শনিবার দুপুর ১২টায় ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে মনিরুল বলেন, ‘এখান থেকেই (মৌলভীবাজার) তিনজনের একজন সিলেটে গিয়ে ঘটনা ঘটিয়ে আবারও এখানে ফিরে আসে।’ তবে মৌলভীবাজার থেকে দু্ইজনও সিলেটে গিয়ে হামলা চালিয়ে এসে থাকতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি। তবে একজনের বিষয়ে পুলিশ নিশ্চিত।
উল্লেখ্য সিলেটের শিববাড়ির আতিয়া মহলে জঙ্গি আস্তানায় সেনাবাহিনীর অভিযানের সময় কাছেই পাঠানপাড়ায় পুলিশের ওপর বোমা হামলা হয়। দুটি বিস্ফোরণে র্যাবের গোয়েন্দাপ্রধান ও দুই পুলিশসহ সাতজন মারা যায়। অপারেশন টোয়াইলাইটে আতিয়া মহলে চার জঙ্গি নিহত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মনিরুল বলেন, ‘বড়হাটে অভিযানে তিন জঙ্গি নিহত হয়েছে। এরমধ্যে দুইজন পুরুষ ও একজন মহিলা। তাদের উপস্থিতি আমরা জানতে পেরেছিলাম। এদের একজন সিলেটে গিয়ে কাজটি ঘটিয়ে এখানে ফিরেছে। তার উপস্থিতিও জানতে পেরেছিলাম।
তিনি বলেন, ‘সকাল নিশ্চিত হলাম তারা নিহত হয়েছে। তখন ঢুকে আমরা তিনটি ডেডবডি দেখেছি।’
এর আগে সিলেট রেঞ্জের ডিআইজ কামরুল আহসান সাংবাদিকদের সামনে অভিযানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।
শুক্রবার সকাল ৯টা ৫২ মিনিটে বড়হাটের এই বাড়িতে ‘অপারেশন ম্যাক্সিমাস’ শুরু হয়। এরপর দিনভর থেমে থেমে গুলি ও বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওইদিন সন্ধ্যায় অভিযান স্থগিত করা হয়। পরে শনিবার সকালে অভিযান শুরু হয়ে বেলা সোয় ১১টায় তা শেষ হয়।
/এনএল/ইউআই/এফএস/
আরও পড়ুন-
'অপারেশন ম্যাক্সিমাস' সমাপ্ত, তিন জঙ্গি নিহত
আগেই তথ্য ছিল বড়হাটে তিন জঙ্গি আছে: মনিরুল
‘আমরা তাদের ফাঁসিতে ঝুলাতে চেয়েছিলাম’
কোটবাড়ীর আস্তানায় ২ জঙ্গি ছিল: ডিআইজি
বড়হাটে অভিযান স্থগিতের পর জঙ্গি আস্তানায় আবারও বিস্ফোরণ
নাসিরপুরের জঙ্গি আস্তানার লাশগুলোতে পচন ধরেছিল: ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক
বড়হাটের জঙ্গি আস্তানার জানালা বুলেটপ্রুফ!
পরিস্থিতির জটিলতা বিবেচনায় অভিযানের নাম ‘ম্যাক্সিমাস’: মনিরুল
নাসিরপুরে নিহত পুরুষ জঙ্গি নাইক্ষ্যংছড়ির সোহেল!