X
শনিবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৩
১৩ মাঘ ১৪২৯

দুদকের মামলায় প্রদীপের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলেন আরও ৫ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
১৯ এপ্রিল ২০২২, ১৮:০২আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২২, ১৮:০৪

অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় আসামি প্রদীপ কুমার দাশের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন আরও পাঁচ জন। এ পর্যন্ত এই মামলায় মোট ১৭ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৯ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মুনসী আব্দুল মজিদের আদালতে সাক্ষ্য দেন ওই পাঁচ সাক্ষী। তারা হলেন- গণপূর্তের প্রকৌশলী মো. নুরুল হুদা, চন্দিমা শীল, মাহমুদুল হাসান, জুলিয়ানা সেতারাসহ বিআরটিএ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. মুসা জানান, আগামী ২৭ এপ্রিল এ মামলার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

দুদকের আইনজীবী মাহমুদুল হক জানান, প্রদীপ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় আদালতে পাঁচ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ নিয়ে মোট ১৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

এই মামলায় গত ৪ এপ্রিল প্রথম সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। ওইদিন ইনকাম ট্যাক্সের তিন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছিলেন। এর পর ৭ এপ্রিল সাক্ষ্য দিয়েছেন আরও সাত জন। ১৩ এপ্রিল সাক্ষ্য দিয়েছেন চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার দুই সাব-রেজিস্টার। মঙ্গলবার গণপূর্ত বিভাগের চার প্রকৌশলীসহ এক বিআরটিএ কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এর আগে এই মামলায় উচ্চ আদালতে স্থগিতাদেশ চেয়েছিলেন প্রদীপ, কিন্তু আদালত তা দেননি। এ কারণে তার মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ হলেও জেরা শুরু হয় ৪ এপ্রিল থেকে। তবে তার স্ত্রী চুমকি কারণের সাক্ষ্যগ্রহণ আগে থেকে চালু আছে। চুমকি শুরু থেকেই পলাতক। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

২০২০ সালের ২৩ আগস্ট প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করা হয়। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২-এর তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন এ মামলা করেন।

মামলায় তিন কোটি ৯৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ২০২১ সালের ২৬ জুলাই প্রদীপ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর এই মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, প্রদীপের স্ত্রীর নামে চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় ছয়তলা বাড়ি, ষোলশহরে বাড়ি, ৪৫ ভরি সোনা, একটি কার, একটি মাইক্রোবাস, ব্যাংক হিসাব ও কক্সবাজারে একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। চুমকির চার কোটি ৮০ লাখ ৬৪ হাজার ৬৫১ টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ ছিল। যার মধ্যে বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয় পাওয়া যায় দুই কোটি ৪৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৩৪ টাকার। বাকি দুই কোটি ৩৫ লাখ ৯৮ হাজার ৪১৭ টাকা অবৈধ সম্পদ বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করে দুদক।

২০২১ সালের ১৫ ডিসেম্বর এ মামলায় চার্জ গঠনের মাধ্যমে প্রদীপ ও চুমকির বিরুদ্ধে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মুনসী আব্দুল মজিদ।

/আরকে/এসএইচ/
সর্বশেষ খবর
সারাদেশে যুব মজলিসের বিক্ষোভ: মামুনুল হকের মুক্তি দাবি
সারাদেশে যুব মজলিসের বিক্ষোভ: মামুনুল হকের মুক্তি দাবি
বিএনপির দুর্নীতি নিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস
বিএনপির দুর্নীতি নিয়ে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ফেসবুক স্ট্যাটাস
ডাকসু নয়, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ বিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলোর
ডাকসু নয়, জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ বিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলোর
চট্টগ্রামকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে সাকিবের বরিশাল
চট্টগ্রামকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে সাকিবের বরিশাল
সর্বাধিক পঠিত
বিয়ে করে বিপাকে অভিনেতা তৌসিফ!
বিয়ে করে বিপাকে অভিনেতা তৌসিফ!
উপহার পেয়েছিলেন মাত্র চারটি, এখন তাদের ছাগল-ভেড়া ৬৩টি
উপহার পেয়েছিলেন মাত্র চারটি, এখন তাদের ছাগল-ভেড়া ৬৩টি
রাজধানীতে বিক্রি হচ্ছে জমজমের পানি
রাজধানীতে বিক্রি হচ্ছে জমজমের পানি
কলকাতার দেয়ালে দেয়ালে তাসনিয়া: ফারিণের পাশে দাঁড়ালেন প্রসেনজিৎ
কলকাতার দেয়ালে দেয়ালে তাসনিয়া: ফারিণের পাশে দাঁড়ালেন প্রসেনজিৎ
প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লা নামেই বিভাগ দিন: এমপি বাহার
প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লা নামেই বিভাগ দিন: এমপি বাহার