X
বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

সেকশনস

আমাদের সেলিব্রেটি কবি শামসুর রাহমান

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ০৯:৩৫

সব কবি সেলিব্রেটি হন না, কোনো কোনো কবি হন। বাংলাদেশের কবিদের মধ্যে শামসুর রাহমান জীবদ্দশায় ছিলেন সেলিব্রেটি, দেশব্যাপী পরিচিত মুখ। শামসুর রাহমানের সঙ্গে প্রথম দেখা হয়েছিল একটি ছোটকাগজকে উপলক্ষ্য করে। কবিবন্ধু পলাশ দত্ত, সাইফুল শামীম ও আমি একটি ছোটকাগজ সম্পাদনা করতাম। নাম ‘প্রাণ-স্রোত’। এর দ্বিতীয় সংখ্যায়ই আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম আবুল হাসানকে নিয়ে একটি সংখ্যা করার। তখন আবুল হাসানের কবিতাসমগ্র পড়তে গিয়ে আমাদের চোখে পড়ে, ওই বইয়ের শুরুতেই শামসুর রাহমানের দুপৃষ্ঠার একটি ভূমিকা। পলাশ আর আমি সিদ্ধান্ত নেই শামসুর রাহমানের আবুল হাসান বিষয়ে সাক্ষাৎকার নেওয়ার। পরে ১৯৯৮ সালের কোনো একদিন আমরা সদ্য কৈশোর পেরুনো দুই তরুণ হাজির হই প্রথমবারের মতো শামসুর রাহমানের শ্যামলীর বাসভবনে। সেই যে প্রথম যাওয়া, এরপর বহুবার গিয়েছি তাঁর বাসায়। মজার ব্যাপার হচ্ছে প্রথম দিকে তিনি আমাকে ‘আপনি আপনি’ বলে সম্বোধন করতেন। তাঁর এই অতি বিনয়ী আচরণ, আমার জন্য খুবই অস্বস্তিকর ছিল। আমি একদিন যখন বললাম ‘রাহমান ভাই, আমাকে তুমি করে বইলেন।’ এরপর মুচকি এক হাসি দিয়ে তিনি আমাকে তুমি করে বলতে শুরু করেন।

শামসুর রাহমানের সাথে একটা বিষয়ে আমার মিল আছে,—আমাদের উভয়েরই জন্মদিন ২৩ অক্টোবর। আমার জন্মেরও ৪৮ বছর আগে ১৯২৯ সালে তিনি এ পৃথিবীতে এসেছিলেন। রাহমান ভাইয়ের জীবদ্দশায় দেখতাম তাঁর জন্মদিনটা বেশ ঘটা করেই বিভিন্ন দৈনিকের সাময়িকীগুলো পালন করত। ওই বছরগুলোতে আমি আমার জন্মদিনটা কাটাতাম বেশিরভাগ সময় শহরের রাস্তায় কিংবা চিড়িয়াখানায় একা একা ঘুড়ে। আমার কেন যেন তখন রাহমান ভাইয়ের কথাই মনে পড়ত। 

প্রশ্ন হচ্ছে, কেবল উৎকৃষ্টমানের কবিতা লিখলেই কি সেলিব্রেটি হওয়া যায়? নিশ্চয় না, আরও বাড়তি কিছু গুণের প্রয়োজন হয়—যা শামসুর রাহমানের ছিল। সপ্তম শ্রেণির ছাত্র থাকা অবস্থায় ছোট বোন নেহারের মৃত্যুতে একটি কবিতা লেখেন তিনি। তাঁর লেখা জীবনের প্রথম এই কবিতাটি শুনে তাঁর মা কেঁদেছিলেন। এরপর তিনি লিখেছেন অসংখ্য কবিতা। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামসহ বাঙালি-নাগরিক জীবনের নানা চিত্র বিভিন্ন সময়ে উঠে এসেছে তাঁর কবিতায়। ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান তৎকালীন পাকিস্তানের সব ভাষায় অভিন্ন রোমান হরফ চালু করার প্রস্তাব করলে ৪১ জন কবি, সাংবাদিক, সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক ও সংস্কৃতিকর্মীর সঙ্গে এর বিরুদ্ধে বিবৃতি দেন শামসুর রাহমান। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই পরে তিনি লেখেন ‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’। ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি গুলিস্তানে একটি মিছিলের সামনে একটি লাঠিতে শহিদ আসাদের রক্তাক্ত শার্ট দিয়ে বানানো পতাকা দেখে মানসিকভাবে আলোড়িত হয়ে, সন্ধ্যায় বাসায় ফিরেই লেখেন ‘আসাদের শার্ট’ কবিতাটি। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিবার নিয়ে চলে যান নরসিংদী পাড়াতলী গ্রামে। এপ্রিলের প্রথম দিকে লেখেন তাঁর বিখ্যাত ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা’ কবিতাদুটি। এভাবেই অসংখ্যবার দেশের নানান সংকটময় মুহূর্ত ইতিহাসের ছবি হয়ে উঠে এসেছে তাঁর কবিতায়। আর এসব কবিতা রচনার মধ্যদিয়েই তিনি আমাদের বাংলাদেশের ইতিহাসেরও অংশ হয়ে ওঠেন। বাংলাদেশের যেকোনো আন্দোলন-সংগ্রামকে বিষয় করে কবিতা করে তুলতে পারার সক্ষমতার ক্ষেত্রে তাঁর সাফল্য প্রশ্নাতীত। ফলে বাংলাদেশের নানান ইস্যুতে বারবারই শামসুর রাহমানের কবিতা প্রসঙ্গ হয়ে ওঠে। এছাড়া শহর ঢাকার অলিগলি ও জনজীবন তাঁর কবিতায় যেভাবে এসেছে তা খুব কম কবির কবিতাতে পাওয়া যায়।

মনে পড়ছে, একদিন শহরের কোনো এক হৈ-হল্লামুখর গলি দিয়ে রিকশার টুংটাং বেল শুনতে শুনতে যাত্রী হয়ে কোথাও যাচ্ছি। এমন সময় চোখে পড়ল—রাস্তার পাশে একটা গাছ মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো কিন্তু গাছটার মাথার ডালপালা অনেকখানি কেটে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কী কারণে কাটা হলো, এটা একটু মন দিয়ে তাকালেই টের পাওয়া যায়। কারণটা হলো : ওই গাছটা বেড়ে ওঠায় একটা পণ্যের বিজ্ঞাপন তাঁর মুখ দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছিলো।
কিন্তু গাছ তো প্রতিবাদহীন; গাছ যেন যীশুখ্রিস্টর মতো নীরবে মানুষের সমস্ত পাপের শাস্তি একাই হজম করে কর্পোরেট পৃথিবীর মানুষদের মুক্ত করতে চাইছে। গাছের এ কর্তন আমি বা আমরা কি মেনে নিতে পারি? আমরা তো স্বপ্ন দেখি সুন্দর একটা শহরের, যেখানে গাছ থাকছে তার নিজস্ব অধিকার নিয়ে। কেমন সে শহর, তা নিয়ে ভাবতে গেলেই মনে পড়ে গিয়েছিল শামসুর রাহমানেরই কবিতার কয়েক লাইন—

হেঁটে যেতে যেতে
বিজ্ঞাপন এবং সাইনবোর্ডগুলো মুছে ফেলে
সেখানে আমার প্রিয় কবিতাবলীর
উজ্জ্বল লাইন বসালাম;
প্রতিটি পথের মোড়ে পিকাসো মাতিস আর ক্যান্ডিনিস্কি দিলাম ঝুলিয়ে।
[ হরতাল ]

শামসুর রাহমান কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ, অনুবাদ ও শিশুসাহিত্যসহ লিখেছেন শতাধিক বই। সম্ভবত বাংলা কবিতায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংখ্যক কবিতা লিখেছেন তিনি। জীবনের শেষ দুই দশক দেশের প্রধান কবি হিসেবে রাষ্ট্রীয় নানান অনুষ্ঠানে শামসুর রাহমানকে উপস্থিত হতে দেখা যেত। যেকোনো বিশেষ দিবস উপলক্ষ্যে আট-দশটি পত্রিকা তাঁর কবিতাকে লিড করত, আর এসব কবিতাই হতো নতুন লেখা। অর্থাৎ, যারাই তাঁর কাছে লেখা চাইতেন, তিনি তাদের ‘না’ করতেন না। তাঁর কবিতার একটি বিখ্যাত লাইন হচ্ছে—‘যদি বেঁচে যাই একদিন আরো/লিখবো’। তিনি সত্যি সত্যি লিখে গেছেন সারা জীবন। শেষ বয়সে তিনি প্রায় প্রতিদিন কবিতা লিখতেন।  স্বাভাবিকভাবে কবি হিসেবে তিনি ছিলেন সর্বাধিক পরিচিত ও আলোচিত মুখ। দৈনন্দিন জীবনের ঘটনা, বিক্ষিপ্ততা ও কম্প্রোমাইজজনিত জটিলতা বা ক্ষুব্ধতাগুলোকে তিনি কবিতার মধ্যদিয়ে প্রকাশ করতেন। দৈনন্দিনতাকে অক্ষরবৃত্তের চালে কবিতা করে তুলতেন। আজ যখন তাঁর সেসময়ের কবিতাগুলো পড়তে যাই, মনে হয়—হয়তো তিনি শেষদিকে কবিতার মাধ্যমে দিনলিপি লিখতেন। দৈনন্দিন জীবনের যা কিছু আজ আমরা স্ট্যাটাস আকারে ফেইসবুকে লিখি, তিনি তাকে কবিতায় রূপান্তর করে লিখেতেন। তাঁর সময় ও ভাবনাজগৎকে চিহ্নিত করার জন্য যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

২.

নব্বই দশকের মাঝামাঝিতে শামসুর রাহমানের ‘উত্তর’ কবিতাটি মানুষের মুখে মুখে শোনা যেত কিছুটা পরিবর্তীত রূপে। ১৯৯৫ সালে কবিতাটিকে গানে রূপান্তরিত করে ‘নগরবাউল’ অ্যালবামের জন্য জেমস গেয়েছিলেন ‘তারায় তারায়’। সম্প্রতি শামসুর রাহমানের ‘উত্তর’ কবিতাটি পড়ছিলাম—

তুমি হে সুন্দরীতমা নীলিমার দিকে তাকিয়ে বলতেই পারো

‘এই আকাশ আমার’
কিন্তু নীল আকাশ কোনো উত্তর দেবে না।
সন্ধ্যেবেলা ক্যামেলিয়া হাতে নিয়ে বলতেই পারো,
‘ফুল তুই আমার’
তবু ফুল থাকবে নীরব নিজের সৌরভে আচ্ছন্ন হয়ে।
জ্যোত্স্না লুটিয়ে পড়লে তোমার ঘরে,
তোমার বলার অধিকার আছে, ‘এ জ্যোত্স্না আমার’
কিন্তু চাঁদিনী থাকবে নিরুত্তর।
মানুষ আমি, আমার চোখে চোখ রেখে
যদি বলো, ‘তুমি একান্ত আমার’, কী করে থাকবো নির্বাক?
তারায় তারায় রটিয়ে দেবো, ‘আমি তোমার, তুমি আমার’।

উত্তর/ শামসুর রাহমান

মূল কবিতার সঙ্গে যখন গানের লিরিক মিলিয়ে পড়তে যাই, তখন লক্ষ করি জেমস কিভাবে কবিতাটির কিছু-কিছু জায়গা বদল করেছেন। যেমন কারও উপন্যাস বা গল্প নিয়ে সিনেমা বানানোর সময় করা হয়। এ পরিবর্তন কি শামসুর রাহমান স্বাভাবিকভাবে মেনে নিয়েছিলেন। নিশ্চয় মেনে নিয়েছিলেন, তা-নাহলে তো তিনি প্রতিবাদ করতেন। পাঠকদের জন্য তুলে দেওয়া হলো জেমসের রূপান্তর করা গানের লিরিকটি।

সুন্দরীতমা আমার
তুমি নীলিমার দিকে তাকিয়ে বলতে পারো
এই আকাশ আমার।

নীলাকাশ রবে নিরুত্তর
মানুষ আমি চেয়ে দেখো
নীলাকাশ রবে নিরুত্তর
যদি তুমি বলো আমি একান্ত তোমার,
আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো তুমি আমার
আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো আমি তোমার।

ক্যামেলিয়া হাতে এই সন্ধ্যায়
ভালবেসে যতো খুশি বলতে পারো এই ফুল আমার।

ফুল শুধু ছড়াবে সৌরভ লজ্জায় বলবে না কিছু
ফুল শুধু ছড়াবে সৌরভ লজ্জায় বলবে না কিছুই
ফুল থাকবে নীরব।

আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো তুমি আমার
আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো আমি তোমার।

জোছনা লুটালে তুমি অধিকার নিয়ে বলতে পারো
এই জোছনা আমার।
এই চাঁদ খুঁজবে না উত্তর একবার যদি বলো
এই চাঁদ খুঁজবে না উত্তর একবার যদি বলো আমাকে

আমি থাকবো না নির্বাক,
আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো তুমি আমার
আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো আমি তোমার।

আমি তারায় তারায় রটিয়ে দেবো
আমি তোমার তুমি আমার।

তারায় তারায় / জেমস

লক্ষ্যণীয় বিষয়, জেমস তাঁর কবিতার লাইনের কিছু কিছু জায়গা সংক্ষিপ্ত করেছেন, কিছু লাইন ঘুরিয়ে দিয়েছেন। আর এর ভেতর দিয়েই একটি কবিতা গান হয়ে উঠল।

 

৩.

শামসুর রাহমান যে ভাষায় কবিতা লিখতেন, তাঁর পরবর্তী কয়েক দশকের বহু কবি সে ভাষা দ্বারা এতটাই আচ্ছন্ন ছিলেন যে, এক সময় তা অতি ব্যবহারে জীর্ণ হতে থাকে। প্রয়োজন হয় কবিতার ভাষাভঙ্গি বদলের। ফলে আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে শুরু করে পরবর্তী দশকের তরুণ কবিদের মধ্যে ব্যক্তি শামসুর রাহমানের প্রভাব থাকলেও, তাঁর কবিতার প্রভাব কিছুটা ম্লান হতে থাকে। বদলে যেতে থাকে কবিতার ভাষা ও ভঙ্গি। কবিতায় বাড়তে থাকে বিষয়বৈচিত্র্য। তাঁর কবিতার প্রকাশভঙ্গি নিয়ে অতিকথনের অভিযোগ ওঠে, যে অভিযোগ আজকের তরুণদের মুখেও হরহামেশা শোনা যায়। রবীন্দ্রনাথের কবিতা নিয়েও এমন অভিযোগ রয়েছে। হয়তো এ কারণেই রবীন্দ্রনাথ এক সময় লিখেছিলেন—

‘ইংরেজিতে অনেক সময় আট-দশ লাইনের একটি ছোট কবিতা লঘুবাণের মতো ক্ষিপ্রগতিতে হৃদয়ে প্রবেশ করিয়া মর্মের মধ্যে বিদ্ধ হইয়া থাকে। বাংলায় ছোট কবিতা আমাদের হৃদয়ের স্বাভাবিক জড়তায় আঘাত দিতে পারে না। বোধ করি কতকটা সেই কারণে আমাদের ভাষার এই খর্বতা আমরা অত্যুক্তি দ্বারা পূরণ করিয়া লইতে চেষ্টা করি। একটা কথা বাহুল্য করিয়া না বলিলে আমাদের ভাষায় বড়ই ফাঁকা শোনায় এবং সে কথা কাহারো কানে পৌঁছায় না। সেইজন্য সংক্ষিপ্ত সংহত রচনা আমাদের দেশে প্রচলিত নাই বলিলেই হয়। কোনো লেখা অত্যুক্তি পুনরুক্তি বিস্তারিত ব্যাখ্যা এবং আড়ম্বরপূর্ণ না হইলে সাধারণত গ্রাহ্য হয় না।—[ বাংলা শব্দ ও ছন্দ,  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ]

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা কবিতায় অতিকথন থাকার বিষয়টাকে ভাষার খর্বতা হিসেবে দেখেছেন। বিষয়টা কি আদৌ তাই? আমরা যদি চর্যাপদের দিকে তাকাই কিংবা বৈষ্ণব পদাবলীর দিকে, দেখব সে-সময় অতিকথনহীন ছোট ছোট কবিতা লিখিত হতো। এসময়ে এসেও ছোট-বড় সব ধরনের কবিতাই লিখিত হচ্ছে। আসলে কখনও কখনও কবিতার ভাব ও রসকে পাঠক হৃদয়ে পরিপূর্ণভাবে সংক্রমিত করতে অতিকথনের প্রয়োজন পড়ে। রবীন্দ্রনাথ কিংবা শামসুর রাহমানর অনেক কবিতা পড়তে গিয়ে তাই-ই মনে হয়েছে। এরপরও বলব, কোথাও-কোথাও অতিকথন তাঁর কবিতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই পারে, তবে তা যেন ঢালাওভাবে না হয়!

শামসুর রাহমানের কবিতার ইতিবাচক দিক হচ্ছে, চলমান জীবনে মানুষের মুখে মুখে ফেরার মতন অসংখ্য স্মরণীয় লাইন রয়েছে। তাঁর কবিতা যারা নিবিড়ভাবে পড়বে, নানান পর্যায়েই তাঁর লাইনগুলো স্মরণ করবে। যেমন এ মুহূর্তে মনে পড়ছে — 

যেখানে আকাট মূর্খ শব্দটি মানায় চমৎকার

সেখানে পণ্ডিত ব্যবহার করে আহ্লাদে আটখানা

হয়ে যাই। শত্রুস্থলে বন্ধু শব্দটিকে

হরহামেশাই

জিভের ডগায়

নাচাই এবং যারা অতি খর্বকায়

তাদের সপক্ষে দীর্ঘকায় বিশ্লেষণ

সাজিয়ে নরক করি গুলজার

[ইদানীং বঙ্গীয় শব্দকোষ/শামসুর রাহমান ]

/জেডএস/

সম্পর্কিত

সিকদার আমিনুল হকের কবিতা জীবন ও মৃত্যুর রাজনীতি

সিকদার আমিনুল হকের কবিতা জীবন ও মৃত্যুর রাজনীতি

মধ্যাহ্ন

মধ্যাহ্ন

কামরুল হাসান ও তার ছবির রাজনীতি

কামরুল হাসান ও তার ছবির রাজনীতি

রফিকুল ইসলামের পাণ্ডিত্য ও কৃতিত্ব

রফিকুল ইসলামের পাণ্ডিত্য ও কৃতিত্ব

সর্বশেষসর্বাধিক

লাইভ

সিকদার আমিনুল হকের কবিতা জীবন ও মৃত্যুর রাজনীতি

সিকদার আমিনুল হকের কবিতা জীবন ও মৃত্যুর রাজনীতি

মধ্যাহ্ন

মধ্যাহ্ন

কামরুল হাসান ও তার ছবির রাজনীতি

কামরুল হাসান ও তার ছবির রাজনীতি

রফিকুল ইসলামের পাণ্ডিত্য ও কৃতিত্ব

রফিকুল ইসলামের পাণ্ডিত্য ও কৃতিত্ব

‘ওয়েস্টল্যান্ড’ ও ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শতবর্ষ উদযাপন

সৌধের আয়োজনে‘ওয়েস্টল্যান্ড’ ও ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শতবর্ষ উদযাপন

বুদ্ধদেব বসুর কাব্যনাট্য : আঙ্গিকে রাষ্ট্রদর্শন

বুদ্ধদেব বসুর কাব্যনাট্য : আঙ্গিকে রাষ্ট্রদর্শন

করোনাকালে কেমন কাটছে তার জীবন

করোনাকালে কেমন কাটছে তার জীবন

শেকড় গজানো আঁকড়ে ধরা প্রেম

শেকড় গজানো আঁকড়ে ধরা প্রেম

আলম খোরশেদ ও রওশন জামিল পাচ্ছেন ‘অনুবাদ সাহিত্য পুরস্কার’

আলম খোরশেদ ও রওশন জামিল পাচ্ছেন ‘অনুবাদ সাহিত্য পুরস্কার’

সাইকোঅ্যানালিটিকাল ক্রিটিকাল থিয়রি বা মনঃসমীক্ষণবাদী সাহিত্যতত্ত্ব

সাহিত্যতত্ত্ব : একটি সংক্ষিপ্ত পরিক্রমাসাইকোঅ্যানালিটিকাল ক্রিটিকাল থিয়রি বা মনঃসমীক্ষণবাদী সাহিত্যতত্ত্ব

সর্বশেষ

কোভিশিল্ড: উৎপাদন অর্ধেক কমাচ্ছে সেরাম

কোভিশিল্ড: উৎপাদন অর্ধেক কমাচ্ছে সেরাম

জেনারেল বিপিনের মৃত্যুতে শোক যুক্তরাষ্ট্রের

জেনারেল বিপিনের মৃত্যুতে শোক যুক্তরাষ্ট্রের

ফতুল্লায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ৫

ফতুল্লায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ৫

অমলেট বানিয়ে ফেলুন এভাবে

অমলেট বানিয়ে ফেলুন এভাবে

প্রক্টর পরিচয়ে সাংবাদিককে হুমকি বহিষ্কৃত চবি ছাত্রলীগ কর্মীর

প্রক্টর পরিচয়ে সাংবাদিককে হুমকি বহিষ্কৃত চবি ছাত্রলীগ কর্মীর

© 2021 Bangla Tribune