X
মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

রাস্তায় ঠিকাদারকে হাতুড়িপেটা, ভিডিও করলেও এগিয়ে আসেনি কেউ

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০২১, ০০:১৪

কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে শহিদুর রহমান নামে এক ঠিকাদারকে হাতুড়িপেটা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় অনেকেই মারধরের ভিডিও মোবাইলে ধারণ করলেও ঠিকাদারকে রক্ষায় এগিয়ে আসেনি কেউ। এ ঘটনার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় ওঠে। 

সোমবার (০২ আগস্ট) দুপুরে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের পাশে শহরের স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার শহিদুর রহমান কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের শানপুকুরিয়া গ্রামের আহম্মদ আলীর ছেলে। শহরের পুলিশ লাইনের সামনে ভাড়া বাসায় থাকেন তিনি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাব্বিরুল আলম।

ঠিকাদার শহিদুর রহমান জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এলজিইডি কার্যালয়ে কাজ শেষে বের হয়ে রাস্তায় এলে হঠাৎ কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ঘিরে ধরে। কোনও কিছু না বলেই তারা হাতুড়িপেটা শুরু করে। জীবন বাঁচাতে তিনি দৌড় দেন। এ সময় হাতুড়ির আঘাতে হাঁটু ও হাত-পিঠ থেঁতলে যায় তার। সন্ত্রাসীদের ভয়ে থানা কিংবা হাসপাতালেও যাননি তিনি।

শহিদুর রহমান অভিযোগ করেন, দুই মাস আগে মিরপুর উপজেলার একটি সড়কের সাত কোটি টাকার দরপত্রে অংশ নেন। এই কাজের শিলিউল না কিনতে স্থানীয় কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতা তাকে হুমকি দেন। অবশেষে কাজ না পেয়ে তাকে প্রতিনিয়ত হুমকি দিয়ে আসছিল তারা।

স্থানীয়রা জানান, হামলায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা সন্ত্রাসী। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তাদের মুখে মাস্ক ছিল। এ জন্য ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেনি।

মিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুল আরেফিন বলেন, ঘটনাটি ঘটেছে কুষ্টিয়ার মজমপুর এলাকায়। ওই ঠিকাদারের সঙ্গে স্থানীয় অনেক ঠিকাদারের টাকা নিয়ে বিরোধ আছে। হয়তো তাদের কেউ ঠিকাদারকে পিটিয়েছে। তবে তারা কারা আমি চিনি না।

/এএম/

সম্পর্কিত

পাচারকালে ৪টি বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

পাচারকালে ৪টি বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

৬ মাসের ব্যবধানে ভুয়া চিকিৎসকের দ্বিতীয়বার কারাদণ্ড

৬ মাসের ব্যবধানে ভুয়া চিকিৎসকের দ্বিতীয়বার কারাদণ্ড

খুলনায় ৩০০৯ ছাত্রী বাল্যবিয়ের শিকার

খুলনায় ৩০০৯ ছাত্রী বাল্যবিয়ের শিকার

ভাতিজার বিরুদ্ধে চাচাকে হত্যার অভিযোগ

ভাতিজার বিরুদ্ধে চাচাকে হত্যার অভিযোগ

কনস্টেবল তারেক হত্যা

জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতাসহ ৯৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২৩:০০

আট বছর আগে দায়ের হওয়া পুলিশ কনস্টেবল মো. তারেককে হত্যা মামলায় চট্টগ্রামের শীর্ষ জামায়াত নেতা সাবেক এমপি আ ন ম শামসুল ইসলাম, শাহজাহান চৌধুরীসহ ৯৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম মোজাম্মেল হক চৌধুরীর আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

ট্রাইব্যুনালের পিপি আইয়ূব খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আদালত ৯৩ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরুর আদেশ দিয়েছেন। আগামী রবিবার (৩ অক্টোবর) থেকে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে।’

এর আগে, মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ২০১৩ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায় দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ফাঁসির রায়ের পর ঢাকা-চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক এবং সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালী, সীতাকুণ্ডসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় সহিংস তাণ্ডব শুরু করে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। ওই সময় চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় পুলিশ কনস্টেবল মো. তারেককে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় তখন লোহাগাড়া থানায় মামলাটি দায়ের হয়।

ওই মামলার আজ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের পর দেশজুড়ে তাণ্ডবের ঘটনায় দায়ের একটি মামলার বিচার শুরু হলো। অভিযোগ গঠনের শুনানিতে জামায়াতের সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী ও আ ন ম শামসুল ইসলাম এবং দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সাবেক আমির জাফর সাদেকসহ ৬৫ জন আসামি আদালতে হাজির ছিলেন। এর মধ্যে শাহজাহান ও শামসুলসহ কয়েকজন কারাগারে থাকায় তাদের সেখান থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

 

/এমএএ/

সম্পর্কিত

কাটা পড়তে পারে চাঁদপুরের ‘মিনি কক্সবাজার’

কাটা পড়তে পারে চাঁদপুরের ‘মিনি কক্সবাজার’

পাচারকালে ৪টি বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

পাচারকালে ৪টি বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

৬ মাসের ব্যবধানে ভুয়া চিকিৎসকের দ্বিতীয়বার কারাদণ্ড

৬ মাসের ব্যবধানে ভুয়া চিকিৎসকের দ্বিতীয়বার কারাদণ্ড

গভীর রাতে পালানো ৩৫ রোহিঙ্গাকে জঙ্গল থেকে আটক

গভীর রাতে পালানো ৩৫ রোহিঙ্গাকে জঙ্গল থেকে আটক

পানিতে ডুবে প্রথম শ্রেণির ২ ছাত্রীর মৃত্যু

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৫৪

জামালপুরের সদর উপজেলার ইটাইল ইউনিয়নের ইটাইল পূর্বপাড়া গ্রামে পুকুরের পানিতে ডুবে প্রথম শ্রেণির দুই ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

তারা হলো- ইশরাত জাহান মনি (৭) ও শাপলা খাতুন (৬)। তারা ইটাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, ইটাইল পূর্বপাড়া গ্রামের এরশাদ আলীর মেয়ে ইশরাত জাহান মনি ও স্বপন মিয়ার মেয়ে শাপলা খাতুন অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর সন্ধ্যার দিকে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করে স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে নরুন্দি তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক টিপু সুলতান জানান, খেলতে গিয়ে পুকুরে পড়ে শিশু দুটির মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সম্পর্কে তারা চাচাতো জ্যাঠাতো বোন।

/এফআর/

সম্পর্কিত

যে কারণে কাচকি মাছের চানাচুর উদ্ভাবন

যে কারণে কাচকি মাছের চানাচুর উদ্ভাবন

শৈলকুপায় সাপের কামড়ে দুই জনের মৃত্যু

শৈলকুপায় সাপের কামড়ে দুই জনের মৃত্যু

টিকটকারদের খপ্পরে পড়ে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার

টিকটকারদের খপ্পরে পড়ে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার

পুকুরে ডুবে যমজ ভাইবোনের মৃত্যু

পুকুরে ডুবে যমজ ভাইবোনের মৃত্যু

যে কারণে কাচকি মাছের চানাচুর উদ্ভাবন

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৪৪

চানাচুর, বাদাম ও তিলের তক্তিতে দেশীয় জাতের কাচকি মাছ ব্যবহার করে সুস্বাদু খাদ্যপণ্য উৎপাদনে সফলতা পেয়েছেন ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের গবেষকরা।

তারা বলছেন, সব শ্রেণির মানুষ বিশেষ করে যেসব শিশু ছোটমাছ খেতে পছন্দ করে না, তাদের কাছে কাচকি মাছের পুষ্টিগুণ পৌঁছে দিতেই এই গবেষণা। ২০২০ সালে শুরু হওয়া এ গবেষণা সম্প্রতি শেষ হয়েছে। গবেষক দলের প্রধান ছিলেন বাকৃবির ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ নুরুল হায়দার। সহযোগী গবেষক হিসেবে ছিলেন একই বিভাগের প্রভাষক মো. মোবারক হোসেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে সূত্রে জানা গেছে, দেশীয় প্রজাতির কাচকি মাছ পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ। মাছটি দেশের নদ-নদী, খাল-বিলে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। আকারে ছোট এবং কাঁটাযুক্ত হওয়ায় অনেকেই এটি খেতে পছন্দ করেন না। বিশেষ করে শিশুরা খেতে চায় না। বিকল্প উপায়ে তাদের সেই পুষ্টিগুণ নেওয়ার উপায় উদ্ভাবন করেছেন গবেষকরা। প্রক্রিয়া করে কাচকি মাছের পুষ্টিগুণ ব্যবহার করা হয়েছে চানাচুর, বাদাম ও তিলের তক্তিতে। সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে গবেষণাটি পরিচালিত হয়।

কাচকি মাছ দিয়ে খাদ্যপণ্য উদ্ভাবন করা দুই গবেষক

গবেষক ড. মুহম্মদ নুরুল হায়দার জানান, কাচকি মাছে মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম, প্রোটিন ও ভিটামিন ‘এ’ বিদ্যমান। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ১০০ গ্রাম কাচকি মাছে ১৩.৫ গ্রাম প্রোটিন, ৪.৬ গ্রাম চর্বি, ৮৬৫ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ২.৪ মিলিগ্রাম আয়রন রয়েছে। এ মাছে স্বাস্থ্যঝুঁকি নেই বললেই চলে। মাছের অসম্পৃক্ত চর্বি হৃদরোগ, উচ্চরক্তচাপ, স্ট্রোক, ডায়াবেটিস ছাড়াও দৈনন্দিন অনেক শারীরিক সমস্যা দূর করতে সক্ষম। শিশুসহ সব বয়সের মানুষের চানাচুর এবং তক্তি জাতীয় খাবার খুব পছন্দের। দুইটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে ছয়টি খাদ্যপণ্য উৎপাদন করা হয়েছে। ক্যাটাগরি-১ এর আওতায় চানাচুর জাতীয় এবং ক্যাটাগরি-২ এর আওতায় কুড়কুড়ে বাদাম ও তিলের বার (তক্তি)। এসব মুখরোচক খাবারের সঙ্গে মাছের পুষ্টিও নিতে পারবে মানুষ।

তিনি আরও জানান, মাছ দিয়ে তৈরি এসব খাবারে মাছের কোনও গন্ধ থাকে না। জিপার ব্যাগে পণ্যগুলো দুই মাসের বেশি সময় পর্যন্ত ভালো থাকে।

গবেষক দলের সহযোগী মো. মোবারক হোসেন বলেন, ‘ছোট মাছের কাটা খেতে হবে চিবিয়ে। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম পাওয়া যাবে। অন্যদিকে গর্ভবতী মা এবং স্তন্যদানকারী মায়ের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টির জোগান দিয়ে থাকে কাচকি মাছ। মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ফিশ নিউট্রিশন ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে দেখা গেছে, চানাচুর জাতীয় পণ্যগুলোতে গড়ে ৪-৫% ময়েশ্চার, ২৬-৩০% লিপিড, ১৮-২২%, ৫% মিনারেল, ২% ফাইবার এবং ৩৯-৪২% কার্বোহাইড্রেট রয়েছে। যেখানে সাধারণ চানাচুরে প্রোটিন থাকে ১২-১৩%। বার (তক্তি) জাতীয় পণ্যগুলোতে ২০-২২% ময়েশ্চার, ১৩-১৯% লিপিড, ১৩-১৫% প্রোটিন, ১২-১৫% মিনারেল, ২-৩% ফাইবার এবং ৩২-৩৪% কার্বোহাইড্রেট পাওয়া যায়।’

কাচকি মাছ ব্যবহার করে বাদামের তক্তি

এসব খাদ্যপণ্যের বাজার দর সম্পর্কে বিজ্ঞানী মোবারক হোসেন জানান, সাধারণত বাজারে ২৫ গ্রামের যে পিনাট বার পাওয়া যায় তার দাম ১০ টাকা করে। তাই মাছের তৈরি বারের দাম ১৫-২০ টাকা হতে পারে। প্রতি কেজি কাচকি মাছ ব্যবহারে তৈরি করা বার (তক্তি) বিক্রি করে ব্যবসায়ীরা ৫০০-৬০০ টাকা পর্যন্ত মুনাফা করতে পারবেন। অন্যদিকে, কাচকি মাছ ব্যবহারে তৈরি করা চানাচুরের দাম নির্ধারণ হবে মাছের পরিমাণের ওপর। চানাচুরে মাছের পরিমাণ যত ব্যবহার করা হবে তার দামও ততো বেশি হবে।

এ গবেষক আরও বলেন, ‘গ্রামাঞ্চলের প্রায় ৩৫ শতাংশ মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণ করে ছোট মাছ। কিন্তু আধুনিকায়ন ও প্রযুক্তির প্রভাবে উঠতি বয়সী শিশুদের খাদ্যাভ্যাসে ব্যাপক পরিবর্তন দেখা গেছে এবং তারা ছোট মাছ খেতে অনিচ্ছুক। কিন্তু মাছ দিয়ে তৈরি সরাসরি খাওয়ার উপযোগী খাদ্যদ্রব্যের প্রতি তাদের বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। তাই এ ধরনের পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে আমরা দীর্ঘদিন ধরে গবেষণা পরিচালনা করে আসছি। উৎপাদিত পণ্যেগুলোর গুণগত মান ও ভোক্তাদের পছন্দ যাচাইয়ের লক্ষ্যে গবেষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, পুষ্টি বিজ্ঞানী ও মৎস্য পণ্য প্রযুক্তিবিদদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ প্যানেলের মাধ্যমে পরীক্ষা করান। তাদের মতামত পরিসংখ্যানগতভাবে বিশ্লেষণ করে দেখেন, প্রায় সবগুলো পণ্যের মান অত্যন্ত ভালো এবং ভোক্তাদের পছন্দ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।’

এ বিষয়ে বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. ফাতেমা হক শিখা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ ধরনের খাদ্যপণ্য বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা গেলে দেশীয় পুষ্টিকর ছোট মাছগুলো সব শ্রেণির মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। যা বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

পানিতে ডুবে প্রথম শ্রেণির ২ ছাত্রীর মৃত্যু

পানিতে ডুবে প্রথম শ্রেণির ২ ছাত্রীর মৃত্যু

টিকটকারদের খপ্পরে পড়ে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার

টিকটকারদের খপ্পরে পড়ে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার

ট্রেনের ছাদে নিয়মিত ডাকাতি করতো রিশাদরা

ট্রেনের ছাদে নিয়মিত ডাকাতি করতো রিশাদরা

চলন্ত ট্রেনে ডাকাতি-হত্যা: গ্রেফতার আরও ৫

চলন্ত ট্রেনে ডাকাতি-হত্যা: গ্রেফতার আরও ৫

কাটা পড়তে পারে চাঁদপুরের ‘মিনি কক্সবাজার’

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৪৪

ইলিশের বাড়ি খ্যাত চাঁদপুরকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষায় মেঘনার পশ্চিম তীরে অবস্থিত ‘মিনি কক্সবাজার’ চরটি কেটে ফেলা হতে পারে। পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, চাঁদপুর শহররক্ষা বাঁধের জন্য এই চর হুমকি। ইতোমধ্যে পদ্মা থেকে শুরু করে মেঘনার ওই চ্যানেলটি নিয়ে গবেষণা শুরু করেছে ইনস্টিটিউট অব ওয়াটার মডেলিং (আইডব্লিউএম)।

সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব পর্যটন দিবসের আলোচনা সভায় এসব বিষয়ে কথা বলেন জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ।

সভায় জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নকিব আল হাসান বলেন, প্রাথমিক আইডিয়া হচ্ছে ওই চরটি কেটে ফেলার প্রয়োজন হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনও কিছু চূড়ান্ত হয়নি।

তিনি বলেন, আগের একটি প্রতিবেদনে এটি কাটার দরকারের কথা বলা হয়েছে। এরপর আমাদের বলা হয়েছে চরটি কাটার দরকার হলে গবেষণা করার জন্য। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আইডব্লিউএমর মাধ্যমে গবেষণা চলছে। তারা পদ্মা থেকে শুরু করে মেঘনার ওই চ্যানেলটি নিয়ে গবেষণা করছে। তাদের চার মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কাজটি শেষ করতে হবে। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী আমরা পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনা করবো।

জেলা প্রশাসক বলেন, মেঘনার পশ্চিম তীরে মিনি কক্সবাজার চাঁদপুর শহররক্ষায় গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সেখানে ভ্রমণপিপাসু মানুষের উপস্থিতি বাড়ছে। কিন্তু নদীর গতি ধারা এবং নাব্যতা ঠিক রাখতে চরটি দ্রুত কেটে ফেলতে হবে বলে নদী বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে এই চারটি থাকলে চাঁদপুর শহর রক্ষা বাঁধ হুমকির মুখে পড়বে। তাই অতি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গত কয়েক বছরে স্থানটি বিনোদনের কেন্দ্র হয়ে ওঠে

তিনি আরও বলেন, চাঁদপুর বড় স্টেশন মোলহেডের সৌন্দর্য বৃদ্ধির কারণে জেলা প্রশাসন ও পৌরসভা যৌথভাবে কাজ করেছে। কিন্তু রেল কর্তৃপক্ষ বলছে নিজেরাই সেখানে কাজ করবে। আমরা চাই এই স্থানটির গুরুত্ব এবং সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে ভালো কিছু করা হোক।

সভায় বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ইমতিয়াজ হোসেন, পুরানবাজার ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রতন কুমার মজুমদার, প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী, সাধারণ সম্পাদক রহিম বাদশা, সাবেক সভাপতি কাজী শাহাদাত ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা শাহনাজ প্রমুখ।

চাঁদপুরের তিন নদীর (পদ্মা, মেঘনা, ডাকাতিয়া) মোহনা বড় স্টেশন মোলহেড থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে পদ্মা ও মেঘনার মিলনস্থলের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের বালুময় একটি ভূমি মিনি কক্সবাজার হিসেবে পরিচিতি পায়। গত কয়েক বছরে স্থানটি বিনোদনের কেন্দ্র হয়ে ওঠে। ঢাকা-নারায়ণগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ ঘুরতে আসে। চারদিকে নদী ও দূর থেকে পর্যটন কেন্দ্রটি দক্ষিণ-পূর্বাংশে চাঁদপুর জেলা শহরকে এবং এর বিপরীত দিকে ছোট আকৃতিতে শরীয়তপুর জেলাকে ফুটিয়ে তুলেছে। যা বিশেষ আকর্ষণ। বিশেষ করে শীত মৌসুম থেকে শুরু করে বর্ষার আগ পর্যন্ত এখানে পর্যটকদের ভিড় থাকে।

/এএম/

সম্পর্কিত

জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতাসহ ৯৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতাসহ ৯৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

গভীর রাতে পালানো ৩৫ রোহিঙ্গাকে জঙ্গল থেকে আটক

গভীর রাতে পালানো ৩৫ রোহিঙ্গাকে জঙ্গল থেকে আটক

ভোগান্তি কমলো ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ৪ রেলপথের যাত্রীদের

ভোগান্তি কমলো ঢাকা-চট্টগ্রামসহ ৪ রেলপথের যাত্রীদের

টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ আটক ৩

টেকনাফে অস্ত্র ও ইয়াবাসহ আটক ৩

পাচারকালে ৪টি বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

আপডেট : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২২:৩৮

বাংলাদেশি পাসপোর্ট ভারতে পাচারের সময় এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই)। সোমবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আজগর আলী নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

আটক আজগর আলী ভারতের ২৪ পরগণা জেলার খিদিরপুর ফেন্সি মার্কেট এলাকার বাসিন্দা বলে জানিয়েছেন। আটকের সময় ওই তার সঙ্গে শাশুড়ি আফরোজা বেগমসহ আরও চার ভারতীয় নাগরিক ছিলেন।

বেনাপোল এনএসআইয়ের উপপরিচালক ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘সন্দেহবশত জিজ্ঞাসা করলে ওই ব্যক্তি কাছে থাকা পাসপোর্টের কথা স্বীকার করেন। পাসপোর্ট তাকে কে বহন করতে দিয়েছেন? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বেনাপোল এলাকার রাসেল নামে একটি ছেলে তাকে সেগুলো দিয়েছেন।’

আটক আজগর আলী বলেন, ‘আমাকে একজন লোক দিয়েছে ভারতে নিয়ে কুরিয়ার করতে। আমি ভারতে যাওয়ার সময় আমাকে বলে এটা ওপারে নিয়ে একটু কুরিয়ার করে দিও। সে কুরিয়ারের খরচ দিয়ে ব্যাঙ্গালারুর ঠিকানা দিয়ে আমার কাছে দেয়।’

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব বলেন, ‘একজনের পাসপোর্ট আরেক জন বহন করা অপরাধ। ভারতীয় আজগর হোসেন নামে ওই নাগরিককে বেনাপোল থানায় পাসপোর্টসহ হস্তান্তর করা হয়েছে।’

/এমএএ/

সম্পর্কিত

জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতাসহ ৯৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

জামায়াতের দুই শীর্ষ নেতাসহ ৯৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন

৬ মাসের ব্যবধানে ভুয়া চিকিৎসকের দ্বিতীয়বার কারাদণ্ড

৬ মাসের ব্যবধানে ভুয়া চিকিৎসকের দ্বিতীয়বার কারাদণ্ড

খুলনায় ৩০০৯ ছাত্রী বাল্যবিয়ের শিকার

খুলনায় ৩০০৯ ছাত্রী বাল্যবিয়ের শিকার

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

পাচারকালে ৪টি বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

পাচারকালে ৪টি বাংলাদেশি পাসপোর্টসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

৬ মাসের ব্যবধানে ভুয়া চিকিৎসকের দ্বিতীয়বার কারাদণ্ড

৬ মাসের ব্যবধানে ভুয়া চিকিৎসকের দ্বিতীয়বার কারাদণ্ড

খুলনায় ৩০০৯ ছাত্রী বাল্যবিয়ের শিকার

খুলনায় ৩০০৯ ছাত্রী বাল্যবিয়ের শিকার

ভাতিজার বিরুদ্ধে চাচাকে হত্যার অভিযোগ

ভাতিজার বিরুদ্ধে চাচাকে হত্যার অভিযোগ

নমুনা পরীক্ষার আড়াই কোটি টাকা আত্মসাৎ করলেন টেকনোলজিস্ট

নমুনা পরীক্ষার আড়াই কোটি টাকা আত্মসাৎ করলেন টেকনোলজিস্ট

সড়ক চার লেন করা নিয়ে নড়াইলে দুপক্ষের মাঝে উত্তেজনা

সড়ক চার লেন করা নিয়ে নড়াইলে দুপক্ষের মাঝে উত্তেজনা

ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন দুই শিক্ষিকা: পুলিশ

ফাঁদে ফেলে ব্ল্যাকমেইল করতেন দুই শিক্ষিকা: পুলিশ

পর্যটক টানতে সুন্দরবনে হচ্ছে ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র

পর্যটক টানতে সুন্দরবনে হচ্ছে ইকো-ট্যুরিজম কেন্দ্র

সর্বশেষ

এইচএসসি পাসেই চাকরি, বেতন ২২ হাজার ৫০০ টাকা

এইচএসসি পাসেই চাকরি, বেতন ২২ হাজার ৫০০ টাকা

সেই চালককে মোটরসাইকেল উপহার দিতে চায় শামসুল হক ফাউন্ডেশন

সেই চালককে মোটরসাইকেল উপহার দিতে চায় শামসুল হক ফাউন্ডেশন

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: জয়

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: জয়

কন্যা দিবস আর কন্যাশিশু দিবসের বিভ্রান্তি

কন্যা দিবস আর কন্যাশিশু দিবসের বিভ্রান্তি

ভবন থেকে ইট পড়ে পথচারীর মৃত্যু

ভবন থেকে ইট পড়ে পথচারীর মৃত্যু

© 2021 Bangla Tribune