X
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১০ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

বাংলাদেশে পঞ্চম বৃহত্তম বিনিয়োগকারী দক্ষিণ কোরিয়া

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:০৪

দক্ষিণ কোরিয়া এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত সুদৃঢ় উল্লেখ করে বাংলাদেশে নিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত লি জ্যাং কিয়ুন বলেছেন, ‘বাংলাদেশের পঞ্চম বৃহত্তম বিনিয়োগকারী দক্ষিণ কোরিয়া। সামনের দিনগুলোতে এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’

বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) ডিসিসিআইতে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সভাপতি রিজওয়ান রাহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন।

লি জ্যাং কিয়ুন জানান, দক্ষিণ কোরিয়ায় রফতানিকৃত বাংলাদেশি পণ্যের ৯৩ শতাংশই শুল্কমুক্ত সুবিধা ভোগ করে থাকে। তবে এলডিসি উত্তরণের পরবর্তী সময়ে বিশেষ করে দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশি পণ্যের বাজার ধরে রাখতে বাংলাদেশকে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের উদ্যোগ গ্রহণ করার আহ্বান জানান তিনি। 

রাষ্ট্রদূত জানান, ইতোমধ্যে ৭০টি দেশের সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার এফটিএ রয়েছে, যার মধ্যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন ও আশিয়ান উল্লেখযোগ্য। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাত কোরিয়ান উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। বাংলাদেশি পণ্যের রফতানি বাজার সম্প্রসারণে এ দেশের উদ্যোক্তাদের পণ্যে বহুমুখীকরণের ওপর আরও বেশি হারে গুরুত্বারোপের পরামর্শ দেন তিনি। রাষ্ট্রদূত দু’দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নয়নে বাণিজ্য সংগঠনসমূহের মধ্যকার যোগাযোগ আরও বৃদ্ধির আহ্বান জানান। 

এ সময় ডিসিসিআই সভাপতি রিজওয়ান রাহমান বলেন, ‘বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যিক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বর্তমানে আমাদের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২০-২১ অর্থবছরে দক্ষিণ কোরিয়ায় বাংলাদেশের রফতানির পরিমাণ ৩৯৮.৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।’ তিনি উল্লেখ করেন, দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্যোক্তারা ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ১০৩০.৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ করেছে এবং আশা প্রকাশ করেন, আগামীতে কোরিয়ান বিনিয়োগ আরও বৃদ্ধি পাবে।

ঢাকা চেম্বারের সভাপতি দক্ষিণ কোরিয়ার উদ্যোক্তাদের চামড়া ও পাদুকা, জাহাজ নির্মাণ, ওষুধ, তৈরি পোশাক খাতের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ, অটোমোবাইল ও অবকাঠামো, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ, বিদ্যুৎ এবং ইলেকট্রনিক্স প্রভৃতি খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যকার বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরে সহায়ক পরিবেশ তৈরিতে ডিসিসিআই এবং বাংলাদেশস্থ কোরিয়ান দূতাবাসকে একযোগে কাজ করার প্রস্তাব করেন ডিসিসিআই সভাপতি। রিজওয়ান রাহমান অবহিত করেন যে ডিসিসিআই এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এ বছরের ২৬ অক্টোবর থেকে সপ্তাহব্যাপী ‘বাংলাদেশ ব্যবসা ও বিনিয়োগ সম্মেলন’ আয়োজন করবে। সম্মেলনে বিটুবি সেশনসমূহে কোরিয়ার বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

ডিসিসিআই ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি এন কে এ মবিন, এফসিএস, এফসিএ এবং সহ-সভাপতি মনোয়ার হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

/জিএম/আইএ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

ডলারের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার

ডলারের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

বাংলাদেশ থেকে আরও সোর্সিং করুন: মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি

বাংলাদেশ থেকে আরও সোর্সিং করুন: মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি

রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড, দুই মাসে ১৪.৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড, দুই মাসে ১৪.৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

সৌদি খেজুর ও ভিয়েতনামের নারিকেল চাষে মিলবে ব্যাংক ঋণ

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২১:৫১

সৌদি আরবের খেজুর ও ভিয়েতনামের নারিকেলসহ নতুন চার ধরনের ফসল চাষে কৃষি ঋণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের কৃষি ঋণ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়, ২০২১-২০২২ অর্থবছরের কৃষি-পল্লি ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচিতে শস্য, ফসল, ফল-ফুল ইত্যাদির সঙ্গে সৌদি খেজুর, ভিয়েতনামের নারিকেল, সুইট কর্ন ও কফি চাষ অন্তর্ভুক্ত হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, সৌদি খেজুর চাষে (বাগান পরিচর্যার জন্য) একর প্রতি ১০ লাখ ৫ হাজার ৪০০ টাকার ঋণ পাবেন একজন কৃষক। ভিয়েতনামের নারিকেল উৎপাদনে একজন কৃষককে ৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা ঋণ দেওয়া হবে। সুইট কর্ন চাষে একরপ্রতি ৬৬ হাজার টাকা এবং কফি চাষ করার জন্য প্রতি একরে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ঋণ দেওয়া হবে কৃষককে।

সার্কুলারে আরও বলা হয়, সৌদি খেজুর, ভিয়েতনামের নারিকেল ও কফি চাষের জন্য সারা বছর ঋণ নিতে পারবেন কৃষক। তবে সুইট কর্নে ঋণ দেওয়া হবে বছরের ১৫ নভেম্বর-১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ঋণ পরিশোধের স্বাভাবিক সময়সীমা ফসল সংগ্রহের পর থেকেই শুরু হবে।

উল্লেখ্য, ২০২১-২০২২ অর্থবছরে ২৮ হাজার ৩৯০ কোটি টাকা কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরমধ্যে সরকারি খাতের ব্যাংক ১১ হাজার ৪৫ কোটি টাকা ও বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংক ১৭ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা বিতরণ করবে। গত অর্থবছরে ২৬ হাজার ২৯২ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে বিতরণ করা হয় ২৫ হাজার ৫১১ কোটি টাকা।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দেওয়ার পর চলতি বছরের এপ্রিলে কৃষি খাতের জন্য ৫ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই তহবিল থেকে হর্টিকালচার, ফুল, ফল, মৎস্য, পোলট্রি, ডেইরি ও প্রাণিসম্পদ খাতে গত ৩০ জুন পর্যন্ত ৪ হাজার ২৯৫ কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হয়।

করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় গত ১৪ সেপ্টেম্বর কৃষি খাতের জন্য দ্বিতীয় মেয়াদে প্রণোদনা ঋণ চালু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এবার কৃষি খাতের জন্য আরও ৩ হাজার কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করেছে নিয়ন্ত্রণ সংস্থাটি। এই তহবিল থেকে ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও বর্গাচাষিদের শস্য ও ফসল চাষের জন্য এককভাবে জামানত ছাড়াই ২ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে ব্যাংকগুলো। ঋণের সুদের হার আগের মতো ৪ শতাংশই থাকছে।

দ্বিতীয় পর্যায়ের এই তহবিলের অর্থও বাংলাদেশ ব্যাংক তার নিজস্ব উৎস থেকে সরবরাহ করবে। তহবিলের মেয়াদ হবে আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত।

/জিএম/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

এসক্রো সার্ভিসে আটকে থাকা টাকার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

এসক্রো সার্ভিসে আটকে থাকা টাকার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

টানা সাতদিন পর ঘুরে দাঁড়ালো শেয়ার বাজার

টানা সাতদিন পর ঘুরে দাঁড়ালো শেয়ার বাজার

‘ধোঁয়াহীন-দূষণমুক্ত রান্না ব্যবস্থা চালুর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে’

‘ধোঁয়াহীন-দূষণমুক্ত রান্না ব্যবস্থা চালুর প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে’

বুধবার ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ থাকবে

বুধবার ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ থাকবে

এনবিআরের ১৬৫ কর্মকর্তা বদলি

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২০:৫২

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআরের ১৬৫ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) শুল্ক ও ভ্যাট প্রশাসন-৩ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।

এনবিআরের দ্বিতীয় সচিব মো. আবুল হাসেমের সই করা নির্দেশনা অনুযায়ী, সারা দেশের শুল্ক, আবগারি ও ভ্যাটের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আগের কর্মস্থলে থাকতে পারবে না। তাদেরকে আগামী ২ নভেম্বরের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।

বদলীকৃত কর্মকর্তাদের তালিকা নিম্নরূপ:

১

২

৩

 

৪

৫

৬

৭

৬

৯

১০

/জিএম/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

সাত দিনব্যাপী ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’ শুরু হচ্ছে কাল

সাত দিনব্যাপী ‘ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’ শুরু হচ্ছে কাল

আবারও রাস্তায় বিনিয়োগকারীরা

আবারও রাস্তায় বিনিয়োগকারীরা

ব্যবসা বহুমুখীকরণে ভূমিকা রাখবে ব্লু ইকোনমি: সালমান এফ রহমান

ব্যবসা বহুমুখীকরণে ভূমিকা রাখবে ব্লু ইকোনমি: সালমান এফ রহমান

খোলা বাজারে ডলারের মূল্য ৯০ টাকা ছাড়ালো

খোলা বাজারে ডলারের মূল্য ৯০ টাকা ছাড়ালো

কেন বন্ধ হলো ঐতিহ্যবাহী ওপেক্স কারখানা?

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২০:৫৮

প্রায় ৪০ বছর আগে বাংলাদেশের সেরা ব্র্যান্ড ছিল ওপেক্স। গত কয়েক বছর ধুঁকে ধুঁকে শেষ পর্যন্ত বন্ধ হয়ে গেলো কাঁচপুরে প্রতিষ্ঠানটির কারখানা কমপ্লেক্স । গত ১৮ অক্টোবর ওপেক্স অ্যান্ড সিনহা টেক্সটাইল গ্রুপের কাঁচপুর শাখার কারখানা বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়। গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (প্রশাসন) কমান্ডার বানিজ আলী (অব.) স্বাক্ষরিত নোটিশে ১৯ অক্টোবর থেকে স্থায়ীভাবে কারখানা বন্ধের ঘোষণার কথা উল্লেখ করা হয়। পোশাক পণ্য প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিকেএমইএ এবং বিজিএমইএ সভাপতিকে এই নোটিশের অনুলিপি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর, শ্রম অধিদফতর, নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার, শিল্প পুলিশ ও সোনারগাঁ থানা বরাবর এর অনুলিপি দেওয়া হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ওপেক্স অ্যান্ড সিনহা টেক্সটাইল গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (প্রশাসন) কমান্ডার (অব.) বানিজ আলী বলেছেন,  সার্বিক বিবেচনায় কারখানা স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এখন শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

জানা গেছে, বস্ত্র ও পোশাক পণ্য তৈরিতে আশির দশকের শুরুতে যাত্রা করে ওপেক্স অ্যান্ড সিনহা টেক্সটাইল গ্রুপ। এর কর্ণধার উদ্যোক্তা আনিসুর রহমান সিনহা। ১৯৮৪ সালে ওপেক্স গ্রুপের মাধ্যমে পোশাক কারখানা গড়ে তোলেন তিনি।  ঢাকার অদূরে কাঁচপুরে বড় কারখানা গড়ে তুলেছিল গ্রুপটি। ৪৩ একর জমির ওপর তৈরি এই প্রতিষ্ঠানটি বস্ত্র ও পোশাক খাতে এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ শিল্পোৎপাদন ক্ষেত্র হিসেবেও স্বীকৃতি পেয়েছিল।

শুধু তা-ই নয়, বিদেশেও এর ব্যবসায়িক কার্যালয় খুলেছিলেন আনিসুর রহমান সিনহা। যুক্তরাজ্য, হংকং, চীন, জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রেও আছে ওপেক্স অ্যান্ড সিনহা টেক্সটাইলের কার্যালয়। যুক্তরাজ্যে আছে ওপেক্স ফ্যাশন লিমিটেড নামে লিয়াজোঁ অফিস। ২০১০ সালের মে মাসে প্রতিষ্ঠানটি চালু হয়। বিশ্বের সব নামকরা বড় ক্রেতার কাজগুলো সমন্বয় ও সম্প্রসারণের লক্ষ্যেই অফিসটি চালু করেছিলেন তিনি।

সিনহা টেক্সটাইল গ্রুপের মাধ্যমে পোশাক খাতের ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ শিল্পেও বিনিয়োগ করেন উদ্যোক্তা। এতে অল্প সময়ের মধ্যেই পশ্চিমা ক্রেতাদের নজর কেড়েছিলেন আনিসুর রহমান সিনহা।

তবে বেশ কিছু দিন ধরেই নগদ মূলধনের অভাব, ঋণ দায়, শ্রম অসন্তোষসহ নানামুখী সংকটে ভুগছিল কারখানা কমপ্লেক্সটি। করোনা শুরু হওয়ার পর এই সংকট আরও ঘনীভূত হয়।

এ প্রসঙ্গে বিকেএমইএ’র নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, আজ পোশাকশিল্পকে এতদূর নিয়ে আসার জন্য আনিসুর রহমান সিনহা এবং ওপেক্স অ্যান্ড সিনহা টেক্সটাইল গ্রুপের অবদান ব্যাপক। তার মতে, ঐতিহ্যবাহী এই কারখানাটি বন্ধ হওয়া খুবই দুর্ভাগ্যজনক। তিনি উল্লেখ করেন, কাঁচপুর শাখার শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা ও ক্ষতিপূরণ দিতে ৪৫-৫০ কোটি টাকা প্রয়োজন। জমিজমা বিক্রি করে আনিসুর রহমান সিনহা তাদের পাওনা পরিশোধের চেষ্টা করছেন।

এদিকে ওপেক্স কারখানা বন্ধ হলেও দেশের গার্মেন্টস সেক্টরে কোনও  প্রভাব পড়বে না বলে মনে করেন বিজিএমইএ পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল। তবে এটি  বন্ধের সিদ্ধান্ত আমাদের শিল্পের জন্য নেতিবাচক বলে মনে করেন তিনি।

মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, কারখানা বন্ধ ও চালু হওয়া স্বাভাবিক বিষয়। অনেকেই চালাতে না পারলে বন্ধ করে দেন। ওপেক্সের ক্ষেত্রেও তা-ই ঘটেছে। তবে শুরুর দিকে ওপেক্স ছিল দেশের ব্র্যান্ড। সে কারণে এত আলোচনা। এখন দেশে শত শত ব্র্যান্ডের পোশাক তৈরি হচ্ছে। শত শত গ্রিন ফ্যাক্টরি দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এদিকে নোটিশে স্থায়ীভাবে কারখানা বন্ধের বিষয়টি গ্রুপের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিককে জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ওপেক্স গ্রুপের স্বত্বাধিকারী ২০১২ সাল থেকে কাঁচপুরের সব কারখানায় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এরপরও ঋণ করে ও জমিজমা বিক্রির মাধ্যমে কারখানাটি চালু রাখা হচ্ছিল। কিন্তু করোনার কারণে অর্ডারের অভাব দেখা দেয়। আবার শ্রমিক-কর্মচারীদের বিশৃঙ্খলার পাশাপাশি নিম্নদক্ষতা ও সময়ে সময়ে কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ রাখায় কারখানার পরিবেশ বিনষ্ট হয়েছে। এতে মালিকের চরম আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। যার ফলে বর্তমানে কারখানাগুলো চালানো আর সম্ভব হচ্ছে না।

কারখানা চালিয়ে রাখার আর্থিক সামর্থ্য মালিকের নেই উল্লেখ করে নোটিশে বলা হয়, বাধ্য হয়ে শিল্প ও শিল্পসংশ্লিষ্ট সবার নিরাপত্তার স্বার্থে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ২৮(ক) ধারা অনুযায়ী ওপেক্স গ্রুপ, কাঁচপুর শাখার সব গার্মেন্ট ইউনিট ও ওয়াশিং প্লান্টসহ সংশ্লিষ্ট সব ইউনিট ১৯ অক্টোবর থেকে স্থায়ীভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হলো।

নোটিশে আরও বলা হয়, আইনের ভিত্তিতে বেতনসহ বিভিন্ন বকেয়া পরিশোধ করা হবে। সেক্ষেত্রে শ্রম মন্ত্রণালয়, শ্রম অধিদফতর, বিজিএমইএ ও শ্রমিক প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং পাওনা পরিশোধ করা হবে। শিগগিরই পাওনা পরিশোধের তারিখ ও করণীয় সম্পর্কে নেওয়া সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করা হবে।

জানা গেছে, একসময় কাঁচপুরের বিভিন্ন ইউনিটে ৪৫ হাজারেরও বেশি কর্মী কাজ করেছেন। এখন এই সংখ্যা ১৩-১৪ হাজারে নেমে এসেছে। বিশেষ করে গত তিন বছরে শ্রমিক অসন্তোষের মুখে পড়তে হয়েছে গ্রুপটিকে। এতে ছাঁটাই হয়েছেন পুরনো অনেক কর্মী। নিয়মিত কর্মীদের বেতন বকেয়াও পড়েছে। শুধু তা-ই নয়, কারখানা লে-অফের ঘটনাও ঘটেছে। করোনা পরিস্থিতিতে লে-অফ ঘোষণা করা হয়েছিল গত ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। পরে চলতি বছরের ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়।  এরপর কিছু ইউনিট চালু হলেও ১০ জুন থেকে আবারও শ্রমিক অসন্তোষে বাধাগ্রস্ত হয় উৎপাদন। এছাড়া গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঘটনাও ঘটে।

মূলত রানা প্লাজা ধস-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে কারখানাগুলো ধুঁকতে শুরু করে।। কারখানা মূল্যায়নে নিয়োজিত জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স অযাচিতভাবেই গ্রুপের কারখানা ইউনিটগুলোর ভবনের ত্রুটি নিয়ে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে করে। আগে অনেক বড় ক্রেতা ওপেক্স অ্যান্ড সিনহায় কাজ দিতো। গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের অনেকে বলেছেন, আনিসুর রহমান সিনহার ব্যবসা আরও কঠিন করে তুলেছে ব্যাংক ঋণের দায়। রানা প্লাজা ধসের আগে তার বড় আকারের ব্যাংক ঋণ ছিল না। রানা প্লাজা ধস-পরবর্তী ব্যাংকে দেনা বেড়েছে। এ অবস্থায় শ্রেণিকৃত ঋণগুলো পুনর্গঠনের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন এ ব্যবসায়ী।
জানা গেছে, কয়েক বছর ধরেই ওপেক্স অ্যান্ড সিনহা টেক্সটাইল গ্রুপের কারখানায় প্রায়ই শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিচ্ছিল। অনেক ক্ষেত্রে আইনে উল্লেখ না থাকলেও বিভিন্ন সুবিধা দিতে বাধ্য হয়েছেন কর্তৃপক্ষ। শেষ পর্যন্ত আর্থিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় কারখানাটি বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছেন তিনি।

/এমআর/এমওএফ/

সম্পর্কিত

বাংলাদেশ থেকে আরও সোর্সিং করুন: মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি

বাংলাদেশ থেকে আরও সোর্সিং করুন: মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি

পোশাক রফতানি বেড়েছে ৪১ দশমিক ৬৬ শতাংশ

পোশাক রফতানি বেড়েছে ৪১ দশমিক ৬৬ শতাংশ

পোশাক রফতানিতে ভিয়েতনামের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

পোশাক রফতানিতে ভিয়েতনামের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

এসক্রো সার্ভিসে আটকে থাকা টাকার বিষয়ে যা বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ২০:০৯

এসক্রো সার্ভিসে আটকে থাকা ২১৪ কোটি টাকা ফেরত টাকা ফেরতের বিষয়টি বড় ইস্যু হয়ে গেছে। এটার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক দেখবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সোমবার (২৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ই-কমার্স নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছে, যাদের টাকা আটকে আছে, জুলাই মাস থেকে সেগুলো যেন তাদের কাছে ফেরত যায়। এ বিষয়ে যেসব আইনি জটিলতা আছে, সেগুলো নিয়ে আমরা কথা বলেছি। ব্যবস্থা নিচ্ছি, একটু সময় লাগবে। জুলাই থেকে পেমেন্ট দেওয়া শুরু হবে। সে লক্ষ্যে কাজ চলছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি জানান, গত ৩০ জুন এসক্রো সার্ভিসের নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়। ১ জুলাই থেকে যেসব ট্রানজেকশন হয়েছে, সে ট্রানজেকশনের বিপরীতে টাকাগুলো ব্লক করা আছে। যেটা ডেলিভারি হয়নি, সে টাকাটা পেমেন্ট গেটওয়ের কাছে আছে। সুতরাং সেক্ষেত্রে কাস্টমার ও টাকার পরিমাণ আইডেন্টিফাইড। সেগুলো আমরা আইনি জটিলতা কাটিয়ে ফেরতের ব্যবস্থা করবো। যেটা এসক্রো অ্যাকাউন্টে আছে, সে টাকাটা দেওয়া হবে। যে টাকা ই-কমার্স কোম্পানি নিয়েছে, সেটা তো বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে নেই, সেটা বাংলাদেশ ব্যাংক দিতে পারবে না।

/এসআই/এমআর/

সম্পর্কিত

সৌদি খেজুর ও ভিয়েতনামের নারিকেল চাষে মিলবে ব্যাংক ঋণ

সৌদি খেজুর ও ভিয়েতনামের নারিকেল চাষে মিলবে ব্যাংক ঋণ

বুধবার ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ থাকবে

বুধবার ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ থাকবে

জনতা ব্যাংকের যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালির একচেঞ্জ হাউজ বন্ধের সুপারিশ

জনতা ব্যাংকের যুক্তরাষ্ট্র ও ইতালির একচেঞ্জ হাউজ বন্ধের সুপারিশ

সেবা খাতের আয় দেশে আনার পদ্ধতি আরও সহজ হলো

সেবা খাতের আয় দেশে আনার পদ্ধতি আরও সহজ হলো

অনিবন্ধিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান বন্ধ হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২১, ১৯:২৮

নিবন্ধন না করলে ব্যবসা থেকে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘আউট’ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সোমবার (২৫ অক্টোবর) সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ই-কমার্স নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

এ সভায় প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘আইসিটি বিভাগ থেকে সব ব্যবসায়ীকে ইউনিক বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর দেওয়া হবে। যারা নিবন্ধন করবে না, তারা ব্যবসা থেকে ‘আউট’ হয়ে যাবে। এ নিবন্ধন করতে কোনও খরচ লাগবে না।’’

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আইনগতভাবে চেক করার জন্য সেন্ট্রাল লজিস্টিক ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্মের (সিএলটিপি) ব্যবস্থা করতে হবে। সেন্ট্রাল ম্যানেজমেন্ট কপ্লেইন সিস্টেম, কোথাও কারও অভিযোগ থাকলে, এখানে আসবে। আইসিটি বিভাগ আগামী তিন মাসের মধ্যে এসব করে দেবে। আগামী দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে তারা ফলোআপ দেবে।’

তিনি বলেন, ‘ইভ্যালি ছাড়া অন্য যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে একটা নির্দেশনা এসেছে, বিশেষ করে ইভ্যালির ব্যাপারে। এটা একটা গাইডলাইন, এটা দিয়ে আমরা শুরু করতে পারি।’

টিপু মুনশি বলেন, ‘যুবক’ ও ‘ডেসটিনি’র স্থাবর সম্পত্তি আছে, সে সম্পত্তি তারা নিয়ে যেতে পারেনি। কিছু ক্যাশ তারা নিয়ে গেছে। আইনি প্রক্রিয়ায় সে সম্পত্তি রিলিজ করা গেলে এবং সেটার দাম পাওয়া গেলে, আদালত নির্দেশ দিলে, দেওয়া যেতে পারে।’ তবে এসব প্রতিষ্ঠানের অনেক প্রপার্টি বেদখল হয়ে আছে বলেও জানান তিনি।

 

/এসআই/এপিএইচ/

সম্পর্কিত

‘বাণিজ্যমন্ত্রী না ব্যবসায়ী’

‘বাণিজ্যমন্ত্রী না ব্যবসায়ী’

ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিটে অংশ নেবে ৩৮ দেশ

ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিটে অংশ নেবে ৩৮ দেশ

মানুষ লোভ সামলাতে না পেরে ফাঁদে পা দিয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

মানুষ লোভ সামলাতে না পেরে ফাঁদে পা দিয়েছে: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেনা পরিশোধে ইভ্যালির সঙ্গে কথা বলবেন বাণিজ্যমন্ত্রী

দেনা পরিশোধে ইভ্যালির সঙ্গে কথা বলবেন বাণিজ্যমন্ত্রী

সম্পর্কিত

উসকানি থামান, আলোচনায় বসুন: উ.কোরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্র

উসকানি থামান, আলোচনায় বসুন: উ.কোরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্র

ডলারের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার

ডলারের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার

কক্ষপথে স্যাটেলাইট বসাতে ব্যর্থ হলো দ. কোরিয়া

কক্ষপথে স্যাটেলাইট বসাতে ব্যর্থ হলো দ. কোরিয়া

প্রথম মহাকাশ রকেট উৎক্ষেপণ দ. কোরিয়ার

প্রথম মহাকাশ রকেট উৎক্ষেপণ দ. কোরিয়ার

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর কথা স্বীকার উত্তর কোরিয়ার

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর কথা স্বীকার উত্তর কোরিয়ার

দক্ষিণ কোরিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

দক্ষিণ কোরিয়া গেলেন সেনাপ্রধান

মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি স্যামসাং প্রধান

মাদক সংক্রান্ত অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি স্যামসাং প্রধান

সর্বশেষ

সাইবার হামলার অভিযোগ ইরানের, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন

সাইবার হামলার অভিযোগ ইরানের, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন

ভেলা বিলে অবমুক্ত করা হলো ৮৫ পাখি

ভেলা বিলে অবমুক্ত করা হলো ৮৫ পাখি

শিক্ষাকে জীবন ও সংস্কৃতিমুখী করা হচ্ছে: ডা. দীপু মনি

শিক্ষাকে জীবন ও সংস্কৃতিমুখী করা হচ্ছে: ডা. দীপু মনি

একটি সেতুর জন্য পাঁচ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

একটি সেতুর জন্য পাঁচ গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

ক্ষতিপূরণ না পেয়ে মেয়র আতিকের বিরুদ্ধে রিট

ক্ষতিপূরণ না পেয়ে মেয়র আতিকের বিরুদ্ধে রিট

সৌদি খেজুর ও ভিয়েতনামের নারিকেল চাষে মিলবে ব্যাংক ঋণ

সৌদি খেজুর ও ভিয়েতনামের নারিকেল চাষে মিলবে ব্যাংক ঋণ

মাংস খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষে নববধূকে তালাক, পরদিন ফের বিয়ে

মাংস খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষে নববধূকে তালাক, পরদিন ফের বিয়ে

মীরসরাইয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ

মীরসরাইয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীর অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগ

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

ডলারের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার

ডলারের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ চায় চট্টগ্রাম চেম্বার

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

আজ ব্যাংক ও শেয়ার বাজার বন্ধ

বাংলাদেশ থেকে আরও সোর্সিং করুন: মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি

বাংলাদেশ থেকে আরও সোর্সিং করুন: মার্কিন ক্রেতাদের প্রতি বিজিএমইএ সভাপতি

রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড, দুই মাসে ১৪.৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড, দুই মাসে ১৪.৫৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

যেকোনও কোম্পানির আর্থিক হিসাব যাচাই করতে পারবে এনবিআর

যেকোনও কোম্পানির আর্থিক হিসাব যাচাই করতে পারবে এনবিআর

© 2021 Bangla Tribune