সুনামগঞ্জে করোনার ভ্যাকসিন প্রদানের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় আড়াইশ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতলের নুতন ভবনের নিচ তলার একটি কক্ষে শয্যা, চেয়ার-টেবিলসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ স্থাপন করা হয়েছে। সিভিল সার্জন শামছ উদ্দিন টিকাদান বুথ গুলো ঘুরে দেখেন।
জানা গেছে, সদর হাসপাতালের ৮টি বুথে ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গুলোতে তিন করে করোনা বুথ স্থাপন করা হয়েছে। জেলার ১১টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩৩টি বুথ ও সদর হাসপাতালের ১০টি বুথে করোনা ভ্যাকসিন দেয়া হবে। প্রতিটি বুথে একজন টিকাদান কর্মী দায়িত্বে একজন চিকিৎসক একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স ও চারজন স্বেচ্ছাসেবক টিকা দেওয়ার সময় দায়িত্ব পালন করবেন। জরুরি কোনও সমস্যা দেখা দিলে কুইক রেসপন্স টিম সব রকমের দায়িত্ব পালন করবেন।
নার্সিং সুপারিনন্টেন্ড শার্মিন আক্তার কনা বলেন, তিনি আগামীকাল টিকা নেবেন। টিকা নিতে কেউ চাপ দেয়নি। এতদিন তিনি ফ্রন্ট লাইনের যোদ্ধা হিসেবে করোনা রোগীদের সেবা দিয়েছেন। এখন নিজের ও পরিবারের সুরক্ষার জন্য তিনি টিকা নেবেন।
সদর হাসপাতালের প্রধান অফিস সহকারী রইছ উদ্দিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী টিকার ব্যবস্থা করেছেন। এখন তিনি নিজে টিকা নিয়ে সুরক্ষিত থাকবেন।
রবিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত টিকাদান করা হবে।
সিভিল সার্জন বলেন, আগামীকাল স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাতীয়ভাবে টিকাদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের পরপর আমাদের টিকাদান শুরু হয়ে যাবে। টিকাদান কর্মী ও স্বেচ্ছা সেবকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
সাধারণ মানুষের উদ্দেশে তিনি বলেন, করোনার টিকা নিতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। নির্ভয়ে অ্যাপসে রেজিস্ট্রেশন করে নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রে আসবেন।








