X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

কেমন আছে দেশের অর্থনীতি?

আপডেট : ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১৫:১৪

করোনার প্রভাব কাটিয়ে গতিশীল হচ্ছে দেশের অর্থনীতি। এরই মধ্যে প্রধান সূচকগুলো ঊর্ধ্বমুখী। গতি এসেছে উৎপাদনে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উত্তরণে বিশ্বব্যাংকও প্রশংসা করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য।  

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, আমদানি-রফতানি দুটোতেই রেকর্ড হয়েছে। স্থবির থাকা বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ বাড়তে শুরু করেছে, রাজস্ব আয়ের গতি বেড়েছে।

গত রবিবার (৫ ডিসেম্বর) ঢাকার একটি হোটেলে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের বৈঠকে অংশ নিয়ে বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্টউইগ শ্যেফার বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি অনেক দেশের তুলনায় ভালো করছে। কোভিড মোকাবিলা করে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

 

রাজস্ব আদায়

কেমন আছে দেশের অর্থনীতি?

২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে (জুলাই-অক্টোবর) রাজস্ব আদায়ে রেকর্ড পরিমাণ (১৬ শতাংশেরও বেশি) প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ সময় আয়কর, মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও শুল্ক বিভাগ মিলিয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬ দশমিক ৪৭ শতাংশ। ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম চার মাসে ২ দশমিক ৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি পেয়েছিল এনবিআর।

ব্যবসা-বাণিজ্যে গতি বাড়ার পাশাপাশি এনবিআর-এর মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার, করনেট বৃদ্ধি ও অটোমেশনের কারণে রাজস্ব আদায়ে এমন গতি এসেছে বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

তবে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের চার মাসে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এনবিআর এখনও আট হাজার ৭৫৩ কোটি এক লাখ টাকা পিছিয়ে রয়েছে। এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, অর্জিত হয়েছে ৯০ শতাংশ। লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮৮ হাজার ১০৬ কোটি টাকা।

এনবিআর সূত্র বলছে, শুল্ক বিভাগের প্রবৃদ্ধি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। অর্থাৎ আমদানি-রফতানির কারণে রাজস্ব আদায়ও বেড়েছে। এ খাতে ২১ দশমিক ৩১ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে আদায় হয়েছে ২৬ হাজার ৪০৪ কোটি ২৪ লাখ টাকা। অর্জিত হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার প্রায় সাড়ে ৮৭ শতাংশ।

অন্যদিকে, ভ্যাটের ১৪ দশমিক ২৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধিতে প্রতিষ্ঠানটির সর্বোচ্চ ২৯ হাজার ২৭৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা আদায় হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার সাড়ে ৯১ শতাংশ।

 

নিত্যপণ্যের দাম

কাগজে-কলমে এখনও দেশের মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশের নিচে। তবে বাজারদরের প্রতিফলন সরকারি পরিসংখ্যানে নেই। চাল-ডালসহ প্রায় সব ধরনের পণ্যের দরই ঊর্ধ্বমুখী। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অক্টোবরে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে (মাসওয়ারি) দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৭০ শতাংশ। সেপ্টেম্বরে যা ছিল ৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ, আগস্টে ৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ এবং জুলাইয়ে ছিল ৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতি (শতাংশ)

অর্থাৎ অক্টোবরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতেই অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এ সূচক বেড়েছে। পরিসংখ্যান ব্যুরো আরও বলেছে, সেপ্টেম্বরের তুলনায় অক্টোবরে চাল, আটা, ময়দা, চিনি, ব্রয়লার মুরগি, ডিম, পেঁয়াজ, সবজিসহ প্রায় সব ধরনের খাদ্যপণ্যের দাম বেড়েছে।

 

রফতানি

রফতানি (কোটি ডলার)

গত নভেম্বরে ৪০৪ কোটি ডলারের পণ্য রফতানি হয়েছে। গত বছরের নভেম্বরের চেয়ে যা ৩১ দশমিক ২৫ শতাংশ বেশি।

রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ প্রতিবেদন বলছে, ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে ১ হাজার ৯৭৯ কোটি ডলারের রফতানি হয়েছে। গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে যা ২৪ দশমিক ২৯ শতাংশ বেশি।

ইপিবির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে তৈরি পোশাক ছাড়াও কৃষি প্রক্রিয়াজাত, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হিমায়িত খাদ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশল পণ্য ও হস্তশিল্প রফতানি বেড়েছে। তবে পাট ও পাটজাত পণ্যের রফতানি আয় কমেছে সাড়ে ১৭ শতাংশ।

 

আমদানি

আমদানি (কোটি ডলার)

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, এ বছরের অক্টোবরে ৭১১ কোটি ডলারের আমদানি করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে কখনই একক কোনও মাসে পণ্য আমদানিতে এত অর্থ ব্যয় হয়নি। গত বছরের একই সময় হয়েছিল ৪৩৭ কোটি ডলারের।

সেপ্টেম্বরে আমদানি ব্যয় বেড়েছে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫০ .৩৭ শতাংশ। আগস্টে বেড়েছে ৭৩ শতাংশ। সার্বিকভাবে অর্থবছরের প্রথম চার মাসে আমদানি ব্যয় বেড়েছে ৫১.৩৯ শতাংশ।

আমদানি ব্যয় বাড়াকে দেশের অর্থনীতির জন্য মঙ্গলজনক বলছেন অর্থনীতিবিদরা। তবে তারা রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে রেমিট্যান্সেও জোর দিতে সরকারকে পরামর্শ দিয়েছেন।

 

বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, দীর্ঘদিন পর বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ স্বাভাবিক ধারায় ফিরেছে। গত ১৩ মাসের মধ্যে ঋণের সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি হয়েছে গত অক্টোবরে। করোনার কারণে ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণে যে মন্দাভাব ছিল, তা কেটে যাচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী অক্টোবরে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধি ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশে উন্নীত হয়েছে, যা গত ১৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। যদিও গত বছরের অক্টোবরে ঋণের বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৮.৬১ শতাংশ।

ব্যাংকাররা বলছেন, করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের নিয়ন্ত্রণ উদ্যোক্তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণে উৎসাহিত করেছে। যার ফলে ঋণের প্রবৃদ্ধি আগের চেয়ে বেড়েছে।

ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন প্রকল্প ছাড়াও স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর উদ্যোক্তারা তাদের কার্যক্রম চালু করেছেন। তারা এখন ব্যাংক ঋণের আবেদন করছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, অক্টোবর শেষে বেসরকারি খাতে ঋণের স্থিতি বেড়ে হয়েছে ১২ লাখ ১৯ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা। সেপ্টেম্বরে ছিল ১২ লাখ ১০ হাজার ৭২২ কোটি টাকা এবং আগস্টে ছিল ১১ লাখ ৯৪ হাজার ৩৯১ কোটি টাকা।

 

প্রবাসী আয়

রেমিট্যান্স ২০২১ (কোটি ডলার)

করোনার প্রকোপ যখন বেশি ছিল তখন প্রবাসী আয় ছিল ঊর্ধ্বমুখী। কিন্তু ছয় মাস ধরে প্রবাসী আয় টানা কমেছে। নভেম্বরে প্রবাসীরা যে রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন তা গত দেড় বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। নভেম্বরে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা দেশে ১৫৫ কোটি ৩৭ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এ অঙ্ক গত বছরের নভেম্বরের চেয়ে ২৫ শতাংশ কম। গত বছরের নভেম্বরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২০৭ কোটি ৮৭ লাখ ডলার।

এর আগে ২০২০ সালের মে’তে দেশে সর্বনিম্ন ১৫০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রথম পাঁচ মাসে রেমিট্যান্স আসে ৮৬০ কোটি ৮৮ লাখ ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ শতাংশ কম। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত ছয় মাস ধরে ধারাবাহিকভাবে রেমিট্যান্স কমছে।

চলতি বছরের অক্টোবরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬৪ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। সেপ্টেম্বরে এসেছিল ১৭২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, আগস্টে ১৮১ কোটি ডলার। চল‌তি অর্থবছরের জুলাইয়ে আসে ১৮৭ কোটি ১৪ লাখ ডলার। তার আগের মাস জুনের চেয়ে যা ৬ কোটি ৯৩ লাখ ডলার কম।

 

নতুন দরিদ্র

করোনার ঠিক আগে বাংলাদেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করতো ২০ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ। করোনায় কত মানুষ নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমেছে, এর সরকারি হিসাব নেই।

তবে সরকারের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) যৌথ গবেষণায় বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের ধাক্কায় দেশে দারিদ্র্যের হার পাঁচ বছর আগের অবস্থায় ফিরে গেছে।

৩০ সেপ্টেম্বর ‘এক্সট্রিম পোভার্টি: দ্য চ্যালেঞ্জেস অব ইনক্লুশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিবেদনে জানানো হয়, এ বছরের জানুয়ারির হিসাব অনুযায়ী দেশে দারিদ্র্যের হার ২৫ শতাংশ। ২০১৬ সালেও দারিদ্র্যের হার এমনই ছিল। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সানেমের জরিপ বলছে, দেশে এখন ৪২ শতাংশ মানুষ দরিদ্র।

অন্যদিকে ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি) এবং পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) যৌথ জরিপের তথ্য বলছে, দেশে করোনাকালে ৩ কোটি ২৪ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে। চলতি বছরের মার্চে নতুন দরিদ্রের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ৪৫ লাখ। অর্থাৎ ছয় মাসে ৭৯ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়েছে। এ বছর এপ্রিল থেকে দেওয়া করোনা বিধিনিষেধের পরই সংখ্যাটা বেড়েছে।

 

লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি

লেনদেন ভারসাম্যে ঘাটতি (কোটি ডলার)

বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে (ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট) বড় ঘাটতিতে পড়েছে বাংলাদেশ। চলতি অর্থবছরের চার মাসেই (জুলাই-অক্টোবর) এই ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪৭৭ কোটি ডলারে। অথচ গত অর্থবছরের একই সময়ে অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এই সূচকে ৩৬৩ কোটি ৬০ লাখ ডলার উদ্বৃত্ত ছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী চলতি ২০২১-২২ অর্থবছর শুরুই হয়েছিল লেনদেনের ভারসাম্যের ঘাটতি নিয়ে। জুলাই-সেপ্টেম্বরে যা ছিল ২৩১ কোটি ৪০ লাখ ডলার। চার মাস শেষে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭৬ কোটি ৯০ লাখ ডলারে।

 

বাণিজ্য ঘাটতি

অর্থবছরের প্রথম চার মাসে বাংলাদেশে পণ্য বাণিজ্যে সার্বিক ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৯১০ কোটি ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে প্রায় তিন গুণ বেশি।

২০২০-২১ অর্থবছরের এই চার মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছিল ৩৪৯ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যে দেখা যায়, চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবরে ২ হাজার ৩৯০ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৫১ দশমিক ৪২ শতাংশ বেশি।

২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবরে পণ্য রফতানি করে ১ হাজার ৪৮০ কোটি ১০ লাখ (১৪.৮০ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছেন রফতানিকারকরা। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২০ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেশি।

 

অর্থনীতিবিদরা যা বলছেন

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলছেন, সার্বিকভাবে অর্থনীতি সঠিক ধারাতেই আছে। তবে জিনিসপত্রের দাম কমানো দরকার। প্রবাসী আয় বাড়াতেও উদ্যোগী হতে হবে।

তিনি বলেন, আমদানি বাড়ায় বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবের ভারসাম্যে ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। আমদানি বৃদ্ধির ভালো দিক আছে। দেশে বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান হবে। অর্থনীতির স্বস্তির জায়গা হচ্ছে, আমদানির সঙ্গে রফতানিও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এই ইতিবাচক ধারা কিছুদিন অব্যাহত থাকবে বলে মনে হচ্ছে। এখন ঠিকঠাক বিনিয়োগ হলেই অর্থনীতি চাঙ্গা হয়ে উঠবে।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষক ড. জায়েদ বখত বলেন, সব খাতে উৎপাদন কর্মকাণ্ড চালাতে যন্ত্রপাতি, কাঁচামালসহ অনেক কিছুর প্রয়োজন হচ্ছে। সে কারণে আমদানি বেড়েছে। অর্থনীতির জন্য এটা ভালো।

তার মতে, আমদানি বৃদ্ধি মানে বিনিয়োগ বেড়েছে। এতে অর্থনীতিতেও গতি আসে। তবে প্রবাসী আয় বাড়ানোর ব্যাপারে উদ্যোগী হতে হবে। জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

/এফএ/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
চলতি অর্থবছর ৮০ কোটি টাকা ফেরত দিচ্ছে সংসদ সচিবালয়
চলতি অর্থবছর ৮০ কোটি টাকা ফেরত দিচ্ছে সংসদ সচিবালয়
বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫
বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৫
অসাধারণ ব্যাটিংয়ের পুরস্কার পেলেন লিটন-মুশফিক
অসাধারণ ব্যাটিংয়ের পুরস্কার পেলেন লিটন-মুশফিক
বেশ কিছু পণ্যের স্বনির্ভরতায় চমক থাকছে বাজেটে
বেশ কিছু পণ্যের স্বনির্ভরতায় চমক থাকছে বাজেটে
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত