X
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

প্রতারণার মামলায় বিচারের মুখোমুখি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি আপসানা

আপডেট : ১৯ জুন ২০২১, ১৯:০৬

প্রতারণার মামলায় বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ এমপি আপসানা বেগম। লন্ডনের বাঙালিপাড়া পপলার ও লাইমহাউস আসন থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি তিনি। হাউজিং ফ্রড বা সরকারি আবাসন নিয়ে প্রতারণার মামলায় আগামী মাসেই আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে তাকে। আগামী ২১ জুলাই মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

আদালতের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম ইভিনিং স্যান্ডার্ড জানিয়েছে, ১৮ জুন শুক্রবার সকালে স্নেয়ার্সব্রুক ক্রাউন কোর্টের বিচারক মা‌র্টিন জেইডম‌্যান এমপি আপসানার শুনানির দিন ধার্য করেন। তবে মামলার শুরু থেকেই আপসানা নিজের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন। তার দাবি, তিনি ষড়যন্ত্রের শিকার।

আপসানা যুক্তরাজ্যের সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে লন্ডনের সবচেয়ে বে‌শি বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা পপলার লাইমহাউস এলাকা থেকে লেবার পার্টির টিকিটে নির্বাচিত হয়ে চমক তৈরি করেন। লেবার পার্টির নিরাপদ এ আসনটি থেকে মনোনয়ন পাওয়া মানেই অনেকটা নিশ্চিত বিজয়। যদিও সেই মনোনয়ন যুদ্ধে খোদ বাঙালিদেরও বিরোধিতার মুখে পড়তে হয়েছে তাকে।

৩০ বছর বয়সী আপসানার বিরুদ্ধে হাউ‌জিং ফ্রডের তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। ইসল অব ডগসের যে ফ্ল্যাটটি নিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা অভিযোগ উঠেছে সেটি টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের অন্তর্গত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে এমপি পদ হারাতে পারেন আপসানা। একইসঙ্গে শাস্তির মুখোমুখিও হতে পারেন তিনি।

গত নির্বাচনে কনজারভেটিভ প্রার্থী শিউন ওককে প্রায় ২৯ হাজার ভোটে হারিয়ে এমপি নির্বাচিত হয়েছিলেন আপসানা। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা টাওয়ার হ্যামলেটসে হলেও বাংলাদেশে তার বাবার বাড়ি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে। তার বাবা মনির উদ্দিন টাওয়ার হ্যামলেটসের কাউন্সিলর ছিলেন।

/এমপি/

সম্পর্কিত

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: ‘এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি’

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: ‘এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি’

উল্কার ঝলকে আলোকিত নরওয়ে!

উল্কার ঝলকে আলোকিত নরওয়ে!

ভারী বৃষ্টিপাতের পর লন্ডনে আকস্মিক বন্যা

ভারী বৃষ্টিপাতের পর লন্ডনে আকস্মিক বন্যা

সম্প্রচারের আগে কাদা মেখে বিতর্কে জার্মান সাংবাদিক

সম্প্রচারের আগে কাদা মেখে বিতর্কে জার্মান সাংবাদিক

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০৭:৩৭
image

মার্কিন বাহিনীতে কর্মরত সেনা সদস্যদের আত্মহত্যার পরিমাণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সোমবার আলাস্কার ইয়েলসন বিমান ঘাঁটি পরিদর্শনের সময় এনিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের হিসেব অনুযায়ী ২০২০ সালে সামরিক বাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় ৩৮৫ জন সেনা সদস্য আত্মহত্যা করেছেন। ২০১৮ সালে এই পরিমাণ ছিলো ৩২৬ জন। গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে এই পর্যন্ত আলাস্কায় আত্মহত্যা করেছেন ছয় জন।

সোমবার আলাস্কা সফরে গিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেন, ‘কেবল এখানে নয় বরং পুরো বাহিনীতে আত্মহত্যার হারে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’ তিনি বলেন, ‘আত্মহত্যায় একটা প্রাণ হারানোয় অনেক ক্ষতি। এই সমস্যা মোকাবিলায় আমরা কঠোর পরিশ্রম করছি, আরও অনেক কিছুই করতে হবে।’

মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের তথ্য অনুযায়ী, সেনা সদস্যদের আত্মহত্যার নেপথ্যে চাপের অনেকগুলো ফ্যাক্টর কাজ করে থাকে। অন্যান্য ফ্যাক্টরের মধ্যে সামরিক বাহিনীতে অনিশ্চিত জীবন, চীনা প্রভাব মোকাবিলায় কমান্ডারদের অতিরিক্ত সেনা চাইতে থাকাও রয়েছে।

আলাস্কায় মোতায়েন করা মার্কিন সেনারা কঠিন আবহাওয়া, ভূতাত্ত্বিক অবস্থান এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতার মধ্যে থাকেন। এছাড়া প্রতিনিয়ত প্রশিক্ষণ এবং স্থান পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যেতে হয় তাদের। এছাড়া যেসব সেনা সদস্য সাধারণ মানুষের বসবাসের এলাকায় থাকেন তাদেরও জীবন যাত্রায় ব্যয় অনেক বেশি।

মার্কিন বাহিনীর আলাস্কা কমান্ডার মেজর জেনারেল পিটার অ্যান্ড্রিসিয়াক জানিয়েছেন, তাদের বাহিনীতে কিছু পরিবর্তন আনা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এসব পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে শীতের মৌসুমে সেনা সদস্যদের পরিবহন আরও বেশি সহজ করাসহ নানা পদক্ষেপ।

/জেজে/

সম্পর্কিত

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

এবার লখনৌ অবরোধের হুঁশিয়ারি ভারতীয় কৃষকদের

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০৫:৩৩
image

ভারতের উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনৌ অভিমুখী সব রাস্তা আগামী ৫ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন নেতা রাকেশ তিকাইত। সোমবার ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিতর্কিত কৃষি আইনের বিরুদ্ধে চলা আন্দোলনের আট মাস পূর্তিতে এই ঘোষণা দেন তিনি। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দিল্লিতে পরিণত হবে লখনৌ। সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

গত বছরের ২৬ নভেম্বর থেকে বিতর্কিত কৃষি আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে ভারতীয় কৃষকেরা। এসব আইন বাতিলের দাবিতে দিল্লির বিভিন্ন সীমান্তে অবস্থান নিয়ে আছে তারা। কৃষক নেতা ও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা হলেও অচলাবস্থার অবসান হয়নি।

সোমবারের সংবাদ সম্মেলনে ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন নেতা রাকেশ তিকাইত ছাড়াও যোগেন্দ্র যাদভ, শিভকুমার কাক্কার মতো প্রভাবশালী কৃষক নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। এই সংবাদ সম্মেলন থেকে তারা ‘মিশন উত্তর প্রদেশ ও উত্তরাখন্ড’ ঘোষণা করেন। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি-মার্চে এসব রাজ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

কৃষক নেতারা জানান, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ‘কৃষক মহাপঞ্চায়েতে’র পর আন্দোলন জোরালো করার এসব কর্মসূচি শুরু হবে। উত্তর প্রদেশের মুজাফফরনগরে এই মহাপঞ্চায়েত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। কৃষক নেতাদের দাবি, এই মহাপঞ্চায়েত হবে এই ধরনের সবচেয়ে বড় আয়োজন।

কৃষক নেতা যোগেন্দ্র যাদব বলেন, ‘আমরা মিশন উত্তর প্রদেশ ও উত্তরাখন্ড শুরু করছি। এর মাধ্যমে আন্দোলন আরও বেশি তীব্র হবে আর মনোযোগ পাবে। এর মধ্যে থাকবে বড় মিছিল, মহাপঞ্চায়েত। আমরা বিজেপি এবং বিজেপি সরকারের নীতির বিরুদ্ধে সব ক্ষেত্রে বিক্ষোভ নিশ্চিত করবো। এসব বিক্ষোভ শুরু হবে গ্রাম পর্যায় থেকে।’

/জেজে/

সম্পর্কিত

পাথরের ধাক্কায় বিধ্বস্ত সেতু, ৯ পর্যটক নিহত

পাথরের ধাক্কায় বিধ্বস্ত সেতু, ৯ পর্যটক নিহত

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

তিন মাসে ২ বার করোনা আক্রান্ত, হতাশায় দম্পতির আত্মহত্যা

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

মহারাষ্ট্রে টানা ভারী বৃষ্টিতে বন্যা-ভূমিধস, জীবিতদের খোঁজে অভিযান

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

চীনকে মাথায় রেখে ভারত আসছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০৪:৪৫
image

করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বেগের কারণে এই মুহূর্তে বিদ্যমান কোনও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার হোয়াইট হাউজ এই খবর নিশ্চিত করেছে। গত শুক্রবার এই হোয়াইট হাউজে এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর অর্থ হলো ২০২০ সালে বহাল করা নিষেধাজ্ঞা খুব স্বল্প মেয়াদে প্রত্যাহার করা হচ্ছে না। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

করোনাভাইরাসের সবচেয়ে দ্রুততম ও শক্তিশালী ভ্যারিয়েন্ট হলো ডেল্টা। বিশ্ব মহামারি পরিস্থিতি উল্টে দিয়েছে এটি। এমন সময় ভ্যারিয়েন্টটি শক্তিশালী হচ্ছে যখন বিভিন্ন দেশে অর্থনীতি চালু করতে বিধিনিষেধ শিথিল করা হচ্ছে। বিশ্বের শীর্ষ দশ জন ভাইরোলজিস্ট ও এপিডেমিওলজিস্ট বলছেন, করোনার টিকা না নেওয়া মানুষেরাই এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছেন। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় হলো মানুষকে অসুস্থ করা নয়, বরং এটি সহজে মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়। এর ফলে টিকা না নেওয়া মানুষদের মধ্যে আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে।

সোমবার হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র জেন পিসাকি বলেন, ‘ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সঙ্গে আজ আমরা যেখানে আছি... আমরা বিদ্যমান ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখছি।’ তিনি বলেন, ‘ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের কারণে আমাদের এখানে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, বিশেষ করে টিকা না নেওয়া মানুষেরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে আর আশঙ্কা করা হচ্ছে সামনের সপ্তাহগুলোতে আক্রান্ত হওয়া অব্যাহত থাকবে।’

/জেজে/

সম্পর্কিত

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবিতে ৫৭ অভিবাসীর মৃত্যুর আশঙ্কা

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০৩:৪৭
image

অভিবাসীদের বহনকারী আরও একটি নৌকা লিবিয়া উপকূলে ডুবে গেছে। জাতিসংঘের এক অভিবাসন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই ঘটনায় অন্তত ৫৭ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মুখপাত্র সাফা মাসেলি জানিয়েছেন, রবিবার উপকূলীয় খুমস শহর থেকে নৌকাটি রওনা দেয়। এতে অন্তত ৭৫ আরোহী ছিলেন। মাসেলি জানান, সোমবার ১৮ জনকে উদ্ধার করে উপকূলে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

বেঁচে যাওয়া আরোহীরা নাইজেরিয়া, ঘানা এবং গাম্বিয়ার নাগরিক। তারা জানিয়েছেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নৌকাটি বন্ধ হয়ে যায়। আর খারাপ আবহাওয়ার কারণে তখন ডুবে যায়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মুখপাত্র সাফা মাসেলি এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, ‘জেলে এবং কোস্ট গার্ড সদস্যরা যাদের উপকূলে ফিরিয়ে এনেছেন তারা জানিয়েছেন, তলিয়ে যাওয়াদের মধ্যে অন্তত ২০ জন নারী এবং দুই শিশু রয়েছেন।’

ইউরোপে উন্নত জীবনের সন্ধানে যেতে চাওয়া অভিবাসী ও শরণার্থী বোঝাই নৌকা ডুবির সর্বশেষ ঘটনা এটি। গত সপ্তাহে লিবীয় উপকূলে ভূমধ্যসাগরে আরেকটি নৌকা ডুবিতে প্রায় ২০ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া পাঁচশ’ জনকে আটক করে লিবিয়ায় ফেরত নেওয়া হয়।

গত কয়েক মাসে লিবিয়া থেকে ইউরোপে পাড়ি জমানোর ঘটনা বেড়েছে। এই বছরের প্রথম অর্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সমর্থনে লিবিয়ার কোস্ট গার্ড প্রায় ১৫প হাজার শরণার্থী, আশ্রয় প্রার্থী এবং অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে।

/জেজে/

সম্পর্কিত

তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট

তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট

ঈদের নামাজ চলাকালীন মালির প্রেসিডেন্টকে হত্যা চেষ্টা

ঈদের নামাজ চলাকালীন মালির প্রেসিডেন্টকে হত্যা চেষ্টা

যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করলো নাইজেরীয় দস্যুরা

যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করলো নাইজেরীয় দস্যুরা

দক্ষিণ আফ্রিকায় লুটপাট, ২৫ হাজার সেনা মোতায়েন করছে সরকার

দক্ষিণ আফ্রিকায় লুটপাট, ২৫ হাজার সেনা মোতায়েন করছে সরকার

এই বছরই ইরাক ছাড়বে মার্কিন বাহিনী

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ০৩:০৬
image

এই বছরের শেষ নাগাদ যুদ্ধরত মার্কিন বাহিনী ইরাক ছেড়ে যাবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। যদিও এই সময়ের পর ইরাকের সামরিক বাহিনীকে প্রশিক্ষণ এবং উপদেশ দেওয়া চালিয়ে যাবে মার্কিন সেনাবাহিনী। হোয়াইট হাউজে ইরাকি প্রধানমন্ত্রী মুস্তফা আল-খাদিমির সঙ্গে বৈঠকের পর এই ঘোষণা দিয়েছেন বাইডেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট-এর অবশিষ্টাংশ মোকাবিলায় স্থানীয় বাহিনীকে সহায়তা দিতে বর্তমানে ইরাকে প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে। যুদ্ধরত সেনা তুলে নেওয়া হলেও ইরাকে প্রায় একই সংখ্যক মার্কিন সেনাই থেকে যাবে। তবে যুদ্ধরত সেনা সরিয়ে নেওয়াকে ইরাকি প্রধানমন্ত্রীকে সহায়তা করার পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত বছর ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং    ইরান সমর্থিত একটি শিয়া গোষ্ঠীর নেতাকে হত্যার পর থেকে ইরাকে মার্কিন সেনাদের উপস্থিতি নিয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। রাজধানী বাগদাদে এক ড্রোন হামলা চালিয়ে তাদের হত্যা করে মার্কিন বাহিনী। এই ঘটনার পর ইরান সমর্থিত রাজনৈতিক দলগুলো ইরাক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিদেশি সেনাদের প্রত্যাহারের দাবি তোলে।

ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণার মাধ্যমে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের শুরু করা আরেকটি যুদ্ধের অবসান ঘটালেন জো বাইডেন। এই বছর তিনি আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

হোয়াইট হাউজে আলোচনার সময় বাইডেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, ‘আমরা এই নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করলেও আমাদের সন্ত্রাস দমন সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’ জবাবে আল খাদিমি বলেন, ‘আজ আমাদের সম্পর্ক যেকোনও সময়ের চেয়ে জোরালো। আমাদের সহযোগিতা অর্থনীতি, পরিবেশ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং আরও বহু কিছুতে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ইরাকে কোনও যুদ্ধরত বিদেশি সেনার প্রয়োজন নেই।

২০০৩ সালে প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হুসেনকে উৎখাত এবং তার ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র ধ্বংসের অজুহাতে ইরাকে আগ্রাসন শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বিদেশি বাহিনী। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ‘স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণ ইরাকের’ প্রতিশ্রুতি দিলেও দেশটি নিমজ্জিত হয় রক্তক্ষয়ী সাম্প্রদায়িক বিভাজনে।

২০১১ সালে যুদ্ধরত মার্কিন বাহিনী ইরাক ছেড়ে যায়। তবে ইরাক সরকারের অনুরোধে তিন বছর পরে আবারও দেশটিতে প্রবেশ করে তারা। ওই সময়ে দেশটির একটি বিশাল এলাকা নিয়ন্ত্রণ শুরু করে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট। ২০১৭ সালে আইএস-এর পতন ঘটলেও গোষ্ঠীটির অবশিষ্টাংশ নির্মূলে দেশটিতে থেকে যায় মার্কিন বাহিনী।

/জেজে/

সম্পর্কিত

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

আত্মহত্যা বাড়ছে মার্কিন বাহিনীতে, উদ্বেগে পেন্টাগন প্রধান

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

এখনই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে না যুক্তরাষ্ট্র

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

সত্যি হতে চলেছে ‘মানব সমাজের পতন’ নিয়ে এমআইটি’র ১৯৭২ সালের পূর্বাভাস!

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

তালেবানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা অব্যাহত রাখার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের

সর্বশেষ

আজও রাজধানীতে ফিরছে মানুষ

আজও রাজধানীতে ফিরছে মানুষ

বেনাপোল কাস্টমসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬২৪৫ কোটি

বেনাপোল কাস্টমসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৬২৪৫ কোটি

বেড খালি নেই, তবু জীবন বাঁচাতে হাসপাতালে আসার আহ্বান

বেড খালি নেই, তবু জীবন বাঁচাতে হাসপাতালে আসার আহ্বান

যশোরে একদিনে ১৪৮ জনের করোনা শনাক্ত

যশোরে একদিনে ১৪৮ জনের করোনা শনাক্ত

অলিম্পিক থেকে রোমান সানার বিদায়

টোকিও অলিম্পিকঅলিম্পিক থেকে রোমান সানার বিদায়

অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন লিটন

অস্ট্রেলিয়া সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন লিটন

সিউলের বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’

সিউলের বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ফের মৃত্যু বেড়েছে

ব্যবধান গড়ে দিলো অস্ট্রেলিয়ার বোলিং

ব্যবধান গড়ে দিলো অস্ট্রেলিয়ার বোলিং

‘হতভম্ব’ জাতীয় কমিটি এবার ‘হতাশ’

‘হতভম্ব’ জাতীয় কমিটি এবার ‘হতাশ’

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে আরও ১৬ মৃত্যু

শের-ই বাংলা মেডিক্যালে আরও ১৬ মৃত্যু

অন্তঃসত্ত্বা নারীদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী?

অন্তঃসত্ত্বা নারীদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী?

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: ‘এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি’

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট: ‘এই মুহূর্তে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ঝুঁকি’

উল্কার ঝলকে আলোকিত নরওয়ে!

উল্কার ঝলকে আলোকিত নরওয়ে!

ভারী বৃষ্টিপাতের পর লন্ডনে আকস্মিক বন্যা

ভারী বৃষ্টিপাতের পর লন্ডনে আকস্মিক বন্যা

সম্প্রচারের আগে কাদা মেখে বিতর্কে জার্মান সাংবাদিক

সম্প্রচারের আগে কাদা মেখে বিতর্কে জার্মান সাংবাদিক

ঈদ বার্তায় এরদোয়ানের ‘ঘুমিয়ে পড়া’র ভিডিও ভাইরাল

ঈদ বার্তায় এরদোয়ানের ‘ঘুমিয়ে পড়া’র ভিডিও ভাইরাল

‘অপ্রতিরোধ্য হামলা’ চালানোর সক্ষমতা রয়েছে রাশিয়ার: পুতিন

‘অপ্রতিরোধ্য হামলা’ চালানোর সক্ষমতা রয়েছে রাশিয়ার: পুতিন

যুক্তরাজ্যে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

যুক্তরাজ্যে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত

দেশে দেশে লকডাউন বিরোধী বিক্ষোভ

দেশে দেশে লকডাউন বিরোধী বিক্ষোভ

শীতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট আসবে! আশঙ্কা ফরাসি বিশেষজ্ঞের

শীতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট আসবে! আশঙ্কা ফরাসি বিশেষজ্ঞের

© 2021 Bangla Tribune