মেয়র হয়ে লিটন বললেন, ‘নগরবাসীকে দেওয়া সব ওয়াদা পূরণ করবো’

রাজশাহী প্রতিনিধি
২১ জুন ২০২৩, ২২:৪০আপডেট : ২১ জুন ২০২৩, ২২:৪০

রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন, ‘নগরবাসীকে যেসব ওয়াদা দিয়েছি, পর্যায়ক্রমে সব ওয়াদা পূরণ করবো। এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহায়তা চাইবো। তিনি ছাড়া আমার পক্ষে কিছুই বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। আমি কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রগুলো তৈরি করতে চাই, যেটা আমি বারবার বলেছি, সেটি করতে যতদূর যাওয়া দরকার, যাবো।’

তৃতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হয়ে বুধবার (২১ জুন) রাতে নগরীর রানিবাজারের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন তিনি। 

লিটন বলেন, ‘রাজশাহী মহানগরীর ভৌগোলিক আয়তন ৯৬ বর্গকিলোমিটার থেকে ৩৫০ বর্গকিলোমিটার পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে। এ ছাড়া নগরবাসীর সহযোগিতা নিয়ে নির্বাচনি ইশতেহারে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সেগুলো বাস্তবায়ন করতে চাই।’ এছাড়া নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করায় নগরবাসীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন লিটন।

এদিকে, মেয়র নির্বাচিত হওয়ায় লিটনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাজশাহীর জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী ও শ্রমজীবীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ। বুধবার রাতে নগরীর রানিবাজারের রাজনৈতিক কার্যালয়ে লিটনকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান তারা।

এর আগে জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়াম থেকে নির্বাচনি ফল ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন। বেসরকারিভাবে দেওয়া ১৫৫টি ভোটকেন্দ্রের ফল অনুযায়ী, লিটন পেয়েছেন এক লাখ ৬০ হাজার ২৯০ ভোট। ১৩ হাজার ৮৮৩ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুরশিদ আলম ফারুকী। এ ছাড়া জাকের পার্টির গোলাপ ফুল প্রতীকের প্রার্থী লতিফ আনোয়ার ১১ হাজার ৭১৩ ও জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম স্বপন পেয়েছেন ১০ হাজার ২৭২ ভোট। ভোট পড়েছে ৫২ শতাংশ।

এর আগে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন তালা প্রতীকে ৯৮ হাজার ৩৬০টি ভোট পেয়ে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। তখন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মোসাদ্দেক হেসেন বুলবুল বাঘ প্রতীকে পান ৭৪ হাজার ৫৫০ ভোট। সেবার ভোট পড়ার হার ছিল ৮১.৬১ শতাংশ।

২০১৩ সালের নির্বাচনে ৪৭ হাজার ভোটের ব্যবধানে খায়রুজ্জামান লিটনকে হারান বুলবুল। ওই বছর ভোট পড়ে ৭৬.০৯ শতাংশ। সর্বশেষ ২০১৮ সালে খায়রুজ্জামান লিটন নৌকা প্রতীকে পান এক লাখ ৬৫ হাজার ৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বুলবুল ধানের শীষ প্রতীকে পান ৭৭ হাজার ৭০০ ভোট। ২০১৮ সালে ভোট পড়েছিল ৭৮.৮৬ শতাংশ। এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো মেয়র হলেন লিটন।

/এএম/
সম্পর্কিত
আদালতে আত্মসমর্পণের পর কারাগারে আওয়ামী লীগের ১৪ নেতা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
মুক্তি পেলেন সাবেক মেয়র আইভী
সর্বশেষ খবর
হঠাৎ রেমিট্যান্স আসা কমে গেলো
হঠাৎ রেমিট্যান্স আসা কমে গেলো
টেইটের জায়গায় তালহা জুবায়ের, প্রশংসায় ভাসালেন হান্নান সরকার 
টেইটের জায়গায় তালহা জুবায়ের, প্রশংসায় ভাসালেন হান্নান সরকার 
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দিতে হবে না বাড়তি দাম
৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারে দিতে হবে না বাড়তি দাম
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের