X
মঙ্গলবার, ২৭ জুলাই ২০২১, ১২ শ্রাবণ ১৪২৮

সেকশনস

ই-ভ্যালি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে কী আছে?

আপডেট : ২৪ জুন ২০২১, ১৮:২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক গত সপ্তাহে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালি ডটকম লিমিটেডের ওপর একটি প্রতিবেদন পাঠিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে। আট পৃষ্ঠার প্রতিবেদনটি পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আজ (২৪ জুন) বিকালে বৈঠকও ডাকা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদনটি পাঠায়। পর্যবেক্ষণগুলো পর্যালোচনা করে কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গেছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিবেদনটি তৈরি করে। ব্যাংকের ছয় কর্মকর্তার একটি দল পাঁচদিন ব্যাপী পরিদর্শন কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।

পরিদর্শন টিমের দলনেতা ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের উপ-মহাব্যবস্থাপক। সদস্য ছিলেন একজন যুগ্ম পরিচালক, তিনজন উপ-পরিচালক ও একজন প্রোগ্রামার। পরিদর্শন দলকে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল, নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আরিফুল্লাহ খান, সান সারওয়ার চৌধুরী ও মুরাদ হাসান খুরশীদ এবং ইভ্যালির চিফ মার্কেটিং কর্মকর্তা আরিফ আর হোসাইন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রথম দিন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইভ্যালির কার্যক্রম বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন কর্মকর্তাদের দেখান।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ই-ভ্যালি লোকসানে পণ্য বিক্রি করছে। এর ফলে ই-কমার্স ব্যবসায় অসুস্থ প্রতিযোগিতা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে। এতে সৎ ই-কমার্স ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন এবং এক সময় এ খাতের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাবে।

অগ্রিম পণ্যমূল্য নিয়ে ও উচ্চহারে ছাড় দিয়ে ই-ভ্যালি গ্রাহকদের অর্থকে ঝুঁকিতে ফেলেছে বলেও বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দলের কাছে মনে হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রাহকের কাছে এবং পণ্য উৎপাদনকারী বা সরবরাহকারীদের কাছে বকেয়া বাড়ছে কোম্পানিটির। কোম্পানিটি চলতি দায় ও লোকসানের দুষ্টচক্রে বাধা পড়েছে। ক্রমাগতভাবে এমন দায় তৈরি হয়েছে যে প্রতিষ্ঠানটির অস্তিত্ব টিকে না থাকার ঝুঁকিও তৈরি হচ্ছে।

আরও বলা হয়েছে, প্রথম বছর কোম্পানিটির নিট লোকসান হয় ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা। গত ১৪ মার্চ প্রতিষ্ঠানটির পুঞ্জীভূত লোকসান বেড়ে দাঁড়ায় ৩১৬ কোটি টাকায়। আগের দায় পরিশোধ ও লোকসান আড়াল করার জন্য কোম্পানিটি ‘সাইক্লোন’, ‘আর্থকোয়েক’ নামের আকর্ষণীয় অফার দিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রয়াদেশের ৪৫ কর্মদিবসের মধ্যে পণ্য সরবরাহে ব্যর্থ হলে কোনও কোনও ক্ষেত্রে গ্রাহককে তার পরিশোধিত মূল্যের পরিবর্তে পণ্যটির বাজারমূল্য ফেরত দিচ্ছে। তাই বিপুলসংখ্যক গ্রাহক বেশি অর্থ ফেরত পাওয়ার আশায় ই-ভ্যালির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। অদূর ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির দেনা কাটিয়ে ওঠার কোনও গ্রহণযোগ্য পরিকল্পনা বা সম্ভাবনা দেখতে পায়নি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শক দল।

 

গ্রাহকের ২১৪ কোটি টাকা

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ই–ভ্যালির গ্রাহক ছিল ৪৪ লাখ ৮৫ হাজার। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির দেনা দাঁড়ায় ৪০৩ কোটি টাকায়। চলতি সম্পদ ছিল মাত্র ৬৫ কোটি টাকা। এই সম্পদ দিয়ে কোনও অবস্থাতেই কোম্পানিটি দায় পরিশোধ করতে পারবে না। এ ছাড়া পণ্যমূল্য বাবদ গ্রাহকদের কাছ থেকে অগ্রিম ২১৪ কোটি টাকা নিয়েও পণ্য সরবরাহ করেনি ই–ভ্যালি। আবার যেসব কোম্পানির কাছ থেকে ই-ভ্যালি পণ্য কিনেছে, তাদের কাছেও এর বকেয়া পড়েছে ১৯০ কোটি টাকা। চলতি সম্পদ দিয়ে বকেয়া অর্থের মাত্র ১৬ শতাংশ পরিশোধ করা সম্ভব।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনভিত্তিক কোম্পানিটির মোট গ্রাহক ৪৪,৮৫,২৩৪ জন। ক্রয়াদেশ বাতিল, ক্যাশব্যাক, বিক্রিত গিফটকার্ডের সমন্বয়ে এসব গ্রাহকদের ইভ্যালি ভার্চুয়াল আইডিতে মোট ৭৩.৩৯ কোটি টাকা মূল্যমানের ই-ভ্যালু সংরক্ষিত ছিল। অথচ ওই দিন শেষে ইভ্যালি ডট কম লিমিটেডের ১০টি ব্যাংক হিসাবে ছিল ২ কোটি ৪ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, অস্বাভাবিক ব্যয়ের বিষয়ে সন্তোষজনক কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। আর্থিক ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য দিতে বললেও বারবার সময় চায় ই-ভ্যালি কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শকেরা দেখতে পেয়েছেন, অতীতের একটি নির্দিষ্ট তারিখের তথ্য নেই কোম্পানিতে। এর গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যাও দিতে পারেনি।

 

একজনের বেতন আট লাখ!

ইভ্যালির পরিশোধিত মূলধন এক কোটি টাকা। এর মধ্যে ই-ভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেলের মালিকানা ৪০ শতাংশ এবং তার স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের ৬০ শতাংশ। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিপুল লোকসানে থাকলেও এমডি প্রতি মাসে সাড়ে চার লাখ এবং চেয়ারম্যান প্রতি মাসে পাঁচ লাখ টাকা হারে বেতন নিচ্ছেন। এর বাইরে কোম্পানিতে কিছু কর্মকর্তা উচ্চহারে বেতন পান। এমন কর্মকর্তাও আছেন যিনি মাসে আট লাখ টাকা বেতন পান। কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে বেতন পেয়েছেনে ৬২৬ জন।

ব্যাংক বিবরণী সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায়ই নগদ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। ব্র্যাক ব্যাংকে থাকা একটি হিসাবের এক বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে নগদ টাকা তুলেছেন হিসাবরক্ষক। এভাবে নগদ অর্থ তোলা ঝুকিঁপূর্ণ। আবার একই পরিমাণ অর্থ বারবার ডেবিট দেখানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইভ্যালি বাংলাদেশ ব্যাংকের সরাসরি নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠান না হওয়ায় একে নির্দেশনা দেওয়ার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আছে। এ ধরনের পরিদর্শনের মাধ্যমে আর্থিক ব্যবস্থাপনার ত্রুটি সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যেতে পারে। ত্রুটির ব্যাপকতা নিরূপনের জন্য দরকার নিরপেক্ষ নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সামগ্রিক নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইভ্যালির দেওয়া অল্প তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রতিবেদনটি তৈরি। কোম্পানিটির তথ্যভাণ্ডারে অনুসন্ধান চালানোর সুযোগ না দেওয়ায় গ্রাহক ও যেসব প্রতিষ্ঠান থেকে পণ্য এনে দেওয়া হয়, সেগুলোর প্রকৃত তথ্য সংগ্রহ করা ও সঠিকতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

 

এক টাকার জন্য সাড়ে তিন টাকা

বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ২০২০ সালের জুলাই থেকে গত ১৪ মার্চ পর্যন্ত ইভ্যালির মোট আয় (রেভিনিউ) ২৮.৫৪ কোটি টাকা। এই সময়ে কোম্পানিটির সেলস ব্যয় ২০৭ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংক উল্লেখ করেছে, কোম্পানিটি প্রতি এক টাকা আয়ের জন্য তিন টাকা ৫৭ পয়সা ব্যয় করেছে বলে স্টেটমেন্টে প্রদর্শন করেছে এবং এই অস্বাভাবিক ব্যয়ের বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, গ্রাহকের কাছ থেকে অগ্রিম হিসেবে নেওয়া অর্থ কোনও লাভ-ক্ষতি বা কমিশন হিসাব করা ছাড়াই ইভ্যালি উচ্চহারে পরিচালন ও বিপণনে ব্যয় করছে।

/এফএ/

সম্পর্কিত

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

গোয়েন্দা নজরদারিতে ১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান

গোয়েন্দা নজরদারিতে ১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান

১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করেছে বিকাশ

১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করেছে বিকাশ

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২২:৪৬

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকরা (এমডি) এখন থেকে দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশের বাইরে যেতে পারবে না। সোমবার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এখন থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া বিদেশ যেতে পারবেন না এমডিরা। পাশাপাশি দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশের বাইরে না যাওয়ারও পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 

দেশে কার্যরত সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের পাঠানো সার্কুলারে বলা হয়েছে, আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দাফতরিক কাজে বা ব্যক্তিগত ছুটিতে দীর্ঘদিনের জন্য দেশের বাইরে অবস্থান করলে প্রাতিষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডের সার্বিক গতিশীলতা হ্রাস পায়। পাশাপাশি ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনাগত ঝুঁকিসহ আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে। যা কোনওভাবেই কাঙ্ক্ষিত নয়।

এ পরিপ্রেক্ষিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশের বাইরে অবস্থান যতদূর সম্ভব পরিহার করতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আর যদি বিদেশ ভ্রমণ আবশ্যক হয়, তাহলে দেশের বাইরে যাওয়ার আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন নিতে হবে। আর অনুমোদন গ্রহণের ক্ষেত্রে আবেদনপত্রের সঙ্গে ভ্রমণের ১৫ কর্মদিবস পূর্বে পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্তের কপিসহ তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংকে দিতে হবে।

এছাড়া প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বিদেশ ভ্রমণকালে তার অনুপস্থিতিতে যে দায়িত্ব পালন করবে ওই কর্মকর্তার নাম, পদবি, দাফতরিক ফোন, সেল ফোন নম্বর ও ই-মেইল এড্রেস প্রধান নির্বাহীর কর্মস্থল ত্যাগের আগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর সচিবালয় এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগকে জানাতে হবে।

/জিএম/এমআর/

সম্পর্কিত

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট

ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট

পশুর হাটে জালনোট শনাক্তে সেবা দেবে ব্যাংক

পশুর হাটে জালনোট শনাক্তে সেবা দেবে ব্যাংক

রবিবার আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ, বাকি চারদিন ৫ ঘণ্টা করে খোলা

রবিবার আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ, বাকি চারদিন ৫ ঘণ্টা করে খোলা

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ২২:১৮

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, সাশ্রয়ী মূল্যে মানসম্পন্ন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ৯৯ দশমিক ৫ ভাগ এলাকা বিদ্যুতায়নের আওতায় এসেছে। সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থা আধুনিকায়নে যুগপোযোগী প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। গ্রাহক সেবার মান উন্নয়নেও কার্যকরি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

সোমবার (২৬ জুলাই) অনলাইনে বিশ্ব ব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার  আঞ্চলিক পরিচালক (অবকাঠামো)-এর সঙ্গে এক বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের পাঠানো  সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

ভার্চুয়াল এই অনুষ্ঠানে বিশ্ব ব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়ার  আঞ্চলিক পরিচালক (অবকাঠামো) গুয়াংঝি চেন, প্রাকটিস ম্যানেজার (এনার্জি) সিমন জে স্টল্প, প্রোগ্রাম লিডার (অবকাঠামো) রাজেস রোহাতগি ও ইআরডির অতিরিক্ত সচিব আব্দুল বাকী সংযুক্ত থেকে বক্তব্য রাখেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব ব্যাংক ১৯৭২ সাল থেকেই বাংলাদেশকে সহযোগিতা করছে। বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নে বিশ্ব ব্যাংক থেকে এ পর্যন্ত ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাওয়া গেছে। বর্তমানে বিদ্যুৎ খাতে ১ দশমিক ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের  বিভিন্ন প্রকল্প চলমান রয়েছে।’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সম্ভাবনা, অর্জন ও চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রযুক্তির উন্নয়নে ও আধুনিক প্রযুক্তি সন্নিবেশনে বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে পারে। বিদ্যুৎ সংরক্ষণ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ, ওশান এনার্জি থেকে বিদ্যুৎ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ইলেকট্রিক ভিহাইকেল এবং সংশ্লিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নে একসঙ্গে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।’

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতে বিশ্ব ব্যাংকের বিভিন্ন প্রকল্পসহ এনার্জি ট্রানজিশনের পরিপ্রেক্ষিতে কীভাবে বিনিয়োগ বাড়ানো যায় এবং ক্রস বর্ডার  এনার্জি ট্রেডে বাংলাদেশের অবস্থান নিয়েও আলোচনা করা হয়। সম্ভাব্য বিনিয়োগ ও সম্ভাব্য প্রকল্প নিয়েও আলোকপাত করা হয়।

/এসএনএস/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

বিদ্যুতের অভিযোগ সেল নিয়ে জানা নেই গ্রাহকের

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০২১, ১৩:৩৮

গ্রাহক সংশ্লিষ্ট খাত হিসাবে বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি নিয়ে মানুষের অভিযোগের অন্ত নেই। অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা থাকলেও এসব জায়গায় গ্রাহক তেমন অভিযোগ করেন না। অনেকেই বলছেন কিভাবে কোন প্রক্রিয়ায় অভিযোগ করতে হয় গ্রাহকরা আসলে তা জানেনই না। আবার জানলেও অভিযোগ করে উল্টো হয়রানির ভয়ও আছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মানুষ অভিযোগ নিয়ে এলে যদি শুনানি হতো এতে পক্ষ-বিপক্ষ উভয়ের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সুযোগ থাকতো। যাতে করে সেবার মান বাড়তো।

বিদ্যুৎ বিভাগ সূত্র বলছে, অভিযোগ প্রতিকার সেল নামে তাদের একটি শাখা রয়েছে। যেখানে বিভাগের সিনিয়র কর্মকর্তা দায়িত্বে রয়েছেন। কিন্তু বছরের বেশিরভাগ সময় সেখানে কেউ অভিযোগ নিয়ে আসেন না। ফলে কার্যত তেমন শুনানির আয়োজন করতে হয় না। এতে করে মানুষ খুব একটা উপকৃত হচ্ছেন না। যদি গ্রাহকরা সরাসরি তাদের অভিযোগ মন্ত্রণালয় দাখিল করতো তাহলে এই সেলটি কার্যকর হতো।

বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, অনলাইনে গিয়েই যে কেউ এই অভিযোগ জানাতে পারে। অভিযোগ পাওয়ার পর এটি শুনানি করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। এক্ষেত্রে কোনও পক্ষ শুনানিতে সন্তুষ্ট না হলে তিনি আপিল করতে পারবেন।

বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে জুলাই মাসে ১টি,  সেপ্টেম্বর মাসে ১টি, অক্টোবর মাসে ৭টি, নভেম্বর মাসে ৩, ডিসেম্বরে ৩, জানুয়ারিতে ২, ফেব্রুয়ারিতে ১টি আবেদন, সব মিলিয়ে ১৮টি আবেদন জমা পড়ে। বছরের অন্যান্য মাসে কোনও আবেদনই জমা পড়েনি। অথচ এই অর্থবছরে অতিরিক্ত বিল করার অভিযোগে লাখ লাখ গ্রাহককে বিদ্যুৎ অফিসে জড়ো হতে দেখা যায়।

সূত্র বলছে, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযোগ গ্রহণের পর নিষ্পত্তির জন্য মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও সংস্থা ভিত্তিক ফোকাল পয়েন্ট বা নির্দিষ্ট ব্যক্তি নির্ধারণ করা হবে। তারাই একটি সহজ কৌশল নির্ধারণ করবেন। অভিযোগ নিষ্পত্তির বিষয়ে যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা মন্ত্রণালয় বা বিভাগকে জানাতে হবে। এই সংক্রান্ত সরকারের একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। সরকার কেন্দ্রীয়ভাবে অভিযোগ প্রতিকারের ব্যবস্থার জন্য একটি ওয়েবসাইটও রয়েছে। সেখানে ব্যক্তি নিজে গিয়ে অভিযোগ দাখিল করতে পারেন অথবা নাম পরিচয় গোপন রেখেই অভিযোগ করতে পারেন।

এ বিষয়ে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও পাওয়ার সেলের সাবেক মহাপরিচালক বি ডি রহমত উল্লাহ বলেন, এখন আমাদের গ্রাহক সংখ্যা ৪ কোটি। আর অভিযোগের এই হাল। এটা একেবারেই অবিশ্বাস্য।  আমরা তো আর সোনার দেশে থাকি না যে কোনও অভিযোগই আসবে না। আর তাছাড়া গত বছর বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রচুর ভোগান্তির শিকার হয়েছিল গ্রাহকরা। এই অবস্থায় এটা জাস্ট একটা আইওয়াশ। তিনি বলেন, এই সেলকে কার্যকর করতে হলে এই সেল যে আছ সেটি প্রচার করতে হবে। আর যে পদ্ধতিতে সমাধানের কথা বলা হয়েছে তাও অনেক দীর্ঘমেয়াদি। সেলের অভিযোগের ওখানেই কিভাবে সমাধান হচ্ছে তা পরিষ্কারভাবে উল্লেখ থাকা দরকার বলে তিনি মনে করেন।

 

/এমআর/

সম্পর্কিত

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত  খোলা

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত খোলা

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১৯:৩৩

সোমবার (২৬ জুলাই) থেকে আবারও শুরু হচ্ছে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

রবিবার (২৫ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা লতিফ বকসীর সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর শোকাবহ আগস্টে মাসে কঠোর লকডাউন পরিস্থিতিতেও ভোক্তা সাধারণের কাছে ভর্তুকি মূল্যে কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী ভ্রাম্যমাণ ট্রাকে দেশব্যাপী বিক্রয় করবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে— সয়াবিন তেল, মশুর ডাল এবং চিনি।’

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও  বলা হয়, ‘সোমবার ২৬ জুলাই থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত (সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত) উল্লিখিত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১০০ টাকা, মশুর ডাল প্রতি কেজি ৫৫ টাকা এবং চিনি প্রতি কেজি ৫৫ টাকা দরে বিক্রি করা হবে।’

 

/এসআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কোনও উদ্যোগই কাজে আসেনি

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

যে কারণে বিলম্বিত হচ্ছে মহাসড়কের টোল আদায়

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

এবারও সিন্ডিকেটের কবলে কাঁচা চামড়া

আজ থেকে নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুইটা পর্যন্ত খোলা

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, ১১:০৮

আজ রবিবার (২৫ জুলাই) থেকে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের মতো নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানও খোলা রয়েছে। এগুলো বেলা দুইটা পর্যন্ত খোলা থাকবে।

এর আগে ১৪ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত (সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত) সকাল ১০টা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত সীমিত পরিসরে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে।

বিধিনিষেধ চলাকালে গ্রাহকের হিসাবে মেয়াদপূর্তিতে স্থায়ী আমানত নগদায়ন, ঋণের কিস্তি জমা গ্রহণসহ জরুরি কাজ সম্পাদন করা যাবে। তবে অফিস খোলা রাখার ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করে সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে সেবা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বোচ্চ দুটি শাখা (একটি ঢাকায় ও অপরটি ঢাকার বাইরে) ও প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ খোলা রাখা যাবে। বিধিনিষেধ চলাকালে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চলাচলের সময় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র বহন করতে হবে।

প্রসঙ্গত, দেশে বর্তমানে ৩৩টি নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

/জিএম/এমএস/

সম্পর্কিত

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুতের অভিযোগ সেল নিয়ে জানা নেই গ্রাহকের

বিদ্যুতের অভিযোগ সেল নিয়ে জানা নেই গ্রাহকের

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

টিসিবির ‘ট্রাকসেল’ সোমবার থেকে ফের শুরু

সম্পর্কিত

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

রবিবার থেকে ব্যাংক খোলা, লেনদেন হবে দেড়টা পর্যন্ত

রবিবার থেকে ব্যাংক খোলা, লেনদেন হবে দেড়টা পর্যন্ত

গোয়েন্দা নজরদারিতে ১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান

গোয়েন্দা নজরদারিতে ১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান

‘আমি আত্মহত্যা করলে এর দায় ইভ্যালির’

‘আমি আত্মহত্যা করলে এর দায় ইভ্যালির’

১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করেছে বিকাশ

১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করেছে বিকাশ

ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট

ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট

পশুর হাটে জালনোট শনাক্তে সেবা দেবে ব্যাংক

পশুর হাটে জালনোট শনাক্তে সেবা দেবে ব্যাংক

সর্বশেষ

টিভিতে আজ

টিভিতে আজ

ঈদের আগের লকডাউনে বেশি কঠোর ছিল পুলিশ

ঈদের আগের লকডাউনে বেশি কঠোর ছিল পুলিশ

রাজশাহী মেডিক্যালে ২৭ দিনে ৪৭৪ মৃত্যু

রাজশাহী মেডিক্যালে ২৭ দিনে ৪৭৪ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৯ মৃত্যু

ময়মনসিংহ মেডিক্যালে আরও ১৯ মৃত্যু

ভালো নেই নেত্রকোনার মিলন বয়াতি

ভালো নেই নেত্রকোনার মিলন বয়াতি

ফেরিঘাট সরানো পদ্মা সেতুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ: প্রকৌশলী

ফেরিঘাট সরানো পদ্মা সেতুর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ: প্রকৌশলী

করোনায় চট্টগ্রামে রেকর্ড মৃত্যু, শনাক্ত ১৩১০ জন

করোনায় চট্টগ্রামে রেকর্ড মৃত্যু, শনাক্ত ১৩১০ জন

সব মামলায় জামিনের মেয়াদ আরও এক দফা বাড়লো

সব মামলায় জামিনের মেয়াদ আরও এক দফা বাড়লো

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমডিরা দীর্ঘ সময়ের জন্য বিদেশে যেতে পারবেন না

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

ব্যাংক খোলা, লেনদেন দেড়টা পর্যন্ত

গোয়েন্দা নজরদারিতে ১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান

গোয়েন্দা নজরদারিতে ১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান

১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করেছে বিকাশ

১০ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লেনদেন বন্ধ করেছে বিকাশ

ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট

ঈদে ৩০ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট

© 2021 Bangla Tribune