক্রেতা-বিক্রেতার পদচারণে। স্বাস্থ্য সচেতনতা কারও মধ্যেই লক্ষ করা যায়নি। এ বাজারে হুমড়ি খেতে দেখা যায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের। কেউই মানছেন না করোনা রোধে স্বাস্থ্যবিধি।

হাটের ইজারাদার আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমি ইউএনও স্যারকে বলে হাট চালিয়েছি। স্বাস্থ্যবিধি মেনেই হাট পরিচালনা করা হয়েছে।’

স্থানীয় এলাকাবাসী আক্রাম হোসেন, নজরুল ইসলাম, আবেদ আলী, আবুল হাসেম, লুৎফর রহমান, মিস্টারসহ অনেকেই জানান, প্রতি শুক্রবার দুপুরে নাপিতেরচর গো-হাটটি বসছে। এতে আশেপাশের উপজেলাগুলো থেকে হাজার হাজার মানুষের সমাগম ঘটে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. গোলাম মোরশেদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘এলাকার কয়েকজন গরু নিয়ে এসেছিল। তাদের নিষেধ করাতে সবাই গরু নিয়ে চলে গেছে।  বাজার বসতে পারেনি।’

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মোর্শেদা জামান বলেন, ‘নাপিতেরচর গরু হাট বসার তথ্য আমার জানা নেই। সব ধরনের পশুর হাট আগেভাগেই বন্ধ করে দিয়েছি। বিষয়টি আমি দেখছি।’

/এমএএ/

সম্পর্কিত

ঈদে বিক্রি না হওয়া ‘কালো মানিক’কে নিয়ে বিপাকে খামারি

ঈদে বিক্রি না হওয়া ‘কালো মানিক’কে নিয়ে বিপাকে খামারি

ফুটবল খেলায় ও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করায় আটক ৪৪

ফুটবল খেলায় ও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করায় আটক ৪৪

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

সিনহা হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০৩:০২

মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যার এক বছর পূর্ণ হলো। ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজারের টেকনাফের বাহারছড়ায় গুলিতে নিহত হন তিনি। এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় গত ২৬, ২৭ ও ২৮ জুলাই বাদীপক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু কঠোর লকডাউনের কারণে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ।

সিনহা হত্যার দুই দিন পর চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) মোহাম্মদ মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক করেছিল চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করে ঘটনার কারণ ও উৎস অনুসন্ধানের প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সুপারিশসহ জমা দেয়।

হত্যাকাণ্ডের পাঁচ দিনের মাথায় সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত হওয়া সাবেক পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার বরখাস্ত হওয়া সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ নয় জনকে আসামি করে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন। মামলার পরদিন ৬ আগস্ট প্রধান আসামি লিয়াকত আলী ও প্রদীপ কুমার দাশসহ সাত পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

প্রথমে মামলাটি র‌্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার জামিল আহমদকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে তার পরিবর্তে র‍্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. খায়রুল ইসলামকে তদন্তের দায়িত্ব দেন আদালত।

হত্যায় সংশ্লিষ্টতা পেয়ে পুলিশের করা মামলার তিন সাক্ষী এবং শামলাপুর চেকপোস্টে দায়িত্বরত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে মামলার আরেক আসামি টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক সদস্য কনস্টেবল রুবেল শর্মাকেও গ্রেফতার করা হয়। পর্যায়ক্রমে আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর পর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম তাদের রিমান্ডে নেন। 

রিমান্ডের আসামিদের স্বীকারোক্তিতে আরও চার আসামিকে মামলায় যুক্ত করা হয়। এরপর ১৪ আসামিকে র‌্যাবের তদন্ত কর্মকর্তা বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এদের মধ্যে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও কনস্টেবল রুবেল শর্মা ছাড়া ১২ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

চার মাস তদন্ত শেষে ১৩ ডিসেম্বর ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। অভিযোগপত্রে সিনহা হত্যাকাণ্ডকে পরিকল্পিত ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

২০২১ সালের ২৪ জুন আত্মসমর্পণ করেন এই মামলার একমাত্র পলাতক আসামি কনস্টেবল সাগর দেব। চলতি বছরের ২৭ জুন মামলায় অভিযুক্ত ওসি প্রদীপসহ ১৫ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠনপূর্বক সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন আদালত।

মামলায় কারাগারে থাকা ১৫ আসামি হলো- বাহারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন পরিদর্শক লিয়াকত আলী, সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, এসআই নন্দ দুলাল রক্ষিত, এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুল করিম, সাগর দেব, রুবেল শর্মা, কামাল হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, এপিবিএনের এসআই মো. শাহজাহান, কনস্টেবল মো. রাজীব, মো. আবদুল্লাহ এবং সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নিজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

চলতি বছরের ২৭ জুন সব আসামির উপস্থিতিতে মামলার অভিযোগ গঠন করেন কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইল। এর আগে মামলা তদন্তকালীন সময়ে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার ও কনস্টেবলসহ এক হাজার ৫০৫ পুলিশকে বদলি করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ফরিদুল আলম চৌধুরী বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের কারণে সারা দেশের মতো কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে স্বাভাবিক কার্যক্রম না চলায় নির্ধারিত দিনে মেজর সিনহা হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। 

তিনি বলেন, মামলার সাক্ষী ৮৩ জন। আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে সাক্ষ্যগ্রহণসহ অন্যান্য বিচারপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক নিয়মে চলবে। ২৬, ২৭ ও ২৮ জুলাই মামলায় বাদী পক্ষের সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করেন আদালত। কিন্তু কঠোর লকডাউনের কারণে আদালতের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় পিছিয়ে নেওয়া হয় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন।

মামলার চার্জশিট:

র‌্যাবের দেওয়া চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সালের ৭ জুলাই মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান, সহকর্মী শিপ্রা দেবনাথ, সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও রুফতি কক্সবাজারের নীলিমা রিসোর্টে অবস্থান করেন। ইউটিউবে একটি ভিডিও চ্যানেল নিয়ে কাজ করার সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক হয়। সাধারণ মানুষ পুলিশের মাধ্যমে তাদের জিম্মি দশা, অত্যাচারের ঘটনা মেজর সিনহাকে জানান। এসব জেনে সিনহা পীড়িত হন। নীলিমা রিসোর্ট থেকে টেকনাফে রওনা হন সিনহা ও সহকর্মী সিফাত। সন্ধ্যায় মারিশবুনিয়া গ্রামের টুইন্যা পাহাড়ে যান সিনহা। পরে একটি মসজিদ থেকে মাইকে এলাকায় ডাকাত ঢুকেছে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। 

ঘোষণার নেপথ্যে ছিলেন স্থানীয় আয়াজ উদ্দিন ও নুরুল আমিন। তারা পুলিশের সোর্স হিসেবে পরিচিত। ওই দিন সকাল থেকে সিনহার গতিবিধি নজরে রাখা হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে ওসি প্রদীপকে জানানো হয়, মেজর সিনহা প্রাইভেটকার নিয়ে শামলাপুর পাহাড়ে গেছেন। এ সময় সোর্সের মাধ্যমে সিনহার প্রতি নজর রাখেন পরিদর্শক লিয়াকত আলী। 

শামলাপুর আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) চেকপোস্টে তল্লাশির নামে গাড়ি থেকে নামিয়ে সিনহাকে চারটি গুলি করেন লিয়াকত আলী। কিছুক্ষণ পর ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ঘটনাস্থলে যান, তখনও সিনহা জীবিত ছিলেন। এ সময় ওসি প্রদীপ সিনহার মুখমণ্ডল ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পা দিয়ে আঘাত করেন। এরপর সিনহার মৃত্যু হয়। পরে তাকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে আদালতে দেওয়া অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, সিনহা হত্যা মামলাটি বেআইনি ও অবৈধ দাবি করে ৪ অক্টোবর মামলার প্রধান আসামি লিয়াকতের আইনজীবী মাসুদ সালাহ উদ্দিন কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতে একটি মামলা করেন। কিন্তু ওই মামলার বিশেষ কোনও অগ্রগতি এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি।

/এএম/

সম্পর্কিত

কক্সবাজারে নেমে যাচ্ছে বন্যার পানি, খাদ্য সংকট

কক্সবাজারে নেমে যাচ্ছে বন্যার পানি, খাদ্য সংকট

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করায় বাবার জরিমানা

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ের আয়োজন করায় বাবার জরিমানা

হেফাজতের হরতালে সহিংসতা মামলার আসামি গ্রেফতার

হেফাজতের হরতালে সহিংসতা মামলার আসামি গ্রেফতার

ঈদে বিক্রি না হওয়া ‘কালো মানিক’কে নিয়ে বিপাকে খামারি

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০১:৩৬

কোরবানির পশুর হাটে ৩৭ মণ ওজনের ‘কালো মানিক’কে বিক্রি করতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার ধানীখোলা ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়া গ্রামের খামারি জাকির হোসেন সুমন।

ঢাকার উত্তরা ও আজিমপুর কোরবানির হাটে নিয়েও বিক্রি করতে না পেরে ‘কালো মানিক’কে ফিরিয়ে আনতে হয়েছে নিজ বাড়িতে। বাজারে সর্বোচ্চ সাড়ে ১১ লাখ টাকার দাম উঠেছিল। কিন্তু মালিক সুমনের চাহিদা ছিল ২০ থেকে ২৫ লাখ টাকার মতো।

এর আগের বছর কোরবানি ঈদে ‘লাল মানিক’ নামের আরেকটি গরু বিক্রি করেছিলেন ১৩ লাখ টাকায়। ওই সময়ে ‘কালো মানিক’র দাম উঠেছিল ১১ লাখ টাকা।

খামারি জাকির হোসেন সুমন বলেন, ‘আল্লাহ-ই ভালো জানেন, কালো মানিক আমার হাতে আর কতদিন খাবার খাবে। বিক্রি করতে পারিনি তাতে কী হয়েছে? নসিবে যা আছে তাই হবে। প্রতিদিন কালো মানিকের পেছনে খাওয়া বাবদ এক হাজার থেকে ১২০০ টাকা লাগে। ওর পেছনে একজন শ্রমিক আছে, যার মাসিক বেতন দিতে হয় ১২ হাজার টাকা।’

তিনি বলেন, ‘ভালো দাম পেলে বিক্রি করব, না পেলে খামারে রেখে দিব। মাস খানেক যাওয়ার পর আরও পাঁচ-ছয়টা ষাঁড় গরু কিনে কালো মানিকের সঙ্গে লালন-পালন করতে শুরু করব। মাছ চাষের পাশাপাশি শখ করে গরু লালন-পালন করি। শখের বসেই গত পাঁচ বছর আগে ৬৫ হাজার টাকার বিনিময়ে কালো মানিককে কিনে এনে খামারে লালন-পালন করি। বর্তমানে কালো মানিকের ওজন ৩৭ মণ।’

এ খামারি আরও বলেন, ‘বর্তমানে মাংস ওজনে বিক্রি করলেও কালো মানিকের দাম ৯ লাখ টাকার ওপরে রয়েছে। তবে মাংসের জন্য এই গরু কখনও বিক্রি করবো না। শখের বশে যদি কোনও ব্যক্তি ভালোবেসে বেশি দামে কিনে নেয়, তাহলে তার কাছেই বিক্রি করবো।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

প্রেমিকের পরিকল্পনায় স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

গৃহহীনদের এত ঘর দেয়নি কোনও সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী 

গৃহহীনদের এত ঘর দেয়নি কোনও সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী 

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিতেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

করোনার প্রতি লাশে ৩০০ টাকা করে নিতেন হাসপাতাল কর্মকর্তা! 

অটোরিকশা থেকে চাঁদা আদায় নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১৩

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০১:২২

কুড়িগ্রামের রাজীবপুরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও সিএনজি থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (৩০ জুলাই) দুপুরে উপজেলার বটতলা এলাকায় রৌমারী-রাজীবপুর-ঢাকা মহাসড়কে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রাজীবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শ্রমিক সংগঠন সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সিএনজি-অটোরিকশা শ্রমিকদের একটি পক্ষ শ্রমিক সংগঠনের নামে চালকদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় করে আসছিল। চলমান লকডাউনে সড়কে যাত্রী কমে যাওয়ায় চালকদের একটি অংশ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের দ্বন্দ্বে গত ২৮ জুলাই হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। সেই সঙ্গে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানো চালকরা রাজীবপুর থানায় অভিযোগ দেয়। এরই জেরে শুক্রবার দুপুরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

হামলায় আহত অটোবাইক-সিএনজি-অটোরিকশা সমবায় কল্যাণ সমিতির সভাপতি শহীদ মিয়া বলেন, ‘চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে শ্রমিক ইউনিয়নের শ্রমিকরা চালকদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমার সংগঠনের অন্তত পাঁচ জন গুরুতর আহত হয়।’

চাঁদা আদায় বন্ধের দাবি জানিয়ে এই শ্রমিকনেতা বলেন, ‘সরকার ও প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাই, চাঁদাবাজি যেন বন্ধ করা হয়। চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে নিঃস্ব হয়ে পড়বে অটোচালকরা।’

লকডাউনে চাঁদা আদায় উচিত নয় জানিয়ে প্রতিপক্ষ সংগঠন সিএনজি-অটোরিকশা-টেম্পু শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আবুল হোসেন বলেন, ‘লকডাউনে চাঁদা আদায়ের পক্ষে আমি নই। শ্রমিকদের নিষেধ করা হয়েছিল। কিন্তু কিছু শ্রমিক নির্দেশনা অমান্য করে চাঁদা আদায় করতে গেলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে চাঁদা আদায় করা হবে না।’

আবুল হোসেন আরও বলেন, ‘সংঘর্ষে আমার সংগঠনের অন্তত আট জন আহত হয়েছে। এর মধ্যে গুরুতর আহত তিন জনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

ওসি মোজাহারুল ইসলাম বলেন, ‘এখনও কোনও পক্ষ এ ঘটনায় অভিযোগ দেয়নি। তবে সংঘর্ষের ঘটনায় চার জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শ্রমিক সংগঠনের চাঁদা আদায় বন্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, ‘চাঁদা আর আদায় করতে পারবে না, কখনও পারবে না।’

/এএম/

সম্পর্কিত

ফুটবল খেলায় ও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করায় আটক ৪৪

ফুটবল খেলায় ও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করায় আটক ৪৪

গাইবান্ধায় কাভার্ডভ্যান-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

গাইবান্ধায় কাভার্ডভ্যান-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

রংপুর মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

রংপুর মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

সর্বশেষ

কক্সবাজারে নেমে যাচ্ছে বন্যার পানি, খাদ্য সংকট

কক্সবাজারে নেমে যাচ্ছে বন্যার পানি, খাদ্য সংকট

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

ইসলামপুরে লকডাউনেও পশুর হাট

টিকার টার্গেট এক কোটি, তবে পরিকল্পনায় আসতে পারে পরিবর্তন

টিকার টার্গেট এক কোটি, তবে পরিকল্পনায় আসতে পারে পরিবর্তন

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

হেলেনা জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানের আহ্বান

সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানের আহ্বান

৭৮ বছর বয়সে টিকটকে ভাইরাল

৭৮ বছর বয়সে টিকটকে ভাইরাল

বিরল তুষারপাতে ঢেকে গেলো ব্রাজিল

বিরল তুষারপাতে ঢেকে গেলো ব্রাজিল

গাদ্দাফির ছেলে জীবিত, প্রেসিডেন্ট হওয়ার ইঙ্গিত!

গাদ্দাফির ছেলে জীবিত, প্রেসিডেন্ট হওয়ার ইঙ্গিত!

ওমান উপকূলে জাহাজে হামলায় ইরান দায়ী: ইসরায়েল

ওমান উপকূলে জাহাজে হামলায় ইরান দায়ী: ইসরায়েল

সিনহা হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ

সিনহা হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণে থেমে আছে বিচারকাজ

ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বাড়লো

ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বাড়লো

রুশ সমর্থিত আসাদ বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সিরিয়ায় নিহত ১৮

রুশ সমর্থিত আসাদ বাহিনীর ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সিরিয়ায় নিহত ১৮

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

অটোরিকশা থেকে চাঁদা আদায় নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১৩

অটোরিকশা থেকে চাঁদা আদায় নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১৩

ফুটবল খেলায় ও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করায় আটক ৪৪

ফুটবল খেলায় ও রাস্তায় ঘোরাঘুরি করায় আটক ৪৪

গাইবান্ধায় কাভার্ডভ্যান-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

গাইবান্ধায় কাভার্ডভ্যান-সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৪

রংপুর মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

রংপুর মেডিক্যালে একদিনে ১৫ মৃত্যু

গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

গাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বন্ধুর

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

বরগুনায় আগুনে পুড়েছে করোনা টিকা রাখার ফ্রিজ

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

রাজশাহী মেডিক্যালে আরও ১৩ মৃত্যু 

চট্টগ্রামে রেকর্ড শনাক্তের দিনে আরও ৯ মৃত্যু 

চট্টগ্রামে রেকর্ড শনাক্তের দিনে আরও ৯ মৃত্যু 

আইসিইউ খালি নেই রংপুর বিভাগের করোনা হাসপাতালে

আইসিইউ খালি নেই রংপুর বিভাগের করোনা হাসপাতালে

জেলের বড়শিতে বিশাল বোয়াল

জেলের বড়শিতে বিশাল বোয়াল

© 2021 Bangla Tribune