প্রদীপ-চুমকির মামলার রায় যুগান্তকারী: দুদকের আইনজীবী

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম 
২৭ জুলাই ২০২২, ১৭:০৪আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২২, ১৭:৫২

দুদকের করা মামলায় টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে ২০ বছর ও তার স্ত্রী চুমকি কারনের ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৭ জুলাই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মুন্সী আবদুল মজিদ এই রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন দুই আসামি। একইসঙ্গে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আসামিদের আইনজীবী। উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানিয়েছেন তারা। অন্যদিকে, সন্তোষ প্রকাশ করে ‘যুগান্তকারী রায়’ বলে উল্লেখ করেছেন দুদক আইনজীবী।

আসামিপক্ষের আইনজীবী সমীর দাশগুপ্ত বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এ রায়ে আমরা ন্যায়বিচার পাইনি। ঘোষিত রায়ে আমরা সংক্ষুব্ধ ও অসন্তুষ্ট। রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে। আশা করছি উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার পাবো।’

তবে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন দুদক আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হক। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রদীপ কুমার দাশ পুলিশের ওসি ছিলেন। সরকারি চাকরি করে অবৈধ সম্পদ অর্জন করে স্ত্রীর নামে অর্থসম্পদ করেছেন। আদালতে তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। ফলে আদালত প্রদীপ কুমার দাশকে ২০ বছর ও স্ত্রী চুমকি কারনকে ২১ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন। এটি একটি যুগান্তকারী রায়। এ রায়ে আমরা রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্ট।’

২০২০ সালের ২৩ আগস্ট প্রদীপ ও তার স্ত্রী চুমকির বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলাটি করা হয়। দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন এ মামলা করেন।

মামলায় তিন কোটি ৯৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। ২০২১ সালের ২৬ জুলাই প্রদীপ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় দুদক। ওই বছরের এক সেপ্টেম্বর এই মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন আদালত। মামলার পর থেকে পলাতক ছিলেন চুমকি। গত ২৩ মে তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলায় প্রদীপ কুমার দাশের বিরুদ্ধে আগেই মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন কক্সবাজার আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রদীপ ও দুদকের মামলায় তার স্ত্রী চুমকি কারন এতদিন কারাগারেই ছিলেন।

/এফআর/এমওএফ/
সম্পর্কিত
নিয়োগ-টেন্ডার বাণিজ্যের অভিযোগ: এলজিইডির সাবেক পিডির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে দুদক
হত্যা মামলায় গ্রেফতার সাবেক এমপি মুজিবুর রহমান কারাগারে
মোহাম্মদপুরে অস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাই: দুই আসামি রিমান্ডে
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম