কীসের ইঙ্গিত দিচ্ছে বরেন্দ্র অঞ্চল, কী হবে কৃষকের

দুলাল আবদুল্লাহ, রাজশাহী
২৭ জুলাই ২০২৬, ১০:০১আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২৬, ১০:০৭

চলছে বর্ষা মৌসুম। অথচ বরেন্দ্র অঞ্চলের মাঠে এখনও বর্ষার সেই চেনা রূপ নেই। বৃষ্টির পানিতে টইটম্বুর থাকার কথা যে জমিগুলো, সেগুলোর অনেকগুলোতেই এখন চলছে গভীর নলকূপের সেচ। আমনের মৌসুমে এমন দৃশ্য কয়েক বছর ধরেই দেখছেন বরেন্দ্র অঞ্চলের চাষিরা।

একসময় রাজশাহীর আকাশে বর্ষায় মেঘ মানেই ছিল কৃষকের স্বস্তি; কিন্তু সেই স্বস্তির মৌসুমি বৃষ্টি এখন ফিকে হয়ে আসছে ক্রমেই। গত পাঁচ দশকে এই অঞ্চলে মৌসুমি বৃষ্টিপাত কমেছে প্রায় ৩৪ শতাংশ। এটি শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়; বরং বদলে যাওয়া এক জলবায়ুর কঠিন বাস্তবতার ইঙ্গিত। একই সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা, গভীর হচ্ছে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর। এর চাপ সরাসরি আঘাত করছে কৃষি, জীবিকা ও গ্রামীণ জীবনের প্রতিটি স্তরে।

কৃষকদের ভাষ্যমতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বৃষ্টি কমে যাওয়ায় আমন চাষ এখন আর শুধু আকাশের পানির ওপর নির্ভরশীল নয়। গত কয়েক দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার হোসেনপুর মৌজার মহাডাঙ্গা গ্রাম, গেরস্ত পৌর এলাকার হরিপুর মহল্লা এবং নাচোল উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর মৌজায় ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। কোথাও জমি চাষের কাজ চলছে, কোথাও সেচ দিয়ে কাদা তৈরি করা হচ্ছে, আবার কোথাও শ্রমিকরা আমনের চারা রোপণ করছেন। তবে প্রায় প্রতিটি ক্ষেতেই কৃষকরা বলছেন, পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ায় সেচের খরচ বেড়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার হরিপুর মহল্লার কৃষক মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘ছয় বছর আগে আমার জমির ওপর গভীর নলকূপ বসানো হয়েছে। তখন থেকে দেখছি, প্রতি বছরই নলকূপের পানি ছাড়া আমনের আবাদ হচ্ছে না। আগে আষাঢ় শেষ হওয়ার আগেই অর্ধেকের বেশি জমিতে চারা রোপণ শেষ হয়ে যেতো। এবার বর্ষা চলে এলেও ১০ শতাংশ জমিরও আবাদ হয়নি।’

নাচোল উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের কৃষক মনিরুল ইসলাম এবার ১০ বিঘা জমিতে আমনের আবাদ করছেন। তিনি বলেন, ‌‘ছয় বিঘা জমিতে পুরোপুরি সেচের পানি ব্যবহার করতে হয়েছে। বাকি চার বিঘায় সেচের সঙ্গে কিছু বৃষ্টির পানি পাওয়া গেছে। প্রতি বিঘায় সেচ বাবদ ৬২৫ টাকা, শ্রমিক বাবদ প্রায় চার হাজার টাকা এবং চারা রোপণসহ অন্যান্য খাতে আরও প্রায় ১ হাজার ৬০০ টাকা খরচ হয়েছে। ওই এলাকার আরেক চাষি মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘খরচ দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু ধানের দাম বাড়ে না। সরকার নির্ধারিত দামে ধান বিক্রি করতে পারব কি না, তা নিয়েও চিন্তায় আছি। ধান চাষে এখন তেমন লাভ নেই। অন্য কোনও বিকল্প না থাকায় চাষ করতেই হচ্ছে।’

গত পাঁচ দশকে এই অঞ্চলে মৌসুমি বৃষ্টিপাত কমেছে প্রায় ৩৪ শতাংশ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য বলছে, গত ছয় বছরে জুন, জুলাই ও আগস্ট মাসে গড় বৃষ্টিপাত ধারাবাহিকভাবে কমেছে। এর প্রভাব পড়ছে আমনের আবাদে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপপরিচালক মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাভাবিকের তুলনায় এ বছর বৃষ্টিপাত কম হয়েছে। তাই কৃষকদের সেচের পানি ব্যবহার করতে হচ্ছে। এবার জেলায় ৫৩ হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

নেদারল্যান্ডসভিত্তিক গবেষণা সাময়িকী ক্লিনার ওয়াটারে গত এপ্রিলে প্রকাশিত এক গবেষণায় এই চিত্র উঠে এসেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন ও অনিয়ন্ত্রিত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনের ফলে রাজশাহীতে পানির ওপর চাপ বেড়ে চলেছে। এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৩২ সাল নাগাদ জেলার অধিকাংশ এলাকায় মাঝারি থেকে তীব্র পানি-সংকট দেখা দিতে পারে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফিউল্লাহর নেতৃত্বে চার সদস্যের গবেষক দল পরিচালনা করেছে এই গবেষণা। এ ছাড়া অংশ নেন মালিহা হক, আব্দুল্লাহ অর রিয়াদ ও মো. খায়রুল ইসলাম তুহিন। রাজশাহী অঞ্চলের ১৩টি উপজেলার তথ্য বিশ্লেষণের পাশাপাশি ৩৮৫টি পরিবারের ওপর করা হয় মাঠ জরিপ।

গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৮-৯০ সালের মধ্যে রাজশাহীতে গড় মৌসুমি বৃষ্টিপাত ছিল ১ হাজার ৪০৬ মিলিমিটার; কিন্তু ২০১১-২৪ সালের মধ্যে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯২৫ মিলিমিটারে। অর্থাৎ প্রায় ৪৮১ মিলিমিটার বা ৩৪ শতাংশ কমেছে বৃষ্টিপাত। গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১২ মিলিমিটার করে কমছে বৃষ্টিপাত।

বৃষ্টির পানিতে টইটম্বুর থাকার কথা যে জমিগুলো, সেগুলোর অনেকগুলোতেই এখন চলছে গভীর নলকূপের সেচ

এই অঞ্চলের তাপমাত্রার চিত্রও কম উদ্বেগজনক নয়। গবেষণার পূর্বাভাস অনুযায়ী, শতাব্দীর শেষের আগেই রাজশাহীতে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রা একাধিকবার রেকর্ড হতে পারে। এমনকি ২০৮৮ সালের মধ্যে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৭ দশমিক ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ২০১৮ সালে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার দিন ছিল মাত্র ১৩টি। বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৭৮ সালের মধ্যে তা প্রায় ১৯৫ দিনে পৌঁছাতে পারে, অর্থাৎ বছরের অর্ধেকের বেশি সময় তীব্র গরমে কাটাতে হতে পারে।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, গত ৩৫ বছরে বরেন্দ্র এ অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমেছে গড়ে ৩ দশমিক ৭৮ মিটার। ১৯৯০ সালে যেখানে পানির স্তর ছিল ১১ দশমিক ৬৬ মিটার নিচে। ২০২৪ সালে তা বেড়ে ১৫ দশমিক ৪৪ মিটারে পৌঁছেছে। কৃষি সেচের জন্য গভীর নলকূপনির্ভরতা এবং বরেন্দ্র অঞ্চলে ব্যাপক পানি উত্তোলনকে চিহ্নিত করা হয়েছে এ পতনের প্রধান কারণ হিসেবে।

প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শফিউল্লাহর ভাষায়, বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং জনসংখ্যা ও বসতি সম্প্রসারণের কারণে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। ফলে মাটির আর্দ্রতা কমছে, সবুজায়ন কমছে এবং মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে পানি। 

তিনি বলেন, ‘তানোরসহ বিভিন্ন উপজেলায় এখন তীব্র পানি-সংকট। যাদের সামর্থ্য আছে তারা সাবমার্সিবল ব্যবহার করে পানি তুলছেন; কিন্তু দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অন্যের কাছ থেকে পানি কিনে ব্যবহার করতে হচ্ছে। এভাবে পানি কিনে ব্যবহারকারী পরিবারগুলোকে মাসে গড়ে প্রায় ১ হাজার ৮৩০ টাকা ব্যয় করতে হয়, যা তাদের আয়ের বড় একটি অংশ।’

এ সংকট মোকাবিলায় গবেষকরা পানিসাশ্রয়ী সেচপ্রযুক্তি, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, ভূগর্ভস্থ পানির কৃত্রিম পুনর্ভরণ, অনিয়ন্ত্রিত পানি উত্তোলন নিয়ন্ত্রণ এবং খরাসহিষ্ণু ফসল চাষ সম্প্রসারণের সুপারিশ করেছেন। পাশাপাশি পুকুর, খাল ও বিল পুনঃখননের মাধ্যমে উপরিভাগের পানি ধরে রাখার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।

এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০৩২ সাল নাগাদ জেলার অধিকাংশ এলাকায় মাঝারি থেকে তীব্র পানি-সংকট দেখা দিতে পারে

নাচোল উপজেলার বিয়াম মডেল স্কুল ও কলেজের সহকারী শিক্ষক মো. মজিদুল ইসলাম বলেন, ‘৩০ বছর আগে এই এলাকার মানুষ পুকুরের পানি পান করতেন। সরকারের ভুল নির্দেশনার কারণে পুকুর-বিল সব ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। এখন খাওয়ার পানির জন্য হাহাকার শুরু হয়ে গেছে।’

পরিবেশবাদী সংগঠন ‘পরিবর্তন’-এর প্রধান নির্বাহী রাশেদ ইবনে ওবায়েদ রিপনের ভাষ্যমতে, বরেন্দ্র অঞ্চলের উন্নয়ন পরিকল্পনা স্থানীয় ভূপ্রকৃতি ও জলবায়ুর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় আরও তীব্র হয়েছে সংকট। একসময় রাজশাহী শহরে প্রায় ৪ হাজার পুকুর ও জলাশয় থাকলেও এখন তা নেমে এসেছে ২০০-এর নিচে। খরা মোকাবিলা ও স্থানীয় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে বড় জলাশয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতো; কিন্তু এসব জলাশয় ভরাট হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। একই সঙ্গে রাজশাহী অঞ্চলের ৪২টি ইউনিয়নকে পানির জন্য অতিসংকটাপন্ন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন নিয়ন্ত্রণ, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং ভূগর্ভস্থ পানির পুনর্ভরণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত বছরগুলোর তুলনায় রাজশাহীতে এবার বৃষ্টিপাত অনেক কম। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে হচ্ছে। কেননা রাজশাহীতে যে পরিমাণ গাছ লাগানো হচ্ছে, তার চেয়ে কাটা হচ্ছে বেশি। নদীর নাব্যও কমেছে। সব মিলিয়ে জলবায়ুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।’

এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, ‘বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে দেশে বৃষ্টিপাত কমেছে।’

পানিসম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা (ওয়ারপো) রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁর ২৫টি উপজেলার ৪৭টি ইউনিয়নের ১ হাজার ৪৬৯টি মৌজা ‘অতি উচ্চ পানিসংকটাপন্ন’, ৪০টি ইউনিয়নের ৮৮৪টি মৌজা ‘উচ্চ পানিসংকটাপন্ন’ এলাকা এবং ৬৬টি ইউনিয়নের ১ হাজার ২৪০টি মৌজা ‘মধ্যম মাত্রার পানিসংকটাপন্ন’ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। গত ২২ জানুয়ারি এ বিষয়ে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে। এরপর থেকে আগামী ১০ বছরের জন্য এই এলাকাকে ‘পানিসংকটাপন্ন’ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। খাওয়ার জন্য ছাড়া অন্য কোনও কাজে এসব এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানি তোলা আগামী দুই বছরের মধ্যে বন্ধ ঘোষণা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বলছে, পানিসংকটাপন্ন ঘোষিত এলাকার আয়তন ২ হাজার ৭৮৭ বর্গকিলোমিটার; যেখানে প্রায় ২১ লাখ ৫ হাজার মানুষ পানিসংকটে ভুগছেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ভূগর্ভস্থ পানির স্তর যাতে আগের জায়গায় ফিরে আসে, সেজন্য বৃষ্টির পানি ফিল্টার করে মাটির নিচে পাঠাতে হবে। ভূ-উপরিস্থ পানির যত রকম রিসোর্স (উৎস) আছে, সব কটি কাজে লাগাতে হবে। সচেতনতা বাড়াতে হবে, কোনোভাবেই যেন ভূগর্ভস্থ পানির অপচয় না হয়।’

/এএম/ 
সম্পর্কিত
আজ বৃষ্টি হতে পারে যেসব এলাকায়
শুধু চাকরি নয়, কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলার আহ্বান এলজিআরডি মন্ত্রীর
লঘুচাপ পরিণত নিম্নচাপে, যা বলছে আবহাওয়া অধিদফতর
সর্বশেষ খবর
চিপসের প্যাকেট অর্ধেক ফাঁকা থাকে কেন
চিপসের প্যাকেট অর্ধেক ফাঁকা থাকে কেন
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার সম্ভাবনায় ৫ শতাংশের বেশি কমলো তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার সম্ভাবনায় ৫ শতাংশের বেশি কমলো তেলের দাম
জার্মানির সমকামীদের  প্রাইড হামলার সন্দেহভাজন পুলিশের গুলিতে নিহত
জার্মানির সমকামীদের প্রাইড হামলার সন্দেহভাজন পুলিশের গুলিতে নিহত
চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ
চট্টগ্রাম বোর্ডের স্থগিত এইচএসসি পরীক্ষা শুরু আজ
সর্বাধিক পঠিত
উদ্বোধনের ১২ দিনেই ধসে পড়লো ৪৭০০ কোটির এক্সপ্রেসওয়ে
উদ্বোধনের ১২ দিনেই ধসে পড়লো ৪৭০০ কোটির এক্সপ্রেসওয়ে
প্রধান শিক্ষিকার রিল ভিডিও ভাইরালের পর বিতর্ক, তদন্তে শিক্ষা বিভাগ
প্রধান শিক্ষিকার রিল ভিডিও ভাইরালের পর বিতর্ক, তদন্তে শিক্ষা বিভাগ
বিজিবি ও গ্রামবাসীর প্রতিরোধ, সীমান্তের  ৯ নারীকে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে বিএসএফ
বিজিবি ও গ্রামবাসীর প্রতিরোধ, সীমান্তের  ৯ নারীকে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে বিএসএফ
বাংলাদেশি দম্পতিকে পিটিয়ে গ্রেফতার ভারতীয় চিকিৎসক
বাংলাদেশি দম্পতিকে পিটিয়ে গ্রেফতার ভারতীয় চিকিৎসক
নিয়োগ পরীক্ষার হলে বিএনপির সাবেক এমপির ছেলে, পরীক্ষার্থীরা বললেন ‘আমরা হতবাক’
নিয়োগ পরীক্ষার হলে বিএনপির সাবেক এমপির ছেলে, পরীক্ষার্থীরা বললেন ‘আমরা হতবাক’