X
বৃহস্পতিবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

তালেবানের উত্থানে সন্ত্রাসবাদের ভয় ছড়াচ্ছে মস্কো থেকে বেইজিংয়ে

আপডেট : ১০ জুলাই ২০২১, ১৯:২৫

তালেবানের বিদ্যুৎগতির অগ্রগতি থেকে আফগানিস্তানের বেশিরভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ফলে রাশিয়া থেকে চীনে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সতর্কতা বাড়াচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহারের ফলে দক্ষিণ এশীয় দেশটিতে ক্ষমতার ভারসাম্য সংকটে পড়েছে। গত দুই দশকে এই ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা রেখেছিল মার্কিন, ন্যাটো ও বিদেশি সেনারা।

গত সপ্তাহে অন্তত ১ হাজার আফগান সেনা তাজিকিস্তানে পালিয়েছে। এতে করে সীমান্ত সুরক্ষায় আরও ২০ হাজার সেনাকে পাঠিয়েছেন তাজিক প্রেসিডেন্ট। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তালেবানের কাছ থেকে নিশ্চয়তা চেয়েছেন তারা ক্ষমতায় গেলে তাজিক সীমান্তের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে বলে। প্রতিবেশী পাকিস্তান জানিয়েছে, শরণার্থীদের জন্য নিজেদের সীমান্ত উন্মুক্ত করবে না তারা।

চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ি গত সপ্তাহে সতর্ক করে বলেছেন, আফগানিস্তানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং যুদ্ধ ও বিশৃঙ্খলা এড়ানো। তিনি আগামী সপ্তাহে মধ্য এশিয়া সফর করবেন আফগান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারকে ‘হঠকারী’ বলে উল্লেখ করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনের অবশ্যই উচিত আফগানিস্তান যেনও ফের সন্ত্রাসবাদের স্বর্গরাজ্যে পরিণত না হয় সেই প্রতিশ্রুতির প্রতি শ্রদ্ধা জানানো।

ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাড়াহুড়ো করে আফগানিস্তান থেকে নিজেদের সেনাদের প্রত্যাহার করেছে এবং আফগান জনগণকে চরম বিশৃঙ্খলায় রেখে গেছে। অথচ তারা গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় উদ্বেগ জানানোর মতো ভণ্ডামি করে।

শুক্রবার তালেবানের দোহায় অবস্থিত রাজনৈতিক কার্যালয়ের সিনিয়র কর্মকর্তা মোহাম্মদ সুহেল শাহীন বলেন, তালেবান কাউকে বা কোনও গোষ্ঠী চীন বা অন্য দেশের বিরুদ্ধে আফগান ভূমি ব্যবহার করতে দেবে না। এটা আমাদের অঙ্গীকার।

বৃহস্পতিবার বাইডেন জোর দিয়ে বলেছেন, আফগানিস্তানে নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করেছে মার্কিন সেনাবাহিনী এবং ৩১ আগস্টের মধ্যে দেশটি ছাড়বে। টুইন টাওয়ার হামলার ২০তম বার্ষিকী আগে ২ হাজার ৪৪৮জন মার্কিন সেনার জীবন ও প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করার পর কাবুল ছাড়ছে তারা। তবু আফগানিস্তানের জনগণের লড়াই চলবে এবং প্রতিবেশী দেশ, বিশেষ করে ৬০ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর হুমকিতে পড়তে পারে।

আফগানিস্তান ছাড়ছে বিদেশি সেনারা

সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ ইউনিভার্সিটির মিডল ইস্ট স্টাডিজ ইন্সটিটিউটের অধ্যাপক ফ্যান হংডা বলেন, আফগানিস্তানের বিশৃঙ্খলা অন্যান্য দেশে ছড়াতে পারে এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা তৈরির দিকে আগাতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিতে চায় না চীন কিন্তু আশা করে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা সহজ করতে। কারণ অঞ্চলটিতে তাদের স্বার্থ রয়েছে।

সম্প্রতি নাটকীয় মাত্রায় আফগান ভূখণ্ডে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করছে তালেবান। লং ওয়ার জার্নালের সংগৃহীত তথ্য অনুসারে, এর ফলে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত আফগান সরকারের নিয়ন্ত্রণে মাত্র ২০ শতাংশ ভূখণ্ড রয়েছে। সশস্ত্র গোষ্ঠীটি এখন ৪০৭টির মধ্যে ২০৪টি নিয়ন্ত্রণ করছে। মে মাসের শুরুর তুলনায় ৭৩টি বেশি। আফগান সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে মাত্র ৭৪ জেলা। বাকিগুলোতে সুনির্দিষ্ট কারও নিয়ন্ত্রণ নেই।

শুক্রবার সিনিয়র তালেবান কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন দেলাওয়ার বলেছেন, আফগানিস্তানের সীমান্ত এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে। এগুলো উন্মুক্ত ও সক্রিয় থাকবে। তিনি বলেন, আমরা সবাইকে নিশ্চয়তা দিতে চাই যে, আমরা কূটনীতিক, দূতাবাস, কনস্যুলেট, এনজিও এবং তাদের কর্মীদের টার্গেট করব না।

সীমান্তের কিছু এলাকা তালেবানরা নিয়ন্ত্রণে নিলেও তা বেশিদিন টিকবে না বলে জানিয়েছেন আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক উপ-মুখপাত্র ফাওয়াদ আমান। শনিবার তিনি বলেন, আমরা আক্রমণের হামলা বাড়িয়েছি এবং শিগগিরই ওই এলাকাগুলো মুক্ত ও পুনরুদ্ধার করা হবে।

এই মুহূর্তে কাবুলে অবস্থিত সরকার ৩৪টি প্রাদেশিক রাজধানী নিয়ন্ত্রণ করছে। যদিও প্রতিবেশী পাকিস্তান,চীন, তাজিকিস্তান ও তুর্কমেনিস্তানের সঙ্গে সীমান্তে অবস্থিত দুটি রাজধানী দখলে লড়াই শুরু করেছে তালেবান। সম্প্রতি তালেবান যোদ্ধাদের বিরুদ্ধে বিমান হামলা জোরদার করেছে আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

২০ বছরের মার্কিন যুদ্ধের পরও তালেবানের উত্থানে ভেঙে পড়ছে আফগান সরকার ও সেনাবাহিনী

যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বছরের যুদ্ধের পরও তালেবানের মসৃণ উত্থান আফগান সরকার ও সেনাবাহিনীকে ভেঙে পড়ার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। যেমনটি ঘটেছিল ১৯৯০ দশকে সোভিয়েত ইউনিয়ন চলে যাওয়ার পর। ওয়াশিংটন আফগানিস্তানে আল-কায়েদার শক্তিশালী হওয়া ঠেকাতে চায়। কিন্তু প্রতিবেশী ছয়টি দেশের জন্য এর প্রভাব ভয়ানক হতে পারে। বিশেষ করে ভারতের কাছাকাছি থাকা দেশগুলো প্রায়ই জিহাদি হামলার শিকার হয়।

এপ্রিলে পাকিস্তানের কোয়েটা শহরে চীনা দূতাবাস অবস্থান করা বিলাসবহুল হোটেলে গাড়িবোমা বিস্ফোরণের পর আঞ্চলিক ঝুঁকি স্পষ্ট হয়ে গেছে। দক্ষিণ আফগানিস্তানে তালেবানের শক্তিশালী ঘাঁটি থেকে কোয়েটা শহরটি খুব বেশি দূরে নয়। এই হামলাটির দায় স্বীকার করেছে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। এতে প্রতীয়মান হয়েছে এতদ অঞ্চলের সরকারগুলোকে হাই-প্রোফাইল কূটনীতিক ও ব্যবসায়ীদের নিশ্চিত করতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে।

‘গুরুতর হুমকি’

ভারতে নিযুক্ত আফগানিস্তানের রাষ্ট্রদূত ফরিদ মামুনডিজায় বলেন, রাশিয়া থেকে ভারতে ছড়িয়ে থাকা বিস্তৃত অঞ্চলে তালেবানের সঙ্গে প্রায় ২০টির মতো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। সরেজমিনের এরই মধ্যে তাদের কর্মকাণ্ড পরিলক্ষিত হচ্ছে এবং অঞ্চলটির জন্য গুরুতর হুমকি।

১৯৯০ দশকে তালেবানের উত্থানে সহযোগিতা করা পাকিস্তান টিটিপি’র পুনরুত্থান নিয়ে শঙ্কিত। ২০০১ সালে আফগানিস্তানে মার্কিন দখল অভিযানের পর দেশটিতে ৭০ হাজার বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর জন্য এই গোষ্ঠীকে দায়ী করা হয়। অল্প কয়েক মাস আগে পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় টিটিপি কোনঠাসা হয়েছিল। এখন আফগানিস্তানে তালেবানের উত্থান এবং দেশটি থেকে মার্কিন ও বিদেশি সেনা প্রত্যাহারে পর জঙ্গি গোষ্ঠীটি চীনা প্রকল্পে হামলা চালিয়ে ইসলামাবাদকে চাপে ফেলার সুযোগ পাবে।

স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্প কোঅপারেশনের ফেলো আফসানদিয়ার মির বলেন, এই গোষ্ঠীগুলো পাকিস্তানকে আঘাত করতে চায় এবং এসব হামলায় সবচেয়ে বেশি জর্জরিত হবে। চীন-পাকিস্তান করিডোরের নিরাপত্তার জন্য আফগানিস্তানের পরিস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর।

মস্কোয় রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনায় তালেবান প্রতিনিধি দল

চীনা টার্গেটগুলো

আফগানিস্তানে মার্কিন দখল অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে চীনের অর্থনীতি পাঁচগুণ বেড়েছে। এতে করে চীন একটি সুনির্দিষ্ট টার্গেটে পরিণত হয়েছে। বেইজিং ও ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কারণে পাকিস্তান সেনাবাহিনী দেশজুড়ে সিপিইসি প্রকল্পের সুরক্ষার জন্যই একটি বাহিনী গড়ে তোলা হয়েছে।

আফগানিস্তানে নিযুক্ত ভারতের সাবেক রাষ্ট্রদূত গৌতম মুখোপাধ্যায়ের মতে, তালেবান নেতৃত্বাধীন আফগানিস্তান একপক্ষে চীন ও পাকিস্তানের সম্পর্ক দৃঢ় করবে, অপরপক্ষে শক্তিশালী হবে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক। মাঝখোনে থাকা রাশিয়া ও ইরান হুমকির ভিত্তিতে নিজেদের নীতি সমন্বয় করবে।

নয়া দিল্লিভিত্তিক থিংকট্যাংক সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চে সিনিয়র ফেলো হিসেবে কর্মরত মুখোপাধ্যায় বলেন, এই অঞ্চল গুরুতর প্রভাবিত হবে। কিন্তু বাকি বিশ্বও ভূরাজনৈতিক ভারসাম্যের পরিবর্তন, চরমপন্থা ও সহিংসতা থেকে রক্ষা পাবে না।

শরণার্থীদের পলায়ন

তালেবানরা আবার যখন বিভিন্ন এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে শুরু করে বিভিন্ন আফগান গ্রামের লোকজন কিছুটা নিরাপদ বড় শহরের দিকে ছুটছে। পাকিস্তান ধারণা করছে ৫ লাখ শরণার্থীর এবং কর্তৃপক্ষ বলছে তাদের সীমান্ত শিবিরে রাখা হবে। এরই মধ্যে পাকিস্তানে ১৪ লাখ নিবন্ধিত আফগান শরণার্থী অবস্থান করছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক ব্রুকিংস ইন্সটিটিউশনের একজন ডেভিড এম. রুবেনস্টেইন ফেলো মাদিহা আফজাল মনে করেন, তালেবানের জয়ের ফলে পুরো অঞ্চলজুড়ে তাদের শুভাকাঙক্ষীদের উৎসাহিত করবে। তিনি বলেন, এসব গোষ্ঠীর মাঠের যোদ্ধারা দল পরিবর্তন করে। আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের চলে যাওয়া এবং তালেবানের অবস্থানকে তারা জিহাদিদের জয় হিসেবে দেখবে। সূত্র: ব্লুমবার্গ

/এএ/

সম্পর্কিত

সিরাজুদ্দিন হাক্কানির সঙ্গে জাতিসংঘ দূতের বৈঠক

সিরাজুদ্দিন হাক্কানির সঙ্গে জাতিসংঘ দূতের বৈঠক

তালেবানের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়ে মুখ খুললেন মোল্লা বারাদার

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন মোল্লা বারাদার

জাকার্তার বায়ু দূষণ রোধে ব্যবস্থা নেননি ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট: আদালত

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:০১

রাজধানী জাকার্তায় বায়ু দূষণ রোধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোসহ দেশটির কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রায় দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) যুগান্তকারী এই রায়ে আদালত রাজধানীর বায়ু উন্নত করার পাশাপাশি পর্যবেক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন তাদের।

২০১৯ সালে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় মাত্রাতিরিক্তি বায়ু দূষণ ঠেকাতে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় প্রেসিডেন্টসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নগরবাসী। কিন্তু নানা কারণে মামলার রায় পিছিয়ে যায়। সব কিছু খতিয়ে দেখে বায়ু দূষণ মোকাবিলায় প্রেসিডেন্ট উইদোদোর উদাসীনতার প্রমাণ পেয়েছেন আদালত।

ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় বায়ু দূষণের চিত্র

ডিস্ট্রিক কোর্ট-এর বিচারক প্রেসিডেন্টকে বাতাসের মান উন্নত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। একইসঙ্গে প্রাদেশিক সরকারকে পুরাতন গাড়ির ধোঁয়া নির্গমন পরিস্থিতি নিয়মিত বিরতিতে পরীক্ষা করে দেখতে হবে এবং সব তথ্য জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে বলেও রায়ে বলা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষকদের তথ্যমতে, অতি মাত্রায় বায়ু দূষণের ফলে জাকার্তার বাসিন্দাদের আয়ু ৫.৫ বছর কমিয়ে দিচ্ছে। বায়ু দূষণে শ্বাসকষ্ট জনিত কারণে প্রতি বছর বহু মানুষকে চিকিৎসকের কাছে যেতে হচ্ছে।

/এলকে/

সম্পর্কিত

কারাগারে অগ্নিকাণ্ডে ইন্দোনেশিয়ায় অন্তত ৪১ জনের মৃত্যু

ইন্দোনেশিয়ার কারাগারে আগুন, অন্তত ৪১ জনের মৃত্যু

পৃথিবী রক্ষায় হাঁটছে ১১ বছরের বালক

পৃথিবী রক্ষায় হাঁটছে ১১ বছরের বালক

আইপিসিসি’র প্রতিবেদন ‘মানবতার জন্য লাল সংকেত’

আইপিসিসি’র প্রতিবেদন ‘মানবতার জন্য লাল সংকেত’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া

যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া

সিরাজুদ্দিন হাক্কানির সঙ্গে জাতিসংঘ দূতের বৈঠক

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৫৪

যুক্তরাষ্ট্রের মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী তালিকায় থাকা তালেবান আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজুদ্দিন হাক্কানির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন জাতিসংঘের দূত দেবোরাহ লিওনস। বৃহস্পতিবার এ খবর প্রকাশ করেছে পাকিস্তানভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডন। 

তালেবানের মুখপাত্র সুহাইল শাহীন বৃহস্পতিবার (১৬ সেপ্টেম্বর) টুইটারে এক বিবৃতিতে জানান, আফগান জনগণের জন্য জরুরিভিত্তিতে মানবিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে কাবুলে নিযুক্ত জাতিসংঘ মিশনের প্রধান দেবোরাহ লিওনস ও সিরাজউদ্দিন হাক্কানির মধ্যে বৈঠক হয়। 

বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) উভয়পক্ষের আলোচনায় হাক্কানি জাতিসংঘের দূতকে নিশ্চিত করে বলেন, ‘কোনও বাধা ও ভয়ভীতি ছাড়াই জাতিসংঘের কর্মীরা আফগানিস্তানে কাজ করতে পারবেন। আফগান জনগণকে সহায়তা করতে পারবে জাতিসংঘ’। বৈঠক কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে তা স্পষ্ট করেননি তালেবান মুখপাত্র সুহাইল শাহীন। 

গত দুই দশক ধরে বিদেশি সহায়তার উপরই নির্ভর করে আসছে আফগানিস্তান। তবে তালেবান ক্ষমতায় আসার পর সম্প্রতি সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে বিশ্বের অধিকাংশ দেশ। ফলে প্রবল সংকটের মুখে পড়েছে আফগান জনগণ। এমন পরিস্থিতিতে আফগান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাক্কানির সঙ্গে আলোচনা হলো জাতিসংঘ দূতের।

এফবিআইএর তাকিায় সিরাজুদ্দিন হাক্কানি

আফগান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিরাজউদ্দিন হাক্কানির নাম এখনো মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসীদের তালিকায় রয়েছে। তার মাথার দাম ৫০ লাখ ডলার ধরা আছে যুক্তরাষ্ট্রে।

/এলকে/
টাইমলাইন: আফগানিস্তান সংকট
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৬:৫৪
সিরাজুদ্দিন হাক্কানির সঙ্গে জাতিসংঘ দূতের বৈঠক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:১৮

সম্পর্কিত

তালেবানের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়ে মুখ খুললেন মোল্লা বারাদার

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন মোল্লা বারাদার

ফুরিয়ে যাচ্ছে অর্থ, বিদেশে আটকা পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

বিদেশে বিপদে পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

তালেবানের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়ে মুখ খুললেন মোল্লা বারাদার

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:২০

নতুন অন্তর্বর্তী সরকারে অভ্যন্তরীণ বিরোধের কথা অস্বীকার করেছেন তালেবানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং ভারপ্রাপ্ত উপপ্রধানমন্ত্রী মোল্লা আবদুল গণি বারাদার। এছাড়া কাবুলের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে সংঘাতে আহত হওয়ার খবরও উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

আফগান ন্যাশনাল টিভিকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন মোল্লা বারাদর। এই সাক্ষাৎকারের একটি ভিডিও তালেবানের দোহা কার্যালয়ের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে।

ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, বারাদারের কাছে তার আহত হওয়ার গুজব নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, এটা কোনওভাবেই সত্য নয়। সকল প্রশংসা আল্লাহর আমি সুস্থ এবং ভালো আছি। সংবাদমাধ্যমে আমাদের অভ্যন্তরীণ মতবিরোধের যে দাবি করা হচ্ছে তাও সত্যি নয়।’

মোল্লা বারাদার বলেন, ‘আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা যে আমাদের মধ্যে প্রচুর দয়া এবং ক্ষমার মনোভাব রয়েছে। আর এটি এমন যে তা কোনও পরিবারের মধ্যেও থাকে না। এছাড়া আমরা বহু বছর ধরে দখলদারিত্ব অবসানের জন্য দুর্ভোগ সহ্য করেছি, ত্যাগ স্বীকার করেছি। এর কোনওটাই ক্ষমতা কিংবা পদ পাওয়ার জন্য নয়।’

কাবুলের বাইরে একটি সফরে থাকার দাবি করে মোল্লা বারাদার বলেন, যে স্থানে সফর করছিলাম সেখানে সংবাদমাধ্যমের দাবি খণ্ডানোর উপায় ছিলো না। তিনি বলেন, সেকারণে আমরা আফগান জনগণ এবং সব সিনিয়র ও জুনিয়র মুজাহিদিনদের আতঙ্কিত না হতে বলছি, উদ্বিগ্ন হওয়ার আসলে কিছু নেই।’

গত রবিবার কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাবুল সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হলেও ছিলেন না মোল্লা বারাদার। এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমরা জানতাম না কাতার থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসছেন। জানতে পারলে আমরা সফর স্থগিত করতাম। আর আমরা সফরে থাকার কারণেই সাক্ষাৎ ঘটেনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে সফর থেকে ফেরা সম্ভব ছিলো না। আগে খবর পেলে আমরা অন্য বন্ধুদের সঙ্গে বৈঠকে যোগ দিতাম।’

তালেবান কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মোল্লা বারাদার কান্দাহারে গেছেন। সেখানে গ্রুপটির সর্বোচ্চ নেতা হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা বসবাস করেন বলে মনে করা হয়।

/জেজে/
টাইমলাইন: আফগানিস্তান সংকট
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:২০
তালেবানের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়ে মুখ খুললেন মোল্লা বারাদার
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:১৮

সম্পর্কিত

সিরাজুদ্দিন হাক্কানির সঙ্গে জাতিসংঘ দূতের বৈঠক

সিরাজুদ্দিন হাক্কানির সঙ্গে জাতিসংঘ দূতের বৈঠক

চীনের মারাত্মক হুমকি, প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াচ্ছে তাইওয়ান

প্রতিরক্ষা ব্যয় ৯০০ কোটি ডলার বাড়াচ্ছে তাইওয়ান

ফুরিয়ে যাচ্ছে অর্থ, বিদেশে আটকা পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

বিদেশে বিপদে পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

চীনের মারাত্মক হুমকি, প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াচ্ছে তাইওয়ান

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:২১

আগামী পাঁচ বছরে প্রতিরক্ষা ব্যয় আরও নয়শ’ কোটি ডলারের প্রস্তাব করেছে তাইওয়ান। দেশটির নিজস্ব মুদ্রায় এর পরিমাণ ২৪০ বিলিয়ন তাইওয়ান ডলার। চীনের ‘মারাত্মক হুমকি’র মুখে অস্ত্রের উন্নয়ন ঘটানো অতি জরুরি হয়ে পড়ায় বৃহস্পতিবার এই প্রস্তাব করা হয়েছে।

২০২২ সালে তাইওয়ানের সামরিক ব্যয়ের পরিকল্পনা রয়েছে ৪৭১.৭ তাইওয়ান ডলারের। এর অতিরিক্ত হিসেবেই ওই অর্থ ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এই প্রস্তাব পার্লামেন্টে অনুমোদিত হতে হবে। পার্লামেন্টে প্রেসিডেন্ট তাসাই ইন-ওয়েন এর দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় সহজেই এই অনুমোদন পাওয়া যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠকের পর তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতি বলা হয়েছে, ‘চীনা কমিউনিস্ট জাতীয় প্রতিরক্ষা বাজেটে বিপুল বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে, তাদের সামরিক শক্তি দ্রুত বাড়ছে আর তারা আমাদের সমুদ্র এবং আকাশসীমায় হয়রানি করতে বারবার বিমান এবং জাহাজ পাঠাচ্ছে।’

ওই বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘শত্রুর ক্রমাগত হুমকির মুখে দেশের সেনাবাহিনী সক্রিয়ভাবে সামরিক ক্ষমতা অর্জন ও প্রস্তুতিমূলক কাজ করছে আর আধুনিক ও ব্যাপক অস্ত্র উৎপাদন স্বল্প মেয়াদের মধ্যে জরুরি হয়ে পড়েছে।’

/জেজে/

সম্পর্কিত

তালেবানের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়ে মুখ খুললেন মোল্লা বারাদার

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন মোল্লা বারাদার

ফুরিয়ে যাচ্ছে অর্থ, বিদেশে আটকা পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

বিদেশে বিপদে পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

দুয়ার্তের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত

শুরু হচ্ছে দুয়ার্তের বিরুদ্ধে তদন্ত

তালেবানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে বিশ্বের প্রতি আহ্বান পাকিস্তানের

তালেবান সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান পাকিস্তানের

ফুরিয়ে যাচ্ছে অর্থ, বিদেশে আটকা পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:৩২

তালেবান আকস্মিকভাবে আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ায় বিপদে পড়েছেন শত শত আফগান কূটনীতিক। দূতাবাস সচল রাখার অর্থও যেমন ফুরিয়ে যাচ্ছে তেমনি পরিবারের কাছে ফিরতে পারার আশঙ্কাও রয়েছে। অনেকেই বিদেশে শরণার্থী হিসেবে থেকে যাওয়ার আবেদন করেছেন। তবে তালেবান কর্তৃপক্ষ সব দূতাবাসে চিঠি দিয়ে নিজেদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আটটি দূতাবাসের কর্মীরা নিজ নিজ দূতাবাসের স্থবিরতা এবং কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাওয়া নিয়ে কথা বলেছেন। এর মধ্যে কানাডা, জার্মানি ও জাপানের আফগান দূতাবাসের কর্মীরাও রয়েছেন।

বার্লিনের এক দূতাবাস কর্মী বলেন, এখানে আমার সহকর্মী এবং আরও বহু দেশের কর্মীরা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে তাদের গ্রহণ করার আবেদন করেছেন। তবে তিনি এখনও আবেদন করেননি। কারণ হিসেবে তিনি জানান, এখনও কাবুলে থেকে যাওয়া স্ত্রী ও চার মেয়ের ভবিষ্যত নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন।

ওই ব্যক্তি বলেন, ‘আমি আক্ষরিকভাবেই ভিক্ষা চাইছি, আমাকে কূটনীতিক থেকে শরণার্থী করে দিন।’ কাবুলের একটি বাড়িসহ তার কাছে থাকা সবকিছুই বিক্রি করে দিতে পারেন বলেও জানান তিনি।

গত মঙ্গলবার কাবুলে এক সংবাদ সম্মেলনে আফগানিস্তানের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকি বলেন, সব আফগান দূতাবাসেই কাজ চালিয়ে যাওয়ার বার্তা পাঠিয়েছে তালেবান। তিনি বলেন, ‘আফগানিস্তান আপনাদের জন্য বিনিয়োগ করেছে, আপনারা আফগানিস্তানের সম্পদ।’

এক সিনিয়র আফগান কূটনীতিকের ধারণা বিশ্ব জুড়ে আফগান দূতাবাসে কর্মরত এবং সরাসরি তাদের ওপর নির্ভরশীল রয়েছে প্রায় তিন হাজার। গত ৮ সেপ্টেম্বর আশরাফ গণির উৎখাত হওয়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে দূতাবাসগুলোতে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়।

তবে এসব আহ্বানে মাঠ পর্যায়ের বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি উত্তরণের কোনও নির্দেশনা নেই বলে মনে করেন আফগান দূতাবাস কর্মীরা। কানাডায় থাকা এক কর্মী বলেন, ‘অর্থ নেই। এই অবস্থায় কাজ চালানো সম্ভব নয়। এই মুহূর্তে আমাকে বেতন দেওয়া হচ্ছে না।’

দিল্লির দুই দূতাবাস কর্মীও জানিয়েছেন কার্যক্রম চালানোর মতো অর্থ তাদের নেই। তারা বলছেন, আগের সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক থাকায় তালেবানের হাতে নিপীড়নের শঙ্কায় দেশে ফিরবেন না তারা। ভারতেই শরণার্থী মর্যাদা পাওয়ার আবেদনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।

/জেজে/
টাইমলাইন: আফগানিস্তান সংকট
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:২৮
ফুরিয়ে যাচ্ছে অর্থ, বিদেশে আটকা পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:১৮

সম্পর্কিত

সিরাজুদ্দিন হাক্কানির সঙ্গে জাতিসংঘ দূতের বৈঠক

সিরাজুদ্দিন হাক্কানির সঙ্গে জাতিসংঘ দূতের বৈঠক

তালেবানের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়ে মুখ খুললেন মোল্লা বারাদার

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন মোল্লা বারাদার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সিরাজুদ্দিন হাক্কানির সঙ্গে জাতিসংঘ দূতের বৈঠক

সিরাজুদ্দিন হাক্কানির সঙ্গে জাতিসংঘ দূতের বৈঠক

তালেবানের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নিয়ে মুখ খুললেন মোল্লা বারাদার

গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন মোল্লা বারাদার

চীনের মারাত্মক হুমকি, প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াচ্ছে তাইওয়ান

প্রতিরক্ষা ব্যয় ৯০০ কোটি ডলার বাড়াচ্ছে তাইওয়ান

ফুরিয়ে যাচ্ছে অর্থ, বিদেশে আটকা পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

বিদেশে বিপদে পড়ছেন শত শত আফগান কূটনীতিক

তালেবানের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে বিশ্বের প্রতি আহ্বান পাকিস্তানের

তালেবান সরকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান পাকিস্তানের

সর্বশেষ

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

সেই দুই শিশুর জিম্মার বিষয়ে আবারও দুই পক্ষকে আলোচনার নির্দেশ

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধনে ওয়েবলিংক চালু

জাকার্তার বায়ু দূষণ রোধে ব্যবস্থা নেননি ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট: আদালত

বায়ু দূষণ মামলায় ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে যুগান্তকারী রায়

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

গণমাধ্যম দেখে দেশ চালাই না: শেখ হাসিনা

ডাকাতি করতো স্বামী, স্বর্ণ বিক্রি করতো স্ত্রী

ডাকাতি করতো স্বামী, স্বর্ণ বিক্রি করতো স্ত্রী

© 2021 Bangla Tribune