X
শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৯ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতে সমস্যা সমাধানের আহ্বান

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ৩১ জুলাইয়ের ঘটনা।)

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পাঁচ দিন যুগোস্লাভিয়া সফর শেষে ঢাকা ও বেলগ্রেড থেকে যুগপতভাবে প্রকাশিত এক যুক্ত ইস্তেহারে সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতে এবং পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে উপমহাদেশে সকল অমীমাংসিত সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানানো হয়। ইশতেহারে উল্লেখ করা হয় যে, যুগোস্লাভিয়া প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর উদ্ভূত সমস্যাগুলো সমাধানে বাংলাদেশের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ উপমহাদেশের মানবিক সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, সেগুলো উপমহাদেশে স্থায়ী শান্তি জন্য সুনির্দিষ্ট ও গঠনমূলক পদক্ষেপ।

এতে উল্লেখ করা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান উপমহাদেশের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন এবং পাকিস্তানের জোর করে আটকে রাখা বাঙালিদের অবস্থার অবনতির প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন। বঙ্গবন্ধু উল্লেখ করেছেন শান্তির প্রতীক বাংলাদেশের গভীর আগ্রহের কথা। উপমহাদেশের সকল অমীমাংসিত সমস্যা সমাধান এবং উপমহাদেশে স্বাভাবিক সম্পর্ক ফিরিয়ে আনা ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ সরকার যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তার উল্লেখ করা হয় এতে। উভয়ই পক্ষের মধ্যে অনুষ্ঠিত ব্যাপকভিত্তিক আলোচনার কথা উল্লেখ করা হয়।

১ আগস্ট, ১৯৭৩ সালের পত্রিকার একাংশ এতে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং যুগোস্লাভিয়া প্রধানমন্ত্রী বিয়েদিস আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে উত্তেজনা হ্রাস এবং আলোচনা পদ্ধতিকে স্বাগত জানান। এ প্রসঙ্গে ইউরোপের যে বাস্তব ফল পাওয়া গেছে প্রধানমন্ত্রীদ্বয় তার উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধের অবসান ও ভিয়েতনাম-লাওস শান্তি স্থাপন এবং ভিয়েতনামে জনগণের স্বাধীন-সার্বভৌমভাবে নিজেদের সমস্যা সমাধানের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টির জন্য যে অগ্রগতি সাধিত হচ্ছে তাকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, উত্তেজনা হ্রাস এবং আলোচনার পদ্ধতি বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলেও সম্প্রসারিত হবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বিয়েদিস উল্লেখ করেন, উত্তেজনা হ্রাস করার জন্য বিশ্বের বৃহৎ শক্তিবর্গের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ। তারা আরও গুরুত্ব আরোপ করেন যে, উত্তেজনা হ্রাস ও আলোচনার প্রক্রিয়া জন্য উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক প্রশ্নের সমাধানে সব রাষ্ট্রের পূর্ণ ও সমান অংশগ্রহণ একান্ত জরুরি।

টিটো ঢাকায় আসবেন

যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট টিটো বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই আমন্ত্রণ জানান। প্রেসিডেন্ট টিটো ও ম্যাডাম টিটো কোনও এক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে সফরে আসবেন। যুগোস্লাভিয়ায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ দিন রাষ্ট্রীয় সফর শেষে যুক্ত ইস্তেহারে এ কথা বলা হয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও তার নিজের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু প্রেসিডেন্ট ও ম্যাডাম টিটোকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। প্রেসিডেন্ট টিটোও বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে যুগোস্লাভিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানান।

১ আগস্ট, ১৯৭৩ সালের পত্রিকার একাংশ ১৮ আগস্ট দিল্লিতে আবার বৈঠক

ভারত ও পাকিস্তান সে বছর ১৮ আগস্ট নয়াদিল্লিতে তাদের আলোচনা পুনরায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়। দূত পর্যায়ে বৈঠকের সময় কতিপয় সমস্যা দেখা দিয়েছে এবং এসব সমস্যা উভয় পক্ষেরই আরও বিবেচনা করে দেখার প্রয়োজন বলে তারা আলোচনা মুলতবি রাখতে রাজি হয়েছে। প্রকাশিত এক যুক্ত বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।

১৯৭১ সালের বিরোধ থেকে উদ্ভূত মানবিক সমস্যাগুলোর ওপর সপ্তাহব্যাপী আলোচনা শেষে বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, আলোচনায় উভয় পক্ষেরই পারস্পরিক সমঝোতা পরিলক্ষিত হয়েছে। আগস্টে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত শেষ বৈঠকের পর সিমলা চুক্তি বাস্তবায়নের অগ্রগতি উভয়পক্ষই পর্যালোচনা করবে। উভয়পক্ষ ১৭ এপ্রিল প্রকাশিত ভারত-বাংলাদেশ যৌথ ঘোষণার অন্তর্ভুক্ত মানবিক সমস্যাবলী নিয়ে আলোচনা করে। পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়, এ দিন সকালে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়ে উভয়পক্ষ ১৮ আগস্ট দিল্লিতে পাক-ভারত আলোচনা শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়।

/আইএ/

সম্পর্কিত

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৫৬

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ভোক্তা প্রতারণা বন্ধ করার কার্যকর উপায় বের করতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন। ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আগেই তাদের জন্য কার্যকারী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য তিনি কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি’র নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে কমিশনের ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন হস্তান্তর করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতির উপ প্রেস সচিব মুন্সী জালাল উদ্দিন ব্রিফিংকালে জানান, সাম্প্রতিককালে ই-কমার্সে ভোক্তাদের প্রতারিত হওয়ার বিষয়টি পত্রপত্রিকা ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হাওয়ায় রাষ্ট্রপতি দেশে দ্রুত প্রসারণশীল ই-কমার্স ব্যবস্থায় ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করতে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের প্রতি আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ই-কমার্স একটি সম্ভাবনাময় খাত। কিছু সংখ্যক লোকের কারণে এ খাতটি যেন শুরুতেই মুখ থুবড়ে না পড়ে সে বিষয়ে সকলকে সতর্ক হতে হবে।

এ খাতে প্রতারণাসহ ভোক্তার স্বার্থের জন্য ক্ষতিকর বিষয়গুলো চিহ্নিত করে সেগুলো কঠোর হস্তে দমনের জন্য তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের সকল পদক্ষেপে ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি ভোক্তারা যেন যৌক্তিক মূল্যে ও প্রত্যাশিত সময়ে মানসম্মত পণ্য পায় তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা থাকতে হবে।

সাক্ষাৎকালে কমিশন চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম প্রতিবেদনের উল্লেখযোগ্য কিছু বিষয়সহ কমিশনের চলমান কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন।

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতে আরও অংশ নেন বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং কমিশনের সদস্য জি এম সালেহ উদ্দিন, ড. এ এফ এম মনজুর কাদির ও নাসরিন বেগম।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস।

/এমপি/

সম্পর্কিত

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

বন্দরে পড়ে থাকা গাড়ি নিলামের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

বন্দরে পড়ে থাকা গাড়ি নিলামের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৪১

বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য অধিক খাদ্য উৎপাদনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী একটি ‘স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থা’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে পাঁচ দফা সুপারিশ পেশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ‘জাতিসংঘ ফুড সিস্টেমস সামিট ২০২১’-এ ভার্চুয়ালি যোগদান করে তিনি একইসঙ্গে একটি বৈশ্বিক জোট ও অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার মাধ্যমে খাদ্যের অপচয় হ্রাসের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘পর্যাপ্ত খাবার পাওয়ার অধিকার একটি মৌলিক অধিকার, যা সকল নাগরিকের কল্যাণ ও স্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত এবং বৈশ্বিক ব্যবস্থার সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও পরিবেশগত প্রভাব রয়েছে।’

৭৬তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ)’র উচ্চ পর্যায়ের সপ্তাহে বক্তৃতাকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, খাদ্য নিরাপত্তা জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে আন্তঃসংযুক্ত।

পূর্ব-রেকর্ডকৃত বক্তৃতায় ‘২০৫০ সালের মধ্যে বৈশ্বিক জনসংখ্যা ১০ বিলিয়ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই অতিরিক্ত জনসংখ্যার জন্য আরও খাদ্য উৎপাদন করা অপরিহার্য।’

শেখ হাসিনা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষি উন্নয়নের জন্য গবেষণা, বিনিয়োগ ও উন্নত প্রযুক্তি বিনিময়ের ওপর জোর দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা অর্জনের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বর্ধিত তহবিল প্রয়োজন।

শেখ হাসিনা টেকসই নিরাপত্তা অর্জনে প্রযুক্তি শেয়ারিংসহ জলবায়ুজনিত চরম ইভেন্টগুলোর সঙ্গে অভিযোজনের জন্য প্রতিশ্রুত তহবিল ছাড়েরও পরামর্শ দেন।

তিনি এ শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনে নেতৃত্ব দেওয়ায় জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘মহামারি পরবর্তী পুরুদ্ধার এবং স্থিতিশীল খাদ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনে এই অনুষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশনায় প্রণীত কাংলাদেশের সংবিধানে খাদ্য ও পর্যাপ্ত পুষ্টিকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এজেন্ডা ২০৩০ অর্জনে আমাদের জাতীয় নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনায় খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তরকে একটি অন্তর্ভুক্ত হাতিয়ার হিসেবে সমন্বিত করেছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, জাতীয় কৃষি নীতি-২০১৮, জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নীতি-২০২০ এবং এর কর্মপরিকল্পনা (২০২১-২০৩০) দেশের খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তাকে স্বীকৃতি দেয়।

তিনি বলেন, বর্তমানে আমাদের খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির হার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে গেছে। আমরা খাদ্য ঘাটতির দেশ থেকে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠেছি এবং আমরা দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কাজ করছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঘনঘন চরম আবহাওয়া-জনিত দুর্যোগ এই গতিবেগকে প্রভাবিত করছে।

শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বৈশ্বিক নেতা হিসেবে বাংলাদেশ জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি ও খাদ্য ব্যবস্থা নিয়েও কাজ করছে।

তিনি বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি আমরা সবার জন্য  মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করতে আমাদের প্রচেষ্টা জোরদার করেছি।’ সূত্র: বাসস।

/এমপি/

সম্পর্কিত

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:২৯

ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতিসংঘের উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় যোগ দিয়ে ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করে এ আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

জাতিসংঘের সাধারণ এজেন্ডা : সমতা ও অন্তর্ভুক্তি অর্জনের পদক্ষেপ শীর্ষক প্রচারিত প্রাক রেকর্ডকৃত বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রথমত, সময়ের সবচেয়ে জরুরি আহ্বান হচ্ছে ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে ভ্যাকসিন বিভাজন দূর করা।’

প্রধানমন্ত্রী তার দ্বিতীয় প্রস্তাবে বলেন, আমাদের একটি নতুন দৃষ্টান্ত প্রয়োজন যা বৈষম্যকে সামগ্রিকভাবে মোকাবিলা করবে। দারিদ্র, ক্ষুধা, লিঙ্গ সমতা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মতো এসডিজিগুলোর সঙ্গে এর গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

তৃতীয় প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই সবচেয়ে দুর্বল দেশগুলোর বিশেষ অর্থায়নের চাহিদাগুলো সমাধান করতে হবে, যার মধ্যে এলডিসি ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো রয়েছে।’

চতুর্থ প্রস্তাবে শেখ হাসিনা বলেন, অভিবাসী ও চলমান লোকদের ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির অবসান অত্যন্ত জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী তার পঞ্চম প্রস্তাবে বলেন, ‘এই বিবর্তিত ডিজিটাল যুগে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে আমাদের কঠোরভাবে ডিজিটাল বিভাজন দূর করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের সমাজে প্রকৃত ‘পরিবর্তনের নির্মাতা’ হিসেবে কাজ করার জন্য আমাদের অবশ্যই মহিলা এবং মেয়েদের জন্য আরও সুযোগ তৈরি করতে হবে।’

শেখ হাসিনা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের সাধারণ এজেন্ডা বিষয়ে মহাসচিবের প্রতিবেদনে বিশ্বজুড়ে ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ মহামারি দরিদ্রতম এবং সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে সবচেয়ে বেশি আঘাত হেনেছে। দারিদ্র্য, বৈষম্য এবং বাধা দূর করার ক্ষেত্রে আমাদের কয়েক দশকের উন্নয়ন পিছিয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী উচ্চ পর্যায়ের এই অনুষ্ঠানে তাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য স্পেন, সিয়েরা লিওন, কোস্টারিকার প্রেসিডেন্ট এবং সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘সমতা ও অন্তর্ভুক্তি অর্জনের বিষয়টি জাতিসংঘের অভিন্ন আলোচ্যসূচিতে গুরুত্ব দেওয়ার জন্য আমি এর প্রশংসা করছি।’

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানে সব নাগরিকের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে তার প্রথম ভাষণে বলেন, ‘সকলেরই নিজের এবং পরিবারের স্বাস্থ্য ও কল্যাণের জন্য জীবনযাত্রার পর্যাপ্ত মানের অধিকার নিশ্চিত করার ব্যাপারে আন্তর্জাতিক দায়িত্ব রয়েছে।’ তিনি অভিমত প্রকাশ করেন, এই দৃষ্টিভঙ্গি এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক।

তিনি বলেন, এই চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ‘আমরা এসডিজি বাস্তবায়ন এবং কোভিড থেকে পুনরুদ্ধারে ‘হোল সোসাইটি’ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছি যাতে কেউ পিছিয়ে না পড়ে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের সমাজের সবচেয়ে দুর্বল অংশকে আমাদের প্রচেষ্টার কেন্দ্রে রেখেছি। এরমধ্যে রয়েছে নারী, অতি দরিদ্র, জাতিগত সংখ্যালঘু, প্রতিবন্ধী মানুষ এবং অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ গোষ্ঠী।’

তিনি বলেন, কোনও দেশই একা এই সংকট মোকাবেলা করতে পারে না। বৈশ্বিক পর্যায়ে আমাদের সাহসী ও দৃঢ় পদক্ষেপ প্রয়োজন। আরও সমতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ব গড়ে তুলতে জাতিসংঘের ৭৫তম ঘোষণাপত্রের প্রতিশ্রুতি পূরণে আমাদের বহুপাক্ষিক সহযোগিতা প্রয়োজন। সূত্র: বাসস।

/এমপি/

সম্পর্কিত

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

সাত বিভাগীয় শহরে মোটর ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ পাবে নারীরা

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:১০

মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের উপজেলা পর্যায়ে আয়বর্ধক প্রকল্পের মাধ্যমে সাতটি বিভাগীয় শহর ও পাবনা জেলায় নারীদের মোটর ড্রাইভিং এবং বেসিক মেইনট্যানেন্স বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আগামী দেড় বছরে আটটি কেন্দ্রে ৩০ জন করে ছয়টি ব্যাচে মোট এক হাজার ৪৪০ জনকে এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। কোর্স শেষে বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় সনদ পাবে শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার ঢাকার ইস্কাটনে মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে মহিলা বিষয়ক অধিদফতর এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক রাম চন্দ্র দাস এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

সমঝোতা স্মারক অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের আইজিএ প্রকল্প পরিচালক মো. তরিকুল ইসলাম, পরিচালক মনোয়ারা ইশরাত, বিআরটিসির পরিচালক কর্নেল মো. জাহিদ হোসেন ও জেনারেল ম্যানেজার মেজর মো. মোক্তারুজ্জামান।

/ইউআই/এমপি/

রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তনে পাশে থাকবে জার্মানি: তাজুল ইসলাম

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:৫৩

বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে জার্মানি বাংলাদেশ সরকারের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে মন্ত্রণালয়ে জার্মানির রাষ্ট্রদূত আচিম টোস্টার স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে আসলে রাষ্ট্রদূত মন্ত্রীকে একথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে হত্যা, নির্যাতন ও সহিংসতার শিকার হওয়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে মানবিকতার উদাহরণ সৃষ্টি করেছে বলে মনে করে জার্মান সরকার। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে দেশটি। এই সমস্যা সমাধানে তারা সবসময় বাংলাদেশ সরকারের পাশে থেকে বিশ্ব সম্প্রদায়ের জনমত আদায়ে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বলেও জানান তিনি।

সায়েদাবাদ ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ফেইজ-৩ প্রকল্পে জার্মানি সরকারের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে ভবিষ্যতেও যেকোন উন্নয়ন প্রকল্প যা মানুষের জন্য কল্যাণকর সেগুলোতে সহযোগিতা কামনা করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের অবকাঠামোগত, খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক ও অর্থনৈতিকসহ সকল ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্যের প্রশংসা করে রাষ্ট্রদূত বলেন, জার্মান সরকার বাংলাদেশের পাশে সবসময় আছে এবং থাকবে। বাংলাদেশের উন্নয়ন খাতে জার্মানির সর্বোচ্চ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান আচিম টোস্টার।

এসময় মন্ত্রী এবং জার্মান রাষ্ট্রদূত উভয় দেশের বিভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

সাক্ষাৎকালে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান, স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মরণ কুমার চক্রবর্তী ও মুহাম্মাদ ইব্রাহিম এবং যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ নুরে আলম সিদ্দীকি উপস্থিত ছিলেন।

/এসএস/এমএস/

সম্পর্কিত

জার্মানি থেকে অবৈধ বাংলাদেশিদের দ্রুত ফেরাতে চায় সরকার

জার্মানি থেকে অবৈধ বাংলাদেশিদের দ্রুত ফেরাতে চায় সরকার

বরিশালের ঘটনা ভুল বোঝাবুঝি মাত্র: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

বরিশালের ঘটনা ভুল বোঝাবুঝি মাত্র: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

বরিশালের ঘটনা মিটমাট হতে পারে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

বরিশালের ঘটনা মিটমাট হতে পারে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

‘দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকা সচল’

বন্দরে পড়ে থাকা গাড়ি নিলামের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

বন্দরে পড়ে থাকা গাড়ি নিলামের সুপারিশ সংসদীয় কমিটির

করোনায় মৃত্যুহীন দিন তিন বিভাগের

করোনায় মৃত্যুহীন দিন তিন বিভাগের

মে মাসের পর সর্বনিম্ন মৃত্যু ও শনাক্ত

মে মাসের পর সর্বনিম্ন মৃত্যু ও শনাক্ত

২১০টি অনিয়মিত পত্রিকা বাতিলে তালিকা করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

২১০টি অনিয়মিত পত্রিকা বাতিলে তালিকা করা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে অভিভাবকদের সচেতন থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণে অভিভাবকদের সচেতন থাকার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

অতি জরুরি ভিত্তিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন জোরদারের দাবি প্রধানমন্ত্রীর

অতি জরুরি ভিত্তিতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন জোরদারের দাবি প্রধানমন্ত্রীর

সর্বশেষ

আসিয়ানের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র

আসিয়ানের প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলো যুক্তরাষ্ট্র

সুম্বা দ্বীপের নাচুনে গাছ! (ফটোফিচার)

সুম্বা দ্বীপের নাচুনে গাছ! (ফটোফিচার)

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

ভোক্তা প্রতারণা বন্ধে কার্যকর উপায় বের করার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বৈশ্বিক সুদৃঢ় খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বিশ্বে ‘ভ্যাকসিন বিভাজন’ দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

© 2021 Bangla Tribune