X
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

জয়কে নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিচারণ

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২১, ১৭:২৫

ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে স্মৃতিচারণ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মুক্তিযুদ্ধকালীন বন্দিদশায় তার জন্ম, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া নামে নামকরণ, বৈরী পরিবেশে তার শিক্ষা, জয়ের পরামর্শ ও অনুপ্রেরণায় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা- সার্বিক বিষয় উঠে আসে প্রধানমন্ত্রীর স্মৃতিচারণে। করোনা মহামারির কারণে জন্মদিনে মা-সন্তান একত্রিত হতে না পারার কষ্টের কথাও তুলে ধরেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস উদযাপন এবং জনপ্রশাসন পদক ২০২০ ও ২০২১ প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় সন্তান জয়কে নিয়ে তিনি স্মৃতিচারণ করেন। আজ ২৭ জুলাই সজীব ওয়াজেদ জয়ের জন্মদিন। ১৯৭১ সালের এদিন তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জন্মগ্রহণ করেন।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক পদকপ্রাপ্তদের হাতে পদক তুলে দেন। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এ সময় সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী ‘২৭ জুলাই তার জন্য একটি বিশেষ দিন’ উল্লেখ করে তার মাতৃত্বের শুরুর দিনগুলোর ঘটনাবলি তুলে ধরলেন। একাত্তরের সেই দিনগুলোর ঘটনায় মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গও মিলেমিশে একাকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ দেশের কোথাও কেউ পাকিস্তানের পতাকা ওড়ায়নি। দেশের সবখানে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানো হয়। ওই সময় ইয়াহিয়া খান ঢাকায়। সেদিন তাকে সবাই অস্বীকার করেছিল। ৩২ নম্বরের বাড়িতেও আমার বাবা সেদিন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করলেন।

ওই সময় সন্তানসম্ভবা ছিলেন উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমি সব সময় আমার বাবার হাত-পায়ের নখ কেটে দিতাম। এটা আমার একটি নিয়মিত কাজ ছিল। সেদিনও পতাকা ওড়ানোর পর দুপুরে বাবা বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। আমি একটা মগে পানি নিয়ে যখন তার হাতের নক কেটে দিচ্ছি, তখন তিনি আমাকে বলছিলেন- হ্যাঁ, ভালোভাবে কেটে দে, জানি না এই সুযোগ আর পাবি কিনা। তবে তোর ছেলে হবে। আর সেই ছেলে স্বাধীন বাংলাদেশে জন্ম নেবে। তার নাম জয় রাখবি।

এ ঘটনার ঠিক দুদিন পরের পঁচিশে মার্চ গণহত্যার কালরাত্রির কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২৫ মার্চ হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করে। ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তারপর আমাদের বাসাটা আক্রমণ করে। তাকে (বঙ্গবন্ধু) গ্রেফতার করে নিয়ে যায়। এই আক্রমণের কিছু মুহূর্ত পূর্বে আমি, আমার বোন রেহানা ও আমার এক খালাতো বোনকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আব্বা একরকম জোর করেই আমাদের পাঠিয়ে দেন। আমার ভাই কামাল আগেই চলে গিয়েছিল ব্যারিকেড দিতে। জামাল আর রাসেল মাকে ছেড়ে যাবে না বলে মায়ের সঙ্গে থেকে যায়। পরে আমাদের বাসায় আক্রমণ করে বাবাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যায়।

বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের কয়েক দিন পরেই বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছাসহ তার পরিবারের সবাইকে গ্রেফতার করা হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ১৮ নম্বর রোডের একটি অনেকটা পরিত্যক্ত একতলা বাসায় রাখা হয়। যখন আমার সন্তান প্রসবের সময় হয়েছিল, পাকিস্তানি মিলিটারিরা আমাকে হাসপাতালে যেতে দিয়েছিল। কিন্তু আমার মাকে তারা যেতে দেয়নি। হাসপাতালে তখন ডাক্তার নূর ইসলাম সাহেব ছিলেন। আমাদের সুফিয়া খাতুন, ডাক্তার ওয়াদুদ সাহেব, আমাদের মুহিত সাহেবের বোন প্রফেসর সাহেলাও ছিলেন। জয়ের জন্মটা মেডিক্যাল কলেজেই হয়।

তিনি বলেন, ‘আমি যখন বন্দি, সেই বন্দি অবস্থায় জয়ের জন্ম। তার নাম জয়ই আমরা রেখেছিলাম। জন্মের পর জয়কে নিয়ে আমি ফিরে আসি বাংলোতে, সেই কারাগারেই। আমি জয়কে নিয়ে বারান্দায় দাঁড়ানো। পাকিস্তানি একজন কর্নেল জিজ্ঞেস করেন, ওর নাম কি? আমি বলি যে 'জয়'। তিনি বলেন, জয় মানে? তো আমি বলি- জয় মানে জয়, জয় মানে ভিক্টরি। তো (পাকিস্তানি সেনা কর্মকর্তা) খুব ক্ষেপে যায়। শিশু (জয়), তাকেও তারা গালি দেয়। কাজেই এরকম একটি পরিবেশে জয়ের জন্ম। আমরা সেখানে হলেই থাকতাম, কোনও প্রাইভেসি ছিল না।

‘ওই সময় খাওয়া-দাওয়ার কোনও ঠিক ছিল না’ উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ওকে (জয়কে) নিয়ে যখন একটা বাড়ি থেকে আরেকটা বাড়িতে শেল্টার নিই, জানি না কীভাবে বেঁচেছিলাম, খাওয়া-দাওয়ার কোনও ঠিক-ঠিকানা ছিল না। শুধু আল্লাহর কাছে দোয়া করতাম আমার বাচ্চাটা যেন সুস্থ হয়। আমার মা-ও সব সময় সেই দোয়াই করতেন। 

তিনি বলেন, আজ সেই জয়ের জন্মদিন। আজ তার ৫০ বছর বয়স হলো। এই করোনার কারণে আমরা সবাই এক হতে পারলাম না, এটা আরেকটা দুঃখ। তবে আপনারা দিনটিকে স্মরণ করছেন এজন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পেছনে জয়ের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যে ডিজিটাল বাংলাদেশ, আমি আপনাদের সঙ্গে কথা বলছি, এটা কিন্তু জয়েরই ধারণা, জয়েরই চিন্তা। 

১৯৮১ সালে দেশে আসার পর বারবার গৃহবন্দি থাকতে হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ওই গৃহবন্দি অবস্থায় আমার আব্বার বন্ধু আজিজ সাত্তার চাচা জয় আর পুতুলকে স্কুলে ভর্তি করে দেন। সেখানে স্কুল থেকেই কম্পিউটার শিক্ষা নেয়। জয় যখন ছুটিতে আসতো কম্পিউটার নিয়ে আসতো। জয়ের কাছ থেকেই আমি কম্পিউটার শিখেছি। আমাদের মধ্যে আলোচনা হতো, আমাদের দেশে কীভাবে কম্পিউটারের শিক্ষা প্রবর্তন করবো। ১৯৯৬ সালে যখন সরকার গঠন করি, জয় প্রতি মুহূর্তেই আমাকে পরামর্শ দিতো। তখন বলতো কম্পিউটারের ওপর থেকে ট্যাক্স প্রত্যাহার করতে হবে। কম্পিউটারকে মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে হবে, তাহলেই মানুষ এটা শিখবে। সেই সঙ্গে মানুষকে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। আর সেভাবেই আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশের যাত্রা শুরু। 

সরকার গঠনের সময়কালের ঘটনা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আমি যখন সরকার গঠন করি তখন দেখতাম কেউই কম্পিউটার ব্যবহার করে না। টেবিলে একটি ডেস্কটপ রাখা থাকতো মাত্র। অনেকে হাত দিতে সাহস পেতো না। সরকার গঠনের পর আমি নির্দেশ দিলাম প্রত্যেকটা ফাইল কম্পিউটার টাইপ করে আসতে হবে। সেভাবেই দেখতে চাই। এরপর আমি একটি জাতীয় কমিটিও করে দিয়েছিলাম নতুন প্রযুক্তির প্রচার ও প্রসারের জন্য। ওই সময় পাঁচ বছরে মানুষ আস্তে আস্তে কিছু ব্যবহার করা শুরু করে। তখন ল্যাপটপ ও কম্পিউটার প্রতিটি অফিসে ব্যবহার করা শুরু হয়ে যায়। 

তিনি বলেন, আজকে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করতে পেরেছি। ধাপে ধাপে এ পর্যন্ত যত কাজ আমরা করেছি, সবগুলোই কিন্তু জয়ের পরামর্শ মতো। কারণ, সে ব্যাঙ্গালোর ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি নেয়। এরপর ইউনিভার্সিটি অফ টেক্সাস থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি নেয়। এরপর ২০০৭ সালে হার্ভার্ড থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি করে। আমি তাকে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে জোর করে ভর্তি করাই। কিন্তু ওই সময়ে বন্দি হয়ে যাওয়ার কারণে তাকে কোনও সাহায্য করতে পারিনি। তবে সে নিজেই তার পড়াশোনা কন্টিনিউ করে এবং পাবলিক সার্ভিসের ওপর মাস্টার্স ডিগ্রি করে।

তিনি বলেন, আজকে আমরা বাংলাদেশটাকে ডিজিটাল করতে পেরেছি, প্রযুক্তি শিক্ষাটাকে পপুলার করতে পেরেছি। তরুণ সমাজকে উদ্বুদ্ধ করতে জয়, আমার বোনের ছেলে রাদওয়ান- তারা সবাই কিন্তু উদ্যোগ নিয়ে কাজ করেছে। শুভ ফলটা আজ বাংলাদেশ পাচ্ছে। 

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, চিন্তা করি এই করোনাকালে আমাদের যদি এই সুযোগটা না থাকতো! ডিজিটাল ডাটা যদি ওপেন না থাকতো। আমরা কি অবস্থায় যেতাম? আমাদের সরকার চালানো মুশকিল হয়ে যেত। মানুষের জীবনযাত্রায় বিরাট এক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হতো। আধুনিক প্রযুক্তির শিক্ষা নিয়েছি বলেই কিন্তু এটা সম্ভব হচ্ছে।

/ইএইচএস/ইউএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

বন্দরে পড়ে থাকা গাড়ি নিলামের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

বন্দরে পড়ে থাকা গাড়ি নিলামের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

করোনায় মৃত্যুহীন দিন তিন বিভাগের

করোনায় মৃত্যুহীন দিন তিন বিভাগের

মে মাসের পর সর্বনিম্ন মৃত্যু ও শনাক্ত

মে মাসের পর সর্বনিম্ন মৃত্যু ও শনাক্ত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে পাশে থাকবে জার্মানি: তাজুল ইসলাম

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:৫৩

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে জার্মানি বাংলাদেশ সরকারের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে মন্ত্রণালয়ে জার্মানির রাষ্ট্রদূত আচিম টোস্টার স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসলে রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীকে একথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে হত্যা, নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার হওয়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে মানবিকতার উদাহরণ সৃষ্টি করেছে বলে মনে করে জার্মান সরকার। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে দেশটি। এই সমস্যা সমাধানে তারা সবসময় বাংলাদেশ সরকারের পাশে থেকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের জনমত আদায়ে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বলেও জানান তিনি।

সায়েদাবাদ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ফেইজ-৩ প্রকল্পে জার্মানি সরকারের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও যেকোন উন্নয়ন প্রকল্প যা মানুষের জন্য কল্যাণকর সেগুলোতে সহযোগিতা কামনা করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের অবকাঠামোগত, খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক ও অর্থনৈতিকসহ সকল ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্যের প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত বলেন, জার্মান সরকার বাংলাদেশের পাশে সবসময় আছে এবং থাকবে। বাংলাদেশের উন্নয়ন খাতে জার্মানির সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান আচিম টোস্টার।

এসময় মন্ত্রী এবং জার্মান রাষ্ট্রদূত উভয় দেশের বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

সাক্ষাৎকালে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান, স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মরণ কুমার চক্রবর্তী ও মুহাম্মাদ ইব্রাহিম এবং যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ নুরে আলম সিদ্দীকি উপস্থিত ছিলেন।

/এসএস/এমএস/

সম্পর্কিত

জার্মানি থেকে অবৈধ বাংলাদেশিদের দ্রুত ফেরাতে চায় সরকার

জার্মানি থেকে অবৈধ বাংলাদেশিদের দ্রুত ফেরাতে চায় সরকার

বরিশালের ঘটনা ভুল বোঝাবুঝি মাত্র: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

বরিশালের ঘটনা ভুল বোঝাবুঝি মাত্র: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

বরিশালের ঘটনা মিটমাট হতে পারে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

বরিশালের ঘটনা মিটমাট হতে পারে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

বি‌দেশ ভ্রমণে টাকা নেওয়ার পদ্ধতি সহজ কর‌লো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৪৪

বি‌দেশ ভ্রমণে এনডোর্সমেন্ট বা টাকা নেওয়ার পদ্ধতি সহজ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন থে‌কে পাসপোর্টের মেয়াদ যত‌ বছরের থাক‌বে তত বছ‌রের জন্য একস‌ঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার এনডোর্সমেন্ট করা‌ যা‌বে। অর্থাৎ যদি কারও পাসপোর্ট এর মেয়াদ পাঁচ বছর থাকে তাহলে তিনি পাঁচ বছরের জন্য একসঙ্গে ৬০ হাজার ডলার এনডোর্স করাতে পারবেন। তবে নিয়ম অনুযায়ী বছরে ১২ হাজার ডলারের বেশি খরচ করতে পারবেন না।

বৃহস্প‌তিবার (২৩ সে‌প্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত এক‌টি সার্কুলার জারি করেছে।

সার্কুলারে বলা হ‌য়ে‌ছে, অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংক সংশ্লিষ্ট নিবাসী বাংলাদেশি ব্যক্তির অনুকূলে তার পাসপোর্টের মেয়াদ থাকাকালীন আন্তর্জাতিক কার্ডে বৈদেশিক মুদ্রা ছাড় ও নির্ধারণ করতে পারবে। ত‌বে এডি ব্যাংককে নির্দিষ্ট কয়েকটি শর্ত মেনে চলতে হবে। যেমন, বাৎসরিক সীমা ১২ হাজার মার্কিন ডলার অতিক্রম কর‌তে পার‌বে না। ভ্রমণ কোটার অব্যবহৃত অংশ পরবর্তী বছরে স্থানান্তর করা যাবে না। এছাড়া বিদেশে চাকরি ও ইমিগ্র্যান্ট হিসেবে কিংবা শিক্ষার জন্য বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে পাসপোর্টের মেয়াদকালীন এনডোর্সমেন্ট করা যাবে না বলে সার্কুলারে বলা হয়েছে। তবে সম্পূরক কার্ডধারী ব্যক্তি তার ভ্রমণ কোটার আওতায় এ সুবিধা পাবেন।

বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ পর্যন্ত ভ্রমণ কোটা প্রযোজ্য হয়ে থাকে। তবে নির্দিষ্ট ভ্রমণ পরবর্তী বছরের মধ্যে পড়লে ডিসেম্বরের ৩১ তারিখ পর্যন্ত একটি কোটা এবং জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে অন্য বছরের কোটা ব্যবহার করতে হবে।

পাসপোর্টের মেয়াদ থাকাকালীন বৈদেশিক মুদ্রা ছাড় বা নির্ধারণ সুবিধা গ্রহণ করা না হলে কার্ডের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা ছাড়ের ক্ষেত্রে ঘটনাত্তর এনডোর্সমেন্ট করার সুবিধা সার্কুলারে রাখা হয়েছে।

যৌক্তিক কারণে কার্ডের মাধ্যমে ভ্রমণ ব্যয় বাৎসরিক কোটা সীমা অতিক্রম করলে ওই অর্থ গ্রাহকের নিবাসী বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবের স্থিতি দ্বারা সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ জাতীয় হিসাব না থাকলে পরবর্তী বছরের ভ্রমণ কোটার সঙ্গে সর্বোচ্চ ৫০০ মার্কিন ডলার সমন্বয় করা যাবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, পাসপোর্টের মেয়াদ থাকাকালীন বৈদেশিক মুদ্রা আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে ছাড়করণের সুবিধা বিদেশগামী যাত্রীদের ভ্রমণ সহজ করবে বলে মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

 

/জিএম/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা

নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা

রবিবার থেকে ব্যাংক খোলা, লেনদেন হবে দেড়টা পর্যন্ত

রবিবার থেকে ব্যাংক খোলা, লেনদেন হবে দেড়টা পর্যন্ত

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:৩৬

জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক করোনা পরিস্থিতিতে সারা বিশ্বের অর্থনীতি বিপর্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে প্রয়াস চালাচ্ছে সরকার।’

নিজ সংসদীয় আসন রংপুর-৬-এর আওতাধীন পীরগঞ্জ উপজেলাবাসীর উদ্যোগে পীরগঞ্জ উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভার শুরুতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন, পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও গীতা পাঠ করা হয়। উপজেলার সব ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সবাই তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরলে দ্রুততম সময়ে সমাধানের আশা প্রকাশ করেন স্পিকার।

স্পিকার বলেন, ‘চাল ও অন্যান্য দ্রব্যাদি বিতরণের ক্ষেত্রে প্রশাসনের সঙ্গে ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদেরও সচেতন থাকতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসরণ করে মানুষের জীবন সুরক্ষার পাশাপাশি অর্থনীতির চাকা সচল রাখা সম্ভব হয়েছে। করোনার মাঝেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতির পিতার শাহাদাতবার্ষিকী ও শোক দিবস পালিত হয়েছে।’

ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, ‘করোনার সময়ে পীরগঞ্জের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের জীবন সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবার দৈনন্দিন কাজকর্ম চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। করোনাকালীন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করেছেন। পীরগঞ্জে চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতকরণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবা নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে। উপজেলায় নির্মিত দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ, গ্রামীণ রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ পীরগঞ্জে আরও উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জাইকার মাধ্যমে আয়রনমুক্ত পানি ও সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণে প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। মেরিন অ্যাকাডেমি নির্মাণসহ তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান রাঙ্গার সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ও পীরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র এএসএম তাজিমুল ইসলাম শামীমের সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় সব ইউনিয়নের প্রতিনিধি এবং আওয়ামী কৃষক লীগ, আওয়ামী মহিলা লীগ, আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকরা বক্তব্য রাখেন সভায় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

/ইএইচএস/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

বন্দরে পড়ে থাকা গাড়ি নিলামের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

বন্দরে পড়ে থাকা গাড়ি নিলামের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

করোনায় মৃত্যুহীন দিন তিন বিভাগের

করোনায় মৃত্যুহীন দিন তিন বিভাগের

মে মাসের পর সর্বনিম্ন মৃত্যু ও শনাক্ত

মে মাসের পর সর্বনিম্ন মৃত্যু ও শনাক্ত

২১০টি অনিয়মিত পত্রিকা বাতিলে তালিকা করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

২১০টি অনিয়মিত পত্রিকা বাতিলে তালিকা করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

সাক্ষাৎকার দিয়ে সংসদীয় কমিটির তলবের মুখে ঢাবি শিক্ষক

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪১

প্রবাসী আয় নিয়ে একটি গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়ে সংসদীয় কমিটির তলবের মুখে পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার অধ্যাপক তাসনীম সিদ্দিকী। অবশ্য তাকে তলব নিয়ে খোদ সংসদীয় কমিটির ভিতরেই বিরোধিতা এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত অর্থ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়।

এ বছরের প্রথম দিকে একটি জাতীয় দৈনিকে ‘রেমিট্যান্স প্রবাহ আর প্রবাসীদের বাস্তবতায় মিল নেই’ শীর্ষক তাসনীম সিদ্দিকীর একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়। ওই সাক্ষাৎকারের বিষয়ে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে তাসনীম সিদ্দিকীকে তলব করা হয়।

ওই সাক্ষাৎকারের এক জায়গায় রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্টস রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ার তাসনীম সিদ্দিকী বলেন, “রেমিট্যান্স যদি বেশি এসেই থাকে, তাহলে অভিবাসীদের পরিবারগুলো কেন করোনার সামনে দুর্বল হয়ে পড়লো? কেন তাদের ঋণ করতে হলো? তাদের খাবার কমে গেলো। বৈদেশিক সঞ্চয়ের পরিমাণ আর প্রবাসীদের বাস্তবতার তথ্যে মিল নেই।”

বৈঠকে বলা হয়, এই সাক্ষাৎকারটি ‘নেতিবাচক’। বৈঠকে তাসনীম সিদ্দিকী তার ওই সাক্ষাৎকারের বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন, “কমিটির পক্ষ থেকে বক্তব্য দেওয়া হবে।” এর বেশি কোনও কথা বলতে তিনি রাজি হননি।

পরে কমিটির সদস্য বিএনটির সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, তিনি এই তলবের বিরোধিতা করেছেন।

হারুন বলেন, “আমি সভাপতিকে বলেছি, একটি পত্রিকায় প্রকাশিত সাক্ষাৎকার নিয়ে এত প্রায়োরিটি কেন দেওয়া হচ্ছে। তিনি যা বলেছেন তা বাস্তব। এটা তো ঠিক যে করোনার শুরুতে বিদেশ থেকে প্রবাসী অনেকেই ফেরত এসেছেন। কিছু নিয়ে আসতে পারেননি। আমার এলাকাতেই এমন ঘটনা ঘটেছে। এটা এমন কোনও বড় বিষয় নয় যে তলব করতে হবে।

হারুন জানান, তাসনীম সিদ্দিকী বিষয়টি কমিটির কাছে ব্যাখ্যা করেছেন। তবে এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে অধ্যাপক তাসনীম কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

তবে সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত ‘রেমিট্যান্স প্রবাহ আর প্রবাসীদের বাস্তবতায় মিল নেই’ শীর্ষক সাক্ষাৎকার বিষয়ে সাক্ষাৎকারদাতা জানান, ‘শুধু শিরোনামটুকু নেতিবাচক আর বাকি সাক্ষাৎকারে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে’। এ বিষয়ে বৈঠকে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।”

কমিটির সভাপতি আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সভাপতিত্বে বৈঠকে সদস্য অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, মো. আব্দুস শহীদ, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, কাজী নাবিল আহমেদ, আবুল কালাম মো. আহসানুল হক চৌধুরী, আহমেদ ফিরোজ কবির, রানা মোহাম্মদ সোহেল ও হারুনুর রশিদ অংশ নেন।

/ইএইচএস/এমএস/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ঈদের ছুটিতে কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না ঢাবি’র শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

ঈদের ছুটিতে কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না ঢাবি’র শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

বন্দরে পড়ে থাকা গাড়ি নিলামের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৫৫

চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্র বন্দরে পড়ে থাকা গাড়িগুলো দ্রুত নিলামের ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি। নিলামযোগ্য এসব গাড়িগুলো নিলামের বিষয়ে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়কে সমন্বয় করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সুপারিশ করা হয়।

বৈঠকে উপস্থিত এক সংসদ সদস্য বলেন, দিনের পর দিন বন্দরে গাড়ি পড়ে থাকে। যেগুলোতে আগাছাও জন্ময়। এ ছাড়া বন্দরের জায়গাও দখল হয়ে থাকে। এর দ্রুত সমাধান করার জন্য মন্ত্রণালয়কে বলা হয়।

জবাবে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিষয়টি তাদের কাজ নয়, এটা কাস্টমসের; যা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে। বিষয়টি সমাধানের জন্য নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিবকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলাপ করতে বলা হয়েছে।

সংসদীয় কমিটির আগামী বৈঠকে এ বিষয়ে অগ্রগতি জানাতে বলা হয়েছে।

সংসদ সচিবালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বন্দরের অভ্যন্তরে পড়ে থাকা নিলামযোগ্য গাড়িগুলো নিলামের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কমিটি সুপারিশ করে।

বৈঠকে ‘মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ বিল-২০২১’ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় এবং বিলটি আরও পরীক্ষা নিরীক্ষা ও যাচাই বাছাই করার জন্য পুনরায় মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।

কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলামের (বীর উত্তম) সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশ নেন কমিটির সদস্য নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, রনজিত কুমার রায়, মাহফুজুর রহমান, ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, আছলাম হোসেন সওদাগর এবং এস এম শাহজাদা।

 

/ইএইচএস/আইএ/

সম্পর্কিত

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

করোনায় মৃত্যুহীন দিন তিন বিভাগের

করোনায় মৃত্যুহীন দিন তিন বিভাগের

মে মাসের পর সর্বনিম্ন মৃত্যু ও শনাক্ত

মে মাসের পর সর্বনিম্ন মৃত্যু ও শনাক্ত

২১০টি অনিয়মিত পত্রিকা বাতিলে তালিকা করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

২১০টি অনিয়মিত পত্রিকা বাতিলে তালিকা করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

বন্দরে পড়ে থাকা গাড়ি নিলামের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

বন্দরে পড়ে থাকা গাড়ি নিলামের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

করোনায় মৃত্যুহীন দিন তিন বিভাগের

করোনায় মৃত্যুহীন দিন তিন বিভাগের

মে মাসের পর সর্বনিম্ন মৃত্যু ও শনাক্ত

মে মাসের পর সর্বনিম্ন মৃত্যু ও শনাক্ত

২১০টি অনিয়মিত পত্রিকা বাতিলে তালিকা করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

২১০টি অনিয়মিত পত্রিকা বাতিলে তালিকা করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে অভিভাবকদের সচেতন থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে অভিভাবকদের সচেতন থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

অতি জরুরি ভিত্তিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন জোরদারের দাবি প্রধানমন্ত্রীর

অতি জরুরি ভিত্তিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন জোরদারের দাবি প্রধানমন্ত্রীর

জাতিসংঘভুক্তি নিয়ে সেবছর শুরু হয় বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা

জাতিসংঘভুক্তি নিয়ে সেবছর শুরু হয় বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা

সর্বশেষ

টানা দুই জয়ে চারে সাকিবরা  

টানা দুই জয়ে চারে সাকিবরা  

এস এম সোলায়মানের জন্ম ও মৃত্যুদিন ঘিরে স্মারকানুষ্ঠান

এস এম সোলায়মানের জন্ম ও মৃত্যুদিন ঘিরে স্মারকানুষ্ঠান

‘আফগানিস্তানে রক্তপাত ও অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী’

‘আফগানিস্তানে রক্তপাত ও অস্থিতিশীলতার জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী’

অর্থ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি: ইউনিয়ন ব্যাংক

অর্থ হারানোর ঘটনাই ঘটেনি: ইউনিয়ন ব্যাংক

করোনায় মৃত্যু ‘স্বপ্নে নিরাময় পাওয়ার’ দাবি করা এলিয়ান্থা হোয়াইটের

করোনায় মৃত্যু ‘স্বপ্নে নিরাময় পাওয়ার’ দাবি করা এলিয়ান্থা হোয়াইটের

© 2021 Bangla Tribune