নিউ ইয়র্ক টাইমস

খামেনিকে হত্যা করে আহমাদিনেজাতকে ক্ষমতায় বসাতে চেয়েছিল ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২০ মে ২০২৬, ০৯:১৭আপডেট : ২০ মে ২০২৬, ১০:৪১

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যার পর দেশটির নতুন নেতা হিসেবে কট্টরপন্থী সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাতকে ক্ষমতায় বসানোর একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছিল ইসরায়েল। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের শুরুতেই এমন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমস। ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল এ খবর জানিয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিকল্পনা নিয়ে আহমাদিনেজাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছিল। তবে তেহরানে ইসরায়েলি হামলায় আহত হওয়ার পর তিনি সতর্ক হয়ে ওঠেন। ওই হামলার উদ্দেশ্য ছিল তাকে গৃহবন্দিত্ব থেকে বের করে আনা। এরপর থেকে তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি।

নিউ ইয়র্ক টাইমস উল্লেখ করেছে, আহমাদিনেজাতের সঙ্গে ইরানের বর্তমান শীর্ষ নেতাদের দীর্ঘদিনের বিরোধ থাকলেও তিনি অতীতে ‘ইসরায়েলকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলার’ আহ্বান জানিয়েছিলেন এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির কট্টর সমর্থক ছিলেন। ফলে ইসরায়েলের এই পরিকল্পনায় তাকে বেছে নেওয়ার বিষয়টি অত্যন্ত অস্বাভাবিক ছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের বহুপদক্ষেপের যুদ্ধ পরিকল্পনার একটি ধাপ ছিল আহমাদিনেজাদকে ক্ষমতায় আনা। এই পরিকল্পনার প্রথম ধাপে ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলা, যার মাধ্যমে ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যা করার কথা ছিল। একই সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য কুর্দি বাহিনীকে সংগঠিত করার পরিকল্পনাও ছিল এর অংশ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, যদিও ইসরায়েলের পরিকল্পিত কুর্দি আগ্রাসন শেষ পর্যন্ত বাস্তবে রূপ নেয়নি, তবে ইসরায়েল বিশ্বাস করেছিল যে বিমান হামলা ও রাজনৈতিক চাপের কারণে ইরানের অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এর ফলে বর্তমান শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়বে এবং পরবর্তীতে একটি ‘বিকল্প সরকার’ হিসেবে আহমাদিনেজাতের নেতৃত্বাধীন গোষ্ঠী দেশটির দায়িত্ব নিতে পারবে।

/এএস/
টাইমলাইন: ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা
সম্পর্কিত
মার্কিন যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, চলছে ইসরায়েলি হামলা
ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নে মার্কিন চাপ মানছে না ওমান
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
সর্বশেষ খবর
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
কুমিরের আক্রমণে সন্তানের মৃত্যুর পর ফজিলাকে খুঁজে পেলো পরিবার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ট্রাফিক আইন সবার জন্য সমান, পুলিশ সদস্য হলেও ব্যবস্থা: ডিএমপি কমিশনার
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
ফ্রিল্যান্সারদের আয় থেকে সাড়ে ৭ শতাংশ কর কাটা নিয়ে যা বলছে এনবিআর 
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের আয়ে ৭.৫% কর নেওয়ার অভিযোগ, স্পষ্ট করার দাবি সারজিসের
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে