X
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৪ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

শততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে  মরক্কোর স্বীকৃতি

আপডেট : ১৩ জুলাই ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ১৩ জুলাইয়ের ঘটনা।)

শততম দেশ হিসেবে ১৯৭৩ সালের এইদিন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় মরক্কো। কূটনীতিকরা বলছেন, শততম দেশ হিসেবে মরক্কোর এই স্বীকৃতিদান বাংলাদেশের জন্য আরেকটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বাসসের খবরে প্রকাশ করা হয়, এদিন দুদেশের রাজধানী থেকে যুগপৎ এই স্বীকৃতি দানের কথা ঘোষণা করা হয়। মরক্কো জানায়, বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য তার সরকার বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মরক্কোর এই স্বীকৃতি দানের ঘোষণাটিকে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করার কারণ, এর মাধ্যমে প্রমাণ হলো মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলো যাতে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি না দেয় পাকিস্তানের এমন প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ঢাকার কূটনৈতিক মহল মনে করে মরক্কোর স্বীকৃতিদানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এমন সময় এই স্বীকৃতি এলো যখন নিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলনের দিনক্ষণ প্রায় চলে এসেছে। সেপ্টেম্বরে আলজেরিয়ায় নিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। কূটনৈতিক মহলের ধারণা করে, এরপর আরব বিশ্বের অন্যান্য দেশে স্বীকৃতির বিষয়ে নতুন করে ভাববে।

খবরে বলা হয়, কিছুদিন আগে মরক্কোর প্রেসিডেন্ট এর একজন বিশেষ দূত বাংলাদেশ সফর করে গেছেন।তিনি আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দানের ইচ্ছা প্রকাশ করেন। স্মরণ করা যেতে পারে যে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশেষ দূত ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোয় গিয়ে সেসব দেশের নেতাদের কাছে বাংলাদেশের ভূমিকা ব্যাখ্যা করেছেন।

রিলিফ সামগ্রী পড়ে আছে

পাবনা সদর মহকুমা বন্যা উপদ্রুত এলাকায় অধিকাংশ জায়গায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়নি। ফলে বন্যা পীড়িত হাজার হাজার পরিবার অন্ন-বস্ত্রের অভাবে দুর্দশার মধ্যে দিনযাপন করছে। এলাকায় এমন অনেক পরিবারের সাক্ষাৎ পাওয়া গেছে যারা বস্ত্রের অভাবে ঘর থেকে বাইরে আসতে পারছেন না। এমন অনেক পরিবার রয়েছেন যারা খাদ্যের অভাবে থেকে বেঁচে আছেন। সবচাইতে আশ্চর্য ব্যাপার হচ্ছে যেখানে শত শত পরিবার অনাহারে দিন কাটাচ্ছে সেখানে কয়েকটি এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী চেয়ারম্যান  ও কমিটির সদস্যদের ঘরে পড়ে রয়েছে। রিলিফের কাপড় পচে যাচ্ছে, ইঁদুরে খাচ্ছে।

বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেওয়া প্রকাশিত তথ্য সম্বলিত প্রতিবেদনে বলা হয় শত শত পরিবার আশ্রয়ের অভাবে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। অথচ ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের হাতে স্বল্পমূল্যে বাড়ি নির্মাণের জন্য লক্ষাধিক টাকা রয়েছে। এর আগে বন্যা অধ্যুষিত এলাকাগুলো পরিদর্শনের সময় বঙ্গবন্ধু বারবার হুঁশিয়ার করে দিয়েছিলেন যে কোনও মূল্যে তিনি ত্রাণ সংগ্রহ করে পাঠাবেন কিন্তু তার সুষ্ঠু বণ্টন যেন হয় সেদিকে নজর দিতে হবে।

শ্রমিকদের প্রতি আহ্বান

সরকার শিশু রাষ্ট্রের পুনর্গঠনের  কাজে অবহেলা করে বেতন ও অন্যান্য সুবিধাদি আদায়ের উদ্দেশে চাপ প্রয়োগের নীতি অনুসরণ না করার জন্য দেশের শ্রমিক সমাজ ও অন্যান্য কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানান। এদিন এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ও অপরাপর সুবিধাদি বিশ্লেষণ করে একটি উপযুক্ত সুপারিশ পেশ করার জন্য সরকার একটি শিল্প শ্রমিক মজুরি কমিশন গঠন করেছে। কমিশনকে তিন মাসের মধ্যে সুপারিশ পেশ করতে বলেছে। এমতাবস্থায় কমিশনের সুপারিশ পেশ সাপেক্ষে সকল প্রকার ধর্মঘট ও চাপ প্রয়োগ থেকে শ্রমিকদের বিরত থাকা উচিত বলে সরকার মনে করে।

/এমআর/

সম্পর্কিত

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তখন আলোচনা ‍তুঙ্গে

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তখন আলোচনা ‍তুঙ্গে

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৫২

হয়রানি-চাঁদাবজি, ট্রাকচালক লিটন হত্যার বিচার, ড্রাইভিং লাইসেন্সে জটিলতা, বর্ধিত আয়কর; নানা সমস্যার বেড়াজালে আটকে আছেন বাংলাদেশের ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, লরি, প্রাইম মুভার মালিক ও শ্রমিকরা। দাবি আদায়ে ধর্মঘটের ডাকও দিয়েছেন তারা। কর্মসূচি পালনে তাদের মধ্যে খানিকটা বিভাজন থাকলেও ধর্মঘটের কথা জানে না সরকার।

একেক সংগঠনের নামে ভিন্ন ভিন্ন জোট বেঁধে মালিক-শ্রমিকরা কর্মসূচি পালনের ডাক দিয়েছেন। কেউ ৭২ ঘণ্টার, কেউ ডেকেছেন ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘট। কর্মসূচি পালনে সবাই মাঠে নামলেও এক ছাদের তলায় নেই তারা। বিভিন্ন সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে এ তথ্য।

সূত্র জানিয়েছে, ২৭ সেপ্টেম্বর ভোর ৬টা থেকে ১০ দফা দাবিতে ৪৮ ঘণ্টার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান, ট্যাংকলরি, প্রাইম মুভার মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ। আট বিভাগে মানববন্ধন কর্মসূচির পাশাপাশি ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনও করেছে তারা।

২৫ আগস্ট সংগঠনের আহবায়ক রুস্তম আলী খান, সদস্য সচিব তাজুল ইসলাম ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আবদুল মান্নান স্বাক্ষরিত ১০ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের কাছে জমা দিয়েছে।

অপরদিকে ১৫ দফা দাবি বাস্তবায়নে সারাদেশে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ কাভার্ড ভ্যান-ট্রাক-প্রাইম মুভার পণ্য পরিবহন মালিক অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ট্রাকচালক শ্রমিক ফেডারেশন। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কর্মবিরতি চলবে বলে পোস্টার লিফলেট বিতরণ করছে তারা। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের কদমতলীর ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান মালিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ট্রাকচালক শ্রমিক ফেডারেশনের জেনারেল সেক্রেটারি ওয়াজি উল্লাহ জানান, ‘১৫ দফা দাবি বাস্তবায়নে আমাদের ২৪ ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু হবে ২১ সেপ্টেম্বর। দেশের পণ্য পরিবহনের শতকরা ৮৫ ভাগ সড়কপথে হয়। করোনা মহামারিসহ যে কোনও দুর্যোগে আমরা সারাদেশে পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক রাখি। কিন্তু আজ এই খাতের মালিক-শ্রমিকরা চরম অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হচ্ছে।’

তিনি জানান, ‘ঘুষসহ সব ধরনের হয়রানি বন্ধ করতে হবে। নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া যত্রতত্র গাড়ির কাগজপত্র চেক করা যাবে না। এ ছাড়া যেসব চালক ভারী মোটরযান চালাচ্ছেন তাদেরকে সহজ শর্তে এবং সরকারি ফি-এর বিনিময়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে হবে। মোটরযান মালিকদের ওপর আরোপিত অগ্রিম আয়কর বাতিল করতে হবে। আদায় করা বর্ধিত করও ফেরত দিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সড়ক-মহাসড়কে শ্রমিকদের বিশ্রামের জায়গা নেই। আমাদের আরেকটি দাবি হলো শ্রমিকদের বিশ্রামের ব্যবস্থা করা।’

বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, ট্যাংকলরি, প্রাইম মুভার মালিক-শ্রমিক সমন্বয় পরিষদের আহবায়ক রুস্তম আলী খান জানিয়েছেন, ‘গত আগস্টে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে কর্মসূচি ঘোষণা করেছি। সেই অনুযায়ী ৮টি বিভাগে ১০ দফা দাবির সমর্থনে কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতির কর্মসূচি দেওয়া আছে। আরেকটি সংগঠন আগেই ৭২ ঘণ্টার কর্মবিরতির ঘোষণা করেছে। ওদের কর্মসূচির সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই।’

তিনি আরও জানান, ‘আমাদের সংগঠনের ১০ দফা দাবি সম্পর্কে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় অবগত। সরকারের পক্ষে স্বরাষ্ট্র বা সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় ডাকলে আমরা আলোচনায় বসবো।’

এক প্রশ্নের জবাবে রুস্তম আলী জানান, ‘এখন পর্যন্ত সরকার থেকে আলোচনার প্রস্তাব আসেনি। তবে হাতে সময় আছে। আমরা অপেক্ষায় রয়েছি। ১০ দফা বাস্তবায়ন না হলে জেলার প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবো।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের দুজন অতিরিক্ত সচিব নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, ‘এ বিষয়ে কোনও মন্ত্রণালয়ই অবগত নয়।’

/এফএ/

সম্পর্কিত

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:০০

জাতিসংঘের পর্যটন বিষয়ক সংস্থা ইউএনডব্লিউটিও। ৬টি আঞ্চলিক সংগঠনের সমন্বয়ে এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়। যার মধ্যে কমিশন ফর সাউথ এশিয়া (সিএসএ) অন্যতম। ১৪ সেপ্টেম্বর সংস্থাটির কমিশন ফর সাউথ এশিয়ায় (সিএসএ) ২০২১-২০২৩ মেয়াদে ভাইস চেয়ার নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ। এতে পর্যটন খাতে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের। পাশাপাশি দেশকে আরও বেশি করে তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ।

এ অর্জনে কী কী সুফল আসবে জানতে চাইলে জাবেদ আহমেদ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পর্যটনে আমাদের নেতৃত্ব দেওয়া এবং ভূমিকা রাখার জায়গা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের পযর্টনকে আরও পরিচিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আঞ্চলিক সহযোগিতার জায়গায় বাংলাদেশ ভূমিকা রাখতে পারবে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নেও ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি হলো।’

তিনি আরও বলেন, ‘কমিশন ফর সাউথ এশিয়ায় ভাইস চেয়ার হওয়ার ফলে আমরা এখন যে কোনও অনুষ্ঠান বাংলাদেশে করার প্রস্তাব করতে পারবো। এখন বিভিন্ন দেশের পর্যটনের শীর্ষ ব্যক্তিরা আসবেন এখানে। তারা বাংলাদেশ সম্পর্কে জানবেন। এর সুফল আমরা পাবো।’

এর আগে ২০১৯-২০২১ মেয়াদে কমিশন ফর সাউথ এশিয়ার ভাইস চেয়ার ছিল ভারত ও শ্রীলঙ্কা। তারাও এর সুফল পেয়েছে। তাই দেশের পর্যটন ব্যবস্থাপনা এবং উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে কাজ করার কথা বললেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ।

তিনি বলেন, ইউএনডব্লিউটিও ছাড়াও প্যাসিফিক এশিয়া ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশনে (পাটা) বাংলাদেশের অবস্থান ভালো। ইউনিসেফের ভ্যাকসিন কর্মসূচি কোভ্যাক্স-এ পাটার ভূমিকা আছে। পাটার সঙ্গে ইউনিসেফের সম্পৃক্ততা আছে। পাটার সঙ্গে যোগাযোগ করে ইউনিসেফের সঙ্গে আমরা মিটিংও করেছি। তাদের অনুরোধ জানিয়েছিলাম, বিশেষ বিবেচনায় কোভ্যাক্সের আওতায় টিকা দেওয়ার জন্য। এর সুফল কিন্তু এখন আমরা পাচ্ছি।

 

 

/এফএ/

সম্পর্কিত

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বরের ঘটনা।)

প্রায় ৩০ মাস আটক থাকার পর ফিরে আসে ১৬৮ বাঙালির প্রথম দল। এইদিন পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে বহু আকাঙ্ক্ষিত স্বদেশের মাটিতে পৌঁছান তারা। সন্ধ্যায় তেজগাঁও বিমানবন্দরে হাজার হাজার মানুষ তাদের প্রীতি ও ভালোবাসা ঢেলে মাতৃভূমিতে স্বাগত জানায়।

৬টা ৪০ মিনিটে বহু উৎকণ্ঠা ও প্রতীক্ষার পর আফগান এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজ ঢাকার মাটি স্পর্শ করে। সঙ্গে সঙ্গে সৃষ্টি হয় এক মর্মস্পর্শী দৃশ্যের। তেজগাঁও বিমানবন্দরে সমবেত জনতা মুহূর্তে চঞ্চল হয়ে ওঠে। কতজন আসতে পারলো, কেউ তখনও কিছু বলতে পারে না। সব নিয়মকানুন ভেঙে ছুটে যেতে চায় উড়োজাহাজের কাছে। টার্মিনাল ভবনে হাজারো জনতা খুঁজে বেড়ায় প্রিয়জনকে।

অবশেষে পরিবারগুলো নেমে আসতে থাকে উড়োজাহাজ থেকে। তাদের মাঝে একজন মেজর ও তিনজন ক্যাপ্টেনও ছিলেন। সবার চোখেমুখে আনন্দ বেদনার অনুভূতি।

সেবছর ২৮ আগস্ট নয়াদিল্লিতে ভারত-পাকিস্তান চুক্তি সম্পাদনের পর তারাই প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ জাতিসংঘের ভাড়া করা উড়োজাহাজে পৌঁছাতে পারলেন। আবার একই উড়োজাহাজে এখান থেকে ১২৬ জন পাকিস্তানের নাগরিক তাদের দেশে ফিরে গেছে। চুক্তি পরবর্তীতে রেডক্রস আন্তর্জাতিক এ বিনিময় দায়িত্ব গ্রহণ করে।

দৈনিক ইত্তেফাক, ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

জরুরি অবস্থা বিল প্রত্যাহার চান অলি আহাদ

বাংলা জাতীয় লীগের সাধারণ সম্পাদক অলি আহাদ এইদিন এক বিবৃতিতে জাতীয় সংসদের সেসময়ের অধিবেশনে সংবিধান সংশোধনীতে জরুরি ঘোষণা বৃদ্ধির সঙ্গে নিবর্তনমূলক আইন বিধি সংশোধন করা থেকে বিরত থাকার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, এই আইন প্রণয়ন প্রচেষ্টার প্রতিবাদে ২৪ সেপ্টেম্বর বায়তুল মোকাররমে গণজমায়েত আহ্বানও করেন তিনি। এদিকে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এক বিবৃতিতে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করার জন্য রাষ্ট্রপতিকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদানের জন্য জাতীয় সংসদে বিল পেশ করা হয়েছে তা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

দ্য অবজারভার, ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে চতুর্থ দিন

প্রিন্টিং প্রেস এন্ড পাবলিকেশন এন্ড রেজিস্ট্রেশন ১৯৭৩ সংশোধনসহ বেশ কয়েকটি বিল গৃহীত হয়। ১৯৭৩ সালের এদিন সন্ধ্যা সাতটায় সংসদ অধিবেশন শুরু হলে নৌপরিবহন ও বিমান চলাচল দফতরের মন্ত্রী জেনারেল এম এ জি ওসমানী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে বিল উত্থাপন করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মালেক উকিল এ সময় সংসদ কক্ষে ছিলেন না। আব্দুল সত্তার, মইনুদ্দিন আহমেদ, সৈয়দ কামরুল ইসলাম উদ্দিন ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জনমত যাচাইয়ের জন্য বিষয়টি প্রচার করার আহ্বান জানান।

প্রেস এন্ড পাবলিকেশন বিল সম্পর্কে স্বতন্ত্র ও বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যের সমালোচনা প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা বিলের উদ্দেশ্য নয়। তবে বন্ধুরাষ্ট্রের বিরোধিতাকারী এবং শালীনতা ও নৈতিকতা বর্জিত বিষয় ছাপার জন্য সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দেওয়া যায় না। এ প্রসঙ্গে তিনি সংবিধানের ৩৯ (২) ধারা উল্লেখ করে বলেন, এ ধারায় সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রশ্নে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, শৃঙ্খলা স্বাধীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে আদালত অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ সংগঠনের প্রয়োজন সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষের কথাগুলো লেখা আছে।

/এফএ/

সম্পর্কিত

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:২৪

সৌদি আরবের বাণিজ্যমন্ত্রী ড. মাজিদ বিন আবদুল্লাহ আল কাসাবি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সৌদি সরকার গুরুত্ব দিয়ে আসছে। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবে সফররত প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক ভার্চুয়াল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান সৌদি বাদশাহ ও যুবরাজের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন। তিনি বাংলাদেশের রূপকল্প ২০৪১ ও সৌদি রূপকল্প ২০৩০ বাস্তবায়নে আগামী দিনে দু’দেশের ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন লাভজনক খাতে সৌদি বিনিয়োগের ওপর জোর দেন।

বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে সৌদি আরব তৈরি পোশাক, চামড়াজাত ও প্লাস্টিক পণ্য, হিমায়িত মাছ এবং ঔষধ আমদানি করে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, সৌদি আরব চাইলে বাংলাদেশ থেকে হালাল মাংস আমাদানির জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে পারে। বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন পণ্য আমদানির মাধ্যমে দু’দেশের বাণিজ্য অসমতা দূর করা যেতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের ১৩৭টি পণ্যের সৌদি বাজারে প্রবেশে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে তিনি সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান। বর্তমানে সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়ে থাকে।

২০১৯ সালে সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের সরকারি ও বেসরকারি প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফরের সময় দু’দেশের ব্যবসা বাণিজ্য বৃদ্ধির বিষয়ে স্বাক্ষরিত বিভিন্ন সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করে কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার অনুরোধ জানান সালমান এফ রহমান। এসব সমঝোতা স্মারকসহ বাণিজ্য সহযোগিতার অন্যান্য ক্ষেত্রে পর্যালোচনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তার বাস্তবায়নে কার্যকর পদেক্ষেপ নিতে একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের প্রস্তাবও দেন তিনি। এ কমিটি কিছু দিন পরপর এসব বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে দু’দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এগিয়ে নিতে কাজ করবে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মন্ত্রীকে জানান, সৌদি আরব চাইলে সে দেশের বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠা করে বিশেষ সুবিধা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।

দু’দেশের পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) বিষয়ে ২০১৮ সালে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকটি দ্রুত স্বাক্ষরের বিষয়ে সালমান এফ রহমান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীর সহযোগিতা চাইলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন। উপদেষ্টা বলেন, এ সমঝোতা স্মারকটি স্বাক্ষরিত হলে বাংলাদেশের সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পে সৌদি কোম্পানির সরাসরি বিনিয়োগের দ্বার উন্মুক্ত হবে।

সালমান এফ রহমান সৌদি পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (পিআইএফ) আওতায় বাংলাদেশের বিভিন্ন মেগা প্রকল্পে বিনিয়োগের বিষয়ে অনুরোধ জানালে সৌদি বাণিজ্য মন্ত্রী ইতিবাচক মত দেন। এ তহবিলের আওতায় তিনি বাংলাদেশে ঢাকা থেকে পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেলযোগাযোগ নির্মাণ এবং কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

সালমান এফ রহমান বাংলাদেশি যে সব অভিবাসী সৌদি আরবে ব্যবসা করছে তাদের সহায়তার জন্য মন্ত্রীকে অনুরোধ করেন।

এ বিষয়ে সৌদি বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, বিদেশিদের সৌদি আরবে বৈধভাবে ব্যবসা বাণিজ্য করার বিষয়ে সৌদি সরকার সুযোগ দিয়েছে। এ প্রেক্ষিতে তারা তাদের ব্যবসা নিবন্ধনের মাধ্যমে বৈধভাবে সৌদি আরবে ব্যবসা করার সুযোগ পেয়েছে। সৌদি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের এ বিষয়ে সব ধরনের সহায়তা করা হবে। 

এছাড়া, সালমান এফ রহমান সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রীকে একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানালে, সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী আমন্ত্রণ গ্রহণ ও শিগগিরই বাংলাদেশ সফরের আশা ব্যক্ত করেন।

রিয়াদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে অনুষ্ঠিত এ ভার্চুয়াল সভায় সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বিপিএম (বার) উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন ও বাংলাদেশ সরকারি-বেসরকারি অংশিদারিত্ব কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা আফরোজসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।  

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও একটি ব্যবসায়ী দল নিয়ে শনিবার পাঁচ দিনের সরকারি সফরে সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। সফরকালে তিনি দু’দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে কয়েকজন মন্ত্রীসহ বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের সরকারি-বেসরকারি সভায় অংশ নেবেন। সূত্র: বাসস

/আইএ/

সম্পর্কিত

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

‘ই-কমার্সের জন্য নতুন আইন দরকার’

আপডেট : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:২২

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন আইন দরকার বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, ‘চোর পালালে বুদ্ধি হয়। তদারকির দুর্বলতার কারণে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম হচ্ছে। এগুলো আগামীতে যাতে না হয়, এ জন্য নতুন আইন করতে হবে।’

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে একাত্তর টেলিভিশনের নিয়মিত আয়োজন একাত্তর জার্নালে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেন নূর সাফা জুলহাজ।

ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ রাসেলকে মুক্তির দাবিতে গ্রাহকদের আন্দোলনের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘আন্দোলনকারীরা ভাবছেন তাকে বাইরে রাখলে হয়তো টাকা আদায় হবে। কিন্তু বাইরে থাকলেও তাদের টাকাটা ফেরত দেওয়ার ক্ষমতা নেই।’

অনুষ্ঠানে অ্যাটোর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘নীতিমালা নয়, ই-কমার্স পরিচালনার জন্য আইন করতে হবে। ই-কমার্স যদি কেউ করতে আসেন, তবে তাকে নির্দিষ্ট টাকা জামানত রাখতে হবে। জমা দেওয়া টাকার বেশি যেন ব্যবসা না করতে পারে সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাহলে কেউ প্রতারিত হলে সেখান থেকে প্রতারিতদের টাকা দেওয়া যাবে। প্রতারকদের শাস্তির ব্যবস্থা রাখতে হবে আইনে। মানুষের টাকা ফেরতের নিশ্চয়তা রাখতে হবে। নতুন বাস্তবতায় নতুন সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন আইন করা হয়। বিভিন্ন দেশে এটা করা হয়। ব্যবসায়ীরা যাতে নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারেন সেটাও আইনের মধ্যে আনতে হবে।’

 

 

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

পণ্য পরিবহনে ধর্মঘটের কর্মসূচি, জানে না মন্ত্রণালয়

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

‘পর্যটনে নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশ’

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

শেখ হাসিনার নেতৃত্বকে সৌদি আরব গুরুত্ব দিয়ে আসছে: সৌদি বাণিজ্যমন্ত্রী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

মুক্ত স্বদেশে ফিরে সেদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশিরা

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

এদিন আটক বাঙালিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তখন আলোচনা ‍তুঙ্গে

জাতিসংঘে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে তখন আলোচনা ‍তুঙ্গে

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলো মিসর ও সিরিয়া

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিলো মিসর ও সিরিয়া

সমাজবিরোধীদের দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

সমাজবিরোধীদের দমনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ

সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধীদের নির্মূলের আহ্বান

সমাজ ও রাষ্ট্রবিরোধীদের নির্মূলের আহ্বান

জোটনিরপেক্ষ সম্মেলনের ঘোষণাপত্র প্রকাশ

জোটনিরপেক্ষ সম্মেলনের ঘোষণাপত্র প্রকাশ

মুজিববর্ষে শতকোটি টাকায় বিদেশে ৫ স্কুল

মুজিববর্ষে শতকোটি টাকায় বিদেশে ৫ স্কুল

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে তিনদলীয় জোটের কর্মসূচি

বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে তিনদলীয় জোটের কর্মসূচি

সর্বশেষ

আগাম জামিন পেলেন কেয়া কসমেটিকসের চেয়ারম্যান ও তার স্ত্রী

আগাম জামিন পেলেন কেয়া কসমেটিকসের চেয়ারম্যান ও তার স্ত্রী

চলমান স্থিতিশীলতা বিনষ্টের চেষ্টা করছে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

চলমান স্থিতিশীলতা বিনষ্টের চেষ্টা করছে বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

সিরাজগঞ্জে ইঞ্জিন বিকল, উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

সিরাজগঞ্জে ইঞ্জিন বিকল, উত্তর-দক্ষিণবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ

‘শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তরুণদের দক্ষতাবৃদ্ধি জরুরি’

‘শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তরুণদের দক্ষতাবৃদ্ধি জরুরি’

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়লো

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়লো

© 2021 Bangla Tribune