X
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

টানা দুই জয়ে চারে সাকিবরা  

আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:১৯

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সকে সামনে পেলে বার বার দিশাহীন হয়ে পড়তে দেখা গেছে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে। আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে অবশ্য ভিন্ন রুপেই ধরা দিয়েছে কেকেআর। রোহিত শর্মার দলকে ৩ উইকেটে হারিয়ে মরুর বুকে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে সাকিবদের দল।

অবশ্য আজকের ম্যাচেও উইনিং কম্বিনেশন ভাঙেনি কলকাতা। মাঠে নামে সাকিবকে ছাড়াই। টস হেরে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মুম্বাই ৬ উইকেটে করেছে ১৫৫ রান। শুরু থেকে বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে খেলেছেন মুম্বাইয়ের দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও কুইন্টন ডি কক। স্বভাবসিদ্ধ ব্যাটিংয়ে মারকুটে ভঙ্গিতে খেলেছেন রোহিত। কেকেআরের বিপক্ষে করেছেন অনন্য এক রেকর্ডও। আইপিএলে কোন এক দলের বিপক্ষে একমাত্র ব্যাটার হিসেবে পূরণ করেছেন হাজার রান। তবে মাইলফলকের ম্যাচে ৩৩ রানের বেশি করতে পারেননি। তাকে বিদায় দিয়ে ওপেনিংয়ের দারুণ জুটি ভাঙেন নারাইন। অপরপ্রান্তে বড় ইনিংস না হলেও মুম্বাইয়ের ইনিংস সমৃদ্ধ হয়েছে ডি ককের কারণে। প্রোটিয়া ব্যাটার ৪২ বলে ৫৫ রান করেন ৪টি চার ও ৩ ছক্কায়।

মূলত মাঝের ওভারগুলোতে নারিন ও চক্রবর্তীর বোলিংয়েই অস্বস্তিতে পড়ে যায় মুম্বাই। ২৭ রানে দুটি উইকেট নিয়েছেন লকি ফার্গুসন, ৪৩ রানে দুটি নিয়েছেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণাও। ২০ রানে একটি নিয়েছেন নারিন। ম্যাচসেরাও হন তিনি।

জবাবে মুম্বাইয়ের চেয়েও বেশি আগ্রাসী ছিল কলকাতা। যে ওপেনিং জুটি তাদের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল, সেখানে যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন ভেঙ্কটেশ আইয়ার। গিল ১৩ রানে ফিরলে আইয়ার ও রাহুল ত্রিপাঠির বিস্ফোরক জুটি-ই জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছে কলকাতার।  

 আইয়ারের ৩০ বলে করা ৫৩ রানের ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ৩টি ছয়। তার বিদায়ের পর বাকি কাজ সারেন রাহুল ত্রিপাঠি। একার দায়িত্বে ৪২ বলে ৭৪ রানের বিস্ফোরক এক ইনিংসে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলেন তিনি। রাহুলের ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৩টি ছয়। ৩ উইকেট হারানো কেকেআর জয় নিশ্চিত করেছে ১৫.১ ওভারে।

টানা দুই জয়ে পয়েন্ট টেবিলেও উন্নতি হয়েছে কলকাতার। উঠে গেছে চারে। ৯ ম্যাচে তাদের অর্জন ৮ পয়েন্ট। মুম্বাই চার থেকে নেমে গেছে ছয়ে।

/এফআইআর/            

সম্পর্কিত

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

সেই স্কটল্যান্ডেই ধরাশায়ী বাংলাদেশ

সেই স্কটল্যান্ডেই ধরাশায়ী বাংলাদেশ

সাকিব-মুশফিকের ফেরায় বিপদে বাংলাদেশ

সাকিব-মুশফিকের ফেরায় বিপদে বাংলাদেশ

সাকিব-মুশফিকের ব্যাটে জবাব দিচ্ছে বাংলাদেশ

সাকিব-মুশফিকের ব্যাটে জবাব দিচ্ছে বাংলাদেশ

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০২:২৯

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে এক প্রকার বলে কয়েই হারালো স্কটল্যান্ড। ম্যাচের দুইদিন আগে স্কটল্যান্ডের ব্যাটিং কোচ বাংলাদেশকে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়েছিলেন। বাস্তবে যার প্রমাণও মিললো। কুড়ি ওভারের ফরম্যাটে স্কটল্যান্ড দেখিয়ে দিয়েছে, বাংলাদেশের চেয়ে কতটা এগিয়ে তারা! ব্যাটিং,বোলিং,ফিল্ডিং- কোন বিভাগেই প্রতিপক্ষকে ছাড়াতে পারেনি মাহমুদউল্লাহর দল। এমন ছন্নছাড়া পারফরম্যান্সের কারণেই ‘পুঁচকে’ স্কটিশদের কাছে ৬ রানে ধরাশায়ী হতে হয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী স্কটিশ বাধা পেরুতেই পারছে না বাংলাদেশ। ২০১২ সালে একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি ৩৪ রানে জিতেছিল স্কটল্যান্ড। স্কটল্যান্ডের ৭ উইকেটে করা ১৬২ রানের জবাবে ১৮ ওভারে ১২৮ রানে গুটিয়ে যায় মুশফিকরা। ৯ বছর আগে হেগের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর আশা করা হচ্ছিল মরুর বুকে ফুল ফোটাবেন মাহমুদউল্লাহরা। ভাগ্যদেবী সহায় না হওয়ায় হেগের মতো ওমানের মরুভূমিতেও একই চিত্রনাট্য মঞ্চস্থ হলো।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ব্যাটারদের ব্যাটিংয়ে নিয়ে অস্বস্তি ছিলই। অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে স্লো উইকেটে কোন ব্যাটসম্যানই ছন্দে ছিলেন না। ম্যাচ জয়ের আত্মবিশ্বাস সঙ্গী হলেও ব্যাটাররা ছিলেন নিষ্প্রভ। যার প্রভাব পড়ে দুটি ওয়ার্মআপ ম্যাচে। একই ধারাবাহিকতা দেখা গেলো স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম পর্বেও। যার ফলে আইসিসির সহযোগী দলের বিপক্ষে বাজে ব্যাটিংয়ের খেসারত দিতে হলো ম্যাচ হেরে। স্কটল্যান্ডের দেওয়া ১৪১ রানও টপকাতেই পারলো না বাংলাদেশ।

এই হারে বরং সাকিবদের ঘিরে আশঙ্কাটা ঘনিভূত হচ্ছে আরও। তুলনামূলক সহজ বোলিং-ব্যাটিং লাইনআপের বিপক্ষে এমন ব্যর্থতায় দলটির মূল পর্বের পারফরম্যান্সে এঁকে দিচ্ছে প্রশ্ন চিহ্ন!

রবিবার টস জিতে শিশিরের শঙ্কায় ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন মাহমুদউল্লাহ। বাংলাদেশি বোলাররা বেশ ভালো মতোই স্কটিশদের চেপে ধরেছিল। ১২তম ওভারে ৫৩ রানে ৬ উইকেট তুলে তাদের অল্পতে বেঁধে ফেলার স্বপ্ন দেখছিল। কিন্তু শেষ ৮ ওভারে বোলারদের ছন্নছাড়া বোলিংয়ের সুযোগ নিয়ে স্কটিশ ব্যাটাররা ১৪০ রান জমা করেন স্কোরবোর্ডে। তারপরও কুড়ি ওভারের ক্রিকেট এটি মামুলি লক্ষ্যই।

অথচ সহজ এই লক্ষ্যের পেছনে ছুটতে গিয়ে শুরুতেই সৌম্য-লিটন যেভাবে আউট হলেন, নবীন কোন ক্রিকেটার তেমনটা করবেন না। ডিপ মিডউইকেট দিয়ে চার মেরে শুরু করেছিলেন সৌম্য। বাঁহাতি এই ব্যাটারের ওই শটের পর একজন ফিল্ডারকে নিয়ে যাওয়া হয় মিডউইকেটে। অভিজ্ঞ এই ওপেনার ঠিক সেখানেই লোপ্পা ক্যাচ তুলে দিলেন দ্বিতীয় ওভারে। সৌম্যর মতোই মিডঅনে দাঁড়ানো ফিল্ডারের হাতে ক্যাচ তুলে দেন আরেক ওপেনার লিটন।

এরপর অফফর্মে থাকা সাকিব টেস্ট মেজাজে ব্যাটিং করে দলের রানরেট বাড়িয়ে তোলেন। সেই বেড়ে যাওয়া রান রেট থেকে আর ফিরে আসতে পারেনি বাংলাদেশ দল। মুশফিক শুরুতে স্লো ব্যাটিং করলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আগ্রাসন বাড়াতে থাকেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ক্রিস গ্রেভসের গুড লেন্থের বলটি স্কুপ করতে গিয়েই বোল্ড হন তিনি! সাকিব-মুশফিকের বিদায়ের পরই মূলত ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশ। শেষ কয়েক ওভারে মাহমুদউল্লাহর এক ছক্কা ও মেহেদীর ছোটখাটো ক্যামিও ইনিংসে কেবল হারের ব্যবধান কমাতে পেরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা।

মূলত স্কটিশ বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়েই অসহায় আত্মসমপর্ণ করেছে বাংলাদেশ। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সঙ্গে পারফেক্ট ফিল্ডিং পজিশনও রিয়াদদের আটকে রাখতে সহায়তা করেছে। মুশফিক-সাকিব-মাহমুদউল্লাহ-আফিফরা দারুণ কিছু শটস খেলেছেন যদিও, কিন্তু বেশিরভাগই ফিল্ডারদের হাতে জমা পড়েছে। বাউন্ডারি লাইনে বল গেলেও গ্রাউন্ড শটসগুলো থেকে ব্যাটাররা একের বেশি রান নিতে পারেনি। এর বাইরে ওভার দ্য টপ খেলতে গিয়ে মুশফিক-লিটন বাদে বাকি ব্যাটাররা ফিল্ডারদের হাতেই ক্যাচ তুলে দিয়েছেন! কোন ফিল্ডারকেই বাড়তি কষ্ট করতে হয়নি।

সবমিলিয়ে তিন বিভাগেই বাংলাদেশের চেয়ে ছন্দময় ক্রিকেট খেলে ম্যাচ জিতেছে স্কটল্যান্ড। কিন্তু রবিবার বাংলাদেশের সামনে সুযোগ ছিল হেগের ক্ষতে প্রলেপ লাগানোর। উল্টো মরুর শহরে এসে ফের বিধ্বস্ত হতে হলো লাল-সবুজদের।

/এফআইআর/

সম্পর্কিত

সেই স্কটল্যান্ডেই ধরাশায়ী বাংলাদেশ

সেই স্কটল্যান্ডেই ধরাশায়ী বাংলাদেশ

সাকিব-মুশফিকের ফেরায় বিপদে বাংলাদেশ

সাকিব-মুশফিকের ফেরায় বিপদে বাংলাদেশ

সেই স্কটল্যান্ডেই ধরাশায়ী বাংলাদেশ

আপডেট : ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০০:২৭

স্কটল্যান্ডের কোচ শেন বার্গার তাহলে সঠিকটাই বলেছিলেন। প্রথম পর্বের খেলায় তারা বাংলাদেশকে পাপুয়া নিউ গিনি ও ওমানের চেয়ে খুব একটা ওপরে দেখতে পাচ্ছেন না! তার কথাটা মাঠেই প্রমাণ করে দিলো বাংলাদেশ! শক্তি-সামর্থ্যে এগিয়ে থেকেও স্কটল্যান্ডের কাছে বাংলাদেশ হেরে গেছে ৬ রানে! তাতে ওমানে পঁচা শামুকে পা কেটে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছে মাহমুদউল্লাহর দল!

সর্বশেষ ২০১২ সালেও একমাত্র লড়াইয়ে বাংলাদেশকে হারিয়ে দিয়েছিল স্কটল্যান্ড। ভাগ্য বদল হলো না এদিনও! ১৪১ রানের লক্ষ্য দিয়ে বাংলাদেশকে তারা চাপে ফেলে দেয় শুরুতেই। মিডউইকেটে ইনিংসের দ্বিতীয় বলে চার মেরে পরের ওভারে শেষ রক্ষা হয়নি ওপেনার সৌম্যর। ডেভির বলে ঠিক একই জায়গায় মেরে খেলতে গেলেও ততক্ষণে সেখানে দাঁড়িয়ে যান এক ফিল্ডার! ফাঁদে পড়ে সৌম্য বিদায় নেন ৫ রান করে। শুরুর ধাক্কা সামলানোর বদলে উইকেট বিলিয়ে দেন ওপেনার লিটন দাসও। উইকেট ছেড়ে এসে মিড অফে ক্যাচ তুলে দেন ব্র্যাড হুইলের বলে।

দুই ওপেনারের বিদায়ের চাপটা গিয়ে পড়ে সাকিব-মুশফিকের ওপরে। পাওয়ার প্লেতে কাঙ্ক্ষিতভাবে রানের জোগান দিতে পারেননি তারা। পাশাপশি স্কটিশ বোলিংয়ে রান রেটের চাপও বাড়তে থাকে প্রতিনিয়ত। কিন্তু মুশফিক হাত খোলার চেষ্টায় ছিলেন। শ্লথ গতিতে সাকিব তাকে সঙ্গ দিলেও মেরে খেলতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনেন ১১.১ ওভারে। লেগ স্পিনার গ্রেভসের বলে মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে ম্যাকলিওডের ক্যাচে পরিণত হন। তার বিদায়ের পর মুশফিকও থিতু হননি। লেগ স্পিনার গ্রেভসের ঘূর্ণিতেই তিনি ফেরেন ৩৮ রানে! স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড হন মুশফিক। মূলত গ্রিভসের এই দুই উইকেট শিকারেই ম্যাচের গতিপ্রকৃতি পাল্টে যায় দ্রুত। 

ভীষণ বিপদে পড়ে যাওয়া বাংলাদেশকে তখন আশা দেখাচ্ছিলেন আফিফ ও মাহমুদউল্লাহ। আফিফ চাপ মুক্ত করতে সফলও হন। কিন্তু চাপের কাছেই মাথা নত করেন তরুণ এই ব্যাটার। ওয়াটের বলে ক্যাচে পরিণত হন। আফিফ ১২ বলে ১৮ রানে ফিরলে দিশা হারায় মাহমুদউল্লাহর দল। একে একে ফেরেন নুরুল হাসান, মাহমুদউল্লাহ। শট খেলার তাড়ায় টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক ২২ বলে ২৩ রানের বেশি করতে পারেননি। অভিজ্ঞদের বিদায়ে বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে করতে পারে ১৩৪ রান। 

২৪ রানে তিনটি নেন ব্র্যাড হুইল। ১৯ রানে দুটি নেন ক্রিস গ্রেভস। মূলত ব্যাট-বলে তার অবদানেই ম্যাচের গতিপ্রকৃতি পাল্টেছে দ্রুত। তাই ম্যাচসেরাও হন তিনি। একটি করে নেন জশ ডেভি ও মার্ক ওয়াট।  

অথচ মেহেদী-সাকিবের ঘূর্ণিতে এক পর্যায়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল স্কটল্যান্ড। টস জেতার পর ৫৩ রানে স্কটল্যান্ডের ৬ উইকেট তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু টি-টোয়েন্টি এমনই এক ফরম্যাট একজন দাঁড়িয়ে গেলে মুহূর্তেই পাল্টে যায় ম্যাচ। যেটা করে দেখান লেগ স্পিনার হিসেবে সুযোগ পাওয়া ক্রিস গ্রেভস! তার শেষের ঝড়-ই সমৃদ্ধ স্কোরবোর্ড পাইয়ে দিয়েছে স্কটিশদের। ‘বি’ গ্রুপে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশকে তারা ছুঁড়ে দেয় ১৪১ রান।

৬ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর ক্রিস গ্রেভস ও মার্ক ওয়াট মিলেই জানান দেন এখনও রসদ শেষ হয়ে যায়নি স্কটল্যান্ডের। ৩৪ বলে ৫১ রানই উঠে এই জুটিতে! তাসকিনের বলে এই জুটি ভাঙে মার্ক ওয়াটের বিদায়ে। ওয়াট ১৭ বলে ২২ রানে ফেরেন। ১৯.২ ওভারে গ্রেভস বিদায় নেন স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করেই। উড়িয়ে মারতে গিয়ে ২৮ বলে ৪৫ রান করা এই ব্যাটার শিকার হন মোস্তাফিজের। যার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ২টি ছয়। পরের বলে কাটার মাস্টার জশ ডেভিকে ফেরালেও শারিফের ছক্কায় স্কোরটা হয়ে যায় চ্যালেঞ্জিং। ৯ উইকেটে স্কটল্যান্ড করে ১৪০ রান। যার খেসারত দিতে হয়েছে ম্যাচ হেরে!

অফস্পিনার মেহেদী ১৯ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ১৭ রানে দুটি নেন সাকিব আল হাসান। মোস্তাফিজ দুটি নিলেও রান দিয়েছেন ৩২টি। একটি করে নেন সাইফউদ্দিন ও তাসকিন আহমেদ।

/এফআইআর/

সম্পর্কিত

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

সাকিব-মুশফিকের ফেরায় বিপদে বাংলাদেশ

সাকিব-মুশফিকের ফেরায় বিপদে বাংলাদেশ

সাকিব-মুশফিকের ফেরায় বিপদে বাংলাদেশ

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২৩:২৯

দুই ওপেনারের বিদায়ে রান রেটের চাপ বাড়ছিল প্রতিনিয়ত। সাকিব আল হাসান ক্রিজে থাকলেও প্রত্যাশা মতো খেলতে পারলেন না। শ্লথ গতিতে খেলে ফিরে গেছেন ২৮ বলে ২০ রান করে। মুশফিকও আশা জাগিয়ে ইনিংসটা লম্বা করতে পারলেন না। তাতে ১৪১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ভীষণ বিপদে পড়ে গেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ১৬.২ ওভারে তাদের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৯৭ রান। ক্রিজে আছেন আফিফ (১৫) ও মাহমুদউল্লাহ (৯)।  

মিডউইকেটে ইনিংসের দ্বিতীয় বলে চার মেরে পরের ওভারে শেষ রক্ষা হয়নি সৌম্যর। ডেভির বলে ঠিক একই জায়গায় মেরে খেলতে গেলেও ততক্ষণে সেখানে দাঁড়িয়ে গেছেন এক ফিল্ডার!  ফাঁদে পড়ে সৌম্য বিদায় নেন ৫ রান করে। শুরুর ধাক্কা সামলানোর বদলে উইকেট বিলিয়ে দেন ওপেনার লিটন দাসও। উইকেট ছেড়ে এসে মিড অফে ক্যাচ তুলে দেন ব্র্যাড হুইলের বলে। দুই ওপেনারের বিদায়ের চাপটা গিয়ে পড়ে সাকিব-মুশফিকের ওপরে। পাওয়ার প্লেতে কাঙ্ক্ষিতভাবে রানের জোগান দিতে পারেননি তারা। পাশাপশি স্কটিশ বোলিংয়ে রান রেটের চাপও বাড়তে থাকে প্রতিনিয়ত। কিন্তু মুশফিক হাত খোলার চেষ্টায় ছিলেন। শ্লথ গতিতে সাকিব তাকে সঙ্গ দিয়ে মেরে খেলতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনেন ১১.১ ওভারে। লেগ স্পিনার গ্রেভসের বলে মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে ম্যাকলিওডের ক্যাচে পরিণত হন সাকিব। তার বিদায়ের পর মুশফিকও থিতু হননি। লেগ স্পিনার গ্রেভসের ঘূর্ণিতেই তিনি ফেরেন ৩৮ রানে! স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড হন মুশফিক। 

এর আগে মেহেদী-সাকিবের ঘূর্ণিতে এক পর্যায়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল স্কটল্যান্ড। ৫৩ রানে স্কটল্যান্ডের ৬ উইকেট তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু লেগ স্পিনার হিসেবে সুযোগ পাওয়া ক্রিস গ্রেভসের শেষের ঝড় সমৃদ্ধ স্কোরবোর্ড পাইয়ে দিয়েছে স্কটিশদের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশকে তারা ১৪১ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে। 

শুরুর ওভারে আসেন তাসকিন আহমেদ। একটি বাউন্ডারি হজম করলেও মোস্তাফিজুর রহমান ছিলেন মিতব্যয়ী। এক রান দিয়েছেন। তৃতীয় ওভারে সাইফউদ্দিনকে আনলে তার সাফল্য পায় টাইগাররা। চতুর্থ বলে ভুল লাইনে খেলতে গিয়ে শূন্য রানে বোল্ড হন কোয়েটজার।  

শুরুর ধাক্কা সামলে দ্রুতই মানিয়ে নেয় বাকি ব্যাটাররা। বিশেষ করে মুনসের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লের ঘাটতি পূরণ করে নেয় স্কটল্যান্ড। উঠে আসে ৩৯। 

পাওয়ার প্লেতে তিন পেসারের পর সপ্তম ওভারে আসেন স্পিনাররা। অষ্টম ওভারে মেহেদী এসেই বিপজ্জনক দুই ব্যাটসম্যানকে ফেরান দ্রুত। লেগ বিফোরে পাঠান ১১ রান করা ম্যাথিউ ক্রসকে। তার পর হাত খুলে মারতে থাকা জর্জ মুনসেকেও ফেরান বোল্ড করে। মুনসে ২৩ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ফেরেন ২৯ রানে। 

১১তম ওভারে স্কটিশদের আরও বিপদে ফেলে দেন সাকিব আল হাসান। শুরুতে তাকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে আফিফের অসাধারণ ক্যাচে পরিণত হন অধিনায়ক বেরিংটন (২)।  এক বল পর একই পরিণতি হয় নতুন নামা মাইকেল লিস্কেরও। রানের খাতা না খুলেই ক্যাচ দেন লিটন দাসকে। দুটি উইকেট নিয়েই টি-টোয়েন্টির শীর্ষ উইকেট শিকারি হন সাকিব। 

পরের ওভারে ক্যালাম ম্যাকলিওডকে বোল্ড করে দলটিকে পুরোপুরি কোণঠাসা করে দিয়েছিলেন মেহেদী। কিন্তু ক্রিস গ্রেভস ও মার্ক ওয়াট মিলে জানান দেন এখনও রসদ শেষ হয়ে যায়নি স্কটল্যান্ডের। ৩৪ বলে ৫১ রানই উঠে এই জুটিতে! তাসকিনের বলে এই জুটি ভাঙে মার্ক ওয়াটের বিদায়ে। ওয়াট ১৭ বলে ২২ রানে ফেরেন। ১৯.২ ওভারে গ্রেভস বিদায় নেন স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করেই। উড়িয়ে মারতে গিয়ে ২৮ বলে ৪৫ রান করা এই ব্যাটার শিকার হন মোস্তাফিজের। যার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ২টি ছয়। পরের বলে কাটার মাস্টার জশ ডেভিকে ফেরালেও শারিফের ছক্কায় স্কোরটা হয়ে দাঁড়ায় চ্যালেঞ্জিং। ৯ উইকেটে স্কটল্যান্ড করে ১৪০ রান। 

অফস্পিনার মেহেদী ১৯ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ১৭ রানে দুটি নেন সাকিব আল হাসান। মোস্তাফিজ দুটি নিলেও রান দিয়েছেন ৩২টি। একটি করে নেন সাইফউদ্দিন ও তাসকিন আহমেদ।

/এফআইআর/   

সম্পর্কিত

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

সেই স্কটল্যান্ডেই ধরাশায়ী বাংলাদেশ

সেই স্কটল্যান্ডেই ধরাশায়ী বাংলাদেশ

সাকিব-মুশফিকের ব্যাটে জবাব দিচ্ছে বাংলাদেশ

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:৫৪

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনে ১৪১ রানের লক্ষ্যে খেলছে বাংলাদেশ। লিটন-সৌম্য শুরুতে ফিরলেও সেই ধাক্কা সামলে জবাব দিচ্ছেন মুশফিক-সাকিব। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ১০ ওভারে ৫৯ রান। ক্রিজে আছেন সাকিব (১৭) ও মুশফিক (২৯)।  

মিডউইকেটে ইনিংসের দ্বিতীয় বলে চার মেরে পরের ওভারে শেষ রক্ষা হয়নি সৌম্যর। ডেভির বলে ঠিক একই জায়গায় মেরে খেলতে গেলেও ততক্ষণে সেখানে দাঁড়িয়ে গেছেন এক ফিল্ডার!  ফাঁদে পড়ে সৌম্য বিদায় নেন ৫ রান করে। শুরুর ধাক্কা সামলানোর বদলে উইকেট বিলিয়ে দেন ওপেনার লিটন দাসও। উইকেট ছেড়ে এসে মিড অফে ক্যাচ তুলে দেন ব্র্যাড হুইলের বলে। দুই ওপেনারের বিদায়ের চাপটা গিয়ে পড়ে সাকিব-মুশফিকের ওপরে। পাওয়ার প্লেতে কাঙ্ক্ষিতভাবে রানের জোগান দিতে পারেননি তারা। পাশাপশি স্কটিশ বোলিংয়ে রান রেটের চাপও বাড়তে থাকে প্রতিনিয়ত। কিন্তু মুশফিক হাত খোলার চেষ্টায় রয়েছেন। শ্লথ গতিতে তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন সাকিব।   

এর আগে মেহেদী-সাকিবের ঘূর্ণিতে এক পর্যায়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল স্কটল্যান্ড। ৫৩ রানে স্কটল্যান্ডের ৬ উইকেট তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু লেগ স্পিনার হিসেবে সুযোগ পাওয়া ক্রিস গ্রেভসের শেষের ঝড় সমৃদ্ধ স্কোরবোর্ড পাইয়ে দিয়েছে স্কটিশদের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশকে তারা ১৪১ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে। 

শুরুর ওভারে আসেন তাসকিন আহমেদ। একটি বাউন্ডারি হজম করলেও মোস্তাফিজুর রহমান ছিলেন মিতব্যয়ী। এক রান দিয়েছেন। তৃতীয় ওভারে সাইফউদ্দিনকে আনলে তার সাফল্য পায় টাইগাররা। চতুর্থ বলে ভুল লাইনে খেলতে গিয়ে শূন্য রানে বোল্ড হন কোয়েটজার।  

শুরুর ধাক্কা সামলে দ্রুতই মানিয়ে নেয় বাকি ব্যাটাররা। বিশেষ করে মুনসের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লের ঘাটতি পূরণ করে নেয় স্কটল্যান্ড। উঠে আসে ৩৯। 

পাওয়ার প্লেতে তিন পেসারের পর সপ্তম ওভারে আসেন স্পিনাররা। অষ্টম ওভারে মেহেদী এসেই বিপজ্জনক দুই ব্যাটসম্যানকে ফেরান দ্রুত। লেগ বিফোরে পাঠান ১১ রান করা ম্যাথিউ ক্রসকে। তার পর হাত খুলে মারতে থাকা জর্জ মুনসেকেও ফেরান বোল্ড করে। মুনসে ২৩ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ফেরেন ২৯ রানে। 

১১তম ওভারে স্কটিশদের আরও বিপদে ফেলে দেন সাকিব আল হাসান। শুরুতে তাকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে আফিফের অসাধারণ ক্যাচে পরিণত হন অধিনায়ক বেরিংটন (২)।  এক বল পর একই পরিণতি হয় নতুন নামা মাইকেল লিস্কেরও। রানের খাতা না খুলেই ক্যাচ দেন লিটন দাসকে। দুটি উইকেট নিয়েই টি-টোয়েন্টির শীর্ষ উইকেট শিকারি হন সাকিব। 

পরের ওভারে ক্যালাম ম্যাকলিওডকে বোল্ড করে দলটিকে পুরোপুরি কোণঠাসা করে দিয়েছিলেন মেহেদী। কিন্তু ক্রিস গ্রেভস ও মার্ক ওয়াট মিলে জানান দেন এখনও রসদ শেষ হয়ে যায়নি স্কটল্যান্ডের। ৩৪ বলে ৫১ রানই উঠে এই জুটিতে! তাসকিনের বলে এই জুটি ভাঙে মার্ক ওয়াটের বিদায়ে। ওয়াট ১৭ বলে ২২ রানে ফেরেন। ১৯.২ ওভারে গ্রেভস বিদায় নেন স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করেই। উড়িয়ে মারতে গিয়ে ২৮ বলে ৪৫ রান করা এই ব্যাটার শিকার হন মোস্তাফিজের। যার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ২টি ছয়। পরের বলে কাটার মাস্টার জশ ডেভিকে ফেরালেও শারিফের ছক্কায় স্কোরটা হয়ে দাঁড়ায় চ্যালেঞ্জিং। ৯ উইকেটে স্কটল্যান্ড করে ১৪০ রান। 

অফস্পিনার মেহেদী ১৯ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ১৭ রানে দুটি নেন সাকিব আল হাসান। মোস্তাফিজ দুটি নিলেও রান দিয়েছেন ৩২টি। একটি করে নেন সাইফউদ্দিন ও তাসকিন আহমেদ।

/এফআইআর/      

সম্পর্কিত

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

সেই স্কটল্যান্ডেই ধরাশায়ী বাংলাদেশ

সেই স্কটল্যান্ডেই ধরাশায়ী বাংলাদেশ

উইকেট বিলিয়ে সাজঘরে সৌম্য-লিটন

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ২২:৩২

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনে ১৪১ রানের লক্ষ্যে খেলছে বাংলাদেশ। সৌম্য সরকার চার মেরে শুভ সূচনার ইঙ্গিত দিলেও পরের ওভারে একই শটে ফিরেছেন! স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৫ ওভারে ২২ রান। ক্রিজে আছেন সাকিব (৮) ও মুশফিক (৩)।  

মিডউইকেটে ইনিংসের দ্বিতীয় বলে চার মেরে পরের ওভারে শেষ রক্ষা হয়নি সৌম্যর। ডেভির বলে ঠিক একই জায়গায় মেরে খেলতে গেলেও ততক্ষণে সেখানে দাঁড়িয়ে গেছেন এক ফিল্ডার!  ফাঁদে পড়ে সৌম্য বিদায় নেন ৫ রান করে। শুরুর ধাক্কা সামলানোর বদলে উইকেট বিলিয়ে দেন ওপেনার লিটন দাসও। উইকেট ছেড়ে এসে মিড অফে ক্যাচ তুলে দেন ব্র্যাড হুইলের বলে। 

এর আগে মেহেদী-সাকিবের ঘূর্ণিতে এক পর্যায়ে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল স্কটল্যান্ড। ৫৩ রানে স্কটল্যান্ডের ৬ উইকেট তুলে নিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু লেগ স্পিনার হিসেবে সুযোগ পাওয়া ক্রিস গ্রেভসের শেষের ঝড় সমৃদ্ধ স্কোরবোর্ড পাইয়ে দিয়েছে স্কটিশদের। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী দিনে বাংলাদেশকে তারা ১৪১ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দিয়েছে। 

শুরুর ওভারে আসেন তাসকিন আহমেদ। একটি বাউন্ডারি হজম করলেও মোস্তাফিজুর রহমান ছিলেন মিতব্যয়ী। এক রান দিয়েছেন। তৃতীয় ওভারে সাইফউদ্দিনকে আনলে তার সাফল্য পায় টাইগাররা। চতুর্থ বলে ভুল লাইনে খেলতে গিয়ে শূন্য রানে বোল্ড হন কোয়েটজার।  

শুরুর ধাক্কা সামলে দ্রুতই মানিয়ে নেয় বাকি ব্যাটাররা। বিশেষ করে মুনসের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লের ঘাটতি পূরণ করে নেয় স্কটল্যান্ড। উঠে আসে ৩৯। 

 

পাওয়ার প্লেতে তিন পেসারের পর সপ্তম ওভারে আসেন স্পিনাররা। অষ্টম ওভারে মেহেদী এসেই বিপজ্জনক দুই ব্যাটসম্যানকে ফেরান দ্রুত। লেগ বিফোরে পাঠান ১১ রান করা ম্যাথিউ ক্রসকে। তার পর হাত খুলে মারতে থাকা জর্জ মুনসেকেও ফেরান বোল্ড করে। মুনসে ২৩ বলে ২ চার ও ২ ছক্কায় ফেরেন ২৯ রানে। 

১১তম ওভারে স্কটিশদের আরও বিপদে ফেলে দেন সাকিব আল হাসান। শুরুতে তাকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে আফিফের অসাধারণ ক্যাচে পরিণত হন অধিনায়ক বেরিংটন (২)।  এক বল পর একই পরিণতি হয় নতুন নামা মাইকেল লিস্কেরও। রানের খাতা না খুলেই ক্যাচ দেন লিটন দাসকে। দুটি উইকেট নিয়েই টি-টোয়েন্টির শীর্ষ উইকেট শিকারি হন সাকিব। 

পরের ওভারে ক্যালাম ম্যাকলিওডকে বোল্ড করে দলটিকে পুরোপুরি কোণঠাসা করে দিয়েছিলেন মেহেদী। কিন্তু ক্রিস গ্রেভস ও মার্ক ওয়াট মিলে জানান দেন এখনও রসদ শেষ হয়ে যায়নি স্কটল্যান্ডের। ৩৪ বলে ৫১ রানই উঠে এই জুটিতে! তাসকিনের বলে এই জুটি ভাঙে মার্ক ওয়াটের বিদায়ে। ওয়াট ১৭ বলে ২২ রানে ফেরেন। ১৯.২ ওভারে গ্রেভস বিদায় নেন স্কোরবোর্ড সমৃদ্ধ করেই। উড়িয়ে মারতে গিয়ে ২৮ বলে ৪৫ রান করা এই ব্যাটার শিকার হন মোস্তাফিজের। যার ইনিংসে ছিল ৪টি চার ও ২টি ছয়। পরের বলে কাটার মাস্টার জশ ডেভিকে ফেরালেও শারিফের ছক্কায় স্কোরটা হয়ে দাঁড়ায় চ্যালেঞ্জিং। ৯ উইকেটে স্কটল্যান্ড করে ১৪০ রান। 

অফস্পিনার মেহেদী ১৯ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ১৭ রানে দুটি নেন সাকিব আল হাসান। মোস্তাফিজ দুটি নিলেও রান দিয়েছেন ৩২টি। একটি করে নেন সাইফউদ্দিন ও তাসকিন আহমেদ।

/এফআইআর/   

সম্পর্কিত

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

এবার মরুর বুকে ক্ষত-বিক্ষত মাহমুদউল্লাহরা

সেই স্কটল্যান্ডেই ধরাশায়ী বাংলাদেশ

সেই স্কটল্যান্ডেই ধরাশায়ী বাংলাদেশ

সর্বশেষসর্বাধিক
© 2021 Bangla Tribune