X
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১০ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

‘মেজর সিনহাকে মুইন্যা পাহাড়ে নিয়ে হত্যার পরিকল্পনা ছিল’

আপডেট : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২০:০৫

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় আরও দুই সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে তাদের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এ নিয়ে এই মামলায় ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হলো।

সন্ধ্যায় আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বেরিয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ফরিদুল আলম জানান, মঙ্গলবার দিনব্যাপী মামলার সাক্ষী হাফেজ জহিরুল ইসলাম ও ডা. রণধীর দেবনাথের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। আদালতে সাক্ষী হাফেজ জহিরুল ইসলাম বলেছেন, ‘মেজর সিনহাকে টেকনাফ শামলাপুর মারিশবনিয়া মুইন্যা পাহাড়ে নিয়ে ডাকাত সাব্যস্ত করে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেছিল আসামিরা।’

অপরদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত জানান, সিনহা হত্যা মামলার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে গড়মিল রয়েছে। মামলার সুরতহাল প্রতিবেদন ও চার্জশিটে বলা হয়েছে, মেজর সিনহাকে গুলি করে ও মাটিতে ফেলে গলা চেপে ধরে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন যিনি করেছেন, সেই ডাক্তার ও মামলার সাক্ষী রণধীর দেবনাথ আদালতকে বলেছেন, মেজর সিনহার গলায় কোনও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মেজর সিনহার গলা অক্ষত ছিল।

এর আগে গত ২৩ থেকে ২৫ আগস্ট টানা তিন দিন মামলার প্রথম দফায় ১নং সাক্ষী ও বাদী শারমিন সাহরিয়া ফেরদৌস এবং ২নং সাক্ষী সাহেদুল ইসলাম সিফাতের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। একইভাবে গত ৫ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর টানা চার দিনে দ্বিতীয় দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেন আদালত।

গত বছর ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় গত বছরের ৫ আগস্ট সিনহার বোন শারমিন সাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এবং বাহারছড়া তদন্ত সাবেক ইনচার্জ পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ নয় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয় লিয়াকত আলীকে। আদালত থেকে মামলার তদন্ত ভার দেওয়া হয় র‍্যাবকে। ঘটনার ছয় দিন পর ওসি প্রদীপ ও পরিদর্শক লিয়াকতসহ সাত পুলিশ সদস্য আত্মসমপর্ণ করেন।

এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে টেকনাফ থানায় একটি এবং রামু থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করে। পরে র‍্যাব পুলিশের দায়ের মামলার তিন সাক্ষী এবং শামলাপুর চেকপোস্টে দায়িত্বরত আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে। এরপর গ্রেপতার করা হয় টেকনাফ থানা পুলিশের সাবেক কনস্টেবল রুবেল শর্মাকে। সর্বশেষ গত ২৪ জুন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন টেকনাফ থানার সাবেক এএসআই সাগর দেব।

গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর র‍্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়ানের তৎকালীন সহকারী পুলিশ সুপার খাইরুল ইসলাম ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। গত ২৭ জুন আদালত ১৫ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এতে সাক্ষী করা হয় ৮৩ জনকে।

/এমএএ/

সম্পর্কিত

বরকত উল্লাহ বুলুর নাম উল্লেখ করে ফয়সালের জবানবন্দি

বরকত উল্লাহ বুলুর নাম উল্লেখ করে ফয়সালের জবানবন্দি

হাসপাতালে দায়িত্বরত ২ আনসার সদস্যকে ছুরিকাঘাত

হাসপাতালে দায়িত্বরত ২ আনসার সদস্যকে ছুরিকাঘাত

দেড় বছর পর ক্লাসে বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

দেড় বছর পর ক্লাসে বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

হেফাজতের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী হাসপাতালে

হেফাজতের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী হাসপাতালে

প্রথম দিনেই বরিশালের মোকামে ২০ হাজার মণ ইলিশ

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২০:১০

২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে আবার সরগরম হয়ে উঠেছে বরিশাল নগরীর পোর্ট রোডের ইলিশ মোকাম। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) ভোরে নদী ও সাগর থেকে ইলিশের বোট আসা শুরু করে। এদিন ২০ হাজার মণ ইলিশ এসেছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, মোকামে আসা অনেক ইলিশ ডিম ছাড়েনি।

ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, জাটকা সংরক্ষণে কঠোর তদারকি করতে হবে। এতে ইলিশ বৃদ্ধি পেলে রফতানির ব্যবস্থা করতে হবে। মৎস্য কর্মকর্তারা বলছেন, ইলিশ যে পরিমাণ ডিম ছেড়েছে তা সংরক্ষণ করলে বরিশাল বিভাগে চার লাখ মেট্রিক টন ইলিশ উৎপাদনের টার্গেট পূরণ হবে।

এদিকে, ইলিশের জালে ধরা পড়েছে ১৫-২০ কেজির পাঙাশ। এটিকে বাড়তি আয় হিসেবে দেখছেন জেলেরা। আগামী এক সপ্তাহ এই ধরনের পাঙাশ ধরা পড়বে বলে জানান একাধিক জেলে।

নদী থেকে ইলিশ নিয়ে আসা জেলেরা বলেন, নদীতে তেমন ইলিশ নেই। তবে যা পাওয়া গেছে তা ছোট। আবার কিছু কিছু মাছ জালে উঠেছে তা এককেজি থেকে দুই কেজি। ধরা পড়া বড় ইলিশ এখনও ডিম ছাড়েনি। ডিম ছাড়লে নদীতে থাকতো না। ডিম ছাড়ার পরপরই ইলিশ সাগরে চলে যায়। তবে আরও কিছুদিন নিষেধাজ্ঞা থাকলে ইলিশ ডিম ছাড়তো।

স্থানীয় একটি ফিশিং বোটের জেলেরা জানিয়েছেন, ইলিশের জালে ধরা পড়ছে বড় বড় পাঙাশ। সোমবার রাত থেকে তিনবার জাল ফেলার সুযোগ পেয়েছেন। তাতে ১১টি বড় পাঙাশ উঠেছে। প্রতিটি ইলিশের জালে বড় পাঙাশ ধরা পড়েছে। প্রতিবছর এই সময়ে ইলিশের জালে পাঙাশ ধরা পড়ে। আগামী এক সপ্তাহ পাঙাশ পাওয়া যাবে। এরপর জালে উঠবে না। তবে মাঝেমধ্যে ১৫-২০ কেজি ওজনের পাঙাশ ধরা পড়ে।

বরিশালের মোকাকে ২০ হাজার মণ ইলিশ এসেছে

এতে লাভ হয় তাদের। টাকার পরিমাণ বেড়ে যায়। একটি ফিশিং বোটে যা আয় হয়, অর্ধেক নেন বোট মালিক। বাকি টাকা ভাগ করে নেন জেলেরা। এ ছাড়া মালিকের কাছ থেকে দাদন নেওয়া থাকায় তাকেই মাছ দিতে হয়। সেক্ষেত্রে বাজার দরের চেয়ে কম পাওয়া যায়। কত কম তা আর বলতে চাননি জেলে সোলেমান ফকির ও তার সহকর্মীরা।

পোর্ট রোডের ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি মণ পাঙাশ পাইকারি বিক্রি হয়েছে ১৫-১৬ হাজার টাকা। খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৫০০-৬০০ টাকা কেজি দরে। বড় পাঙাশের চাহিদা থাকায় ৪-৫ জন ক্রেতা একত্রিত হয়ে একটি মাছ কিনে ভাগ করে নেন। আজ ইলিশ মোকামে আসা পাঙাশের সর্বোচ্চ ওজন ছিল ২০ কেজি। সর্বনিম্ন ছিল ১০ কেজি। আজ আড়তে তিন শতাধিক পাঙাশ এসেছে বলে জানান মাছ ব্যবসায়ী মো. পারভেজ।

পোর্ট রোডের ইলিশের আড়তদার জহির সিকদার বলেন, নিষেধাজ্ঞার পর বড়-ছোট প্রচুর ইলিশ এসেছে। বড় যেসব ইলিশ এসেছে তাতে ডিম হয়নি। ডিম ছাড়লে ইলিশ পাতলা হয়ে লম্বা আকৃতির দেখায়। সে ধরনের ইলিশের সংখ্যা কম। এ জন্য নিষেধাজ্ঞার সময়টা ঠিক ছিল না। মা ইলিশের ওপর জরিপ চালিয়ে সময়টা নির্ধারণ করলে ইলিশের উৎপাদন অনেক বেড়ে যাবে। তবে ছোট সাইজের প্রচুর ইলিশ এসেছে।

ইতোমধ্যে আঞ্চলিক নদীগুলোতে ডিম ছেড়েছে ইলিশ। যা জাটকায় রূপ নেবে। জাটকা ঠিকমতো সংরক্ষণ করা গেলে বড় ইলিশ নদীতে মিলবে। নদী ও সাগরের ইলিশের স্বাদের ব্যবধান আছে। জাটকা নিধন বন্ধকালীন সংশ্লিষ্টরা কঠোরভাবে তা মনিটরিং করলে বড় ইলিশের উৎপাদন বেড়ে যাবে। ফলে মাছের দামও কমে আসবে। তাতে সব শ্রেণির মানুষের নাগালের মধ্যে থাকবে ইলিশের দাম।

জহির সিকদার বলেন, আজ ইলিশ মোকামে পাঙাশ উঠেছে তিন শতাধিক। এসব পাঙাশ ইলিশের জালে উঠেছে। নদীর পাঙাশ আরও ৫-৬ দিন মিলবে।

ইলিশের জালে ধরা পড়ছে বড় বড় পাঙাশ

পোর্ট রোড মৎস্য আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক নীরব হোসেন টুটুল বলেন, মা ইলিশ রক্ষায় ইলিশ উৎপাদন প্রতিবছর বাড়ায় সরকারকে ধন্যবাদ। একই সঙ্গে জাটকা সংরক্ষণে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানাই সংশ্লিষ্টদের। এতে বড় সাইজের ইলিশ উৎপাদন বেড়ে যাবে।

তিনি বলেন, শীত মৌসুমে বাংলাদেশে ইলিশের কদর কম। অন্য মাছের প্রতি মানুষ আকৃষ্ট থাকে। এ জন্য শীত মৌসুমে ইলিশ বিক্রি কম হয়। ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে রফতানি উন্মুক্ত করে দিতে হবে।

টুটুল বলেন, আজ মোকামে এক কেজি ২০০ গ্রাম সাইজের প্রতি মণ ইলিশ পাইকারি ৩৬ হাজার টাকা, কেজি সাইজের প্রতি মণ ৩৪ হাজার, এলসি সাইজ (৬০০-৯০০ গ্রাম) প্রতি মণ ৩০ হাজার, ৪০০ থেকে সাড়ে ৫০০ গ্রাম সাইজের (ভেলকা) প্রতি মণ ২৪ হাজার এবং গোটলা সাইজ (আড়াইশ থেকে সাড়ে ৩০০ গ্রাম) প্রতি মণ ১৮ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।

বরিশাল মৎস্য অধিদফতরের কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাস বলেন, ইলিশ সারা বছরই ডিম দেয়। তবে পূর্ণিমায় অধিকাংশ ইলিশ ডিম দেওয়ায় ওই সময়টা মা ইলিশ রক্ষায় নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। এ জন্য ব্যাপক জরিপ চালানো হয়। জরিপের ভিত্তিতেই এই নিষেধাজ্ঞা। এতে আমরা সুফলও পাচ্ছি। প্রতি বছর ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে। মঙ্গলবার পোর্ট রোড মোকামে ইলিশ এসেছে ২০ হাজার মণ। প্রতিদিন এর পরিমাণ বাড়বে।

মৎস্য অধিদফতরের উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান তালুকদার বলেন, নিষেধাজ্ঞার মধ্যে যে পরিমাণ ইলিশ ডিম ছেড়েছে তা সংরক্ষণ করা গেলে আমাদের টার্গেট পূরণ হবে। দেশে এবছর ইলিশের টার্গেট ছয় লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে চার লাখ মেট্রিক টন উৎপাদন হবে বরিশাল বিভাগে।

তিনি আরও বলেন, জাটকা নিধন বন্ধ করতে হবে। এ জন্য কঠোর আইনও প্রয়োগ করা হবে। এটা ভালোভাবে সম্পন্ন করতে পারলে টার্গেটের বেশি ইলিশ আসার সম্ভাবনা থাকবে।

/এএম/

সম্পর্কিত

নিষেধাজ্ঞা ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে হাজার মণ ইলিশ

নিষেধাজ্ঞা ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে হাজার মণ ইলিশ

নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরতে নদী ও সাগরে জেলেরা

নিষেধাজ্ঞা শেষে ইলিশ ধরতে নদী ও সাগরে জেলেরা

ইলিশের উৎপাদন বাড়লেও ভালো নেই জেলেরা

ইলিশের উৎপাদন বাড়লেও ভালো নেই জেলেরা

চুল কাটার শাস্তির আইন নেই রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে, সময় নিলো কর্তৃপক্ষ

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৯:০৬

সিরাজগঞ্জের রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কেটে দেওয়ার ঘটনায় শিক্ষক ফারহানা ইয়াসমিন বাতেনের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এই সিদ্ধান্ত জানাতে আগামী ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সময় নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সে সময় পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিত রাখবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। 

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) বিকাল ৪টা থেকে প্রায় সাড়ে ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারের হওয়া এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সন্ধ্যা পৌনে ৬টায় দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সভার মধ্যস্থতাকারী শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ মো. শামসুজ্জোহা ও আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থী আবু জাফর হোসাইন।

ইউএনও শাহ মো. শামসুজ্জোহা বলেন, ‘মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্রেজারার আব্দুল লতিফ এবং রেজিস্ট্রার মো. সোহরাব আলীর একটি বৈঠক হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে সুন্দর পরিবেশ ফিরে আনার স্বার্থে বৈঠকটি আমি নিজেই মধ্যস্থতা করেছি এবং সেখানে উপস্থিতও ছিলাম। সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার সমাধানে আগামী ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত সময় নিয়েছে। শিক্ষার্থীরাও সেটা মেনে নিয়ে আন্দোলন স্থগিত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।’

সভায় থাকা একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, যদি অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গেলে যে আইন প্রয়োগ করা হতে পারে সেটি এখনও এখানে নেই। তাই সেই আইনটি প্রণয়ন করতে হবে। ফলে চাইলেও এখন কোনও সিদ্ধান্তে আসা সম্ভব নয়। তদন্তে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণ হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু জাফর হোসাইন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আগামী ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত সময় নিয়েছে এবং আমরা সেই পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর মাঝে সব পরীক্ষাতেও আমরা অংশগ্রহণ করবো।’

সভার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদেরকে বলা হয়েছে, তদন্তে এ ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে স্থায়ীভাবে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য যে আইন দরকার সেটি এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রণয়ন হয়নি তাই সেটি করতে সময় দরকার।’ 

ইউএনও শাহ মো. শামসুজ্জোহা বলেন, ‘আগামীকাল (বুধবার) যেহেতু বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল ঘটনার তদন্তে আসবে এবং এটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় এখনও কিছু নিয়ম ও আইন প্রণয়ন হয়নি। তাই সেগুলোও করতে হবে এই সময়ের মধ্যে।’

অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি মৌখিকভাবে এটা শুনেছি, এর বেশি কিছু জানি না।’

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ট্রেজারার আব্দুল লতিফের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও সাড়া মেলেনি।

/এফআর/

সম্পর্কিত

মহাসড়কের পাশে প্রতিবন্ধী যুবকের লাশ

মহাসড়কের পাশে প্রতিবন্ধী যুবকের লাশ

আ.লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ হারুনের

আ.লীগ প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ হারুনের

লন্ডন থেকে দুর্গাপূজায় হামলার পরিকল্পনা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

লন্ডন থেকে দুর্গাপূজায় হামলার পরিকল্পনা হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী

সেই ইউপি সদস্যের স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

সেই ইউপি সদস্যের স্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা: বড় ভাইয়ের ফাঁসি, ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৪০

ফরিদপুরে এক নারীকে ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যার দায়ে শাহাবুদ্দিন খান নামে এক ব্যক্তিকে ফাঁসি এবং তার ছোট ভাইকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে উভয়কে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এই মামলার অপর দুই আসামি খালাস পেয়েছেন। মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) প্রদীপ কুমার রায় এই আদেশ দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

সাজাপ্রাপ্ত শাহাবুদ্দিন ও সুমন জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার ধলাইরচর গ্রামের ছেকেন্দার খানের ছেলে। খালাস পাওয়া দুই আসামি হলেন– আছিয়া বেগম ও ঝুমুর বেগম।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতের পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) অ্যাডভোকেট স্বপন পাল জানান, আসামি শাহাবুদ্দিন প্রেমের অভিনয় করে ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। এক পর্যায়ে ভুয়া কাবিননামা করে বিয়ের নামে ধর্ষণ করে। পরে ২০১১ সালের ২৭ জুন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার ধলাইরচর গ্রামে নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে শাহাবুদ্দিন ও সুমনসহ পরিবারের অন্য সদস্য আছিয়া বেগম এবং ঝুমুর বেগম মিলে ওই নারীকে হত্যার উদ্দেশ্যে গায়ে কেরোসিন দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। ভুক্তভোগীর চিৎকারে পাশের বাড়ির লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় ওই নারীর বাবা বাদী হয়ে ২০১১ সালের ৩ জুলাই আলফাডাঙ্গা থানায় নারী নির্যাতন ও হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় পুলিশ ওই বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। দীর্ঘদিন ধরে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে রায় ঘোষণা করেন আদালত।

/এমএএ/

সম্পর্কিত

গরুর পচা মাংস বিক্রি করায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

গরুর পচা মাংস বিক্রি করায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

সিনহা হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন আরও ১৪ জন

সিনহা হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন আরও ১৪ জন

মানিকগঞ্জে বেড়েছে ডেঙ্গু রোগী 

মানিকগঞ্জে বেড়েছে ডেঙ্গু রোগী 

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সেজে কোটিপতি, নিয়েছেন সরকারি ফ্ল্যাট

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৪৬

তারা মিয়া ছিলেন ‘রাজাকার’। সময়ের ব্যবধান আর সড়ক দুর্ঘটনায় পঙ্গু হওয়ার পর ধীরে ধীরে অনেকটা আড়াল হয়ে পড়ে অতীত কর্মকাণ্ড। তবে বসে থাকেননি। নিজের বাবার নাম গোপন করে অন্য একজনের নাম ব্যবহার করে বনে যান মুক্তিযোদ্ধা। সড়ক দুর্ঘটনায় আহত অবস্থাকে পুঁজি করে নাম লেখান যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধার তালিকায়। মুক্তিযোদ্ধা সেজে সরকারি নানা সুযোগ-সুবিধা নিয়ে হয়ে যান কোটিপতি।

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার আঠারবাড়ী ইউনিয়নের ইটাউলিয়া গ্রামের বাসিন্দা তারা মিয়াকে (৭০) বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে চেনেন এলাকাবাসী। সম্প্রতি যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের জারি করা পরোয়ানায় তাকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এরপর থেকে তাকে নিয়ে উপজেলাজুড়ে চলছে সমালোচনা।

ঈশ্বরগঞ্জের স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া তারা মিয়ার চার ভাই। তিনি ছাড়া অন্য তিন ভাই বাবার নাম হিসেবে শাহনেওয়াজ ব্যবহার করেন। একমাত্র তারা মিয়ার বাবার নাম ‘শমসের আলী’। 

গৌরীপুর উপজেলার ধোপাজাঙ্গালিয়া গ্রামে তারা মিয়া (মুক্তিযোদ্ধা নম্বর ৯৭৯৩) নামে ভাতাভোগী এক বীর মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। যার বাবার নাম শমসের আলী। তারা মিয়া বিষয়টি জানতে পেরে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে তদবির করে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকায় নাম তোলেন। এর সুবাদে বাগিয়ে নেন ঢাকার মোহাম্মদপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সরকারিভাবে নির্মিত বহুতল ভবনে চার কক্ষবিশিষ্ট একটি ফ্ল্যাট; যার দাম এক কোটি টাকা। এখানেই থেমে থাকেননি। ঈশ্বরগঞ্জের আঠারোবাড়ী ইউনিয়নের রায়ের বাজার এলাকায় নিজ গ্রাম ইটাউলিয়ায় সরকারিভাবে বরাদ্দ পান ১০ শতাংশ জমি। গত ১০ বছর ধরে প্রতিমাসে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে উত্তোলন করতেন ৩০ হাজার টাকা ভাতা। এভাবেই কোটিপতি হন রাজাকার তারা মিয়া।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্বাক্ষরিত ২০১১ সালের ১ জুলাই ইস্যু করা পরিচয়পত্রে তারা মিয়ার নাম যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

তারা মিয়ার ছেলে আবুল কালাম বলেন, স্থানীয় একটি চক্র আমার বাবার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করেছে। আমার বাবা ষড়যন্ত্রের শিকার।

আঠারবাড়ী ইউনিয়ন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার রঞ্জন ঘোষ বলেন, তারা মিয়া মুক্তিযোদ্ধা নন। পাশের উপজেলার এক বীর মুক্তিযোদ্ধার নাম ও বাবার নামের মিল থাকার সুযোগে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের অসাধু কর্মকর্তাদের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হন। তার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে কাছিমপুরের লতিফ মাস্টারকে প্রকাশ্যে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। তা ছাড়া পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প ঘেরাওয়ের কাজে সক্রিয় ভূমিকা ছিল তার। আমরা যখন জানতে পারি মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন, তারপর একাধিকবার মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রতিবেদন পাঠিয়েছি।

উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মো. তোফাজ্জল হোসেন বলেন, মুক্তিযোদ্ধার পরিচয়ে একজন রাজাকার অনেক কিছুই করেছেন। তাকে বঙ্গভবনেও যাতায়াত করতে দেখেছি। হয়েছেন কোটিপতি। সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের তদন্ত কর্মকর্তারা তারা মিয়ার বিরুদ্ধে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের সত্যতা পেয়েছেন।

ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সাবেক কমান্ডার আব্দুস সাত্তার বলেন, ২০১৭ সালে উপজেলার মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের সময় তারা মিয়া মুক্তিযোদ্ধা নয়- মর্মে মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছিল। সর্বশেষ মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে উপজেলার ১২ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। তদন্ত শেষে ট্রাইব্যুনাল থেকে জারি করা ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারা মিয়ার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল কাদের বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তদন্ত শেষে ২১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ১২ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। সেটি আমলে নিয়ে তারা মিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

/এএম/

সম্পর্কিত

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন গ্রেফতার

কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন গ্রেফতার

চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, আটক ৩

চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, আটক ৩

গরুর পচা মাংস বিক্রি করায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১৮:০৬

ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে গরুর পচা মাংস বিক্রির অভিযোগে বিক্রেতাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া মাংসগুলো জব্দ করে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে পৌর সদরের স্টেশন সড়কের বিলাসী শপিং কমপ্লেক্স সংলগ্ন মাংসের বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারিয়া হক।  

আদালত সূত্রে জানা গেছে, পৌর সদরের ওই বাজারের মাংস বিক্রেতা মো. সালাউদ্দিন শেখের (৪৮) দোকান থেকে প্রায় ৩৫ কেজি পচা গরুর মাংস জব্দ করা হয়। সালাউদ্দিন পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কামার গ্রামের মৃত জয়েন উদ্দিন শেখের ছেলে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি দোকান ছেড়ে পালিয়ে যান। দোকান থেকে জব্দ মাংস মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মাংস ব্যবসায়ী সালাউদ্দিন উপজেলা ভূমি কার্যালয়ে হাজির হয়ে দোষ স্বীকার করলে আদালত তাকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারিয়া হক বলেন, ‘পচা মাংস বিক্রির খবর পেয়ে আমার কার্যালয়ের প্রতিনিধি সেখানে গেলে মাংস বিক্রেতারা তাদের ওপর চড়াও হন। এরপর  সেখানে অভিযান চালিয়ে পচা মাংস জব্দ ও বিক্রেতাকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে জরিমানা করা হয়েছে।’

/এফআর/

সম্পর্কিত

ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা: বড় ভাইয়ের ফাঁসি, ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন

ধর্ষণের পর পুড়িয়ে হত্যা: বড় ভাইয়ের ফাঁসি, ছোট ভাইয়ের যাবজ্জীবন

মানিকগঞ্জে বেড়েছে ডেঙ্গু রোগী 

মানিকগঞ্জে বেড়েছে ডেঙ্গু রোগী 

১৬ কেজির কাতল ২৭ হাজারে বিক্রি

১৬ কেজির কাতল ২৭ হাজারে বিক্রি

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

বরকত উল্লাহ বুলুর নাম উল্লেখ করে ফয়সালের জবানবন্দি

নোয়াখালীতে পূজামণ্ডপে হামলাবরকত উল্লাহ বুলুর নাম উল্লেখ করে ফয়সালের জবানবন্দি

হাসপাতালে দায়িত্বরত ২ আনসার সদস্যকে ছুরিকাঘাত

হাসপাতালে দায়িত্বরত ২ আনসার সদস্যকে ছুরিকাঘাত

দেড় বছর পর ক্লাসে বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

দেড় বছর পর ক্লাসে বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা

হেফাজতের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী হাসপাতালে

হেফাজতের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী হাসপাতালে

নিষেধাজ্ঞা ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে হাজার মণ ইলিশ

নিষেধাজ্ঞা ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বাজারে হাজার মণ ইলিশ

সিনহা হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন আরও ১৪ জন

সিনহা হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন আরও ১৪ জন

উখিয়ায় ছয় রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার আরও ৪

উখিয়ায় ছয় রোহিঙ্গা হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার আরও ৪

সর্বশেষ

প্রথম দিনেই বরিশালের মোকামে ২০ হাজার মণ ইলিশ

প্রথম দিনেই বরিশালের মোকামে ২০ হাজার মণ ইলিশ

দুদকের এক সহকারী পরিচালককে হাইকোর্টে তলব

দুদকের এক সহকারী পরিচালককে হাইকোর্টে তলব

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির বাস্তবায়ন জরুরি: স্পিকার

রোগীর স্বজন সেজে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিলো নারী

রোগীর স্বজন সেজে ২০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিলো নারী

শিশুদের স্কুলে ফেরা নিরাপদ করতে ১৯ উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগ

শিশুদের স্কুলে ফেরা নিরাপদ করতে ১৯ উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগ

© 2021 Bangla Tribune