X
শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১, ৭ কার্তিক ১৪২৮

সেকশনস

একান্ত সাক্ষাৎকারে মোস্তাফিজ

‘খেলা তো আর মুখে হয় না, মাঠেই খেলতে হয়’

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২১, ২২:০৯

বল হাতে দারুণ সময় কাটাচ্ছেন মোস্তাফিজুর রহমান। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ছিলেন দুর্দান্ত। আইপিএলে গিয়ে রাজস্থান রয়্যালসের জার্সিতেও দাপট দেখিয়েছেন। দরজায় কড়া নাড়ছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। কুড়ি ওভারের বিশ্ব আসরেও প্রতিপক্ষের ব্যাটাররা মোস্তাফিজের স্লোয়ার-কাটারে বিধ্বস্ত হবেন, এমন প্রত্যাশা বাংলাদেশের কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর। আজ (বুধবার) আইপিএলের অভিজ্ঞতা, বিশ্বকাপের লক্ষ্য, কন্ডিশন ও বাংলাদেশের সম্ভাবনার কথা মুঠোফোনে বাংলা ট্রিবিউনের কাছে ভাগাভাগি করেছেন মোস্তাফিজ-

বাংলা ট্রিবিউন: খুব ব্যস্ত সময় যাচ্ছে মনে হয়। কী নিয়ে ব্যস্ততা?

মোস্তাফিজুর রহমান: আইসিসির কিছু ফটোশুট ছিল। ওদের কিছু সেশনও ছিল। সব মিলিয়ে ব্যস্ত দিন ছিল। ওদের (আইসিসি) অনেক আয়োজন। একটু পর অনুশীলন আছে (অনুশীলন ইতিমধ্যে শেষ)। সব মিলিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছি।

বাংলা ট্রিবিউন: আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে কি খেলছেন?

মোস্তাফিজ: জানি না...। এটা তো আমার জানার কথাও না (হাসি)। টিম ম্যানেজমেন্ট সিদ্ধান্ত নেবে। আমি সত্যিই কিছু জানি না।

বাংলা ট্রিবিউন: আইপিএলের জার্সি খুলেই জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানো, দেশের জার্সি গায়ে নিশ্চয় অন্যরকম অনূভূতি হয়?

মোস্তাফিজ: বাংলাদেশের হয়ে খেলার অনুভূতি সবসময়ই অন্যরকম। পৃথিবীর কোনও কিছুর সঙ্গে আসলে এই অনুভূতি মেলানো যাবে না। দেশ তো সবার আগে। আইপিএলে রাজস্থানের হয়ে দারুণ কিছু সময় কাটিয়েছি এটা সত্য। কিন্তু জাতীয় দলের ড্রেসিংরুমে কাটানো সময়ের সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা চলে না। দেশের হয়ে খেলার মতো ভালো কোনও অনুভূতি আর নেই। এতদিন আইপিএল খেলেছি, এখন আমি প্রস্তুত দেশের জার্সিতে মাঠে নামতে।

বাংলা ট্রিবিউন: অনুশীলনে সবাই নিশ্চয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের উইকেট সম্পর্কে জানতে চাইছেন?

মোস্তাফিজ: সবাই জানার চেষ্টা করেছে কীভাবে বোলিং করলে সফল হওয়া যাবে। আমি আমার অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করেছি। সবাই খুব আগ্রহ নিয়েই কথাগুলো শুনেছে। সবার মধ্যেই ভালো করার আগ্রহ আছে। প্রত্যেকেই চায় কীভাবে সফল হওয়া যাবে, সেই পথটা খুঁজে বের করতে। আমি আমার অভিজ্ঞতা সবার সঙ্গে শেয়ার করেছি। আশা করি, কিছুটা হলেও ধারণা পেয়েছেন সবাই।

বাংলা ট্রিবিউন: আইপিএল খেলে এসেছেন, বিশ্বকাপে ওখানকার উইকেট কেমন হবে বলে মনে করছেন?

মোস্তাফিজ: আইপিএলের চেয়ে তো অবশ্যই ভালো উইকেট হবে। আইসিসির ইভেন্টে কখনোই স্লো উইকেট হয় না। স্পোর্টিং উইকেট হয়। যেখানে ব্যাটার ও বোলাররা ভালো করে তেমন উইকেটই মূলত হয়। এছাড়া বিশ্বকাপের জন্য নির্ধারিত ভেন্যুগুলোতে সব উইকেট ব্যবহার করা হয়নি। কিছু উইকেট ঢেকে রাখা হয়েছিল। আমার ধারণা শারজাতে কিছুটা স্লো উইকেট হতে পারে, বাকি দুই ভেন্যুতে স্পোর্টিং উইকেটই হবে। তবে উইকেট যেমনই হোক, সবখানেই আমাদের মানিয়ে নিতে হবে।

টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে মোস্তাফিজ বাংলা ট্রিবিউন: অধিনায়ক দেশ ছাড়ার আগে দলের এক্স-ফ্যাক্টর হিসেবে আপনার নাম বলে গেছেন। অধিনায়কের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারবেন বলে মনে করেন?

মোস্তাফিজ: ভাই, খেলা তো আর মুখে হয় না, মাঠেই খেলতে হয়। আমি মুখ দিয়ে বলে ফেললাম, অধিনায়কের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবো আর সেটি হয়ে গেলো! বিষয়টি তো তেমন নয়। আমাকে অবশ্যই প্রসেস অনুযায়ী যেতে হবে। সবকিছু ঠিকমতো হলেই কেবল আমি সফল হবো। আমি আমার সামর্থ্য-অভিজ্ঞতা দিয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো। জানি না কতটুকু করতে পারবো।

বাংলা ট্রিবিউন: দেশের মানুষও তো আপনাকে নিয়ে বড় আশা করছে...

মোস্তাফিজ: আমি জানি। আমাকে নিয়ে আমার দেশের মানুষ অনেক আশা করে আছে। অবশ্যই আমি আমার সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করবো। আমি অবশ্যই চাইবো দেশের জার্সিতে এমন কিছু করতে, যেটাতে দল সাফল্য পায়।

বাংলা ট্রিবিউন: ওমানের কন্ডিশন বাদে আরব আমিরাতের কন্ডিশন আপনার মুখস্তই বলা চলে। এই কন্ডিশনে বাংলাদেশ কতদূর যেতে পারবে বলে মনে করেন?

মোস্তাফিজ: আরব আমিরাতের উইকেট আর উপমহাদেশের উইকেট অনেকটা একই রকম। এশিয়া অঞ্চলের মতো যেহেতু উইকেট, আমাদের কিছুটা সুযোগ তো অবশ্যই আছে। এখন ম্যাচে যে যত দ্রুত মোমেন্টাম নিজেদের করে নিতে পারবে, তাদের জেতার সুযোগ বেশি থাকবে। আমি একেবারে স্পেসিফিক করে বলতে পারবো না, তবে ম্যাচ বাই ম্যাচ আমরা পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পারলে অনেক দূর যেতে পারবো।

বাংলা ট্রিবিউন: কোয়ালিফায়ার খেলে বাংলাদেশকে ভারত ও পাকিস্তানের মতো কঠিন গ্রুপে খেলতে হবে। সেমিফাইনাল পর্যন্ত যাওয়ার সুযোগ কি দেখছেন?

মোস্তাফিজ: কোনও কিছুই তো অসম্ভব নয়! টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে কোনও দলই ছোট নয়। প্রতিটি দলেরই সমান সুযোগ আছে ম্যাচ জেতার। আমরা সবাই জানি নির্দিষ্ট দিনে যারা ভালো খেলবে তারাই জিতবে। বিশেষ করে, এই ফরম্যাটে ভবিষ্যদ্বাণী করা খুব কঠিন। আমরা ভালো করার ব্যাপারে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। দেখা যাক কী হয়!

মোস্তাফিজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউন: গত এশিয়া কাপ ছাড়াও আরব আমিরাতের কন্ডিশনে আইপিএল খেলার অভিজ্ঞতা আছে আপনার। নিজের অভিজ্ঞতা কতটা কাজে লাগবে বলে মনে করেন?

মোস্তাফিজ: অবশ্যই কাজে লাগবে। ২০১৮ সালে এশিয়া কাপ খেলেছি। দুই বছর পর একই মাঠে আইপিএল খেললাম। সব মিলিয়ে আমার অভিজ্ঞতা আসলে ভালোই বলা চলে। অভিজ্ঞতা হিসাব করলে আমি এগিয়ে আছি। আগে তো আমাদের কোয়ালিফায়ার (প্রাথমিক রাউন্ড) খেলে আসতে হবে। আপাতত আমার ভাবনা ওমানেই। ওখান শেষ করে এসে সুপার-১২ নিয়ে ভাববো। 

বাংলা ট্রিবিউন: যেহেতু বিশ্বকাপ, নিজের কিছু লক্ষ্য তো নিশ্চয়ই সেট করেছেন?

মোস্তাফিজ: এগুলো সবাই করে। আমিও করেছি। তবে সেইসব লক্ষ্য বলার চেয়ে করে দেখানোই ভালো। আমি বলে দিলে তো সবাই সতর্ক হয়ে যাবে (হাসি)।

বাংলা ট্রিবিউন: বিশ্বকাপে কোন ডেলিভারিগুলো বেশি কার্যকর হবে বলে মনে করেন?

মোস্তাফিজ: যেহেতু অতটা স্লো উইকেট না, এই কারণে কাটার কাজে আসবে কম। প্রচুর ভেরিয়েশন দরকার হবে, মাথা খাটিয়ে বোলিং করতে হবে। শুরুতে ব্যাটারদের কিছুটা কষ্ট হলেও পরে এই ধরনের উইকেটে রান তোলা সহজ। এই কারণে বোলারদের খুবই মাথা খাটিয়ে বোলিং করতে হবে। আমার মনে হয় যে বোলারদের প্রচুর ভেরিয়েশন আছে, তারা সফল হতে পারবে।

বাংলা ট্রিবিউন: আইপিএলে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বোলিং করেছেন। কঠিন পরিস্থিতি বোলিংয়ের এমন অভিজ্ঞতা কতটা উপভোগ করলেন?

মোস্তাফিজ: অধিনায়ক যখন যে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন, সেটি আমি গ্রহণ করেছি। এই ধরনের চ্যালেঞ্জ বারবার পড়তে থাকলে অনেক কিছু শেখা যায়। আমি অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। শেষ কয়েকটি ম্যাচে হয়তো পারিনি। সব দিন তো আর ভালো যায় না। তবু আমি বলতে পারি, কঠিন পরিস্থিতিতে কীভাবে বোলিং করতে হয়, আমার জানা আছে। দেশের হয়ে খেলার সময় এই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে আমি আমার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারবো।  

মোস্তাফিজুর রহমান বাংলা ট্রিবিউন: এবার আইপিএলের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানতে চাই...

মোস্তাফিজ: আলহামদুলিল্লাহ। দারুণ সময় কেটেছে। সবাই অনেক সাপোর্ট করেছে। সবার মধ্যে আন্তরিকতা ছিল। টিমমেটরা সবাই অসাধারণ। সব মিলিয়ে আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আমার দারুণ সময় কেটেছে।

বাংলা ট্রিবিউন: শুরুর মোস্তাফিজ আর বর্তমান মোস্তাফিজের মধ্যে অনেক পার্থক্য। ক্রিকেট নিয়ে ভাবনার জগতেও অনেক পরিবর্তন এসেছে। আপনি কি সেটা অনুভব করেন?

মোস্তাফিজ: জানি না। আপানারা ভালো বলতে পারবেন। আপনারা আমার খেলা দেখেন, কথাও শোনেন। আপনারাই ভালো বলতে পারবেন (হাসি)। সবচেয়ে বড় কথা- আমি পরিবর্তন টের পাই না। আমার মনে হয় আমি আগে যা ছিলাম, এখনও তা-ই আছি।

/কেআর/

সম্পর্কিত

হারের বৃত্তেই আটকে বাংলাদেশের যুবারা

হারের বৃত্তেই আটকে বাংলাদেশের যুবারা

৫০ বলেই ম্যাচ জয় ইংল্যান্ডের

৫০ বলেই ম্যাচ জয় ইংল্যান্ডের

শ্রীলঙ্কাকে হারাতেও পাওয়ার প্লেতে চোখ বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কাকে হারাতেও পাওয়ার প্লেতে চোখ বাংলাদেশের

হারের বৃত্তেই আটকে বাংলাদেশের যুবারা

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ২৩:১২

সামনেই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো বিদেশ সফরে গেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। কিন্তু শ্রীলঙ্কার মাটিতে মোটেও সুবিধা করতে পারেনি তারা। টানা হারে ইতোমধ্যে সিরিজ খুইয়েছে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। এবার ব্যবধান কমানোর চেষ্টায়ও ব্যর্থ হলো। শ্রীলঙ্কা সফরে চতুর্থ ওয়ানডেতে ১ উইকেটে হেরেছে সফরকারীরা। এই হারে ৫ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেলো শ্রীলঙ্কা।

শনিবার ডাম্বুলায় আগে ব্যাটিং করে স্বাগতিকদের ২২৫ রানের লক্ষ্য দেয় বাংলাদেশের যুবারা। অল্প পুঁজি নিয়ে শুরুতে ও শেষে দারুণ লড়াই করেছিল তারা। শেষ জুটিতে লঙ্কান যুবাদের দরকার ছিল চার রানের। ৩ বল হাতে রেখেই পৌঁছে যায় লক্ষ্যে। দলের জয়ে অবদান রাখেন রাভিন ডি সিলভা। তার ব্যাট থেকে আসে ৮৮ রান।

বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে মুশফিক হাসান তিনটি ও আহসান হাবিব দুটি উইকেট নেন। একটি করে উইকেট নেন মহিউদ্দিন তারেক, নাইমুর রহমান ও আরিফুল ইসলাম।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক মেহরব হাসান (৫২) ও আরিফুল ইসলামের (৫০) ফিফটিতে ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২২৪ রানের মাঝারি পুঁজি গড়ে। লঙ্কান বোলার দিনুথ ওয়ালেলাগে একাই নেন চার উইকেট।

/আরআই/এফএ/

সম্পর্কিত

৫০ বলেই ম্যাচ জয় ইংল্যান্ডের

৫০ বলেই ম্যাচ জয় ইংল্যান্ডের

শ্রীলঙ্কাকে হারাতেও পাওয়ার প্লেতে চোখ বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কাকে হারাতেও পাওয়ার প্লেতে চোখ বাংলাদেশের

‘লোকে কী বলছে আর লিখছে তাতে আমাদের কিছুই করার নেই’

‘লোকে কী বলছে আর লিখছে তাতে আমাদের কিছুই করার নেই’

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ

৫০ বলেই ম্যাচ জয় ইংল্যান্ডের

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ২৩:০১

কুড়ি ওভারের ধুম-ধাড়াক্কা ক্রিকেটে গর্ব করার মতো ব্যাটার রয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে। পুরো বিশ্বেই ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দাপটের সঙ্গে খেলে বেড়ান দলটির ব্যাটাররা। এমন অভিজ্ঞ ও লম্বা ব্যাটিং লাইনআপ নিয়েও ইংল্যান্ডের বোলারদের তোপে ৫৫ রানে অলআউট হতে হয়েছে সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের। দুবাইতে সেই রান মাত্র ৮.২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়েই ছুঁয়ে ফেলে ইংল্যান্ড।

দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ক্যারিবীয়দের দেওয়া ৫৬ রানের লক্ষ্যে খেলতে নামা ইংলিশরা ধীরেসুস্থেই শুরু করেছিল। ২১ রানে ওপেনার জেসন রয় (১১) বিদায় নিতেই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়তে থাকে ইংল্যান্ডের টপ অর্ডার।

১৮ রানের মধ্যে আরও তিন উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়লেও জয় তুলে নিতে সমস্যা হয়নি ইংল্যান্ডের। জস বাটলারের অপরাজিত ২৪ রানে ভর করে ৭০ বল হাতে রেখেই ৬ উইকেটের জয় পায় তারা। বাটলার ২২ বলে ৩ চারে সাজিয়েছেন নিজের ইনিংস। এ ছাড়া ইয়ন মরগান অপরাজিত ছিলেন ৭ রানে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের মধ্যে আকিল হোসেন সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নিয়েছেন। ছয় বছর পর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে নামা রবি রামপার নিয়েছেন একটি উইকেট।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পাওয়া ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুবাইয়ের কঠিন উইকেটে সংগ্রাম করেছে। ৮ ব্যাটারের লম্বা ব্যাটিং লাইনআপ নিয়ে ৫৫ রানে অলআউট হয় বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

ইংলিশদের বিপক্ষে বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ক্যারিবীয়দের ১০ জন ব্যাটসম্যান ডাবল ফিগারেই যেতে পারেননি। বেশিরভাগই আউট হয়েছেন ওভার দ্য টপ খেলতে গিয়ে। মাত্র ১৪.২ ওভারে ৫৫ রান তুলে অলআউট হয় ওরা। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটি তৃতীয় সর্বনিম্ন স্কোর। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেট ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন।

একমাত্র ব্যাটসম্যান হিসেবে ব্যাটিং দানব ক্রিস গেইলই শুধু ডাবল ফিগারে পৌঁছাতে পেরেছেন। ১৩ বলে ১৩ রান করে আউট হয়েছেন এই বিস্ফোরক ব্যাটার।   

আদিল রাশিদ ২.২ ওভারে মাত্র ২ রান খরচ করে ৪ উইকেট নিয়েছেন। এ ছাড়া মঈন ও মিলস একটি করে উইকেট নিয়েছেন।

/আরআই/এফএ/

সম্পর্কিত

হারের বৃত্তেই আটকে বাংলাদেশের যুবারা

হারের বৃত্তেই আটকে বাংলাদেশের যুবারা

আর নয় খণ্ডকালীন, আসছে স্থায়ী ফুটবল কোচ: কাজী নাবিল

আর নয় খণ্ডকালীন, আসছে স্থায়ী ফুটবল কোচ: কাজী নাবিল

শ্রীলঙ্কাকে হারাতেও পাওয়ার প্লেতে চোখ বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কাকে হারাতেও পাওয়ার প্লেতে চোখ বাংলাদেশের

আর নয় খণ্ডকালীন, আসছে স্থায়ী ফুটবল কোচ: কাজী নাবিল

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ২১:৩৭

জাতীয় ফুটবল দলের কোচের দায়িত্ব থেকে জেমি ডে’কে ছুটি দেওয়া হয়েছে। তবে এই ইংলিশ কোচকে আবারও ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তার জায়গায় খণ্ডকালীন কোচ দিয়ে কাজ চালাচ্ছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। তবে আগামী জানুয়ারিতে জামাল ভূঁইয়াদের জন্য স্থায়ী কোচ নিয়োগ দিতে চায় এই সংস্থা। জাতীয় টিমস কমিটির চেয়ারম্যান ও বাফুফে সহসভাপতি কাজী নাবিল আহমেদ শনিবার (২৩ অক্টোবর) এই তথ্য জানিয়েছেন।

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে কোচ হিসেবে কাজ করেছেন বসুন্ধরা কিংসের অস্কার ব্রুজন। শ্রীলঙ্কায় আসন্ন চার জাতি প্রতিযোগিতায় দায়িত্ব পেয়েছেন আবাহনী লিমিটেডের মারিও লেমস। খণ্ডকালীন কোচের এই তালিকা আর বড় না করে এবার স্থায়ী কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাফুফে।

জাতীয় টিমস কমিটির সভা শেষে কাজী নাবিল বলেছেন, “জেমি ডে’কে এই মুহূর্তে বাইরে রাখা হচ্ছে। তার সঙ্গে আলোচনা চলছে। কোনও একটা সিদ্ধান্তে আসবো। আজ থেকে দীর্ঘমেয়াদে কোচ নিয়োগ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছি। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ চিরস্থায়ী সমাধান হতে পারে না। আজই কোচ হিসেবে একজনের সিভি এসেছে। জানুয়ারি থেকে যেন কোচ নিয়োগ দিতে পারি সেজন্য আরও কয়েকজনের সিভি চেয়েছি।’

আজকের সভায় মালেতে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেননি কেউ।

কাজী নাবিলের কথায়, ‘সাফে জাতীয় দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সবাই হতাশ। ভালো সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও আমরা সুযোগটি কাজে লাগাতে পারিনি। এ অভিজ্ঞতা থেকে সামনে খেলার জন্য দলের অনেক কিছু শেখার আছে।’

বাফুফে সহসভাপতি যোগ করেন, ‘যদিও আমাদের দলের ভালো কিছু দেখানোর সুযোগ ছিল। এক-দুটি ম্যাচে ভালো ফলও করেছিল ফুটবলাররা। কিন্তু শেষ দিকে তা ধরে রাখতে পারেনি তারা। তাই আমরা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারিনি। যেহেতু ফাইনালে যাওয়ার লক্ষ্য ছিল আমাদের।’

শ্রীলঙ্কা সফরকে সামনে রেখে আগামীকাল (২৪ অক্টোবর) রাতে ঢাকায় আসছেন পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমস। এরপর সোমবার থেকে শুরু হবে ক্যাম্প। তবে উজবেকিস্তানে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের জাতীয় দলের ৬ জন খেলোয়াড় অবস্থান করছেন। ঢাকায় ঠিকভাবে অনুশীলন করতে তাদের জায়গায় নতুনদের নেওয়া হবে বলে জানান বাফুফের এই কর্মকর্তা।

সাফে বাংলাদেশ দল অনেক ফাউল করে খেলেছে। হলুদ ও লাল কার্ড দেখেছে। রেফারিংও বিপক্ষে গেছে। তবে শ্রীলঙ্কা সফরে যেন এমনটি কম হয়, সেজন্য কোচ ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টরকে খেলোয়াড়দের নিয়ে আলাদা করে সেশন পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছেন কাজী নাবিল। তার কথায়, ‘খেলোয়াড়রা যেন বুঝতে পারে কোনটি করা যাবে আর কোনটি যাবে না, সেজন্য এই নির্দেশনা।’

আগামী ৮ নভেম্বর থেকে শ্রীলঙ্কায় চার জাতি প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কাজী নাবিলের আশা, ‘আমাদের জাতীয় দল খেলার মধ্যে আছে। মালদ্বীপ, সেশেলস ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আমাদের ভালো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। আশা করছি, জাতীয় দল দেশের জন্য কিছু একটা নিয়ে আসতে পারবে।’

আবাহনী লিমিটেডের কোচ মারিও লেমসকে নিয়োগ দেওয়া প্রসঙ্গে কাজী নাবিল বলেন, ‘অস্কার ব্রুজনের সঙ্গে কথা হয়েছিল। তিনি জানিয়েছেন, পারিবারিক কারণে থাকতে পারবেন না। তার অন্য ব্যস্ততাও আছে। সেক্ষেত্রে আমাদের চার জাতি প্রতিযোগিতায় কোচের প্রয়োজন। এখন বাইরে থেকে কোচ নিয়ে এলে তার পক্ষে বাংলাদেশকে বোঝা ও খেলোয়াড়দের জানা ছাড়াও প্রতিপক্ষ সম্পর্কে বুঝতে সময় চলে যাবে। তাই বাফুফে সভাপতির পরামর্শে লেমসকে কোচ করা হয়েছে। আশা করছি, তার অধীনে সাফল্য আসবে।’

/টিএ/জেএইচ/

সম্পর্কিত

৫০ বলেই ম্যাচ জয় ইংল্যান্ডের

৫০ বলেই ম্যাচ জয় ইংল্যান্ডের

প্রবাসী জুলকারনাইনকে নিয়েই উজবেকিস্তান যাচ্ছে বাংলাদেশ দল

প্রবাসী জুলকারনাইনকে নিয়েই উজবেকিস্তান যাচ্ছে বাংলাদেশ দল

ওয়ার্ল্ড কর্পোরেট ফুটবলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে ‘বানদো ডিজাইন’

ওয়ার্ল্ড কর্পোরেট ফুটবলে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে ‘বানদো ডিজাইন’

শ্রীলঙ্কাকে হারাতেও পাওয়ার প্লেতে চোখ বাংলাদেশের

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ২১:২৪

লঙ্কা বধের মিশনে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে একবেলা অনুশীলনের সুযোগ পেয়েছে বাংলাদেশ। আগামীকাল (রবিবার) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টায় শারজাতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ‘আসল’ বিশ্বকাপ শুরু হবে লাল-সবুজ জার্সিধারীদের। আর এই মিশনেও বাংলাদেশ নজর রাখছে পাওয়ার প্লের পারফরম্যান্সে। প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর মতে, ব্যাটিং-বোলিংয়ের প্রথম ৬ ওভার গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

ম্যাচের আগের দিন আজ (শনিবার) শারজাতে বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টায় অনুশীলনে করেছে মাহমুদউল্লাহরা। গত বৃহস্পতিবার ওমানের মাসকটে পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে খেলে শুক্রবার বিকালে দুবাইয়ে পৌঁছে বাংলাদেশ দল। ভ্রমণ ক্লান্তির কারণে সেদিন আর অনুশীলন করেননি ক্রিকেটাররা। আজ একবেলা অনুশীলন করেই লঙ্কা বধের প্রস্তুতি সেরেছেন সাকিব-মুশফিকরা।

বিশ্বকাপের ওয়ার্ম-আপ ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হেরেছিল বাংলাদেশ। যদিও ওই ম্যাচে ছিলেন না মাহমুদউল্লাহ, সাকিব ও মোস্তাফিজ। সুপার টুয়েলভের লড়াইয়ে পুরো দলকেই পাচ্ছে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে টানা দুই ম্যাচ জেতায় আত্মবিশ্বাসের পালে হাওয়া লাগছে বেশ জোরেশোরেই।

ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর কণ্ঠও বেশ আত্মবিশ্বাসী শোনালো, ‘আমি মনে করি প্রত্যেক বিভাগে সবসময় উন্নতি করার সুযোগ আছে। আমরা জানি ব্যাট হাতে শুরুতে, মাঝে ও ডেথ ওভারে আমরা ঠিকভাবে খেলতে পারিনি। কিন্তু বল হাতে আমরা যেভাবে খেলেছি, তাতে আমরা খুব খুশি। মাঠেও আমরা দারুণ করেছি।’

স্কটল্যান্ড ও ওমানের সঙ্গে পাওয়ার প্লেতে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে না পারলেও পাপুয়া নিউগিনির বিপক্ষে কিছুটা উন্নতি হয়েছিল। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ২ উইকেট হারিয়ে ২৫ রান, ওমানের বিপক্ষে  দ্বিতীয় ম্যাচে ২ উইকেটে ২৯ রানের পর পিএনজির বিপক্ষে ১ উইকেট হারিয়ে ৪৫ রান করেছে বাংলাদেশ। বোলিংয়েও উন্নতি হয়েছে বেশ। স্কটল্যান্ড পাওয়ার প্লেতে ১ উইকেট হারিয়ে করেছিল ৩৯ রান। আর ওমান ৪৭ রান করে ২ উইকেট হারিয়ে। অন্যদিকে পিএনজি ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭ করতে পেরেছিল।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও প্রথম ৬ ওভারে উন্নতি চান বাংলাদেশের প্রধান কোচ। শারজার ম্যাচটিতে পাওয়ার প্লে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন ডমিঙ্গো, ‘পাওয়ার প্লেতে পারফরম্যান্স করা এখানে গুরুত্বপূর্ণ। দেখা যাচ্ছে যে পাওয়ার প্লেতে যে দল বেশি রান করছে, তারাই বেশি জিতছে। আমি মনে করি কালকের (রবিবার) ম্যাচে পাওয়ার প্লেতে ব্যাট ও বল করা গুরুত্বপূর্ণ হবে।’

/আরআই/কেআর/

সম্পর্কিত

হারের বৃত্তেই আটকে বাংলাদেশের যুবারা

হারের বৃত্তেই আটকে বাংলাদেশের যুবারা

৫০ বলেই ম্যাচ জয় ইংল্যান্ডের

৫০ বলেই ম্যাচ জয় ইংল্যান্ডের

‘লোকে কী বলছে আর লিখছে তাতে আমাদের কিছুই করার নেই’

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ২১:০২

আগামীকাল (২৪ অক্টোবর) শারজাতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ‘আসল’ বিশ্বকাপ শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের। যেখানে প্রতিপক্ষ নিয়ে নিখুঁত বিশ্লেষণে বুঁদ হয়ে থাকার কথা, সেখানে নিজেদের মধ্যেই চলছে কথার লড়াই! যদিও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গো জানিয়ে গেছেন, কে কী বলছে বা লিখছে তাতে তার দলের কিছুই করার নেই।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হারের পর সিনিয়র ক্রিকেটারদের সমালোচনা করতে গিয়ে ক্ষোভ উগরে দেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তার বক্তব্যের জবাবে পাপুয়া নিউগিনিকে হারানোর পর মাহমুদউল্লাহ বলেছিলেন, সমালোচনা করতে গিয়ে কাউকে যেন ছোট না করা হয়। কথার লড়াই এখানেই থামেনি! বিসিবি প্রধান আবার এক সাক্ষাৎকারে মাহমুদউল্লাহর বক্তব্যকে ‘আবেগের বিস্ফোরণ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এদিকে সংবাদমাধ্যমও দুজনের ‘কথার লড়াই’ নানান ঢংয়ে প্রকাশ করছে। সবকিছু মিলিয়ে ড্রেসিং রুমের পরিবেশ স্বস্তিকর থাকার কথা নয়।

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের আগে ‘কথার লড়াই’ দলে কোনও প্রভাব ফেলছে কিনা এমন প্রশ্নে ডমিঙ্গো বলেছেন, ‘আমি এখানে শুধু ক্রিকেটে মনোযোগ দিতে এসেছি। দলের বাইরে কী কথা হচ্ছে, সেটায় আমি মনোযোগ দিতে পারি না। কালকের (রবিবার) জন্য দলকে মানসিক ও শারীরিকভাবে তৈরি করে তোলার দিকেই আমার মনোযোগ।’

বাইরের বিষয় নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবছেন না বাংলাদেশের প্রধান কোচ, ‘আপনি যখন বাংলাদেশের হয়ে খেলছেন এবং ফল ভালো যাচ্ছে না, তখন সবসময়ই সমালোচনা হবে। এটা আন্তর্জাতিক খেলাধুলারই অংশ। কোচিংয়ের একটা বড় অংশ হলো দলের ক্রিকেটারা কী নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তার ওপর মনোযোগ বাড়ানো। লোকে কী বলছে আর লিখছে তাতে আমাদের কিছুই করার নেই।’

সবকিছু পেছনে ফেলে কেবল পারফরম্যান্সের দিকেই মনোযোগ ডমিঙ্গোর, ‘আমরা যতক্ষণ ওইসবে (বাইরের বিষয়) মনোযোগ রাখবো, ততক্ষণ ক্রিকেট থেকে আমাদের মনোযোগ সরে থাকবে। অথচ ক্রিকেটেই মনোযোগ থাকার কথা আমাদের। যার ওপর আমাদের মনোযোগ থাকা দরকার, সেটা নিয়েই আমাদের কথা বলা উচিত। আর আমরা এটাতেই প্রতিজ্ঞতাবদ্ধ। আর সেটা হলো ক্রিকেট।’

দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ আরও যোগ করেছেন, ‘আমরা আমাদের পারফরম্যান্সে মনোযোগ দিতে পারি, আমাদের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করতে পারি। যে বিভাগে উন্নতি দরকার, তা নিয়ে কাজ করতে পারি।’

/আরআই/কেআর/

সম্পর্কিত

হারের বৃত্তেই আটকে বাংলাদেশের যুবারা

হারের বৃত্তেই আটকে বাংলাদেশের যুবারা

৫০ বলেই ম্যাচ জয় ইংল্যান্ডের

৫০ বলেই ম্যাচ জয় ইংল্যান্ডের

শ্রীলঙ্কাকে হারাতেও পাওয়ার প্লেতে চোখ বাংলাদেশের

শ্রীলঙ্কাকে হারাতেও পাওয়ার প্লেতে চোখ বাংলাদেশের

quiz
সর্বশেষসর্বাধিক
© 2021 Bangla Tribune