X
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৩ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

এত উন্নয়নের পরেও সমালোচনা শুনতে পাই: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৫:২৮

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, পঁচাত্তর পরবর্তী সামরিক শাসকেরা উন্নয়ন না করলেও ব্যাপক প্রচার পেয়েছিল। অপরদিকে স্বাধীনতার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের উন্নয়নে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। কিন্তু সেটার প্রচার পায়নি।  তিনি বলেন, ‘এখনও আমি এত উন্নয়ন করার পরেও কিছু লোকের মুখে সমালোচনা  শুনি।’

রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) পাঁচটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে তিনি তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর বারবার ক্ষমতা বদল, হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে একের পর এক ১৯টি ক্যু হয়েছে এই দেশে। ক্ষমতা সেনানিবাসে সামরিক শাসকদের হাতে, ডাইরেক্টলি বা ইনডাইরেক্টলি। অভার্টলি অর কভার্টলি। তাদের হাতেই ক্ষমতা। ক্ষমতাকে তারা ভোগের বস্তু বানিয়েছে। কিছু চাটুকারের দল, তোষামোদি-খোশামোদি সৃষ্টি করে তাদের নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে। দেশের মানুষের কল্যাণে বা উন্নয়নে তাদের কোনও অবদান ছিল না। কিন্তু প্রচার পেয়েছে ব্যাপক।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু এত উন্নয়নের কাজ করে গেছেন, সেখানে ঠিক উল্টো প্রচার করা হতো। যেটা এখনও আমি এত উন্নয়ন করার পরেও কিছু কিছু লোকের মুখে, কিছু কথা যখন শুনি। সেই সব সুরের প্রতিধ্বনিটাই যেন আমি শুনতে পাই। সেই সব শ্রেণির লোকেরাই কিন্তু সমালোচনা, কিংবা বলেই যায়। যদিও আমি এসব পরোয়া করি না। দেশের জন্য কাজ করতে হবে। মানুষের জন্য কাজ করতে হবে। কারণ, যে স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছেন সেটা বাস্তবায়ন করতে হবে।’

১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন দলের সভাপতি শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘সেই সময় নিয়ম ছিল শুধু সরকারি উদ্যোগে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে। আমি তখন উদ্যোগ নিলাম বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য। এ জন্য আইন ও নীতিমালা করলাম, এমনকি ছোট ছোট বিদ্যুৎকেন্দ্র যাতে করতে পারে।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘আমি বিদ্যুৎ খাত সম্পূর্ণ বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করলাম। সেই সঙ্গে বিদেশি বিনিয়োগও আনলাম। আমার হাতে প্রথম বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র মেঘনা ঘাটে ৪৫০ মেগাওয়াট এবং হরিপুরে ৩৬০ মেগাওয়াট। এগুলো আমেরিকার ইএস কোম্পানি উৎপাদন করেছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া জন্য বিশেষ আইনও আমরা করেছি। যদিও এসব কারণে অনেক সমালোচনা শুনতে হয়েছে। শুধু সমালোচনা না ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর আমার বিরুদ্ধে এক ডজন মামলাও দিয়েছিল। যে কয়টা ভালো কাজ করেছি, তার সব কয়টার জন্য মামলা খেয়েছি। আবার ২০০৭ সালেও মামলা খেয়েছি। আমাদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টাও (তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী) আমার সঙ্গে আসামি ছিলেন। আমরা কাজও করেছি। আবার এই ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছি। কিন্তু থেমে থাকিনি।’

বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে আলো জ্বালানো সরকারের লক্ষ্য জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা সরকারি বা বেসরকারি কিংবা যৌথভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছি। শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন করলেই হবে না। এর জন্য সঞ্চালন লাইন প্রয়োজন। সেটাও আমরা নির্মাণ করে যাচ্ছি। পল্লীবিদ্যুৎ আগে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারতো না। তাদের সরকারি বিদ্যুৎ থেকে কিনে নিতে হতো। এখন আমরা তাদের সেই সুযোগটা দিয়ে দিয়েছি। তারা নিজেরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সঞ্চালন করতে পারবে।’

বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন সরকার প্রধান। তিনি বলেন, ‘আমাদের একটাই লক্ষ্য দেশের গ্রামে গ্রামে বিদ্যুৎ পৌঁছাক। কারণ, একমাত্র বিদ্যুৎ দিলেই মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তাদের উন্নতির বিষয়টি আমরা সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ পেলে মানুষ নিজের কর্মসংস্থান করতে পারে। বিদ্যুৎ যদি সারা বাংলাদেশে না পৌঁছাতে পারি, তাহলে ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা করতে পারবো না। মানুষ তার সুফল পাবে না।’

বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিএনপি-জামায়াত সরকারের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে মানুষ বিদ্যুতের জন্য আন্দোলন করেছিল বলে তাদের গুলি করে হত্যা করা হলো। এটা অবশ্য বিএনপির চরিত্র। কারণ, কৃষকরা যখন সারের দাবিতে আন্দোলন করলো, তখন ১৮ জন কৃষককে হত্যা করেছিল।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে একটি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র ছিল। ২০১৩ সালে যখন অগ্নিসন্ত্রাস শুরু করে, তখন সেই বিদ্যুৎকেন্দ্রটা শুধু আগুন দিয়ে পুড়িয়েই দেয়নি, সেখানে কর্মরত প্রকৌশলীকেও পুড়িয়ে হত্যা করে। মানুষকে দিতে পারে না, কিন্তু তাদের জীবন নিতে আর ধ্বংস করতে পারে। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।’

সরকার প্রধান বলেন, ‘বিদ্যুৎ চালিত মেট্রোরেল চালু হবে। পর্যায়ক্রমে আমরা বিদ্যুৎচালিত বাসের ব্যবস্থা করতে পারবো। বিদ্যুৎচালিত গাড়ি হয়তো দেশেই উৎপাদন করতে পারবো। রেলকে ধীরে ধীরে বিদ্যুতে নিয়ে আসবো। এ রকম অনেক পরিকল্পনা আমাদের ভবিষ্যতের জন্য রয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন যেমন বাড়ছে, ঠিক তেমনই ব্যবহারও বাড়ছে। আমাকে গ্রামের একজন বললো—‘আপা, ভাত এখন চুলায় রান্না করি না, রাইস কুকারে রান্না করি।’ আমরা যেকোনও পরিকল্পনা গ্রহণ করলে অবশ্যই আমরা বিশেষভাবে পরিবেশের দিকে খেয়াল রাখি। পরিবেশ রক্ষার ব্যবস্থা নিয়েই সব সময় আমাদের পদক্ষেপ গ্রহণ করি।’’

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ‘এখন অনেকেই অর্থশালী ও সম্পদশালী হয়ে গেছেন। আপনারা বিল দেবেন, বিদ্যুৎ ব্যবহার করবেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, আমরা যে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছি, তার খরচটা অনেক বেশি। আমরা গ্রাহক সেবা দেওয়ার জন্য ব্যাপক হারে ভর্তুকি দিচ্ছি। উৎপাদনের খরচ বিল হিসেবে দিতে হচ্ছে না। অনেক কম টাকা বিল নেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে সবাই বিদ্যুৎ ব্যবহারে সচেতন হবেন।’

তিনি বলেন, ‘মানুষের আর্থিক সঙ্গতি বেড়েছে। ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে। গ্রামের মানুষ টিভি, ফ্রিজ এমনকি এসিও ব্যবহার করছে। মানুষের সক্ষমতা আস্তে আস্তে গড়ে উঠছে। সেটা আরও গড়ে উঠুক সেটাই আমি চাই। এই বৈষম্যটা যেন থাকে না। মানুষ যেন সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা পায়। ব্যবহারের সময় সাশ্রয়ী না হলে কত ভর্তুকি আমরা দিতে পারবো! সেটা দেখতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি যখন বের হই। তখন যেখানে যেখানে অপ্রয়োজনীয় সুইচগুলো বন্ধ করি। আমি জানি গণভবন সরকারি। এখানকার নিয়ম হচ্ছে সব জ্বালিয়ে রাখা। কিন্তু আমি যতটুকু জায়গায় থাকি, সেটার সাশ্রয়টা সঠিকভাবে করে রাখি, অভ্যাসটা ঠিক রাখি। কারণ, চিরদিনই কেউ প্রধানমন্ত্রী থাকে না। এটা তো পাঁচ বছরের জন্য আসে। এরপর আর থাকবো না। তখন তো নিজের মতোই চলতে হবে। কিন্তু অভ্যাসটা নষ্ট করে তো লাভ নাই।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা করোনার টিকা দিচ্ছি। এটা ব্যাপক হারে দেবো। কেউ বাদ যাবে না। সেই ব্যবস্থাও নিচ্ছি। টিকা নেওয়ার পরেও করোনা দেখা দেয়। লক্ষণ দেখা দেয় না। নিজে হয়তো বুঝতে পারছেন না, কিন্তু অন্যকে সংক্রমিত করে দিচ্ছেন। সে ক্ষেত্রে সবাইকে সচেতন হতে হবে। স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের উন্নয়নে আমরা নানান পরিকল্পনা করেছি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম যারা আসবে, দেশের উন্নয়নের গতিটা এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেটাই আমরা চাই। এমন কেউ না আসে, যাতে আবার এই বাংলাদেশকে দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করে। বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ, বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে সম্মানের সঙ্গে চলবে এবং চলমান থাকে, সেই পরিকল্পনা আমরা করে দিয়েছি।’

রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) উদ্বোধন করা পাঁচটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে তিনটি সরকারি, আর দুটি বেসরকারি। এতে জাতীয় গ্রিডে ৭৭৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত হয়েছে। সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো হলো—হবিগঞ্জের বিবিয়ানা-৩৪০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্র, বাগেরহাটে মধুমতী ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সিলেটের ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ১৫০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রে উত্তরণ। আর বেসরকারি দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো—জুলদা চট্টগ্রাম ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র ইউনিট-২ এবং নারায়ণগঞ্জে মেঘনা ঘাট ১০৪ মেগাওয়াট পাওয়ার প্ল্যান্ট।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী বীর বিক্রম, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এবং বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াসেকা আয়েশা খান। গণভবন থেকে অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

 

/পিএইচসি/এপিএইচ/এমওএফ/

সম্পর্কিত

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর অংশগ্রহণ চান প্রধানমন্ত্রী

শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর অংশগ্রহণ চান প্রধানমন্ত্রী

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

সহায়তা পাচ্ছে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজার পরিবার

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৯:৪৭

নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৪ সদস্যের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা, পাঁচ সদস্যের পরিবারকে ৬০ হাজার ও ছয় সদস্যের পরিবারকে ৭৫ হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হবে। ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, চাঁদপুর, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, জামালপুর বাগেরহাট, নড়াইল ও সুনামগঞ্জ জেলার ৯৬ উপজেলার নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজার ৯৪টি পরিবারকে এ সহায়তা দেওয়া হবে।

এ জন্য সম্প্রতি ৯৬ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অনুকূলে ৫০ কোটি টাকার বরাদ্দ মঞ্জুর করেছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়। ইতিমধ্যেই বিষয়টি সম্পর্কে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে মন্ত্রণালয় থেকে অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, ইউএনওরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে সহায়তার এ অর্থ বিতরণ কার্যক্রম শেষে অর্থের পরিমাণসহ উপকারভোগীদের তালিকা (পরিবার প্রধানের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি) সংবলিত প্রতিবেদন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরে পাঠাবেন। চিঠিতে আরও বলা হয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সার্বিক কার্যক্রম পরিবীক্ষণ করবে ও বরাদ্দ করা অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে যাবতীয় আর্থিক বিধিবিধান ও নিয়মাচার যথাযথভাবে প্রতিপালন করবে।

চিঠিতে আরও এতে বলা হয়, চলতি অর্থবছর (২০২০-২১) বাজেটের অর্থবিভাগ ‘নদীভাঙন কবলিত এলাকার জনসাধারণের জন্য পুনর্বাসন তহবিল’র অধীনে বিশেষ অনুদান খাত থেকে বরাদ্দ কৃত ১০০ কোটি টাকা থেকে ‘নদীভাঙন কবলিত এলাকার জনসাধারণের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পুনর্বাসন সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়নে বিদ্যমান নির্দেশিকা অনুযায়ী নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলাভিত্তিক প্রণীত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত পরিবারগুলোর মধ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বণ্টনের জন্য ৩১ জেলার ৯৬ ইউএনও’র অনুকূলে ৫০ কোটি টাকা মঞ্জুরি দেওয়া হলো।

 

আরও পড়ুন

শুধু বরাদ্দে ভাঙন থামবে?

৫৫ হাজার পরিবার নিঃস্ব, ক্লান্ত

ভিটেহারা মানুষগুলো আর ফিরে যেতে পারে না

/এসআই/এমআর/

‘পিসিআর ল্যাব বসাতে একটি প্রতিষ্ঠান শিগগিরই কাজ শুরু করবে’

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:২৭

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাব বসানোর জন্য অনুমোদিত সাতটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার দ্রুত মোবাইল ল্যাব স্থাপন করে শিগগিরই করোনা পরীক্ষা চালু করবে। 

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ বিমানবন্দরে পিসিআর ল্যাবের জন্য নির্ধারিত স্থান পরিদর্শনে গেলে তাকে একথা জানান সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান। 

বিমানবন্দরের পার্কিং ইয়ার্ডে সাইট পরিদর্শনের সময় মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালক মো. শহীদুল আলম উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় সিভিল অ্যাভিয়েশনের চেয়ারম্যান আশ্বস্ত করেন, আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে ল্যাব স্থাপনসহ আরটি পিসিআর কার্যক্রম শুরু হবে।

তিনি আরও জানান, ল্যাব স্থাপনের জন্য নির্বাচিত একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার নির্ধারিত স্থানে মোবাইল ল্যাব স্থাপন করে শিগগিরই করোনা পরীক্ষা শুরু করবে। 

এরপর তারা বিমানবন্দরে স্থাপিত প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক পরিদর্শন ও প্রবাসী কর্মীদের জন্য প্রদেয় সেবা কার্যক্রম তদারকি করেন এবং মুজিব কর্নার পরিদর্শন করেন।

/এসও/এনএইচ/

সম্পর্কিত

সহায়তা পাচ্ছে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজার পরিবার

সহায়তা পাচ্ছে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজার পরিবার

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে নদীর তীর রক্ষা করা কঠিন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে নদীর তীর রক্ষা করা কঠিন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে নদীর তীর রক্ষা করা কঠিন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৫১

অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে নদীর তীর রক্ষা করা কঠিন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। তিনি মনে করেন, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন নদীতীরকে ভাঙনপ্রবণ করে তুলে।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর গ্রিনরোডস্থ পানি ভবন অডিটোরিয়ামে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় উদ্যোগে ‘প্রকল্প বাস্তবায়ন ও সুশাসন বিষয়ক’ মতবিনিময় সভায় পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী কর্নেল (অব.) জাহিদ ফারুক এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কবির বিন আনোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, কৃষি পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।

এসময় অতিরিক্ত সচিব আলম আরা বেগম, মন্ত্রণালয় অধীনস্থ সকল সংস্থাপ্রধান,পানি উন্নয়ন বোর্ডের সকল অতিরিক্ত মহাপরিচালক ও প্রধান প্রকৌশলীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম বলেন, আবাসন, গাড়িসহ বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার মধ্যে প্রকৌশলীরা দুর্যোগ মোকাবেলায় কাজ করছেন। নির্ধারিত সময়ে প্রকল্প বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় সবসময় আন্তরিক।

এর আগে প্রকল্প বাস্তবায়ন বিষয়ে নানা দিক নির্দেশনা দিয়ে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক ফজলুর রশিদ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন। কারিগরি আলোচনা করেন পরিকল্পনা কমিশনের অতিরিক্ত সচিব ড. সাঈদ হাসান শিকদার।

/এসআই/এমআর/

সম্পর্কিত

সহায়তা পাচ্ছে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজার পরিবার

সহায়তা পাচ্ছে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ৫১ হাজার পরিবার

‘পিসিআর ল্যাব বসাতে একটি প্রতিষ্ঠান শিগগিরই কাজ শুরু করবে’

‘পিসিআর ল্যাব বসাতে একটি প্রতিষ্ঠান শিগগিরই কাজ শুরু করবে’

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

সাড়ে তিন মাস পর সর্বনিম্ন শনাক্ত

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৭:৩৯

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ১৯০ জন। এর আগে গত ২৯ মে এক হাজার ৪৩ জন শনাক্তের খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। সে হিসাবে সাড়ে তিন মাসের বেশি সময় পর করোনায় সর্বনিম্ন রোগী শনাক্ত দেখলো দেশ। 

এছাড়া একদিনে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু এবং শনাক্তের হারও কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৩৫ জন, যা গতকাল ছিল ৩৮ জন। একই সময়ে রোগী শনাক্তের হার ছয় দশমিক পাঁচ শতাংশ, যা কিনা গতকাল ছিল ছয় দশমিক ৪১ শতাংশ।

শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত হওয়া এক হাজার ১৯০ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত হলেন ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৩০০ জন। একই সময়ে মারা যাওয়া ৩৫ জনকে নিয়ে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট মারা গেলেন ২৭ হাজার ১৮২ জন।

আর করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৬৪৫ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মোট ১৪ লাখ ৯৮ হাজার ৬৫৪ জন সুস্থ হলেন বলে জানাচ্ছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। 

একদিনে করোনায় রোগী শনাক্তের হার ছয় দশমিক পাঁচ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৩৭ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ২৩ শতাংশ আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার এক দশমিক ৭৬ শতাংশ। 

একই সময়ে করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ১৯ হাজার ৮৯৬টি আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৯ হাজার ৬৬৮টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৩টি, এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৬৯ লাখ ৫০ হাজার ৪৪৫টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ২৪ লাখ ৬২ হাজার ৫৮৮টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৩৫ জনের মধ্যে পুরুষ ১৬ জন আর নারী ১৯ জন। দেশে করোনাতে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৭ হাজার ৪৯০ জন আর নারী মারা গেলেন নয় হাজার ৬৯২ জন।

তাদের মধ্যে বয়স বিবেচনায় ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে রয়েছেন একজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ছয় জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে পাঁচ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে আট জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে সাত জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ছয় জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন আর ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে রয়েছে একজন।

মারা যাওয়া ৩৫ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ছয় জন, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের আছেন তিন জন করে, বরিশাল ও রংপুর বিভাগের আছেন একজন করে আর সিলেট বিভাগের আছেন দুই জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, মারা যাওয়া ৩৫ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেলেন ২৭ জন আর বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন আট জন।

/জেএ/এনএইচ/

সম্পর্কিত

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

শনাক্তের হার ৬ শতাংশের নিচে

ঢাকা শিশু হাসপাতালকে ইনস্টিটিউট করতে বিল পাস

ঢাকা শিশু হাসপাতালকে ইনস্টিটিউট করতে বিল পাস

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০০

(বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে বঙ্গবন্ধুর সরকারি কর্মকাণ্ড ও তার শাসনামল নিয়ে মুজিববর্ষ উপলক্ষে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করছে বাংলা ট্রিবিউন। আজ পড়ুন ১৯৭৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বরের ঘটনা।)

 

এদিন জাতীয় সংসদে সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিল উত্থাপন করা হয়। এই সংশোধনীতে যুদ্ধ বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের কারণে বাংলাদেশের যেকোনও অংশে নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে জরুরি অবস্থা ঘোষণার ক্ষমতা দানের প্রস্তাব করা হয়।

আইন ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর উত্থাপন করেন, এই সংশোধনীতে সংবিধানের একটি অধ্যায় সংযোজন ছাড়াও সংসদকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান সম্বলিত আইন প্রণয়নের ক্ষমতা দান করা হয়। সংসদের অধিবেশনের মধ্যবর্তী সময়ে ৬০ দিন হতে ১২০ দিন করা এবং সংবিধানের বিধান প্রয়োগ হতে সংবিধানের সংশোধনীসমূহ সংরক্ষণের প্রস্তাব করা হয়।

প্রস্তাবিত সংশোধনীতে জরুরি বিধান সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়। এতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে এমন জরুরি অবস্থা বিদ্যমান রয়েছে, যাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশে কোনও অংশের নিরাপত্তা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন- তা হলে তিনি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারবেন। তবে সে ঘোষণার বৈধতার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতিস্বাক্ষরের প্রয়োজন হবে। জরুরি অবস্থার ঘোষণাটি পরে কোনও ঘোষণা দ্বারা প্রত্যাহার করা যাবে এবং সংসদে উপস্থাপিত হবে। এই ঘোষণা ১২০ দিন অতিবাহিত হওয়ার আগে সংসদের প্রস্তাব অনুমোদিত না হলে উক্ত সময়ের অবসানে কার্যকর থাকবে না।

তবে যদি সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোনও ঘোষণা জারি করা হয় কিংবা ১২০ দিনের মধ্যে সংসদ ভেঙে যায় তা হলে পুনর্গঠিত হওয়ার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৩০ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার আগে ঘোষণাটি অনুমোদন করে সংসদে প্রস্তাব গ্রহণ করতে হবে।

দৈনিক বাংলা, ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

মৌলিক অধিকার স্থগিত করার বিষয়ে

জরুরি অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারগুলো স্থগিতকরণের প্রস্তাব করা হয়। এতে বলা হয়, জরুরি অবস্থা ঘোষণার কার্যকারিতাকালে রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা ঘোষণা করতে পারবেন যে, সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্গত মৌলিক অধিকারসমূহ বলবৎকরণের জন্য আদালতে মামলা রুজু করার অধিকার এবং আদালতে অনুরূপভাবে উল্লিখিত কোনও অধিকার বলবৎ করার জন্য কোনও আদালতে বিবেচনাধীন সকল মামলা, জরুরি অবস্থা ঘোষণা কার্যকারিতাকালে কিংবা উক্ত আদেশের দ্বারা নির্ধারিত স্বল্পকালের জন্য স্থগিত থাকবে।

এই বিলে জরুরি অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিত করার প্রস্তাব করা হয়। বিধানগুলো হচ্ছে চলাফেরার স্বাধীনতা, সমাবেশের স্বাধীনতা, সংগঠনের স্বাধীনতা, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা, বাক-স্বাধীনতা, পেশা-বৃত্তির স্বাধীনতা ও সম্পত্তির অধিকার সম্পর্কিত।

দ্য অবজারভার, ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩

১২৫ বাঙালি ফিরবেন

এদিন বলা হয়, ২৮ আগস্টের দিল্লিচুক্তির বাস্তবায়ন শুরু হতে যাচ্ছে। ঢাকা রাওয়ালপিন্ডি ও নয়াদিল্লি থেকে সরকারিভাবে ত্রিমুখী লোক বিনিময় শুরুর কথা এই দিন ঘোষণা করা হয়। এদিন সন্ধ্যায় ঢাকায় সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়, ২৮ আগস্ট দিল্লিচুক্তি বাস্তবায়ন একদিনের পর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। প্রথম দফায় ১২৫ জন আটক বাঙালি পাকিস্তান থেকে ফিরে আসছেন। খবরে বলা হয়, এই দিন নয়াদিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র বলেন, পাকিস্তান থেকে দুই হাজার বাঙালি এবং বাংলাদেশ থেকে দুই হাজার ৬শ পাকিস্তানি নাগরিক বিনিময়ে উভয় দেশের সরকার রাজি হয়েছে।

এক খবরে বলা হয়, এই দিন রাওয়ালপিন্ডিতে এক সহকারী মুখপাত্র বলেছেন, এদিন থেকে ত্রিমুখী লোক বিনিময় শুরু হচ্ছে।

/এফএ/

সম্পর্কিত

বঙ্গবন্ধু ভাষণের দিনকে এবারও 'বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট ডে' ঘোষণা

বঙ্গবন্ধু ভাষণের দিনকে এবারও 'বাংলাদেশি ইমিগ্রান্ট ডে' ঘোষণা

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের ভেতর ভারতের কোস্টাল বেসলাইন

বাংলাদেশের ভেতর ভারতের কোস্টাল বেসলাইন

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনী বিলে যা ছিল

শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর অংশগ্রহণ চান প্রধানমন্ত্রী

শীর্ষ অর্থনীতির দেশগুলোর অংশগ্রহণ চান প্রধানমন্ত্রী

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

বড় প্রকল্পগুলো দুর্নীতির সুযোগ করে দিচ্ছে: পরিকল্পনামন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সহায়তা চেয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশের ভেতর ভারতের কোস্টাল বেসলাইন

বাংলাদেশের ভেতর ভারতের কোস্টাল বেসলাইন

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

আরও ৩৮ মৃত্যু, শনাক্ত ১৯০৭

মোদিকে ৭১টি গোলাপে শুভেচ্ছা জানালেন শেখ হাসিনা

মোদিকে ৭১টি গোলাপে শুভেচ্ছা জানালেন শেখ হাসিনা

টিকে থাকার দাবিতে সিএনজি অটোরিকশাচালকদের মানববন্ধন

টিকে থাকার দাবিতে সিএনজি অটোরিকশাচালকদের মানববন্ধন

ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু: নৌ-প্রতিমন্ত্রী

ভারত আমাদের অকৃত্রিম বন্ধু: নৌ-প্রতিমন্ত্রী

সর্বশেষ

ঘুরছে বাংলা কারের চাকা, ৮ লাখেই নতুন মডেল

ঘুরছে বাংলা কারের চাকা, ৮ লাখেই নতুন মডেল

অস্কার ব্রুজনের ‘আগুনের গোলায় ঝাঁপ’

অস্কার ব্রুজনের ‘আগুনের গোলায় ঝাঁপ’

বিদ্যালয়ের টয়লেট থেকে ছাত্রী উদ্ধার, প্রধান শিক্ষককে শোকজ

বিদ্যালয়ের টয়লেট থেকে ছাত্রী উদ্ধার, প্রধান শিক্ষককে শোকজ

এহসান গ্রুপে ৪০ লাখ টাকা রেখেছেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা

এহসান গ্রুপে ৪০ লাখ টাকা রেখেছেন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা

বান্দরবানে যাত্রীবাহী গাড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ

বান্দরবানে যাত্রীবাহী গাড়িতে সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ

© 2021 Bangla Tribune