অধ্যাপক সাইদা হত্যার দায় স্বীকার আনোয়ারুলের, জানালেন কারণ 

গাজীপুর প্রতিনিধি
১৮ জানুয়ারি ২০২২, ২২:১৭আপডেট : ১৮ জানুয়ারি ২০২২, ২২:২০

টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অধ্যাপক সাইদা গাফ্ফারকে হত্যা করেছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন নির্মাণশ্রমিক আনোয়ারুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) বিকালে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়াজ মাখদুমের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। সেখানে অধ্যাপক সাইদা গাফফারকে হত্যার দায় স্বীকার করে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন আনোয়ারুল।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (অপরাধ-উত্তর) জাকির হাসান জানান, এ হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার আনোয়ারুল ইসলাম গত শনিবার তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রিমান্ড শেষে আজ আদালতে হাজির করা হলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এ পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, অধ্যাপক সাইদা গাফ্ফার গাজীপুর মহানগরের কাশিমপুর থানার দক্ষিণ পাইনশাইল এলাকার মোশাররফ হোসেন মৃধার বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। ওই বাড়িতে থেকে তিনি স্থানীয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক আবাসন প্রকল্পের ভেতরে নিজ প্লটে বাড়ি নির্মাণের কাজ তদারকি করতেন। গত ১১ জানুয়ারি রাতে ওই এলাকা থেকে নিখোঁজ হন। তার সন্ধান না পেয়ে মেয়ে সাহিদা আফরিন ১২ জানুয়ারি কাশিমপুর থানায় একটি জিডি করেন। এ ঘটনায় সাইদা গাফফারের নির্মাণাধীন বাড়ির রাজমিস্ত্রির সহযোগী আনোয়ারুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার সময় বাধা দেওয়ায় অধ্যাপক সাইদা গাফ্ফারকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে স্বীকার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার তিনদিন পর শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) ঝোপ থেকে লাশ এবং স্যান্ডেল ও মোবাইল উদ্ধার করা হয়। 

নিহতের ছেলে সাইদ ইফতেখার বিন জহির এ ঘটনায় একটি মামলা করেন। গ্রেফতার আনোয়ারুলকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে শনিবার আদালতে পাঠান তদন্ত কর্মকর্তা কাশিমপুর থানার এসআই দীপঙ্কর রায়। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শনিবারই পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করা হলে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

/এফআর/
সম্পর্কিত
হত্যা মামলায় গ্রেফতার সাবেক এমপি মুজিবুর রহমান কারাগারে
মোহাম্মদপুরে অস্ত্র ঠেকিয়ে ছিনতাই: দুই আসামি রিমান্ডে
পাবনায় কিশোরী ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার
সর্বশেষ খবর
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম