X
রবিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২১, ৭ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

প্রতি সেমিস্টারে ৫ হাজার টাকা গুনতে হয় হাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের 

আপডেট : ১৩ আগস্ট ২০২১, ০২:০১

দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় বেশি পরীক্ষা ফি দিতে হয় হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের। ফলে নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য মাত্রাতিরিক্ত পরীক্ষা ফি গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হাবিপ্রবিতে সেমিস্টার পদ্ধতিতে একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সেমিস্টার পদ্ধতিতে প্রতি বছরে দুই সেমিস্টার করে চার বছরে মোট আট সেমিস্টার শেষ করতে হয় শিক্ষার্থীদের। প্রত্যেক সেমিস্টারে চূড়ান্ত পরীক্ষার সময় একটি নির্ধারিত পরীক্ষা ফি নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরীক্ষা ফি সেমিস্টার প্রতি পাঁচ হাজার টাকা করে এক বছরে দুই সেমিস্টারে প্রায় ১০ হাজার টাকা করে দিতে হয় শিক্ষার্থীদের।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই পরীক্ষা ফি প্রতি সেমিস্টারে পড়ানো সব কোর্সের মোট ক্রেডিট অনুযায়ী দিতে হয়। এ জন্য ক্রেডিট প্রতি ১৫০ টাকা করে অন্যান্য আরও আনুষঙ্গিক ফিসহ এক সেমিস্টারেই শিক্ষার্থীদের গুনতে হয় প্রায় পাঁচ হাজার টাকা। ফলে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা আসলেই কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়ে অনেকের। 

শিক্ষার্থীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসন সংকট থাকায় প্রতি মাসে মেস ভাড়া, খাবারসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ জোগাতেই যেখানে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে প্রতি সেমিস্টারে এত বেশি ক্রেডিট ফি বাবদ পরীক্ষা ফি দেওয়া তাদের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

অন্যান্য যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিস্টার পদ্ধতিতে একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হয় তাদের তুলনায় হাবিপ্রবির ক্রেডিট ফি অনেক বেশি হওয়ায় পরীক্ষার ফিও বেশি। হাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা যেখানে ক্রেডিট ফি প্রতি ১৫০ টাকা দিচ্ছে সেখানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিট ফি প্রতি দিতে হয় ৬৬ টাকা, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ টাকা, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬০ টাকা, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০ টাকা (গড়ে), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০ টাকা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০ টাকা, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০ টাকা, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১১০ টাকা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০০ টাকা এবং ডুয়েটে ক্রেডিট ফি প্রতি ২০ টাকা করে দিতে হয়। বেশকিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভাগ অনুযায়ী ক্রেডিট ফি আলাদা হওয়ায় এখানে গড় হিসাব দেখানো হয়েছে।

এদিকে, চলতি মাসের ৪ আগস্ট থেকে অনলাইনে চূড়ান্ত পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করেছে হাবিপ্রবি।  শুরু হওয়া অনলাইন পরীক্ষা জন্য নির্ধারিত ক্রেডিট ফি করোনাকালীন সময়ের জন্য হলেও আগের তুলনায় কিছুটা কমানোর দাবি জানিয়ে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। কিন্তু ক্রেডিট ফি না কমানোয় শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের গণমাধ্যমকর্মীদের সংগঠন হাবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি কর্তৃক আয়োজিত এক লাইভ অনুষ্ঠানে এ ব্যাপারে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম কামরুজ্জামানের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, পরীক্ষা ফি কমানোর ব্যাপারে আমরা আলোচনায় বসবো। ইতোমধ্যে করোনাকালীন সময়ের জন্য অকার্যকর ফি সমূহ মওকুফ করা হয়েছে। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে একাই সব সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। আমাকেও একটি কাঠামোর মধ্য দিয়ে যেতে হয়। পুরো বিষয়টি নির্ভর করবে হিসাব শাখা এবং সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্তের ওপর। তবে আশা করছি, খুব শিগগিরই শিক্ষার্থীদের জন্য সুখবর আসছে।

/এএম/

সম্পর্কিত

হাবিপ্রবিতে ছয় মাসের সেমিস্টার শেষ হবে ৪ মাসে 

হাবিপ্রবিতে ছয় মাসের সেমিস্টার শেষ হবে ৪ মাসে 

হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ‘হতাশার দেয়াল’ আর থাকছে না 

হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ‘হতাশার দেয়াল’ আর থাকছে না 

বৃত্তিপ্রাপ্তদের দিতে হবে না ক্রেডিট ফি  

বৃত্তিপ্রাপ্তদের দিতে হবে না ক্রেডিট ফি  

হাবিপ্রবির স্থগিত পরীক্ষা কাল বুধবার থেকে অনলাইনে শুরু

হাবিপ্রবির স্থগিত পরীক্ষা কাল বুধবার থেকে অনলাইনে শুরু

আবারও মুখর ঢাবির টিএসসি

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ২২:১১

প্রতিষ্ঠার শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রত্যক্ষ করে পৃথিবীর এক ভয়ংকর রূপ। পুরো বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও হানা দেয় মহামারি করোনা। অন্য দেশগুলোর মতো এখানেও থমকে যায় সব কিছু। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে শিক্ষার্থীদের ফিরতে হয় বাড়িতে। সুনসান হয়ে পড়ে পুরো ক্যাম্পাস। প্রায় দুই বছর এভাবেই থমকে ছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রাঙ্গণ।

তবে গত ৫ অক্টোবর শর্তসাপেক্ষ অনার্স চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খোলার পর থেকে আবারও জমে ওঠতে শুরু করে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি)। এরপর ১৭ অক্টোবর থেকে সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর পুরোদমে জমে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রাঙ্গণ। মানানসই চেনা রূপে ফিরে টিএসসি।

প্রায় দুই বছর পর শুক্রবার (২২ অক্টোবর) টিএসসিতে অনুষ্ঠিত কনসার্ট। তাছাড়া, গান-কবিতাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সহিংসতার প্রতিবাদ জানানো হয় এই প্রাঙ্গণে। যেন প্রাণ ফিরেছে এক মৃতপুরীতে!

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সামলান সাগর বলেন, "টিএসসি এমন একটি জায়গা যেখানে এলে আমাদের সকল ক্লান্তি-অবসাদ কেটে যায়। এখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটালেও কোনও ধরনের বিরক্তি আসে না। বহুদিন এই প্রিয় আঙ্গিনাটাকে মিস করেছি। ক্যাম্পাস খোলার পর আবার সেই চেনা রূপে প্রিয় আঙিনাকে দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগছে।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ফারিয়া শান্তা বলেন, "গত দেড় বছরে এই জায়গাটাকে, এর পরিবেশকে ভীষণ মিস করেছি। এখন আবারও টিএসসিকে সরব দেখে খুবই আনন্দিত।"

টিএসসি এলাকায় চা বিক্রি করেন কালাম হোসেন। তিনি বলেন, "এই দোকানের আয় দিয়ে সংসার চালাতে হয়। অনেকদিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় আয় অনেক কমে গিয়েছিলো। সংসার চালাতে খুবই কষ্ট হতো। বিশ্ববিদ্যালয় আবার খোলার পর আয় বেড়েছে। আগের চেয়ে একটু ভালো চলছি।"

/এমএস/

আবারও মুখর ঢাবির টিএসসি

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ২২:০২

প্রতিষ্ঠার শতবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রত্যক্ষ করে পৃথিবীর এক ভয়ংকর রূপ। পুরো বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও হানা দেয় মহামারি করোনা। অন্য দেশগুলোর মতো এখানেও থমকে যায় সব কিছু। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে শিক্ষার্থীদের ফিরতে হয় বাড়িতে। সুনসান হয়ে পড়ে পুরো ক্যাম্পাস। প্রায় দুই বছর এভাবেই থমকে ছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রাঙ্গণ।

তবে গত ৫ অক্টোবর শর্তসাপেক্ষ অনার্স চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খোলার পর থেকে আবারও জমে ওঠতে শুরু করে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি)। এরপর ১৭ অক্টোবর থেকে সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর পুরোদমে জমে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের এই প্রাঙ্গণ। মানানসই চেনা রূপে ফিরে টিএসসি।

প্রায় দুই বছর পর শুক্রবার (২২ অক্টোবর) টিএসসিতে অনুষ্ঠিত কনসার্ট। তাছাড়া, গান-কবিতাসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সহিংসতার প্রতিবাদ জানানো হয় এই প্রাঙ্গণে। যেন প্রাণ ফিরেছে এক মৃতপুরীতে!

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সামলান সাগর বলেন, "টিএসসি এমন একটি জায়গা যেখানে এলে আমাদের সকল ক্লান্তি-অবসাদ কেটে যায়। এখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটালেও কোনও ধরনের বিরক্তি আসে না। বহুদিন এই প্রিয় আঙ্গিনাটাকে মিস করেছি। ক্যাম্পাস খোলার পর আবার সেই চেনা রূপে প্রিয় আঙিনাকে দেখে সত্যিই খুব ভালো লাগছে।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ফারিয়া শান্তা বলেন, "গত দেড় বছরে এই জায়গাটাকে, এর পরিবেশকে ভীষণ মিস করেছি। এখন আবারও টিএসসিকে সরব দেখে খুবই আনন্দিত।"

টিএসসি এলাকায় চা বিক্রি করেন কালাম হোসেন। তিনি বলেন, "এই দোকানের আয় দিয়ে সংসার চালাতে হয়। অনেকদিন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকায় আয় অনেক কমে গিয়েছিলো। সংসার চালাতে খুবই কষ্ট হতো। বিশ্ববিদ্যালয় আবার খোলার পর আয় বেড়েছে। আগের চেয়ে একটু ভালো চলছি।"

/এমএস/

সম্পর্কিত

ঢাবির 'ঘ' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ঢাবির 'ঘ' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ঢাবি ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ঢাবি ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুক্রবার, প্রতি আসনে লড়বেন ২২ শিক্ষার্থী

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুক্রবার, প্রতি আসনে লড়বেন ২২ শিক্ষার্থী

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধ ও জড়িতদের বিচার দাবিতে শাহবাগে সমাবেশ

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধ ও জড়িতদের বিচার দাবিতে শাহবাগে সমাবেশ

১২ হাজার ভর্তি পরীক্ষার্থীর ৩৮০০ জনই অনুপস্থিত

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৭:২৭

কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কেন্দ্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (২৩ অক্টোবর) বেলা ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের  একাডেমিক ভবনগুলোতে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ৬৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ।

রাবির কলা অনুষদের ডিন ও ঢাবির ‘ঘ’ ইউনিটের রাবি কেন্দ্রের প্রধান অধ্যাপক ফজলুল হক বলেন, ‘ঢাবির ঘ ইউনিটে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ হাজার ছয় জন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আট হাজার ২০৬ পরীক্ষার্থী। তিন হাজার ৮০০ জন পরীক্ষা দিতে আসেননি। এই হিসাবে উপস্থিতির হার ৬৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ ও অনুপস্থিতির হার ৩১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

উল্লেখ্য, গত ১, ২ ও ২২ অক্টোবর যথাক্রমে ‘ক’ এবং ‘খ’ ও ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

/এফআর/

সম্পর্কিত

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার ‘এ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ

সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে নাট্য পরিবেশন (ফটোস্টোরি)

সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে নাট্য পরিবেশন (ফটোস্টোরি)

ঢাবির থিয়েটার বিভাগের ‘শৈল্পিক’ প্রতিবাদ

ঢাবির থিয়েটার বিভাগের ‘শৈল্পিক’ প্রতিবাদ

সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ ঢাবি শিক্ষক সমিতির

সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ ঢাবি শিক্ষক সমিতির

হল খোলার দাবিতে বুয়েট শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ২০:০৪

আগামী পহেলা নভেম্বরের মধ্যে আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস খুলে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) সকাল এগারোটায় বুয়েট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে এ দাবি জানায়। যে সকল শিক্ষার্থী অন্তত এক ডোজ করোনার টিকা পেয়েছে তাদের জন্য পহেলা নভেম্বরের মধ্যে হল-ক্যাম্পাস খুলে দেওয়ার আহ্বান জানায় শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, "আমরা জাতীয় দৈনিক সংবাদপত্রে দেখেছি বর্তমানে বুয়েটের ৮০ ভাগের বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী দুই ডোজ ভ্যাক্সিন গ্রহণ করেছে। শিক্ষার্থীদের মতে, এই সংখ্যাটি আরও বড়,  কেননা নানাবিধ সমস্যার কারণে অনেক শিক্ষার্থীই এখন পর্যন্ত বি.আই.আই.এস’র মাধ্যমে নিজের ভ্যাক্সিনেশনের অবস্থা জানাতে পারেনি। অর্থাৎ, বুয়েটের প্রায় সকল শিক্ষার্থীই এখন অন্তত এক ডোজ ভ্যাক্সিনপ্রাপ্ত। যেহেতু আগামী ১৩ নভেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হবে। আবাসিক হল না খুলে ক্লাস শুরু করলে গত সেমিস্টারের মতই অনেক শিক্ষার্থী ক্লাস করতে অপারগ হবে। তাই যত দ্রুত সম্ভব হল খুলে ক্লাস নেওয়া হোক।

হল খোলার স্বার্থে যদি কোন শিক্ষার্থীর ভ্যাক্সিন নেওয়া বাকি থাকে সেক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সেই শিক্ষার্থীর ভ্যাক্সিন নেওয়ার ব্যবস্থা করার দাবিও এসময় জানানো হয়।

মানববন্ধন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিদফতরের পরিচালক মিজানুর রহমান বরাবর ২৫০০ এর বেশি ছাত্রের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন তারা।

/এমএস/

সম্পর্কিত

আবারও মুখর ঢাবির টিএসসি

আবারও মুখর ঢাবির টিএসসি

আবারও মুখর ঢাবির টিএসসি

আবারও মুখর ঢাবির টিএসসি

১২ হাজার ভর্তি পরীক্ষার্থীর ৩৮০০ জনই অনুপস্থিত

১২ হাজার ভর্তি পরীক্ষার্থীর ৩৮০০ জনই অনুপস্থিত

ঢাবির 'ঘ' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ঢাবির 'ঘ' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ঢাবির 'ঘ' ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৫:১৩

সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত 'ঘ' ইউনিটের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শেষ হলো।

আজ শনিবার (২৩ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চলে ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত বিভাগ পরিবর্তন ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা।

সকাল সোয়া এগারোটায় সামাজিক বিজ্ঞান ভবনের দু'টি পরীক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে সাতটি বিভাগীয় শহরের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।  বেশ কয়েকজন উপাচার্য আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, তাদের পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সুন্দর ব্যবস্থাপনার মধ্যে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কোথাও কোনও অনাকাঙ্ক্ষিত তথ্য আমাদের কাছে নেই। আজকের ইউনিটটি সবচেয়ে বড় ইউনিটভিত্তিক পরীক্ষা। ১ লক্ষ ১৫ হাজারের অধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। তবে আসন সংখ্যা মাত্র সাড়ে পনের শ।"

প্রথম বর্ষের রেজাল্ট ও ক্লাস শুরু হওয়ার প্রশ্নে তিনি বলেন, "মহামারি পরবর্তী পরিস্থিতি বিবেচনায় ভর্তি কার্যক্রম অতি দ্রুত শেষ করা হবে। লস রিকভারি প্লানের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী আমরা সব কিছু শেষ করবো। তবে এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় যেহেতু গুণগত মানের দিকে সর্বোচ্চ নিয়মনীতি মেনে চলে, তাই অতি অল্প সময়ে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করা সম্ভব না। এছাড়াও লিখিত পরীক্ষা দিচ্ছে শিক্ষার্থীরা। সেই দিকটিও বিবেচনায় নিতে হচ্ছে আমাদের। তবে আমরা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় এবছর দ্রুততম সময়ে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে প্রথম বর্ষের ক্লাস শুরু করবো।"

এসময় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) ড. মোহাম্মদ সামাদ, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) ড. এএসএম মাকসুদ কামাল, প্রক্টর ড. একেএম গোলাম রব্বানী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সমন্নয়ক ড. সাদেকা হালিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এবার প্রথমবারের মতো রাজধানীর বাইরের সাতটি কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মোট আট বিভাগের ৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভর্তি পরীক্ষা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া রাজধানীর বাইরে আরও ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ে হচ্ছে এবারের ঢাবি ভর্তি পরীক্ষা।

ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সিলেট), বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (রংপুর) হচ্ছে ভর্তি পরীক্ষা।

/এমএস/

সম্পর্কিত

আবারও মুখর ঢাবির টিএসসি

আবারও মুখর ঢাবির টিএসসি

ঢাবি ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ঢাবি ‘গ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুক্রবার, প্রতি আসনে লড়বেন ২২ শিক্ষার্থী

ঢাবির ‘গ’ ইউনিটের পরীক্ষা শুক্রবার, প্রতি আসনে লড়বেন ২২ শিক্ষার্থী

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধ ও জড়িতদের বিচার দাবিতে শাহবাগে সমাবেশ

সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধ ও জড়িতদের বিচার দাবিতে শাহবাগে সমাবেশ

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

হাবিপ্রবিতে ছয় মাসের সেমিস্টার শেষ হবে ৪ মাসে 

হাবিপ্রবিতে ছয় মাসের সেমিস্টার শেষ হবে ৪ মাসে 

হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ‘হতাশার দেয়াল’ আর থাকছে না 

হাজী দানেশ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই ‘হতাশার দেয়াল’ আর থাকছে না 

বৃত্তিপ্রাপ্তদের দিতে হবে না ক্রেডিট ফি  

বৃত্তিপ্রাপ্তদের দিতে হবে না ক্রেডিট ফি  

হাবিপ্রবির স্থগিত পরীক্ষা কাল বুধবার থেকে অনলাইনে শুরু

হাবিপ্রবির স্থগিত পরীক্ষা কাল বুধবার থেকে অনলাইনে শুরু

ঈদে হাজী দানেশের বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা

ঈদে হাজী দানেশের বিদেশি শিক্ষার্থীদের ভিন্নরকম অভিজ্ঞতা

প্রথম দিনেই সেশনজট নিরসনে জোর দিলেন হাবিপ্রবি উপাচার্য

প্রথম দিনেই সেশনজট নিরসনে জোর দিলেন হাবিপ্রবি উপাচার্য

হাজী দানেশে দ্রুত উপাচার্য নিয়োগের আহ্বান

হাজী দানেশে দ্রুত উপাচার্য নিয়োগের আহ্বান

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের প্রতিবাদে হাবিপ্রবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুরের প্রতিবাদে হাবিপ্রবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

সর্বশেষ

ক্যাম্পে ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় মামলা

ক্যাম্পে ৬ রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় মামলা

উগ্রবাদের স্থান বাংলাদেশে হবে না: হানিফ

উগ্রবাদের স্থান বাংলাদেশে হবে না: হানিফ

মালদ্বীপে আকর্ষণীয় হলিডে প্যাকেজ ঘোষণা ইউএস-বাংলার

মালদ্বীপে আকর্ষণীয় হলিডে প্যাকেজ ঘোষণা ইউএস-বাংলার

‘ইলেকট্রনিক্স শিল্প গার্মেন্টসকে ওভারটেক করবে’

সালমান এফ রহমানের ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শন‘ইলেকট্রনিক্স শিল্প গার্মেন্টসকে ওভারটেক করবে’

এসডিজি অর্জনে ভূমিকা রাখবে উম্মুক্ত ডেটা

এসডিজি অর্জনে ভূমিকা রাখবে উম্মুক্ত ডেটা

© 2021 Bangla Tribune