X
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১১ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

জার্মানিতে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে

আপডেট : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩:১৭

জার্মানির ২০তম জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। নতুন চ্যান্সেলর পেতে স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টায়। ১৬টি অঙ্গরাজ্যে একযোগে চলছে ভোটগ্রহণ। এরমধ্যে দিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছরের আঙ্গেলা ম্যার্কেল-এর শাসনামলের পর নতুন চ্যান্সেলর পেতে যাচ্ছে জার্মানরা। নির্বাচনকে কেন্দ্র দেশজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। 

প্রার্থীরা নানা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জনগণকে

করোনা মহামারির মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের ফলে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই নিজের পছন্দের চ্যান্সেলর পদপ্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন সাধারণ মানুষ। যেকোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে জার্মানিজুড়ে নেওয়া হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এবারের জাতীয় নির্বাচনে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী চ্যান্সেলর পদে লড়ছেন না অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেল। তার দল ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (সিডিইউ) থেকে লড়ছেন দলটির বর্তমান চেয়ারম্যান আরমিন লাশেট। সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এসপিডি) থেকে চ্যান্সেলর পদে লড়ছেন জার্মানির ভাইস চ্যান্সেলর ও অর্থমন্ত্রী ওলাফ শলৎস। জনমত জরিপে এখন পর্যন্ত এগিয়ে আছেন তিনি। আর পরিবেশবাদী দল গ্রিন পার্টি থেকে নির্বাচনে অংশ লড়ছেন আনালেনা বেয়ারবক।

এবারের জাতীয় নির্বাচনে চ্যান্সেলর পদপ্রার্থী ল্যাশেট-এর প্রতি পূর্ণ সমর্থনের কথা জানান দিয়েছেন ম্যার্কেল। দুটি শেষ জনমত জরিপে দেখা গেছে, সিডিইউ এবং সিএসইউ থেকে ২৬ পয়েন্টে এগিয়ে রয়েছে স্যোশাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এসপিডি)। ভোট শেষে আগামী সোমবারের মধ্যে কিছু ফল পাওয়া যেতে পারে।

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ৬ কোটি ৪০ লাখ। তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে সবাই বুথে এসে সরাসরি ভোট দেবেন না। মেইলের মাধ্যমে অনেকেই নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়া সুযোগ থাকছে।

/এলকে/

সম্পর্কিত

জার্মানিতে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু এ সপ্তাহেই!

জার্মানিতে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু এ সপ্তাহেই!

‘দায়িত্ব নেওয়ায়’ ম্যার্কেলের প্রশংসা করলেন এরদোয়ান

‘দায়িত্ব নেওয়ায়’ ম্যার্কেলের প্রশংসা করলেন এরদোয়ান

কয়লা চাই সবার, জ্বালানিতে মহামারির ইঙ্গিত?

কয়লা চাই সবার, জ্বালানিতে মহামারির ইঙ্গিত?

ইরান, ফিলিস্তিন ইস্যুতে ম্যার্কেল ও বেনেতের মতপার্থক্য

ইরান, ফিলিস্তিন ইস্যুতে ম্যার্কেল ও বেনেতের মতপার্থক্য

পশ্চিম তীরে অবৈধ ইহুদি বসতি, কঠোর প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৪১

দখলকৃত পশ্চিম তীরে এক হাজার ৩০০ অবৈধ ইহুদি বসতি গড়ার ইসরায়েলি উদ্যোগের কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বাইডেন প্রশাসন বলছে, এতে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে ‘দ্বি-রাষ্ট্র’ সমাধানের যে সম্ভাবনা তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মিত্র দেশ ইসরায়েলের বিপক্ষে এমন বিরল অবস্থানে দেখা গেল যুক্তরাষ্ট্রকে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের মুখপাত্র নেড প্রাইস বলেন, ‘ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নতুন করে হাজারের বেশি বসতি স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে ইসরায়েল সরকার। মার্কিন প্রশাসন ইসরায়েলের এমন পরিকল্পনায় গভীরভাবে উদ্বিগ্ন’।

তিনি আরও বলেন, ‘এই উদ্যোগ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কমিয়ে আনার প্রক্রিয়ার সঙ্গে পুরোপুরি অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং সাংঘর্ষিক।’ মিত্র দেশ ইসরায়েলকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এমন মন্তব্য বিরল। 

দখলকৃত পশ্চিম তীরে ইহুদি দখলদারদের জন্য নতুন করে বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করে ইসরায়েল। তাৎক্ষণিকভাবে ফিলিস্তিনিদের পাশাপাশি এই ঘোষণার নিন্দা জানায় প্রতিবেশী জর্ডান।

রবিবার ইসরায়েলের ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেন্নেত সরকারের কন্সট্রাকশন ও আবাসন মন্ত্রণালয়ের তরফে বলা হয়, পশ্চিম তীরে নতুন এক হাজার ৩৫৫টি বাড়ি নির্মাণে টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। ১৯৬৭ সালের ছয় দিনের মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের সময় ওই এলাকা দখল করে ইসরায়েল। এরপর থেকেই পর্যাক্রমে সেখানে অবৈধ বসতি স্থাপন করে যাচ্ছে দেশটি।

/এলকে/

সম্পর্কিত

উদ্বেগজনক ইস্যুতে চীন-মার্কিন আলোচনায় অগ্রগতি

উদ্বেগজনক ইস্যুতে চীন-মার্কিন আলোচনায় অগ্রগতি

সুদানে ৭০০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের

সুদানে ৭০০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের

পরাজয় নিশ্চিত জেনেই তালেবানের সঙ্গে সমঝোতা: সাবেক মার্কিন দূত

পরাজয় নিশ্চিত জেনেই তালেবানের সঙ্গে সমঝোতা: সাবেক মার্কিন দূত

পশ্চিম তীরে নতুন ১৩০০ বাড়ি বানাবে ইসরায়েল

পশ্চিম তীরে নতুন ১৩০০ বাড়ি বানাবে ইসরায়েল

সিরিয়া ও ইরাকে দু’বছর সামরিক মিশন বাড়ালো তুরস্ক

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৩০

সিরিয়া ও ইরাকের উত্তরাঞ্চলে আন্তঃসীমান্ত অভিযান জোরদারে তুর্কি সামরিক বাহিনীর মিশন আরও দুই বছর বাড়ানোর অনুমোদন দিয়েছে দেশটির পার্লামেন্ট। ইরাক ও সিরিয়া ইস্যুতে মঙ্গলবার প্রথমবার সামরিক বাহিনীর সময়সীমা বাড়ালো দেশটি। তবে এই পদক্ষেপের বিপক্ষে অবস্থান নেয় রিপাবলিকান পিপল’স পার্টি (সিএইচপি)।

সিরিয়া ও ইরাকে তুর্কি সেনাদের সময়সীমা বাড়ানোর প্রসঙ্গে পার্লামেন্টে এক ভাষণে সিএইচপির নেতা কামাল প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানকে প্রশ্ন করেন, আপনি আমাদেরকে এই বিষয়ে কিছু বলবেন না, অথচ আরও দুই বছরের সময় বাড়াতে ভোট দিতে বলেন। কিন্তু কেন?

ইরাকে তুর্কি বাহিনী মোতায়েনের বিরুদ্ধে ২০০৩ সালেও ভোট দিয়েছিল এই সিএইচপি পার্টি। কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এরদোয়ানকে সমর্থন করায় তুর্কি সেনা দেশটিতে অবস্থান নেয়।

আঙ্কারা যেসব গোষ্ঠীগুলোকে সন্ত্রাসী সংগঠন আখ্যা দিয়ে আসছে এদের বিরুদ্ধে আন্তঃসীমান্ত অভিযান পরিচালনার জন্যই সময়সীমা বাড়ানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকার। তুর্কি সেনারা সিরিয়ার সবশেষ বিদ্রোহী উত্তরাঞ্চলে অবস্থান করছে। এছাড়া ইরাকে তুরস্কের বাহিনী আছে।

/এলকে/

সম্পর্কিত

পশ্চিমা রাষ্ট্রদূতদের বহিষ্কার ইস্যুতে এরদোয়ানের ইউটার্ন

পশ্চিমা রাষ্ট্রদূতদের বহিষ্কার ইস্যুতে এরদোয়ানের ইউটার্ন

‘ইরাকে সরকার গঠনে বিদেশি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়’

‘ইরাকে সরকার গঠনে বিদেশি হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য নয়’

বিশ্বের বৃহৎ ১০ অর্থনীতির একটি হবে তুরস্ক: এরদোয়ান

বিশ্বের বৃহৎ ১০ অর্থনীতির একটি হবে তুরস্ক: এরদোয়ান

যুক্তরাষ্ট্রসহ ১০ দেশের রাষ্ট্রদূতদের বহিষ্কারের ঘোষণা এরদোয়ানের

যুক্তরাষ্ট্রসহ ১০ দেশের রাষ্ট্রদূতদের বহিষ্কারের ঘোষণা এরদোয়ানের

মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনলেন ট্রুডো

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২৩:৫১

মন্ত্রিসভায় বড় পরিবর্তন এনেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তনের আনা হয়েছে। গত মাসের আগাম নির্বাচনে লিবারেল পার্টি একটি সংখ্যালঘু সরকার গঠনের পর এই বদল এসেছে।

৩৮ জন মন্ত্রী মঙ্গলবার শপথ নিয়েছেন। এর মধ্যে মাত্র দশজনেরও কম মন্ত্রী আগের মন্ত্রণালয়ে বহাল রয়েছেন। বদলের অংশ হিসেবে এসেছেন নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেয়েছে কানাডা। সেনাবাহিনী যখন যৌন অসদাচরণের অভিযোগের মুখোমুখি তখন ছয় বছর দায়িত্ব শেষ করেছেন সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর হরজিৎ সাজ্জান।

নতুন জাতীয় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব নিলেন অনিতা আনন্দ। এই পদে দ্বায়িত্ব পালন করা দ্বিতীয় নারী তিনি। সাবেক এই অ্যাকাডেমিক মহামারির সময়ে কানাডার টিকা কেনার নেতৃত্ব দেওয়া মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হলো জলবায়ু আন্দোলন থেকে রাজনীতিতে আসা স্টিভেন গিলবেল্টকে জলবায়ুমন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছে কানাডা। যুক্তরাজ্যের গ্লাসগোতে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে কানাডার প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি।

এছাড়া ২০১৫ সালে প্রথম সরকার গঠনের পর পঞ্চমবারের মতো পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদলেছে কানাডার লিবারেল সরকার। সাবেক সরকারি ভাষা বিষয়কমন্ত্রী মেলানি জোলি ওই পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।

আগের অবস্থান ধরে রাখা মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন ক্রিস্টিনা ফ্রিল্যান্ড। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এবং উপপ্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন তিনি।

/জেজে/

সম্পর্কিত

কানাডা উপকূলে ছড়াচ্ছে বিষাক্ত গ্যাস

কানাডা উপকূলে ছড়াচ্ছে বিষাক্ত গ্যাস

তাইওয়ান প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার যুদ্ধজাহাজ

তাইওয়ান প্রণালীতে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার যুদ্ধজাহাজ

ছাদ ভেঙে বিছানায় উল্কাপিণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন নারী

ছাদ ভেঙে বিছানায় উল্কাপিণ্ড, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন নারী

টিকাগ্রহীতাদের জন্য কানাডা সীমান্ত খুলে দেবে যুক্তরাষ্ট্র

টিকাগ্রহীতাদের জন্য কানাডা সীমান্ত খুলে দেবে যুক্তরাষ্ট্র

গৃহযুদ্ধ এড়াতে ক্ষমতা দখল করেছে সুদানের সেনাবাহিনী: অভ্যুত্থানের নেতা

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:৩৮

সুদানের অভ্যুত্থানের নেতা জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ আল-বুরহান বলেছেন গৃহযুদ্ধ এড়াতে সোমবার ক্ষমতা দখল করেছে সেনাবাহিনী। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লাহ হামদাককে নিরাপত্তা কারণে নিজের বাড়িতে এনে রেখেছেন বলে দাবি করেন তিনি। শিগগিরই তাকে নিজের বাড়িতে যেতে দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

অভ্যুত্থানের প্রতিবাদে রাজধানী খার্তুমে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো বিক্ষোভ হয়েছে। সড়ক, সেতু এবং দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। ফোন আর ইন্টারনেট সেবাও বিঘ্নিত হচ্ছে। বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে অন্তত দশ জন নিহতের কথা জানা গেছে।

অভ্যুত্থানকারী নেতা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘গত সপ্তাহে যে বিপদ আমরা দেখেছি তাতে দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়ে যেতে পারতো।’ তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তার বাড়িতে ছিলেন কিন্তু আমরা তার ক্ষতির আশঙ্কা করছি আর তিনি এখন আমার বাড়িতে রয়েছেন। গত রাতে তার সঙ্গে ছিলাম... এবং তিনি স্বাভাবিক জীবন যাপন করছেন...হুমকি শেষ হয়ে গেলে শিগগিরই তিনি বাড়ি যেতে পারবেন।’

জেনারেল বুরহান বলেন, রাজনৈতিক গ্রুপগুলো জনগণকে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে উস্কে দিতে থাকায় তাকে বেসামরিক শাসনের অবসান ঘটাতে হয়েছে, রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেফতার করতে হয়েছে এবং জরুরি অবস্থা জারি করতে হয়েছে।

বিশ্ব জুড়ে ওই অভ্যুত্থানের নিন্দা জানানো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাতিসংঘ এবং আফ্রিকান ইউনিয়ন গ্রেফতারকৃতদের নেতাদের অবিলম্বে মুক্তি দাবি করেছে। এসব নেতাদের মধ্যে আবদাল্লাহ হামদাকের মন্ত্রিসভার সদস্যরাও রয়েছেন।

জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, সুদানও সেই সব দেশের মধ্যে একটি যেখানে এশিয়া ও আফ্রিকায় সেনা অভুত্থানের মহামারি চলছে। তিনি নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে সেনা অভুত্থান নিষিদ্ধ করার ব্যবস্থা নিতে বিশ্বের বড় শক্তিগুলোকে আহ্বান জানান।

 

/জেজে/

সম্পর্কিত

নাইজেরিয়ায় মসজিদে ১৮ জনকে গুলি করে হত্যা

নাইজেরিয়ায় মসজিদে ১৮ জনকে গুলি করে হত্যা

সুদানে ৭০০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের

সুদানে ৭০০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের

সুদানে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে গুলি, নিহত ৭

সুদানে অভ্যুত্থানবিরোধী বিক্ষোভে গুলি, নিহত ৭

ডব্লিউএইচও’র অনুমোদনের অপেক্ষায় কোভ্যাক্সিন নেওয়া ভারতীয়রা

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২২:১৪

৯ মাস ধরে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলে আটকে পড়া এবং সৌদি আরবে কাজে ফিরতে না পারা না সুগাথান পিআর আশা করছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ভারতে উদ্ভাবিত করোনার টিকা কোভ্যাক্সিনকে অনুমতি দিবে। এতে করে তার সৌদি আরব যাওয়ার পথ উন্মুক্ত হবে।

সুগাথানের মতো লাখো ভারতীয় কোভ্যাক্সিন টিকা নিয়েছেন। এদের অনেকেই অভিযোগ করছেন, আন্তর্জাতিকভাবে টিকাটি স্বীকৃতি না পাওয়ায় তারা বিভিন্ন দেশে যেতে পারছেন না।

৫৭ বছর বয়সী সুগাথান জানুয়ারিতে কেরালার পান্দালাম গ্রামে এসেছিলেন। তিনি বলেন, আর অলসভাবে বসে থাকতে পারছি না। সৌদি আরবে যাওয়ার ও সেখানে যাওয়ার চার দিন প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের পর অতিরিক্ত ডোজ কোভিশিল্ড নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু আমি নিশ্চিত আমার শরীরের জন্য তা উপযুক্ত কিনা।

তিনি আরও বলেন, যদি কোভ্যাক্সিন অনুমোদন না পায়, তাহলে আমাকে সৌদি আরব যাওয়ার এবং সেখানে অনুমোদিত টিকা নেওয়ার ঝুঁকি নিতে হবে।

মঙ্গলবার ডব্লিউএইচও জানায়, কোভ্যাক্সিন টিকার তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে অনুমোদন শিগগিরই জরুরি ব্যবহারের জন্য অণুমোদন পাবে।

জুলাই মাসের শুরুতে ভারত বায়োটেকের সরবরাহ করা তথ্য সতর্কতার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পর্যালোচনা করছে ডব্লিউএইচও। কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর্যায়ে এখনও আসতে পারেনি সংস্থাটি।

ডব্লিউএইচও’র অনুমোদন ছাড়া বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি পাবে না কোভ্যাক্সিন এবং ভ্রমণ জটিলতায় পড়তে পারেন টিকাটি নেওয়া ভারতীয়রা।  

দুই দশক ধরে কুয়েতে কাজ করার পর গত বছর ভারতে ফিরেছেন ৫৯ বছর বয়সী রাজন। কুয়েতে কোভ্যাক্সিন স্বীকৃতি না পাওয়াতে তিনিও কাজে ফিরতে পারছেন না। মুরগি বিক্রি করে ২০ হাজার ডলারের ব্যাংক ঋণ শোধ করতে পারছেন না। প্রতিদিন মাত্র ৪ ডলারের মতো ইনকাম হচ্ছে তার।

তিনি বলেন, আমি যদি কুয়েত যেতে না পারি তাহলে ঋণ শোধ করতে পারব না, আমার সন্তানদের পড়াশোনাও বন্ধ হয়ে যাবে। কুয়েত সরকারের অ্যাপ-এ সবুজ সংকেত পেলেই কেবল আমি বিমান টিকিট কিনতে পারব।

/এএ/

/এএ/

সম্পর্কিত

উদ্বেগজনক ইস্যুতে চীন-মার্কিন আলোচনায় অগ্রগতি

উদ্বেগজনক ইস্যুতে চীন-মার্কিন আলোচনায় অগ্রগতি

প্রথমবারের মতো জান্তার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন সু চি: এএফপি

প্রথমবারের মতো জান্তার আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন সু চি: এএফপি

‘ফেক নিউজ’ ভারতে বেশি

‘ফেক নিউজ’ ভারতে বেশি

সর্বশেষসর্বাধিক
quiz

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

জার্মানিতে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু এ সপ্তাহেই!

জার্মানিতে নতুন সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু এ সপ্তাহেই!

‘দায়িত্ব নেওয়ায়’ ম্যার্কেলের প্রশংসা করলেন এরদোয়ান

‘দায়িত্ব নেওয়ায়’ ম্যার্কেলের প্রশংসা করলেন এরদোয়ান

কয়লা চাই সবার, জ্বালানিতে মহামারির ইঙ্গিত?

কয়লা চাই সবার, জ্বালানিতে মহামারির ইঙ্গিত?

ইরান, ফিলিস্তিন ইস্যুতে ম্যার্কেল ও বেনেতের মতপার্থক্য

ইরান, ফিলিস্তিন ইস্যুতে ম্যার্কেল ও বেনেতের মতপার্থক্য

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে

তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন ম্যার্কেল

তুরস্ক সফরে যাচ্ছেন ম্যার্কেল

৫০-৮০ হাজার ভোট ব্যবধানে জিতবেন মমতা: ফিরহাদ হাকিম

৫০-৮০ হাজার ভোট ব্যবধানে জিতবেন মমতা: ফিরহাদ হাকিম

হাইভোল্টেজ ভবানীপুরে এগিয়ে মমতা

হাইভোল্টেজ ভবানীপুরে এগিয়ে মমতা

কাতারে প্রথম আইনসভা নির্বাচন, লড়ছেন নারীরাও

কাতারে প্রথম আইনসভা নির্বাচন, লড়ছেন নারীরাও

সর্বশেষ

পশ্চিম তীরে অবৈধ ইহুদি বসতি, কঠোর প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রের

পশ্চিম তীরে অবৈধ ইহুদি বসতি, কঠোর প্রতিবাদ যুক্তরাষ্ট্রের

সিরিয়া ও ইরাকে দু’বছর সামরিক মিশন বাড়ালো তুরস্ক

সিরিয়া ও ইরাকে দু’বছর সামরিক মিশন বাড়ালো তুরস্ক

রাঙামাটিতে নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণ গেলো ইউপি সদস্যের

রাঙামাটিতে নির্বাচনী সহিংসতায় প্রাণ গেলো ইউপি সদস্যের

সাতক্ষীরায় ১০ সাংবাদিক পেলেন মিডিয়া ফেলোশিপ

সাতক্ষীরায় ১০ সাংবাদিক পেলেন মিডিয়া ফেলোশিপ

বুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

বুয়েটে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

© 2021 Bangla Tribune