X
শনিবার, ২৪ জুলাই ২০২১, ৯ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ইয়াসের প্রভাব: আশাশুনির ২৫ হাজার মানুষ এখনও পানিবন্দি

আপডেট : ১৫ জুন ২০২১, ০৯:৫৩

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসে বাঁধ ভেঙে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন সাতক্ষীরা আশাশুনির প্রতাপনগরের পাঁচ হাজার পরিবারের ২৫ হাজার সদস্য। জলোচ্ছ্বাসে প্রতাপনগরের ভেঙে পড়া কয়েকটি বেড়িবাঁধ মেরামত করা সম্ভব হয়নি। এতে করে ২০ দিন আগে ঝড় চলে গেলেও এখনও স্থানীয়দের বাড়ির উঠানে চলছে জোয়ার-ভাটার খেলা। খাবার ও সুপেয় পানির হাহাকার সবখানে। ভেঙে পড়েছে স্যানিটেশন ব্যবস্থা। এতে চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে রয়েছে উপজেলার বিশাল জনগোষ্ঠী। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় শিশু, নারী এবং বৃদ্ধরা।

প্রতাপনগরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সাইদুল ইসলাম বলেন, ইয়াসের আজ ২০ দিন অতিবাহিত হচ্ছে। তবু আমাদের চারপাশ পানিতে ডুবে আছে। কোনোভাবে ঘরে থাকছি। নৌকায় চলাফেরা করতে হয়। চারিদিকে পানি থাকলেও সুপেয় পানির তীব্র সংকট। গোসল ও বাথরুমও করা যাচ্ছে না। আম্পানের সময় ভাটায় পানি সরে যেতো। কিন্তু এবার পানি সরছে না। আমার এলাকার পাঁচ হাজার পরিবার পানির মধ্যে হাবুডুবু খাচ্ছি। পানিবন্দি অবস্থায় জ্বর, কাশি, সর্দি, ডায়েরিয়াসহ দেখা দিচ্ছে নানান পানিবাহিত রোগ। রাস্তার পাশে যাদের বাড়ি তারা ত্রাণ পেলেও দুর্গম এলাকায় ত্রাণ পৌঁছাচ্ছে না।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, কেউ কথা রাখে না, তাই বলি না। বলে লাভ কী? আমাদের দুঃখ কষ্ট আমাদের ভেতরেই রাখতে চাই। প্রতিবছর এই রকম হলে এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়া ছাড়া কোনও উপায় থাকবে না। অনেক মানুষ এলাকা থেকে চলে গেছে, আরও অনেকে চলে যাচ্ছে। বাঁধের ভাঙন দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কাজ করলে ভাঙন বড় হয় না। কিন্তু এই কাজটি করার কেউ নেই। বাঁধ ভাঙলে পানি উন্নয়ন বোর্ড তখন আসে।

প্রতাপনগরে ইউনিয়নের কুড়িকাহুনিয়া এলাকার মিলন বিশ্বাস বলেন, আম্পানের সময় জোয়ার-ভাটা চললেও মানুষ কিছুটা স্বস্থিতে ছিল। কারণ ভাটায় এলাকা জেগে উঠতো। কিন্তু ইয়াসের পর পানি কমার কোনও লক্ষণ নেই। স্থানীয় স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ দিলেও সেটা ৬ ঘণ্টা পরে ভেঙে আবারও গ্রামে পানি প্রবেশ করছে। রাস্তাঘাট ডুবে আছে। এখানকার মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। ইয়াসের ২০ দিন পরও আমাদের দিকে কারও নজর নেই।

তিনি আরও বলেন, শুধু মানুষ নয়, গরু-ছাগলসহ গবাদিপশুরাও কষ্টে আছে। অনেকে কম দামে গরু ছাগল বিক্রি করে দিয়েছে।

আশাশুনির প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন জানান, গত বছরের ২০ মে আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত হয় হাজার হাজার গাছপালা, গবাদি পশু। জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে কোটি কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ। সেই ক্ষত কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছিল উপকূলের মানুষ। তবে এ বছর ইয়াসের আঘাতে আমার ইউনিয়নের ছয়টি ওয়ার্ডের ১৭ গ্রামের ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। কাজ নেই, খাবার নেই। কেউ মারা গেলে কবর দেওয়ার পর্যন্ত জায়গা নেই। ধনী-গরিব সবাই সমান হয়ে গেছে। এসব এলাকায় খাবার পানির তীব্র সংকটে ডায়েরিয়াসহ পানিবাহিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। রান্নার ব্যবস্থা না থাকায় অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে বহু মানুষ। সরকারিভাবে যে সকল ত্রাণ সহয়তা পেয়েছিলাম সব মানুষের মাঝে বিতরণ করেছি। কিন্তু কাজ না থাকলে চেয়ে হাত পেতে দিন চলে না।

তিনি আরও বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড ঠিকাদার নিয়োগ করেছে। তার কাজ করছে। তবে খুব ধীরগতি। দ্রুত স্থায়ী টেকসই বাঁধ নির্মাণ না করা হলে এই স্থান বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাবে। দেশের মানচিত্র থেকে বিলিন হয়ে যাবে আমার ইউনিয়ন।

আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল ইসলাম খান বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে আশাশুনি সদর, প্রতাপনগর, বড়দল, আনুলিয়া, খাজরা ইউয়িনের ১৪টি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙে এলাকা প্লাবিত হয়। অধিকাংশ পয়েন্টে স্থানীয় মানুষ-পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের সহয়তায় বাঁধা দেওয়া সম্ভব হলেও প্রতাপনগরের চারটি পয়েন্টে বাঁধ দেওয়া সম্ভব হয়নি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রতাপনগর। প্রতাপনগরের হরিষখালি, বন্যতলাসহ কুড়িকাহুনিয়া, চারটি পয়েন্ট ভেঙে এলাকায় পানি প্রবেশ করছে। পাঁচ থেকে ছয় হাজার পরিবার এখনও পানিবন্দি হয়ে আছে।

তিনি আরও বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করছে, এলাকাবাসী দ্রুত পানিবন্দি অবস্থা থেকে মুক্তি পাবে বলে আশা করি।

সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২ নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত দায়িত্বে) রাশেদুর রহমান বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে সাতক্ষীরা এবং খুলনার কয়রার ২৫টি পয়েটে বাঁধ ভেঙে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছিল। ইতোমধ্যে ২০টি পয়েন্ট বাঁধ দেওয়া হয়ে গেছে। খুলনার কয়রার দুটি ও সাতক্ষীরার প্রতাপনগরের তিনটি পয়েন্টে বাঁধ দিয়ে এলাকায় পানি প্রবেশ করেছে। এর মধ্যে প্রতাপনগরের কুড়িকাহুনিয়া ও হরিষখালী আমাদে কাজ চলছে। বন্যতলা পয়েন্টে জাইকার অর্থায়নে কাজ হবে। ওদের কাজ এখন শুরু হয়নি। জুন মাসের ২৬ তারিখে পূর্ণিমার কারণে নদীতে পানি বৃদ্ধি পেতে পারে। আশা করছি তার আগে সব বাঁধের কাজ শেষ হবে।

/টিটি/

সম্পর্কিত

ভারত থেকে ট্রেনে এলো ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন

ভারত থেকে ট্রেনে এলো ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন

পুকুর থেকে ক্যাডেট কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

পুকুর থেকে ক্যাডেট কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

খুলনা বিভাগে আরও ৩৩ জনের মৃত্যু

খুলনা বিভাগে আরও ৩৩ জনের মৃত্যু

এখানে এসে ‘মানুষ’ পেয়েছেন তারা

এখানে এসে ‘মানুষ’ পেয়েছেন তারা

ভারত থেকে ট্রেনে এলো ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২৩:২৭

করোনাভাইরাসের এ দুর্যোগকালে ভারত থেকে প্রথমবারের মতো ‘রেলওয়ে অক্সিজেন এক্সপ্রেসে’র মাধ্যমে ১০ কনটেইনারে ২০০ মেট্রিক টন তরল অক্সিজেন বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। এ অক্সিজেন বেনাপোল বন্দরে খালাস হবে না। বন্দরটিতে শুধুমাত্র কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে সরাসরি সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ে যাবে এবং সেখানেই এই অক্সিজেন খালাস করা হবে।

শনিবার (২৪ জুলাই) রাত ১০টার দিকে অক্সিজেন বোঝাই ট্রেনটি পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে বেনাপোল স্থলবন্দরে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছেন বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশনের ম্যানেজার শাহিদুজ্জামান। তিনি জানান, রাত ১১টার দিকে ট্রেনটি সিরাজগঞ্জের উদ্দেশে বেনাপোল ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে।

‘রেলওয়ে অক্সিজেন এক্সপ্রেস’র মাধ্যমে প্রথম অক্সিজেন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটি হলো লিন্ডে এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইমপোর্ট বাংলাদেশ। এই অক্সিজেন ছাড়ের যাবতীয় কাজ করছে বেনাপোলের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সারথি এন্টারপ্রাইজ।

লিন্ডে বাংলাদেশ এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইমপোর্ট লিমিটেডের প্রতিনিধি জিল্লুর রহমান জানান, ভারতে অক্সিজেন সংকট থাকায় সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশে কিছুদিন রফতানি বন্ধ রাখে। এখন সেখানে চাহিদা কমে যাওয়ায় ভারত সরকার রফতানির অনুমতি দিয়েছে। এখন থেকে প্রায় প্রতিদিনই ভারত থেকে বাংলাদেশে অক্সিজেন আমদানি হচ্ছে। আজ থেকে নতুন করে ট্রেনের মাধ্যমে অক্সিজেন আমদানি শুরু হলো।

ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক মতিয়ার রহমান বলেন, ‘ভারতে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় অক্সিজেন সংকট তৈরি হয় এবং চাহিদা বেড়ে যায়। যে কারণে কিছুদিন অক্সিজেন রফতানি বন্ধ রাখা হয়। পরে দেশটিতে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হওয়ায় সরবরাহ প্রতিষ্ঠানটি আবারও বাংলাদেশে অক্সিজেন রফতানি শুরু করে। যা এতদিন স্থলপথে ট্রাকের মাধ্যমে আসছিল। বর্তমানে করোনা রোগীর জন্য অক্সিজেন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। সেজন্য স্থলপথে ট্রাক এবং রেলের মাধ্যমে আমদানি করে অক্সিজেনের মজুত বাড়ানো হচ্ছে।’

বেনাপোল চেকপোস্ট কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা সাইফুর রহমান বলেন, ‘অক্সিজেনবাহী ট্রেনটি বেনাপোল বন্দরে প্রবেশের সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে খালাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। দেশে বর্তমানে অক্সিজেনের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। যেহেতু এই দ্রব্যটি জীবন সংকটাপন্ন রোগীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সেজন্য অক্সিজেনসহ জরুরি সামগ্রী আমদানিতে প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতায় কাস্টমস সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।’

বেনাপোল রেলওয়ের স্টেশন ম্যানেজার শাহিদুজ্জামান জানান, আগে স্থলপথে ট্রাকের মাধ্যমে তরল এই অক্সিজেন আমদানি হতো। আজ থেকে ট্রেনের মাধ্যমে অক্সিজেন আমদানি শুরু হলো। এতে সরকারের রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলো।

/এফআর/

সম্পর্কিত

পুকুর থেকে ক্যাডেট কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

পুকুর থেকে ক্যাডেট কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

খুলনা বিভাগে আরও ৩৩ জনের মৃত্যু

খুলনা বিভাগে আরও ৩৩ জনের মৃত্যু

করোনায় যশোরে আরও ৬ মৃত্যু

করোনায় যশোরে আরও ৬ মৃত্যু

লকডাউনেও জমজমাট পশুর হাট

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২২:০৩

পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির পর সরকার ঘোষিত ‘কঠোর’ লকডাউনে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের যাত্রাপুর হাটে পশুর হাট বসেছে।

শনিবার (২৪ জুলাই) কোনও রকম স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করে সাপ্তাহিক পশুর হাট বসানো হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র-দুধকুমার নদের মোহনা অববাহিকায় বসা এই হাটে ক্রেতা-বিক্রেতা এমনকি ইজারাদারের প্রতিনিধিদেরও মাস্ক পরতে দেখা যায়নি। চরাঞ্চল থেকে আগত বিক্রেতারা লকডাউন পুনর্বহালের খবর ‘জানেন না’ দাবি করে হাটে উপস্থিত হলেও হাট কমিটি বলছে, হাটের কার্যক্রম বন্ধ রাখার ব্যাপারে প্রশাসন থেকে কোনও ‘নির্দেশনা পাননি’।

তবে উপজেলা প্রশাসন বলছে, ‘নির্দেশনা পাইনি’ বলে হাট কমিটির দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। এটা দেশজুড়ে পূর্বঘোষিত নির্দেশনা।

শনিবার যাত্রাপুর হাটে দেখা যায়, জেলার গুরুত্বপূর্ণ এই হাটে ব্যাপক জনসমাগম ঘটেছে। হাটের মূল সড়কের দুই পাশে ভ্রাম্যমাণ পণ্য বিক্রেতাসহ স্থায়ী দোকানদাররাও ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে মাস্ক পরিধান কিংবা সামাজিক দূরত্বসহ স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনও লেশ পাওয়া যায়নি। পশুর হাটেও একই চিত্র দেখা গেছে। 

স্বাস্থ্যবিধি বাস্তবায়নের দায়িত্ব যে ইজারাদার ও প্রতিনিধিদের; তারাই ছিলেন মাস্ক ছাড়া। যে দুই একজনের সঙ্গে মাস্ক ছিল, সেটাও মুখে নয়, থুতনিতে। মহামারি নিয়ে এমন উদাসীনতা কী ভয়াবহতা নিয়ে আসতে পারে সে ব্যাপারে হাট আয়োজকসহ ক্রেতা-বিক্রেতা সবাই নির্ভার।

হাটে গরু বিক্রি করতে আসা রেজাউল করিম রুবেল বলেন, ‘সংসার চালাতে টাকার প্রয়োজন। তাই হাটে গরু বেচতে আসছি। লকডাউনেও তো চলতে হবে।’ 

মাস্ক পরেননি কেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘ভুলে ফেলে আসছি।’ এমন অজুহাত প্রায় সব বিক্রেতার। কেউ বলছেন, ‘গরম লাগে তাই খুলে রাখছি’ আবার কেউ বলেন, ‘এখানে কেউ মাস্ক পরে না, সবাই পরলে আমিও পরতাম।’

ক্রেতা-বিক্রেতার এমন অজুহাতের ব্যতিক্রম নন হাট ইজারাদারও। মাস্ক ছাড়াই হাটে উপস্থিত হাট ইজারাদারের প্রতিনিধি সানাউল বলেন, ‘মাস্ক আছে, অজু করার সময় খুলছি। আর পরার কথা মনে নেই।’ হাট অয়োজনে প্রশাসনের নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি পালনের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমাদের ইজাদারের অফিসে কথা বলুন।’

লকডাউনে হাট অয়োজনে প্রশাসন থেকে কোনও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে কি-না জানতে চাইলে যাত্রাপুর হাট কমিটির সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘এমন কোনও নির্দেশনা পাইনি। চেয়ারম্যানও এ ব্যাপারে আমাকে কিছু জানাননি। কোনও বৈঠকও করেননি।’

হাটে স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের বিষয়টি স্বীকার করে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘হাটে মানুষকে সামাল দেওয়া কষ্টের। আমরা আগামী হাটে মাইকিং করে স্বাস্থ্যবিধি পালনে উৎসাহিত করবো। তারা যেন তাড়াতাড়ি হাটে এসে তাড়াতাড়ি চলে যায়, নৌকা থেকে নেমেই যেন মাস্ক পরিধান করেন- এ ব্যাপারে প্রচারণা চালাবো।’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াছমিন বলেন, ‘নির্দেশনা পাইনি এটা বলে হাট কমিটি দায় এড়াতে পারে না। পরবর্তী হাটে যাতে এমনটা না হয় সে ব্যাপারে আমরা ব্যবস্থা নেবো।’

/এএম/

সম্পর্কিত

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

ঈদের চতুর্থ দিনেও বসেছে পশুর হাট

ঈদের চতুর্থ দিনেও বসেছে পশুর হাট

‘রোহিঙ্গা’ বলায় মাইক্রোচালককে পিটিয়ে হত্যা!

‘রোহিঙ্গা’ বলায় মাইক্রোচালককে পিটিয়ে হত্যা!

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২২:০৪

করোনাভাইরাস রোধে দেশব্যাপী সরকার আরোপিত লকডাউন অমান্য করে গাজীপুরের কাশিমপুর থানার সারাবো এলাকায় একটি পোশাক কারখানা চালু রাখায় এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া দোকান খোলা রাখায় কয়েকটি ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও মাস্কবিহীন ঘোরাফেরা করায় কয়েকজনকে অর্থদণ্ড এবং একটি বিয়ের আয়োজন ভণ্ডুল করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

গাজীপুর জেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

শনিবার (২৪ জুলাই) ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ দণ্ড দেওয়া হয়। গাজীপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উম্মে হাবিবা জানান, লকডাউন অমান্য করে জেলার কয়েকটি স্থানে কারখানা ও দোকানপাট খোলা রাখা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুপুরে গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানার সারাবো এলাকার নরবান কমটেক্স লিমিটেড পোশাক কারখানায় অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। বাইরে তালা মেরে কারখানাটির ভেতরে ডায়িং সেকশনসহ কয়েকটি সেকশন চালু রেখে শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছিল। মাস্ক না পরেই শ্রমিকরা কাজ করছিল। ফলে কারখানার মালিককে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত কারখানাটির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

ভণ্ডুল করে দেওয়া হয় বিয়ের আয়োজন

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) এস এম তরিকুল ইসলাম জানান, আজ জেলার বিভিন্ন এলাকায় ১৮টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। মাস্কবিহীন ঘোরাঘুরি করায় এবং মন্ত্রিপরিষদের জারি করা পরিপত্র অনুসরণ না করায় কিছু দোকান ও হোটেলকে জরিমানা করা হয়। এসব ভ্রাম্যমাণ আদালত ৮৬ মামলায় দুই লাখ ৫৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন। এছাড়াও সরকারি নির্দেশ অমান্য করে কালিয়াকৈরে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় তা ভণ্ডুল করা হয়।

এদিকে, জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শ্রীপুরসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

/এফআর/

সম্পর্কিত

লকডাউনেও জমজমাট পশুর হাট

লকডাউনেও জমজমাট পশুর হাট

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

জরিমানা ও ব্যবস্থাপকের কারাদণ্ডে যা বললো প্রিমিয়ার সিমেন্ট

জরিমানা ও ব্যবস্থাপকের কারাদণ্ডে যা বললো প্রিমিয়ার সিমেন্ট

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২১:৪৬

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে সহকারী শিক্ষিকাকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২৩ জুলাই) রাতে উপজেলার সখিপুর থানার চরসেনসাস ইউনিয়নের মাগন বেপারির কান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। 

বিষয়টি নিশ্চিত করে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় শনিবার বিকালে সখিপুর থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষিকা। বিকালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

অভিযুক্ত আযহারুল ইসলাম ৪৪ নম্বর তারাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিনি উপজেলার সখিপুর থানার চরসেনসাস ইউনিয়নের মাগন বেপারির কান্দির আব্দুর রব বেপারির ছেলে।

ভুক্তভোগী ও পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষিকার সঙ্গে প্রধান শিক্ষক আযহারুল ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করে আসছিল। শুক্রবার আযহারুল ইসলামের স্ত্রী বাবার বাড়ি যান। এই সুযোগে শিক্ষিকাকে বিয়ের কথা বলে বাসায় ডেকে ধর্ষণ করে। স্থানীয়রা টের পেয়ে তাদের আটক করে। সকালে বিয়ে হওয়ার কথা বলে জোর করে বাড়ি থেকে শিক্ষিকাকে বের করে দেয় প্রধান শিক্ষক। 

ভুক্তভোগী শিক্ষিকা বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক বিয়ের কথা বলে দীর্ঘদিন ধর্ষণ করে আসছিল। শুক্রবার বিয়ের কথা বলে আবার ধর্ষণ করে। পরে জোর করে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।’

এ বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক আযহারুল ইসলামের বাড়িতে গেলে সাংবাদিক দেখে পালিয়ে যায়। তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ করেছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দেওয়া হবে।

/এএম/

সম্পর্কিত

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

জরিমানা ও ব্যবস্থাপকের কারাদণ্ডে যা বললো প্রিমিয়ার সিমেন্ট

জরিমানা ও ব্যবস্থাপকের কারাদণ্ডে যা বললো প্রিমিয়ার সিমেন্ট

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

কারখানা খোলা রাখায় এ-ওয়ান পলিমারকে জরিমানা

জরিমানা ও ব্যবস্থাপকের কারাদণ্ডে যা বললো প্রিমিয়ার সিমেন্ট

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০২১, ২০:৫৫

মুন্সীগঞ্জে প্রিমিয়ার সিমেন্টের কারখানায় কর্মরত শ্রমিকের মৃত্যুকে ‘দুর্ঘটনা’ বলে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটির বিপণন ও জনসংযোগ বিভাগ। একই সঙ্গে কারখানা খোলা রাখায় প্রিমিয়ার সিমেন্টকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের করা ১০ লাখ টাকা জরিমানা ও ব্যবস্থাপকের কারাদণ্ডের বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।

শনিবার (২৪ জুলাই) বিকালে বাংলা ট্রিবিউনকে এসব তথ্য জানিয়েছেন প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস লিমিটেডের বিপণন ও জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা ফেরদৌস আমিন।

তিনি বলেন, ‘সিমেন্ট ভারী শিল্প এবং জাতীয় জনগুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট। নিরবচ্ছিন্ন সিমেন্ট সরবরাহ অব্যাহত রাখায় কারখানা পুরোপুরি বন্ধ করা যায় না। তাই নির্দিষ্ট কিছু সময়ে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হয়। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ১৪ দিনের লকডাউন থাকায় রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম চলছিল কারখানায়। এ সময়ে অসাবধানতাবশত একটি দুঃখজনক দুর্ঘটনা ঘটেছে। তবে সরকারি বিধিনিষেধ মানার কারণে ওই দিন কারখানায় কোনও কর্মী উৎপাদন কাজে নিয়োজিত ছিল না।’

ফেরদৌস আমিন বলেন, ‘আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ঘটনার পরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষকে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানানো হয়। তবে ঘটনাস্থলে এসে সঠিক কারণ নিরূপণে ঘাটতি থাকায় জরিমানার পাশাপাশি প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপককে কারাদণ্ড দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এই সিদ্ধান্ত পুনরায় বিবেচনার সুযোগ এখনও ফুরিয়ে যায়নি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সিমেন্ট কারখানার ভেতরে আবাসন ব্যবস্থা আছে। সবসময় হাজারখানেক লোক থাকেন। ঈদের দিন ও পরদিন এখানে ঈদ উদযাপনের ব্যবস্থা ছিল। গত বছর প্রথম লকডাউনের সময় কারখানায় প্রায় দুই হাজার লোকের তিন বেলা খাওয়ার ও থাকার ব্যবস্থা করেছিলাম আমরা। কাজেই করোনা পরিস্থিতিতে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের করা জরিমানা ও ব্যবস্থাপকের কারাদণ্ড মওকুফের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানাই।’

প্রসঙ্গত, সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কারখানা খোলা রাখার দায়ে প্রিমিয়ার সিমেন্টকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে প্রিমিয়ার সিমেন্ট মিলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নজরুল ইসলামকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জুলাই) সন্ধ্যায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হামিদুর রহমান এ জরিমানা ও কারাদণ্ড দেন। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টায় কারখানায় কর্মরত শাহাবুল (৩৮) নামের এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়। খবর পেলে বিকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত কারখানায় অভিযান চালান।

/এএম/

সম্পর্কিত

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

পদ্মা সেতু এড়িয়ে ফেরি চলার কোনও সুযোগ নেই

সর্বশেষ

ভারত থেকে ট্রেনে এলো ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন

ভারত থেকে ট্রেনে এলো ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে চীনের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

টিকার জন্য জাপানকে ধন্যবাদ জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

লকডাউনেও জমজমাট পশুর হাট

লকডাউনেও জমজমাট পশুর হাট

এক কোটি ১৬ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

এক কোটি ১৬ লাখ টিকা দেওয়া শেষ

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

পোশাক কারখানার বাইরে তালা ভেতরে চালু

ঢাকায় এলো উপহারের ২৫০টি ভেন্টিলেটর

ঢাকায় এলো উপহারের ২৫০টি ভেন্টিলেটর

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ শিক্ষিকার

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামে সোনালী ব্যাংকে হিসাব খোলার নির্দেশ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নামে সোনালী ব্যাংকে হিসাব খোলার নির্দেশ

মুখ চেনা হলেই খুলে বসেন ‘রাজনীতির দোকান’

‘লীগ’ যুক্ত সংগঠন আছে তিন শতাধিকমুখ চেনা হলেই খুলে বসেন ‘রাজনীতির দোকান’

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

রাতেই দেশে আসছে ২০০ টন অক্সিজেন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ভারত থেকে ট্রেনে এলো ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন

ভারত থেকে ট্রেনে এলো ২০০ মেট্রিক টন অক্সিজেন

পুকুর থেকে ক্যাডেট কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

পুকুর থেকে ক্যাডেট কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

খুলনা বিভাগে আরও ৩৩ জনের মৃত্যু

খুলনা বিভাগে আরও ৩৩ জনের মৃত্যু

এখানে এসে ‘মানুষ’ পেয়েছেন তারা

এখানে এসে ‘মানুষ’ পেয়েছেন তারা

করোনায় যশোরে আরও ৬ মৃত্যু

করোনায় যশোরে আরও ৬ মৃত্যু

কুষ্টিয়ায় আরও ১৪ মৃত্যু

কুষ্টিয়ায় আরও ১৪ মৃত্যু

খুলনায় ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু

খুলনায় ২৪ ঘণ্টায় ৮ জনের মৃত্যু

পুকুরে গোসলে নেমে তলিয়ে গেছেন ক্যাডেট কলেজের ছাত্র

পুকুরে গোসলে নেমে তলিয়ে গেছেন ক্যাডেট কলেজের ছাত্র

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, মোংলা বন্দরে সংকেত

বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, মোংলা বন্দরে সংকেত

খুলনা বিভাগে আরও ৩০ জনের মৃত্যু

খুলনা বিভাগে আরও ৩০ জনের মৃত্যু

© 2021 Bangla Tribune