উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থীকে অপহরণের ঘটনায় ক্ষমা চাইলেন প্রতিমন্ত্রী

রাজশাহী প্রতিনিধি
১৯ এপ্রিল ২০২৪, ১৫:৪৫আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২৪, ১৫:৪৫

নাটোরের সিংড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন ও তার ভাইকে অপহরণ করে মারধরের ঘটনায় ক্ষমা চেয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

এ বিষয়ে শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় আমি লজ্জিত, দুঃখিত ও ক্ষমাপ্রার্থী। এই ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের সুষ্ঠু বিচার হবে। কেউ ছাড় পাবে না।’

দেলোয়ার হোসেন বর্তমানে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার সকালে তাকে দেখতে হাসপাতালে যান প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

প্রতিমন্ত্রী সকালে বিমানে করে রাজশাহী বিমানবন্দরে পৌঁছান। সেখান থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান দেলোয়ার হোসেনকে দেখতে। এ সময় তার সঙ্গে সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা ছিলেন। তিনি অসুস্থ দেলোয়ার হোসেন ও তার দুই ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেন। এ ছাড়া তিনি দায়িত্বরত চিকিৎসকের কাছে তার শরীরের খোঁজখবর নেন এবং সর্বোত্তম চিকিৎসা দেওয়ার আহ্বান জানান। পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব দেন প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, ‘আমি বিদেশে ছিলাম। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টায় দেশে ফিরেছি। তবে বিদেশে থেকেও ঘটনার সব সময় খোঁজখবর নিয়েছি। আমি ভাবতেও পারিনি নাটোরের মাটিতে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে। এ ঘটনায় আমি লজ্জিত, দুঃখিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ ঘটনার খোঁজখবর রাখছেন। এ ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের সুষ্ঠু বিচার হবে। কেউ ছাড় পাবে না।’

ওই ঘটনায় দেলোয়ার হোসেনের ভাই অজ্ঞাত আসামিদের নামে থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ দুজনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের মধ্যে একজন আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানন্দিতে তিনি জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগ নেতা ও নির্বাচনের প্রার্থী লুৎফুল হাবীবের পক্ষ হয়ে তারা ওই ঘটনা ঘটিয়েছেন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জুনাইদ আহমেদ বলেন, ‘লুৎফুল হাবীব আমার আত্মীয়, তা অস্বীকার করবো না। তবে আত্মীয়তার সুবাদে বা রাজনৈতিক কারণে সে বা অন্য কেউ বাড়তি সুবিধা পাবে না। বরং এমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যা এমপি-মন্ত্রীর স্বজনদের জন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ব্যাপারে আমরা দলের পক্ষ থেকেও খুব অল্প সময়ের মধ্যে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবো।’

গত সোমবার পাঁচ ঘণ্টার ব্যবধানে নাটোর জেলা প্রশাসক ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে থেকে দেলোয়ার হোসেন ও তার ভাইসহ দুই আওয়ামী লীগ নেতাকে অপহরণ করে মারধর করে দুর্বৃত্তরা। পরে দুর্বৃত্তরা দেলোয়ারকে মুমূর্ষু অবস্থায় তার গ্রামের বাড়ির সামনে ফেলে রেখে যায়।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সিংড়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী লুৎফুল হাবীব ও তার সহযোগীরা ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। লুৎফুল হাবীব উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদের শ্যালক।

/এমএএ/
সম্পর্কিত
কোরবানির পশু উৎপাদনে শীর্ষে কোন জেলা, কত কোটি বিক্রি
বিদেশি নাগরিককে হেনস্তা করে ভিডিও বানানো টিকটকার গ্রেফতার
একদিনে বজ্রাঘাতে ৮ কৃষকের মৃত্যু
সর্বশেষ খবর
এক দিনেই ৭০০ তিমি ও ডলফিন হত্যা
এক দিনেই ৭০০ তিমি ও ডলফিন হত্যা
দিল্লীতে আগুনে ৮ বাংলাদেশি আহত, গুরুতর অবস্থা তিন জনের
দিল্লীতে আগুনে ৮ বাংলাদেশি আহত, গুরুতর অবস্থা তিন জনের
ফুল দিয়ে ড. খলিলুর রহমানকে বরণ
ফুল দিয়ে ড. খলিলুর রহমানকে বরণ
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা
প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বন্ধ কলকারখানা চালু ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভা
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান