X
মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪
২১ ফাল্গুন ১৪৩০

খাদ্য, পানি, মাটি ও নদী সুরক্ষার দাবিতে পদযাত্রা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
১২ অক্টোবর ২০২৩, ২২:৪৪আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২৩, ২২:৪৪

সাতক্ষীরায় খাদ্য, পানি, মাটি ও নদী সুরক্ষা এবং জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে পদযাত্রা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) সকালে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক এবং শিক্ষা, সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিম এই পদযাত্রা কর্মসূচির আয়োজন করে।

পদযাত্রাটি শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পোস্ট অফিসের মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।

পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা ‘নদী রক্ষা করুন’, ‘কৃষি জমি সুরক্ষা করুন’, ‘খাদ্য অধিকার নিশ্চিত করুন’, ‘মাটির উর্বরতা নষ্ট হতে দেবেন না’, ‘জীবনের প্রয়োজনে সুপেয় পানি নিশ্চিত কর’, ‘একটাই পৃথিবী একটাই সুযোগ’, ‘দূষিত বায়ু কমাচ্ছে আয়ু’, ‘জলবায়ু সুবিচার নিশ্চিত কর’ প্রভৃতি স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন। 

পরে শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে খাদ্য, পানি, মাটি ও নদী সুরক্ষা এবং জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন সাতক্ষীরা জেলা নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক আজাদ হোসেন বেলাল, সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, পরিবেশকর্মী অধ্যক্ষ আশেক-ই-এলাহী, সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, উন্নয়নকর্মী মাধব চন্দ্র দত্ত, উদীচীর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, ভূমিহীন নেতা আব্দুস সামাদ, ইটাগাছা বস্তির বাসিন্দা রিক্তা খাতুন, আমরা বন্ধুর মুশফিকুর রহিম, শিক্ষা সংস্কৃতি ও বৈচিত্র্য রক্ষা টিমের সভাপতি হাবিবুল হাসান, বারসিক কর্মকর্তা গাজী মাহিদা মিজান প্রমুখ।

শহরের পোস্ট অফিস মোড়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ

সমাবেশে বক্তারা বলেন, ‘কমছে কৃষি জমি। যথেচ্ছ ব্যবহার করে নষ্ট করা হচ্ছে উপরিভাগের মাটি। কমছে উর্বরতা। সুপেয় পানি এখন সোনার হরিণ। মেরে ফেলা হচ্ছে নদীগুলো। কিন্তু কেউ যেন দেখার নেই। খাদ্য উৎপাদন, পরিবেশ-প্রতিবেশ হুমকির মুখে। জলবায়ু পরিবর্তন এসব সংকট আরও প্রকট করে তুলেছে। এখনও সময় আছে, এখনই রাষ্ট্রীয়ভাবে উদ্যোগ না নিলে এর ভয়াবহ মাশুল দিতে হবে। বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে সাতক্ষীরা উপকূল।’

বক্তারা খাদ্য, পানি, মাটি ও নদী সুরক্ষা এবং জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপের দাবি জানান।

/কেএইচটি/
সম্পর্কিত
৭ তারিখের মধ্যে বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাক শ্রমিকরা
জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনায় স্বাস্থ্য বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হবে: পরিবেশমন্ত্রী
নদীরক্ষায় ডিসিদের সহায়তা চাইলেন নৌপ্রতিমন্ত্রী
সর্বশেষ খবর
৭ তারিখের মধ্যে বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাক শ্রমিকরা
৭ তারিখের মধ্যে বেতনের দাবিতে সড়কে পোশাক শ্রমিকরা
শেফিল্ডকে হারিয়ে যে রেকর্ড গড়লো আর্সেনাল
শেফিল্ডকে হারিয়ে যে রেকর্ড গড়লো আর্সেনাল
১৮ ঘণ্টা ধরে আগুন জ্বলছে চিনিকলে
১৮ ঘণ্টা ধরে আগুন জ্বলছে চিনিকলে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এসি চালুর আগে যে ৫ সতর্কতা জরুরি
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর এসি চালুর আগে যে ৫ সতর্কতা জরুরি
সর্বাধিক পঠিত
শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি খেলাফত মজলিসের
শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি খেলাফত মজলিসের
৩ কারণে কাক কমছে ঢাকায়, পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা
৩ কারণে কাক কমছে ঢাকায়, পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা
সাত মসজিদ রোডের সব বুফে রেস্তোরাঁ বন্ধ
সাত মসজিদ রোডের সব বুফে রেস্তোরাঁ বন্ধ
বাংলাদেশ ভ্রমণ শেষে ভারতে গিয়েই সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ব্রাজিলিয়ান তরুণী
বাংলাদেশ ভ্রমণ শেষে ভারতে গিয়েই সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ব্রাজিলিয়ান তরুণী
ইউক্রেন অবশ্যই রাশিয়ার অংশ: পুতিন মিত্র
ইউক্রেন অবশ্যই রাশিয়ার অংশ: পুতিন মিত্র