X
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

মিসরে শীর্ষস্থানীয় ১০ ব্রাদারহুড নেতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল

আপডেট : ১১ জুলাই ২০২১, ২২:২৫

মিসরে মুসলিম ব্রাদারহুডের শীর্ষস্থানীয় ১০ নেতার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বহাল রেখেছেন দেশটির সর্বোচ্চ আপিল আদালত। রবিবার এ রায় ঘোষণা করা হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত নেতাদের মধ্যে দলের প্রধান মোহাম্মদ বাদি-ও রয়েছেন। ২০১০ সাল থেকে দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন তিনি।

২০১১ সালে গণঅভ্যুত্থানে হোসনি মোবারকের পতনের পর ২০১২ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন মুসলিম ব্রাদারহুড নেতা মোহাম্মদ মুরসি। ২০১৩ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি।

২০১৩ সালের জুলাইয়ে মুরসির পতনের পর তাকে পুনর্বহালের দাবিতে কায়রোর রাবা আল আদায়িয়া স্কয়ারে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু করে হাজার হাজার মুসলিম ব্রাদারহুড সমর্থক। পরের মাসে নিরাপত্তা বাহিনী ওই স্কয়ারে অভিযান চালায়। ওই অভিযানে একদিনে নিহত হয় আট শতাধিক মানুষ। দেশজুড়ে গ্রেফতার করা হয় ব্রাদারহুডের হাজার হাজার নেতা-কর্মী-সমর্থককে।

দলটির প্রধান মোহাম্মদ বাদিসহ দলটির ১০ নেতাকে ২০১৯ সালে দোষী সাব্যস্ত করে কায়রোর একটি আদালত। তাদের বিরুদ্ধে ২০১১ সালে হোসনি মোবারক সরকারের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানের সময়ে পুলিশকর্মীদের হত্যা এবং কারাগার ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হয়।

২০১৩ সাল থেকেই মিসরের বিভিন্ন আদালতে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাদারহুড নেতারা। সেই ধারাবাহিকতায় সর্বশেষ সংযোজন রবিবারের আপিল আদালতের এই রায়।

/এমপি/

সম্পর্কিত

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা প্রত্যাখ্যান ইরানের

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা প্রত্যাখ্যান ইরানের

ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ফিলিস্তিনি আইনপ্রণেতা

ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ফিলিস্তিনি আইনপ্রণেতা

বর্ণবাদবিরোধী সম্মেলনে জায়নবাদকে নিশ্চিহ্নের অঙ্গীকার ইরানের

বর্ণবাদবিরোধী সম্মেলনে জায়নবাদকে নিশ্চিহ্নের অঙ্গীকার ইরানের

সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনায় ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে: ইরান

সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনায় ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে: ইরান

জাদুঘরের অর্থ পকেটস্থ করে সেটিকে শিল্পকর্ম বলছেন শিল্পী

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩২

শিল্প কী? ডেনমার্কের এক শিল্পীর মতে, জাদুঘরের কাছ থেকে কমিশন হিসেবে ৮৪ হাজার ডলার পকেটস্থ করা।

ডেনমার্কের আলবর্গ এলাকার কুনস্টেন মিউজিয়াম অব আর্ট জেন্স হ্যানিং নামের শিল্পীকে অগ্রিম বাবদ এই অর্থ দিয়েছিল। চুক্তি ছিল দুটি পুরনো ভাস্কর্য নতুনভাবে তৈরি করা। হ্যানিং কোনও কাজ না করেই অর্থ নিজের কাছে রেখে দেন এবং দাবি করেন এটি ‘কনসেপচুয়াল আর্ট’।

হ্যানিং তার এই শিল্পকর্মের নাম দিয়েছেন, ‘টেক দ্য মানি অ্যান্ড রান’ (টাকা নিয়ে পালাও)। আর এই শিল্পকর্ম দুটি দুটি সাদা বোর্ডের ফ্রেম, যার ভেতরে কিছু নেই।

লিখিত চুক্তি অনুসারে, হ্যানিংয়ের কাজ ছিল দুটি ব্যাংক নোটের প্রতিলিপি তৈরি করা। আসলগুলোও তিনি ২০০৭ ও ২০১০ সালে তৈরি করেছিলেন। মূল শিল্পকর্মে নোট দুটি বার্ষিক আয়ের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।

হ্যানিং গত সপ্তাহে একটি রেডিওকে জানান, কাজটাই হলো আমি তাদের অর্থ নিয়েছি। এটি চুরি নয়, এটি চুক্তি লঙ্ঘন এবং চুক্তি লঙ্ঘন কাজের একটি অংশ।

জাদুঘরটি অবশ্য তার এই খালি ফ্রেমের শিল্পকর্ম ‘ওয়ার্ক ইট আউট’ শিরোনামের চলমান প্রদর্শনীতে রেখেছে। সূত্র: ইউএসএ টুডে

/এএ/

সম্পর্কিত

চড়ের পর এবার ম্যাক্রোঁর গায়ে ডিম নিক্ষেপ (ভিডিও)

চড়ের পর এবার ম্যাক্রোঁর গায়ে ডিম নিক্ষেপ (ভিডিও)

হুমকির পর বাড়ানো হলো ডাচ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা

হুমকির পর বাড়ানো হলো ডাচ প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা

ইতিহাস গড়া হলো না আইসল্যান্ডের

ইতিহাস গড়া হলো না আইসল্যান্ডের

গড় আয়ু কমিয়েছে করোনা মহামারি: জরিপ

গড় আয়ু কমিয়েছে করোনা মহামারি: জরিপ

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা প্রত্যাখ্যান ইরানের

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:১২

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেতের জাতিসংঘে দেওয়া বক্তব্যে ইরান সম্পর্কে যে সমালোচনা করেছেন তা প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। ইরান বলেছে, বেনেতের বক্তব্য ‘মিথ্যার ফুলঝুরি’ ছাড়া আর কিছু নয়। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি মাজিদ তাখতে রাভাঞ্জি নিজের অফিসিয়াল টুইটার পেজে এক পোস্টে এ মন্তব্য করেছেন।

সোমবার জাতিসংঘের ৭৬তম সাধারণ অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনেত ইরানের পরমাণু কর্মসূচি সম্পর্কে তেল আবিবের পুরনো অভিযোগগুলোর পুনরাবৃত্তি করেন। গত কয়েক বছরে পরমাণু শিল্পের গবেষণা ও বিকাশে ইরান অনেকদূর অগ্রসর হয়েছে বলে স্বীকার করে বেনেত বলেন, মুখের কথায় আর ইরানের সেন্ট্রিফিউজগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করা যাবে না।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ইরানের ‘পরমাণু অস্ত্র তৈরির কর্মসূচি’ এমন অবস্থায় চলে গেছে যেখান থেকে আর ফিরে আসা সম্ভব নয়। বেনেত আরো দাবি করেন, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ‘সবগুলো রেডলাইন’ অতিক্রম করেছে।

এই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি মাজিদ তাখতে রাভাঞ্জি বলেন, ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচি সম্পর্কে কথা বলার অধিকার শত শত পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী ইসরায়েলের নেই।

রাভাঞ্চি আরও লিখেছেন, জাতিসংঘে চলতি বছর ‘ইরান ভীতি’ ছড়িয়ে দেওয়ার কাজকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে তেল আবিব।

এদিকে, সীমান্তের কাছে ইসরায়েলের উপস্থিতি ইরান সহ্য করবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদে। মঙ্গলবার তিনি বলেন, উত্তর-পশ্চিম সীমান্তের কাছে যে মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে তা সার্বভৌমত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি বিষয়। গোটা অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইরান নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে বলে জানান খাতিবজাদে। সূত্র: পার্স টুডে

 

 

 

/এএ/

সম্পর্কিত

ইরান সব রেড লাইন অতিক্রম করেছে: ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

ইরান সব রেড লাইন অতিক্রম করেছে: ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ফিলিস্তিনি আইনপ্রণেতা

ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ফিলিস্তিনি আইনপ্রণেতা

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:০১

আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর নিপীড়নের অভিযোগের তদন্ত পুনরায় শুরু করবে না আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। আদালতটির প্রধান প্রসিকিউটর এই তথ্য জানিয়েছেন। মার্কিন বার্তা সংস্থা এসোসিয়েটেড প্রেস এখবর জানিয়েছে।

২০১৬ সালের প্রতিবেদনে আইসিসি প্রসিকিউটর উল্লেখ করেছিলেন, আফগানিস্তান, পোল্যান্ড, রোমানিয়া ও লিথুয়ানিয়ার কারাগারে মার্কিন সেনা ও সিআইএ হয়ত বন্দিদের ওপর নির্যাতন ও বেআইনি আচরণ করেছে।

গত বছর মার্চ মাসে আইসিসি তদন্তের অনুমতি দেয়। কিন্তু আফগান কর্তৃপক্ষকে মামলার বাদি বলার পর তদন্ত বিলম্বিত হয়। আফগানিস্তানে এখন তালেবান শাসন শুরু হওয়ার পর আইসিসি প্রসিকিউটর করিম খানকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত পুনরায় শুরু না করতে।

এর বদলে আইসিসি তালেবান ও ইসলামিক স্টেট জঙ্গি গোষ্ঠীর আফগান শাখা দ্বারা সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধের বিষয়ে মনোযোগ দেবে বলে জানিয়েছেন করিম খান।

তিনি কাবুল বিমানবন্দরের কাছে ২৬ আগস্টের হামলার কথা সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন। তালেবানের আফগান দখলের পর বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে এই বোমা হামলা হয়। এতে বেশ কয়েকজন আফগান ও ১৩ মার্কিন সেনা নিহত হয়।

/এএ/

সম্পর্কিত

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪০

ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লির জামিয়া নগরের নুর এলাকায় একটি হিন্দু মন্দির অবৈধভাবে ভেঙে ফেলার প্রতিবাদে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন স্থানীয় মুসলিমরা। হাই কোর্টের আবেদনে মন্দির ভাঙাকে কেন্দ্র করে যাতে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা না ছড়ায় সেজন্যও আহ্বান জানানো হয়েছে।

কলকাতাভিত্তিক আনন্দবাজার পত্রিকার খবরে বলা হয়েছে, জামিয়া নগর এলাকার ২০৬ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির কিছু বাসিন্দা সম্প্রতি দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। আবেদনে তারা জানান, এলাকার কিছু অসাধু প্রোমোটার স্থানীয় দুষ্কৃতীদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ইতোমধ্যেই মন্দির চত্বরে থাকা ধর্মশালাটি খুবই অল্প সময়ের মধ্যে ভেঙে ফেলেছে। মন্দিরটি ভাঙার জন্য এতে থাকা থাকা ৮-১০টি মূর্তিও সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এ বার তাদের লক্ষ্য, মন্দিরটি ভেঙে ফেলে সেখানে বহুতল বা অন্য কোনও ভবন নির্মাণ করা। মন্দিরটি যাতে কোনোভাবেই ভাঙা নয় হয়, সে জন্য আদালতের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আবেদনকারীরা।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ১৯৭০ সালে নুর নগরে তৈরি হয়েছিল মন্দিরটি। তার পর থেকে প্রতিদিনই সেখানে পুজো ও কীর্তন হয়ে আসছে। নুর নগর লাগোয়া আর একটি এলাকায় ইতোমধ্যে মন্দির ভেঙে অবৈধ নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে গেছে। নুর নগরেও যে কোনও সময়ে ওই মন্দিরটি ভেঙে ফেলা হবে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

জামিয়া নগরের বাসিন্দাদের আবেদন শুনে তিন দিন আগে দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব সচদেবের বেঞ্চ দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে, কোনও অবৈধ প্রক্রিয়ায় মন্দির চত্বর থেকে যাতে কোনও কিছু উচ্ছেদ না করা হয়। মন্দিরটিও যেন অক্ষত অবস্থায় থাকে।

এলাকায় যাতে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে, পুলিশকে তা দেখতেও নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

 

/এএ/

সম্পর্কিত

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

১৫০ পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেতে পারে তালেবান: বোল্টনের হুঁশিয়ারি

১৫০ পারমাণবিক অস্ত্র পেয়ে যেতে পারে তালেবান: বোল্টনের হুঁশিয়ারি

দিল্লির দাঙ্গা পূর্ব পরিকল্পিত: হাই কোর্ট

দিল্লির দাঙ্গা পূর্ব পরিকল্পিত: হাই কোর্ট

রাজতন্ত্রের সংবিধান ফিরিয়ে আনছে তালেবান

আপডেট : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:০২

দেশ পরিচালনায় আফগানিস্তানে ১৯৬৪ সালে গৃহীত সংবিধান সাময়িক সময়ের জন্য গ্রহণ করতে যাচ্ছে তালেবান। মঙ্গলবার তালেবানের ভারপ্রাপ্ত আইনমন্ত্রী এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। ওই সংবিধানে নারীদের ভোটের অধিকার দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু ভিন্নমতধারীদের নির্মূল করার বলা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

তালেবানের আইনমন্ত্রী জানান, আফগানিস্তানের স্বল্পস্থায়ী গণতন্ত্রের স্বর্ণযুগে যে সংবিধান অনুসারে দেশ পরিচালনা হয়েছে তা ফিরিয়ে আনা হবে। কিন্তু তা হবে স্বল্প মেয়াদে এবং সংশোধন সহকারে।

মৌলভী আবদুল হাকিম শারায়ি বলেন, ইসলামি আমিরাত সাবেক বাদশাহ মোহাম্মদ জহির শাহর সময়কালের সংবিধান সাময়িক সময়ের জন্য গ্রহণ করবে।

তিনি আরও বলেন, কিন্তু শরিয়াহ আইন ও ইসলামি আমিরাতের নীতিবিরোধী কিছু থাকলে তা বর্জন করা হবে।

প্রায় ছয় দশক আগে, পরাশক্তিদের হস্তক্ষেপের আগে আফগানিস্তানে অল্প কিছু সময়ের জন্য সাংবিধানিক রাজতন্ত্র ছিল। তখন ক্ষমতায় ছিলেন বাদশাহ মোহাম্মদ জহির শাহ।

১৯৬৩ সালে ক্ষমতায় আসার এক বছর পর এই সংবিধান অনুমোদন করেন জহির শাহ। এর ফলে ১৯৭৩ সালে উৎখাত হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রায় এক দশক দেশটিতে সংসদীয় গণতন্ত্র চালু ছিল।

১৯৬৪ সালের সংবিধানে প্রথমবারের মতো নারীদের ভোটের অধিকার দেওয়া হয়েছিল এবং রাজনীতিতে তাদের অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়। ধারণা করা হচ্ছে, নারী অধিকারের এই অংশটুকু তালেবানের কট্টরপন্থী মতের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে।

আশির দশকে সোভিয়েত দখলদারিত্বের পর আফগানিস্তানে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। পরে আসে তালেবানের কঠোর শাসন। ২০০১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন অভিযানের পর দেশটিতে নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা হয়। কিন্তু এতে আগের রাজতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হয়নি। ২০০৪ সালে গৃহীত সংবিধানে প্রেসিডেন্ট শাসন ও নারীদের সমান অধিকার রাখা হয়েছিল।

/এএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

আফগানিস্তানে মার্কিন নিপীড়ন তদন্ত করবে না আইসিসি

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

অবৈধভাবে মন্দির ভাঙার প্রতিবাদে আদালতে মুসলিমরা

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা প্রত্যাখ্যান ইরানের

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা প্রত্যাখ্যান ইরানের

ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ফিলিস্তিনি আইনপ্রণেতা

ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন ফিলিস্তিনি আইনপ্রণেতা

বর্ণবাদবিরোধী সম্মেলনে জায়নবাদকে নিশ্চিহ্নের অঙ্গীকার ইরানের

বর্ণবাদবিরোধী সম্মেলনে জায়নবাদকে নিশ্চিহ্নের অঙ্গীকার ইরানের

সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনায় ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে: ইরান

সৌদি আরবের সঙ্গে আলোচনায় ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে: ইরান

মরক্কোর বিমানের জন্য আকাশসীমা বন্ধ করলো আলজেরিয়া

মরক্কোর বিমানের জন্য আকাশসীমা বন্ধ করলো আলজেরিয়া

‘আমরা কি আফগানিস্তানে বাস করছি?’, পুলিশের সমালোচনায় ইসরায়েলি বিচারক

‘আমরা কি আফগানিস্তানে বাস করছি?’, পুলিশের সমালোচনায় ইসরায়েলি বিচারক

ইরানের পারমাণবিক পরিকল্পনা ঠেকাতে সহায়তা দেবে সৌদি আরব

ইরানের পারমাণবিক পরিকল্পনা ঠেকাতে সহায়তা দেবে সৌদি আরব

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পারমাণবিক আলোচনা চায় ইরান

মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পারমাণবিক আলোচনা চায় ইরান

পাপেই জন্ম ইসরায়েলের: সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলে

পাপেই জন্ম ইসরায়েলের: সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলে

চার সন্তান বিক্রির অভিযোগে নারী গ্রেফতার

চার সন্তান বিক্রির অভিযোগে নারী গ্রেফতার

সর্বশেষ

টিকা কেন্দ্রে পুলিশকে থাপ্পড় মারায় প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার

টিকা কেন্দ্রে পুলিশকে থাপ্পড় মারায় প্রধান শিক্ষক গ্রেফতার

সাফের মিশনে বাংলাদেশ দল এখন মালদ্বীপে

সাফের মিশনে বাংলাদেশ দল এখন মালদ্বীপে

টিকা কেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর্মীকে থাপ্পড়, সাংবাদিক গ্রেফতার

টিকা কেন্দ্রে স্বাস্থ্যকর্মীকে থাপ্পড়, সাংবাদিক গ্রেফতার

জাদুঘরের অর্থ পকেটস্থ করে সেটিকে শিল্পকর্ম বলছেন শিল্পী

জাদুঘরের অর্থ পকেটস্থ করে সেটিকে শিল্পকর্ম বলছেন শিল্পী

৭৫ পাউন্ডের কেক কেটে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন

৭৫ পাউন্ডের কেক কেটে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন

© 2021 Bangla Tribune