X
শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ৩১ আশ্বিন ১৪২৮

সেকশনস

সব বর্ষের শিক্ষার্থীরা ঢাবি হলে, ফুল-চকলেট-মাস্কে বরণ

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২১, ১৫:০৯

দীর্ঘ দেড় বছর পর রবিবার (১০ অক্টোবর) সব বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আবাসিক হল। এ দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা হলে উঠছেন। এর আগে ৫ অক্টোবর এক ডোজ করোনা টিকা নেওয়ার শর্তে অনার্স চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দেওয়া হয়। 

রবিবার সরেজমিনে দেখা যায়, বই হাতে, ব্যাগ কাঁধে হলে প্রবেশ করছেন শিক্ষার্থীরা। আগত শিক্ষার্থীদের ফুল, চকলেট ও বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো সংবলিত মাস্ক দিয়ে বরণ করে নিচ্ছে হল প্রশাসন।

ফুল ও চকলেট বহুদিন পর হলে এসে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। স্যার এ এফ রহমান হলের শিক্ষার্থী আশিকুল হক রিফাত বলেন, ‘দেড় বছর ধরে হলের বাইরে। কতদিন বন্ধুদের সঙ্গে দেখা নেই। এতদিন পথ চেয়েছিলাম কবে হল খুলবে, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হবে!  দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে এলো মিলনের মহেন্দ্রক্ষণ। হল খুলেছে, বন্ধুরা এসেছে। তাদের দেখে অসম্ভব ভালো লাগছে। আশা করি, অতিদ্রুত সশরীরে ক্লাস শুরু হবে। আবার আমরা নতুন উদ্যমে পড়ালেখা চালিয়ে যাবো।’

শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হচ্ছে কবি জসিম উদ্দিন হলের শিক্ষার্থী সৈয়দ মোসাদ্দেকুন নবী মওলা বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর দেখতে পেলাম সেই পরিচিত আঙিনা, অনেক দিন পর কাছের বন্ধুরা একত্রিত হলাম। হল প্রশাসন আমাদের সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশে বরণ করে নিয়েছে, এ জন্য তাদের ধন্যবাদ।’

রোকেয়া হলে শিক্ষার্থীরা সরেজমিনে দেখা যায়, গণরুমের শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দেওয়া হলেও বিজয় একাত্তর হলে তাদের ওঠানো হয়নি। এ বিষয়ে ওই হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আবদুল বাছির বলেন, ‘আজ শুধু আবাসিক শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দেওয়া হয়েছে। আর গণরুমের শিক্ষার্থীরা আবাসিক না, তাই তাদের হলে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। আগামী ১৭ অক্টোবর সশরীরে ক্লাস শুরু হওয়ার পর সব শিক্ষার্থী এলে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সবার জন্য খুলে দেওয়া হবে এবং তাদের কিছু নির্দেশনা দেওয়া হবে।’

 

/আইএ/

সম্পর্কিত

শহীদ শেখ রাসেল দিবস পালন করবে ঢাবি

শহীদ শেখ রাসেল দিবস পালন করবে ঢাবি

স্বাস্থ্য ও জীবন বিমার আওতায় ঢাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

স্বাস্থ্য ও জীবন বিমার আওতায় ঢাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

খুলছে হাবিপ্রবির হল, থাকছে না গণরুম

আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১৮:৩৯

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ৫৮তম একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো খুলছে সোমবার (১৮ অক্টোবর) থেকে। তবে আবাসিক হলগুলো পর্যায়ক্রমে খোলা হবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এক্ষেত্রে হলে উঠতে হলে শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা নিতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস থেকে জানা যায়, সোমবার থেকে প্রথম দিকে তৃতীয়, চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা হলে উঠতে পারবেন (শর্তসাপেক্ষে)। এরপর পর্যায়ক্রমে সব আবাসিক শিক্ষার্থীদের হলে উঠানো হবে। এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খোলার আগে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে হল প্রশাসন। 

ডরমেটরি-২ হলের হল সুপার অধ্যাপক ড. মো. গোলাম রব্বানী বলেন, একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আগামী সোমবার থেকে পর্যায়ক্রমে হলগুলো খুলে দেওয়া হবে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে উপাচার্যের নির্দেশে আবাসিক হলে আপাতত আমরা গণরুম রাখছি না। সেইসঙ্গে যাদের ছাত্রত্ব নেই তারাও হলে অবস্থান করতে পারবে না। ডরমেটরি-২ হলে প্রবেশের ক্ষেত্রে প্রবেশমুখে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকবে। একসঙ্গে ৮০ জন শিক্ষার্থী যেন পড়াশোনা করতে পারে সেজন্য হলে একটি রিডিং রুমের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য ডাইনিং এবং ক্যানটিনের ব্যবস্থাও থাকবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের হল সুপার সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. হাসানুর রহমান জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৮তম একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমাদের হল আগামী সোমবার থেকে খুলে দিতে যাচ্ছি। ওই দিন হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত হলে প্রবেশ করতে পারবে। তবে সেদিন শুধুমাত্র মাস্টার্স এবং চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা হলে প্রবেশের সুযোগ পাবে। এ ছাড়া হলে প্রবেশের আগে কমপক্ষে একডোজ টিকা নেওয়ার কার্ড দেখাতে হবে। তবেই শিক্ষার্থীদের হলে প্রবেশ করানো হবে।

ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল সুপার সহযোগী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আবু সাঈদ বলেন, হলের সংস্কারকাজের জন্য যে নির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল সে অনুযায়ী কাজ করেছি। সংস্কারকাজের অংশ হিসেবে প্রত্যেক ওয়াশরুমে টাইলস বসানো হয়েছে। নতুন করে স্যানিটারি ফিটিংস লাগানো হয়েছে। প্রত্যেক রুমের রঙ করা হয়েছে। যেহেতু আমাদের হল আগামী মঙ্গলবার থেকে খুলবে সে জন্য কাজগুলো দ্রুত শেষ করার চেষ্টা চলছে।

শেখ রাসেল হল সুপার সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, আমাদের হল আগামী ২০ অক্টোবর থেকে খুলে দেওয়া হবে। হল খুলে দেওয়ার পূর্বপ্রস্তুতির অংশ হিসেবে গুগল ডক ফরমের মাধ্যমে টিকা নেওয়া শিক্ষার্থীদের তথ্য নেওয়া হয়েছে। সরকারি অর্থায়নে এবং ইউজিসির নির্দেশনায় হলের সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের হলে প্রবেশের সময় বরণ করে নিতে আমাদের কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। আশা করি, শিক্ষার্থীরা হলে উঠলে নতুন কিছু দেখবে।

/এএম/

সম্পর্কিত

‘প্রত্যেকের নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালনের অধিকার রয়েছে’

‘প্রত্যেকের নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালনের অধিকার রয়েছে’

সিনিয়রের নাম ধরে ডাকায় কুবি ছাত্রলীগের দু’পক্ষে সংঘর্ষ

সিনিয়রের নাম ধরে ডাকায় কুবি ছাত্রলীগের দু’পক্ষে সংঘর্ষ

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় কুবির ৪ শিক্ষক

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় কুবির ৪ শিক্ষক

উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির নির্ভরযোগ্য ঠিকানা বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির নির্ভরযোগ্য ঠিকানা বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

‘প্রত্যেকের নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালনের অধিকার রয়েছে’

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২১, ১৯:৪০

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেছেন, উৎসব কোনও নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের নয়। প্রত্যেক মানুষের স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় উৎসব পালনের অধিকার রয়েছে। যারা নির্দিষ্ট ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, তাদের না বলার সময় এসেছে।

শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) বিকাল সাড়ে চারটায় দেশের বিভিন্ন স্থানে শারদীয় দুর্গোৎসবের পূজামণ্ডপে হামলা ও প্রতিমা ভাঙচুরের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সকল সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ সংহতি জানিয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। 

ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘শারদীয় দুর্গা উৎসবে যারা আক্রমণ করেছে, মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে যারা আঘাত করেছে; সেই সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদে ও সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আজকের এই প্রতিবাদ সমাবেশ। 

এদেশের সব ধর্মীয় অনুষ্ঠান সকল মানুষের উৎসব উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখানে দুর্গা উৎসব, ঈদ, বড়দিন, সরস্বতী পূজা, পহেলা বৈশাখ, বিজু কিংবা সাংরাইয়ের উৎসব— এদেশের মানুষের হাজার বছরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পটভূমিতে লালিত। যারা এই দেশে সহিংসতা তৈরি করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সময় আমাদের এসেছে। বাঁশের লাঠি তৈরি করে এদের প্রতিরোধ করার সময় এসেছে। যেখানেই মন্দির আক্রান্ত হবে সেখানেই বাঁশের লাঠি দিয়ে এদের প্রতিরোধ করতে হবে।

নাট্য সংসদের সাধারণ সম্পাদক দিগার মোহাম্মদ কৌশিকের সঞ্চালনায় এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন নাট্য সংসদের সভাপতি মনিরুজ্জামান মুন্না, নাট্য সংসদের সাবেক সভাপতি সামিউল হক সানি, ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক সভাপতি রাকিব সিরাজী, শহীদুল্লাহ হল সংসদের সাবেক ভিপি হোসেইন মোহাম্মদ তুরান, জগন্নাথ হলের সাবেক জিএস কাজল দাস প্রমুখ। 

/এনএইচ/

সম্পর্কিত

খুলছে হাবিপ্রবির হল, থাকছে না গণরুম

খুলছে হাবিপ্রবির হল, থাকছে না গণরুম

সিনিয়রের নাম ধরে ডাকায় কুবি ছাত্রলীগের দু’পক্ষে সংঘর্ষ

সিনিয়রের নাম ধরে ডাকায় কুবি ছাত্রলীগের দু’পক্ষে সংঘর্ষ

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় কুবির ৪ শিক্ষক

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় কুবির ৪ শিক্ষক

উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির নির্ভরযোগ্য ঠিকানা বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির নির্ভরযোগ্য ঠিকানা বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

সিনিয়রের নাম ধরে ডাকায় কুবি ছাত্রলীগের দু’পক্ষে সংঘর্ষ

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২১, ১৫:২৭

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত পাঁচ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বৃহস্পতিবার বিকালে ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ কর্মী রিয়াজুল ইসলাম বাঁধন ১২তম ব্যাচের সোহাগ নামের এক ছাত্রলীগ কর্মীকে ‘তুমি’ বলে সম্বোধন করেন। এতে ১২তম ব্যাচের সোহাগ, শাফী, ওয়াকিল ও আবিরসহ কয়েকজন বাঁধনকে হলের দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে নিয়ে হুমকি ও মারধর করে।

বাঁধন জানান, ‘সোহাগ ভাইয়ের নাম ধরে ডাকায় শাফী ভাই, সোহাগ ভাই, আবির ভাই ও ওয়াকিল ভাইসহ কয়েকজন আমাকে চেয়ারের সঙ্গে গামছা দিয়ে বাঁধেন। এরপর বেল্ট দিয়ে পেটাতে থাকেন। আমি অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম। পরে আমার বন্ধুরা এসে গাড়িতে তুলে দিলে আমি হল থেকে বাড়ি চলে আসি।’

মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে ওয়াকিল বলেন, ‘তাকে (বাধন) রুমে নিয়ে মারধরের প্রশ্নই আসে না। সিনিয়রের নাম ধরে ডাকায় হলের বারান্দায় তাকে একটু শাসানো হয়েছিল।’ 

আবির ও সোহাগ জানান, ‘বাঁধন অনেক আগে থেকেই সিনিয়রদের সঙ্গে উগ্র আচরণ ও বেয়াদবি করছিলো। আমরা সিনিয়র হিসেবে তাকে শুধু বুঝিয়েছি। মারধরের প্রশ্নই আসে না। বরং তাকে বুঝিয়ে কোকও খাইয়েছি৷ তাকে মারধর করলে তো হলের সবাই জানার কথা।’

বাঁধনকে শাসানোর জেরে বৃহস্পতিবার রাতে ১১টার দিকে ১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী শাফীকে ২০০৪ নম্বর কক্ষের দরজা আটকে মারধর করে বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা। মারধরের খবর পেয়ে সহপাঠীরা কক্ষের দরজা ভেঙে শাফীকে উদ্ধার করেন।

শাফী বলেন, ‘তারা সিনিয়রদের গায়ে হাত তুলেছে। সাংগঠনিক একটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। দত্ত হলের ইতিহাসে যা কোনও দিন হয়নি, তারা তা করেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, তারা হলে থাকার যোগ্য না। আমি তাদের বোঝাতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তারা আমাকে মারধর করেছে। ইলিয়াস ভাই, মাজেদ ভাই (শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক) সাংগঠনিকভাবে যে সিদ্ধান্ত নেবেন, আমরা তা মেনে নেবো।’

১৩তম ব্যাচের চার শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা কাউকে মারধর করিনি। শুধু বন্ধুকে মারধরের কারণ জানতে ওই কক্ষে গিয়েছিলাম। কথা কাটাকাটি থেকে পরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছে, এ ঘটনায় দুই ব্যাচ মারমুখী হয়ে উঠলে শাখা ও দত্ত হল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এসে সংঘর্ষে লিপ্ত দুই ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মারধর করে। এরপর বিচারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদের কক্ষে নিয়ে গিয়ে সেখানেও মারধর করা হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়।

এ বিষয়ে হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাফিউল আলম দীপ্ত বলেন, ‘আমি শুনেছি, দুই ব্যাচের শিক্ষার্থীদের মাঝে কথা কাটাকাটি হয়েছে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংগঠনিকভাবে মীমাংসা করে দিয়েছি।’

শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল ইসলাম মাজেদ বলেন, ‘১৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থীরা ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সাথে বেয়াদবি করবে, সেটা অপ্রত্যাশিত।’

কক্ষে নিয়ে বিচারের নামে মারধরের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সংগঠন অনেক বড়। আমরা একটি পরিবারের মতো। এখানে নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হলে আমরা তা সমাধান করি। আজকেও আমরা সমাধান করেছি। অপরাধের মাত্রা বুঝে সামনে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ জুলহাস মিয়া বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। যদি হলে এমন কোনও ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে তদন্ত কমিটি গঠন করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

/এসএইচ/

সম্পর্কিত

যবিপ্রবিতে ‘এ’ ইউনিটে আসন পড়েছে ৬ হাজার শিক্ষার্থীর

যবিপ্রবিতে ‘এ’ ইউনিটে আসন পড়েছে ৬ হাজার শিক্ষার্থীর

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় শাবির ৫৪ শিক্ষক

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় শাবির ৫৪ শিক্ষক

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় হাবিপ্রবির ১৩ শিক্ষক

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় হাবিপ্রবির ১৩ শিক্ষক

প্রাণ ফিরছে জাবি ক্যাম্পাসে

প্রাণ ফিরছে জাবি ক্যাম্পাসে

বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় কুবির ৪ শিক্ষক

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২১, ২১:২২

অ্যালপার ডগার (এডি) সায়েন্টিফিক ইনডেক্সের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত চলতি বছরের বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ট্রেজারারসহ চার শিক্ষক। ১০ অক্টোবর বিশ্বসেরা গবেষকদের ১২টি ক্যাটাগরিতে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়।

তালিকায় স্থান পেয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বাংলাদেশি গবেষকদের মধ্যে ১৭৯৩তম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষকদের মধ্যে ১৫৩তম স্থান অর্জন করেছেন। 

অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের শিক্ষক। এ ছাড়া তালিকায় স্থান পেয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের চার শিক্ষক। তাদের মধ্যে প্রথমস্থানে রয়েছেন অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন, সহযোগী অধ্যাপক মো. তোফায়েল হোসেন মজুমদার, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. খলিলুর রহমান এবং ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক কাজী ওমর সিদ্দিক।

বৃহস্পতিবার অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি। আরও বেশি করে গবেষণায় মনোনিবেশ করার ইচ্ছে আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিভিন্ন প্রজেক্টে গবেষণায় বরাদ্দ রেখেছেন। তার কারণে গবেষকরা উঠে এসেছেন। আগামী আরও বেশি বরাদ্দ প্রত্যাশা করছি।

তালিকায় ১২টি ক্যাটাগরিতে বিশ্বের ২০৬টি দেশের গবেষকদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ৭ লাখ ৮ হাজার ৫৬১ জন গবেষক স্থান পেয়েছেন। ১৭৯৪ জন বাংলাদেশি গবেষক এতে স্থান পেয়েছেন। সায়েন্টিফিক ইনডেক্স গবেষকদের গুগল স্কলারের রিসার্চ প্রোফাইলের গত ৫ বছরের গবেষণার এইচ ইনডেক্স, আইটেন ইনডেক্স এবং সাইটেশন স্কোরের ভিত্তিতে র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে।

/এএম/

সম্পর্কিত

বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় ইবির ১৭ শিক্ষক

বিশ্বসেরা গবেষকের তালিকায় ইবির ১৭ শিক্ষক

বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবিতে আনু মুহাম্মদের প্রতীকী ক্লাস

বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবিতে আনু মুহাম্মদের প্রতীকী ক্লাস

কুবির সেই ২ শিক্ষকের বিরুদ্ধে নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি

কুবির সেই ২ শিক্ষকের বিরুদ্ধে নেওয়া সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি

রাবিতে শিক্ষককে চাকরিপ্রত্যাশী যুবকের গুলি করার হুমকি

রাবিতে শিক্ষককে চাকরিপ্রত্যাশী যুবকের গুলি করার হুমকি

উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির নির্ভরযোগ্য ঠিকানা বিএনপি: ওবায়দুল কাদের

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২১, ২১:০৮

এদেশের সব উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির নির্ভরযোগ্য ঠিকানা বিএনপি - বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এবং এদের দোসররা হিন্দু সম্প্রদায়ের শারদীয় দুর্গাপূজার সময় সাম্প্রদায়িক সহিংসতা সৃষ্টি করে দেশে শান্তি বিনষ্টের পাঁয়তারা চালাচ্ছে। এ মহলটি কারা, কারা এদের পৃষ্ঠপোষক, তাদেরকে আমরা চিনি। এদেশের সকল উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তির নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হচ্ছে বিএনপি। তাদের পৃষ্ঠপোষকতায় আজকের এই সাম্প্রদায়িক শক্তি মাথা চাড়া দিয়ে ওঠেছে, তারা দুঃসাহস দেখাচ্ছে। গত ১২ বছর শেখ হাসিনার শাসনামলে দেশের কোথাও কোনও বিশৃঙ্খলা হয়নি। অথচ এইবার কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গা কতগুলো দুঃখজনক ঘটনা ঘটে গেছে। বিষয়টির তদন্ত চলছে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তাদের বিরুদ্ধে সরকারের অবস্থান, আওয়ামী লীগের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। এখন থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে কোনও সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা কাউকে করতে দেওয়া হবে না। আমরা কাউকে আক্রমণ করব না, কিন্তু আক্রান্ত হলে আমরা পাল্টা জবাব দেব। এসময় তিনি নেতাকর্মীদের ঠাণ্ডা মাথায় সকল পরিস্থিতি মোকাবিলা করার পরামর্শ দেন।

তিনি আরও বলেন, কাল দশমী, বিসর্জনের দিন। কালকেও তারা আক্রমণ চালাতে পারে, আমি সরকারের পাশাপাশি আমাদের নেতাকর্মীদের বলব, আপনাদের সতর্ক পাহারায় থাকতে হবে। কারণ এই অপশক্তি এবং তাদের যে পৃষ্ঠপোষক, বিএনপি ‑ তারা আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে, নির্বাচনে হেরে, ষড়যন্ত্রের চোরাগলি বেছে নিয়েছে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য। তারা আজ বাংলাদেশের স্থিতি নষ্ট করতে চায়, শান্তি বিনষ্ট করতে চায়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, অতিমারির কারণে যে স্থবিরতা ছিল তা এবার অনেকটা কেটে গেছে, করোনা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে। তবে এটা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এসেছে দাবি করার কোনও কারণ নেই। কোনওভাবেই শৈথিল্য প্রদর্শন করা যাবে না। আমি ইচ্ছে করেই অফিসে যাই, বিশ্ববিদ্যালয়ে চক্কর দেই। অনেক দিন এখান দিয়ে যেতে পারেনি বলে মনটা বেদনায় ভরে উঠতো। খুবই স্মৃতিকাতর হয়ে পড়ি। ১৯৭৫ সালের পর সকল লড়াই সংগ্রামের সকল প্রস্তুতিমূলক সভাগুলো এই জগন্নাথ হলে করেছি।

জগন্নাথ হল নিয়ে নিজের স্মৃতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এখানেই আমরা দুঃসময়ে আশ্রয় নিয়েছি, দুঃসময়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিশোধ নিতে কর্মসূচি প্রস্তুত করেছি।

এসময় তিনি পূজার আয়োজক কমিটি ও উপস্থিত সকলকে শারদীয় শুভেচ্ছা জানান।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, এই উৎসবটির জন্য হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা তো বটেই, সমস্ত বাঙালিরা অপেক্ষায় থাকে।

/এমএস/
সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

শহীদ শেখ রাসেল দিবস পালন করবে ঢাবি

শহীদ শেখ রাসেল দিবস পালন করবে ঢাবি

স্বাস্থ্য ও জীবন বিমার আওতায় ঢাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

স্বাস্থ্য ও জীবন বিমার আওতায় ঢাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

পরীক্ষা দিয়েও ১৬০০ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত, ওয়েসাইট থেকে সরলো ফল

রাবির ‘বি’ ইউনিটে ভর্তিপরীক্ষা দিয়েও ১৬০০ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত, ওয়েসাইট থেকে সরলো ফল

চবিতে ১৯ অক্টোবর ক্লাস শুরুর পর ১৬ দিনের ছুটি

চবিতে ১৯ অক্টোবর ক্লাস শুরুর পর ১৬ দিনের ছুটি

ঢাবি হলে প্রথম-দ্বিতীয়-তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা (ফটোস্টোরি)

ঢাবি হলে প্রথম-দ্বিতীয়-তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীরা (ফটোস্টোরি)

হাবিপ্রবিতে ছয় মাসের সেমিস্টার শেষ হবে ৪ মাসে 

হাবিপ্রবিতে ছয় মাসের সেমিস্টার শেষ হবে ৪ মাসে 

সর্বশেষ

বঙ্গবন্ধু জাতীয় লিগের টাইটেল স্পন্সর ওয়ালটন

বঙ্গবন্ধু জাতীয় লিগের টাইটেল স্পন্সর ওয়ালটন

‘হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা লাগানোর ষড়যন্ত্র করছে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি’ 

‘হিন্দু-মুসলিম দাঙ্গা লাগানোর ষড়যন্ত্র করছে সাম্প্রদায়িক অপশক্তি’ 

১৫ দিনে ৩ হাজার ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

১৫ দিনে ৩ হাজার ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

‘ঢাকামুখী অভিবাসন বন্ধ না হলে কোনও পরিকল্পনাই কার্যকর হবে না’ 

‘ঢাকামুখী অভিবাসন বন্ধ না হলে কোনও পরিকল্পনাই কার্যকর হবে না’ 

‘দেশে ধর্মীয় দাঙ্গা বাধানোর চক্রান্ত হচ্ছে’

‘দেশে ধর্মীয় দাঙ্গা বাধানোর চক্রান্ত হচ্ছে’

© 2021 Bangla Tribune