আইএমএফের শর্ত মানবে না সরকার, বিকল্প অর্থায়নের খোঁজ—ব্যাংককে বড় পরীক্ষা বাংলাদেশের

গোলাম মওলা, ব্যাংকক থেকে 
১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৬ আপডেট : ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৬

বৈশ্বিক অর্থনীতি যখন মূল্যস্ফীতি, উচ্চ সুদের হার, সরকারি ঋণের চাপ ও ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন বিশ্ব অর্থনীতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার মঞ্চ হয়ে উঠছে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২৬ সালের বার্ষিক সভায় বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন অর্থায়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার কৌশল নিয়ে আলোচনা করবেন বিশ্বের নীতিনির্ধারকরা।

১২ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এ সভা বাংলাদেশের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আইএমএফের নতুন ঋণ কর্মসূচি, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি এবং অর্থনীতিতে বিনিয়োগের গতি ফেরানোর বিষয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়েছে। নতুন ঋণ কর্মসূচির আওতায় আইএমএফের কাছ থেকে ৪৫০ কোটি থেকে ৫০০ কোটি ডলার পেতে চায় বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে ব্যাংককের বৈঠকগুলোতে সরকারের নিজস্ব সংস্কার পরিকল্পনা ও অর্থনৈতিক কর্মকৌশল তুলে ধরার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বার্ষিক সভার সাইডলাইনে আইএমএফের সঙ্গে একাধিক বৈঠকে ঋণের শর্ত ও ভবিষ্যৎ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হবে। আগের ঋণ কর্মসূচির অসম্পূর্ণ শর্তগুলোও আলোচনায় আসতে পারে। এর মধ্যে বিনিময় হার ব্যবস্থাপনা, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার, বিদ্যুৎ ও সারে ভর্তুকি কমানো এবং অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণ বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। ব্যাংককের আলোচনায় অগ্রগতি হলে চলতি মাসের শেষ দিকে আইএমএফের একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় আসতে পারে।

নতুন ঋণের জন্য সরকারের নিজস্ব কৌশল

বার্ষিক সভায় অংশ নিতে বাংলাদেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের ব্যাংককে যাওয়ার কথা রয়েছে। দলের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান এবং অর্থ সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার।

ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরের বক্তব্য অনুযায়ী, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সামষ্টিক অর্থনীতির চাপ মোকাবিলায় সরকার বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের চাপিয়ে দেওয়া সংস্কারের পরিবর্তে দেশের বাস্তবতা বিবেচনায় নিজস্ব উদ্যোগে সংস্কার বাস্তবায়ন করতে চায়।

সরকারের যুক্তি, দায়িত্ব নেওয়ার সময় অর্থনীতি নানা চাপে ছিল। বেসরকারি বিনিয়োগে ধীরগতি, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) তুলনায় কম রাজস্ব আয় এবং ব্যাংকিং খাতের তারল্যসংকট অর্থনীতির অন্যতম দুর্বলতা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় সরকার নিজস্ব কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের জানানো হবে।

সরকারের পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ব্যাংকিং খাতে আস্থা ফিরিয়ে আনা। সমস্যাগ্রস্ত কয়েকটি ব্যাংক ও সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থ উত্তোলন নিয়ে অনিশ্চয়তা দূর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতে শৃঙ্খলা ফেরানো, বন্ধ কলকারখানা চালু করা এবং উৎপাদনশীল খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়ানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরবে সরকার।

রাজস্ব আয় বাড়ানোও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। অর্থ উপদেষ্টার বক্তব্য অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপির তুলনায় রাজস্বের অনুপাত ১০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ জন্য অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণে তিনটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে।

তবে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অগ্রগতি, রাজস্ব বৃদ্ধির বাস্তবসম্মত পথ এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার সক্ষমতা আন্তর্জাতিক অংশীদারদের আস্থা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ হবে।

আগের ঋণ কর্মসূচির অভিজ্ঞতা

বাংলাদেশের নতুন ঋণ আলোচনার পেছনে রয়েছে আগের কর্মসূচির অভিজ্ঞতা। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে আইএমএফের ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণ কর্মসূচি অনুমোদিত হয়। পরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে কর্মসূচির ঋণের পরিমাণ বাড়িয়ে ৫৫০ কোটি ডলার করা হয়েছিল। ওই কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ পাঁচ কিস্তিতে ৩৮০ কোটি ডলার পেয়েছে।

গত বছরের নভেম্বরে আলোচনা স্থগিত হওয়ার পর ষষ্ঠ কিস্তির অর্থ ছাড় আটকে যায়। নির্বাচনের পর নতুন সরকারের সঙ্গে আলোচনা আবার শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয় আইএমএফ। তবে নতুন সরকার আগের কর্মসূচির পরিবর্তে নতুন ঋণ প্যাকেজের জন্য আবেদন করেছে বলে ৩ জুন দেওয়া এক বিবৃতিতে জানিয়েছিলেন আইএমএফের বাংলাদেশ মিশনপ্রধান ইভো ক্রজনার।

এবারের আলোচনায় বাংলাদেশের সামনে বড় প্রশ্ন হলো—নতুন ঋণ পেতে কী ধরনের শর্তে রাজি হতে হবে এবং সেগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকার কতটা নিজস্ব নীতি অনুসরণের সুযোগ পাবে। একইসঙ্গে ঋণের অর্থায়ন দেশের বৈদেশিক লেনদেনের চাপ কমানো, আর্থিক খাতে স্থিতিশীলতা আনা এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করতে কতটা সহায়ক হবে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

এর আগে গত সপ্তাহে আইএমএফের কঠিন শর্ত মেনে নতুন ঋণ নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিদেশি ঋণদাতা সংস্থার অর্থের ওপর নির্ভর করে দেশ পরিচালনার প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার নতুন আর্থিক কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে বলে জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আইএমএফের কঠিন শর্তযুক্ত ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্যেই আগের কর্মসূচি থেকে সরে এসেছে সরকার। নতুন ঋণ কর্মসূচিতে কঠিন শর্ত দেওয়া হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। তার ভাষায়, ‘বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ বা এডিবি টাকা দেবে আর আমরা দেশ চালাব—এই ধারায় আমরা পরিবর্তন আনছি।’

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক চাহিদা পূরণে বিপুল পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন। উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে পাওয়া সীমিত অর্থ দিয়ে সেই চাহিদা পূরণ সম্ভব নয়। এ জন্য আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজার থেকে বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় পুঁজিবাজারকে কাজে লাগিয়ে বিকল্প অর্থায়নের নতুন কৌশল নেওয়া হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রীর এ বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, আইএমএফের সঙ্গে নতুন ঋণ নিয়ে আলোচনায় শুধু অর্থের পরিমাণ নয়, ঋণের শর্ত এবং অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে সরকারের স্বাধীনতার বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে। তবে আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ঋণের ব্যয়, পরিশোধের সক্ষমতা এবং দেশের ঋণঝুঁকি বিবেচনায় নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ হবে।

বিশ্ব অর্থনীতির নতুন দিকনির্দেশনা

ব্যাংককের কুইন সিরিকিত ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠেয় সভায় বিভিন্ন দেশের অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর, উন্নয়ন সংস্থার প্রধান ও আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। প্রায় ৩৫ বছর পর থাইল্যান্ডে ফিরছে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংকের এই বার্ষিক আয়োজন।

সভায় অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি, অর্থনৈতিক সক্ষমতা, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা মোকাবিলা এবং নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে আলোচনা হবে। বিশেষ গুরুত্ব পাবে এআইয়ের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে শ্রমবাজারকে খাপ খাওয়ানো।

একইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলা, দুর্যোগসহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য অর্থায়নের পথ খোঁজা হবে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ তাদের পক্ষে শুধু সরকারি অর্থ দিয়ে উন্নয়ন ও জলবায়ু অভিযোজনের চাহিদা পূরণ করা কঠিন।

বিশ্বব্যাংকের আলোচনায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। অন্যদিকে আইএমএফের আলোচনায় বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি, সুদের হার, আর্থিক স্থিতিশীলতা এবং সরকারি ঋণের ঝুঁকি প্রাধান্য পাবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিনিয়োগই বড় চ্যালেঞ্জ

বাংলাদেশের অর্থনীতির সামনে এখন কয়েকটি কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দুর্বল রাজস্ব আহরণ, ব্যাংকিং খাতের অনিয়ম ও খেলাপি ঋণ, জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা এবং বেসরকারি বিনিয়োগে ধীরগতি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিকে বাধাগ্রস্ত করছে।

এসব সমস্যা কাটিয়ে উঠতে শুধু বিদেশি ঋণ বা উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়ন যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা, ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় কমানো, নির্ভরযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য স্থিতিশীল নীতিপরিবেশ নিশ্চিত করা। পাশাপাশি সরকারি ব্যয়ের দক্ষতা বাড়ানো ও রাজস্ব ফাঁকি কমানোর কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

বাংলাদেশের রতানির আয়ের বড় অংশ তৈরি পোশাক খাতনির্ভর। এই নির্ভরতা কমাতে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ, হালকা প্রকৌশল এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি। এ জন্য প্রযুক্তি স্থানান্তর, দক্ষ জনশক্তি তৈরি, সহজ অর্থায়ন এবং নতুন আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের সুযোগ বাড়াতে হবে।

একইসঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি ও তুলনামূলক কম সুদের অর্থায়ন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। উপকূলীয় অঞ্চলের সুরক্ষা, দুর্যোগসহনশীল অবকাঠামো এবং অভিযোজন প্রকল্পে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে পারে।

অর্থায়নের পাশাপাশি দরকার বাস্তবায়ন

ব্যাংককের বার্ষিক সভায় বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি হলেও শুধু বৈঠকে অংশ নেওয়া বা নতুন ঋণের প্রতিশ্রুতি পাওয়াই অর্থনীতির সমস্যার সমাধান করবে না। ঋণের শর্ত, অর্থ ছাড়ের সময়সূচি এবং সংস্কারের অগ্রগতি দেশের অর্থনৈতিক নীতিনির্ধারণে প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি উন্নয়ন অর্থায়ন ও বিনিয়োগের সুযোগ কাজে লাগাতে প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট প্রকল্প, কার্যকর পরিকল্পনা এবং অর্থের স্বচ্ছ ব্যবহার নিশ্চিত করা।

বাংলাদেশের জন্য এবারের সভার গুরুত্ব তাই দ্বিমুখী। একদিকে নতুন ঋণ কর্মসূচির মাধ্যমে বৈদেশিক অর্থায়নের সুযোগ তৈরি করা, অন্যদিকে নিজস্ব সংস্কার কর্মসূচির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রতিষ্ঠা করা। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান, উৎপাদন ও রফতানি বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সঙ্গে নতুন উদ্যোগের পথ খুঁজতে হবে।

সব মিলিয়ে ব্যাংককের আলোচনা বাংলাদেশের অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। নতুন ঋণ পাওয়া, সংস্কারের শর্ত নির্ধারণ এবং বিনিয়োগের সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে এই সভার ফলাফল তাৎপর্যপূর্ণ। তবে শেষ পর্যন্ত অর্থনীতির গতিপথ নির্ভর করবে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত, সংস্কার বাস্তবায়নের সক্ষমতা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানোর ওপর।

/আইএএম/
সম্পর্কিত
চীন, কোরিয়া ও জাপানের বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ ডেস্ক চালু
ভ্রমণ কোটায় মানি চেঞ্জারে একবারে ৩ হাজার ডলার বিক্রির সুযোগ
ন্যাশনাল ব্যাংকের সুখবর, গ্রাহকরা চাহিদামতো টাকা তুলতে পারবেন যেদিন থেকে
সর্বশেষ খবর
হাসানের আগুনে বোলিংয়ে ২৪০ রানে শেষ আফগানিস্তান 
হাসানের আগুনে বোলিংয়ে ২৪০ রানে শেষ আফগানিস্তান 
তালা ভেঙে লায়ন্স কার্যালয়ে দখল-পাল্টা দখল, মারধরের অভিযোগ
তালা ভেঙে লায়ন্স কার্যালয়ে দখল-পাল্টা দখল, মারধরের অভিযোগ
‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদি ভারতের জন্য লজ্জা’: মুক্তি পেয়েই তোপ দিপকের
‘প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদি ভারতের জন্য লজ্জা’: মুক্তি পেয়েই তোপ দিপকের
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের পদত্যাগসহ ৫ দাবিতে যুব উন্নয়ন অধিদফতর ঘেরাও
প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের পদত্যাগসহ ৫ দাবিতে যুব উন্নয়ন অধিদফতর ঘেরাও
সর্বাধিক পঠিত
ম্যাকবুক উপহার দি‌য়ে জার্মান পর্যট‌কের দুঃখ ঘোচা‌লেন একজন
ম্যাকবুক উপহার দি‌য়ে জার্মান পর্যট‌কের দুঃখ ঘোচা‌লেন একজন
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় দুই আড়তদারকে জরিমানা, জব্দ ইলিশ-কারেন্ট জাল
নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় দুই আড়তদারকে জরিমানা, জব্দ ইলিশ-কারেন্ট জাল
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, কার ডাকে কক্সবাজার গেলো কিশোরী?
স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা, কার ডাকে কক্সবাজার গেলো কিশোরী?
আলহামদুলিল্লাহ, আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন: কেয়া পায়েল
আলহামদুলিল্লাহ, আমার জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ দিন: কেয়া পায়েল
খোলা হয়েছে লালনের আখড়াবাড়ির দানবাক্স, কত টাকা পাওয়া গেলো?
খোলা হয়েছে লালনের আখড়াবাড়ির দানবাক্স, কত টাকা পাওয়া গেলো?