গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়া ১৮ বছর বয়সী এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় মামলা করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। তরুণীর চাচা বাদী হয়ে শনিবার (৬ জুন) রাতে সাঘাটা থানায় মামলাটি করেন। এ ঘটনায় তিন যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান। তিনি জানান, ভুক্তভোগী তরুণীর চাচা সন্ধ্যায় থানায় লিখিত এজাহার দেন। এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। পরে ভুক্তভোগীকে আদালতে হাজির করা হলে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ওসি আরও জানান, গ্রেফতার হওয়া তিন অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করা হলে তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়ে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। আদালতের নির্দেশে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পলাতক অপর অভিযুক্তকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, ভুক্তভোগীর বাবা প্রবাসে এবং মা ঢাকায় পৃথক সংসার করছেন। মেয়েটি বাড়িতে চাচা ও প্রতিবেশীদের তত্ত্বাবধানে থাকায় তার চাচাই মামলার বাদী হয়েছেন।
গ্রেফতাররা হলো— লাবু মিয়া (২৫), নীরব মিয়া (২০) ও স্বাধীন ব্যাপারী (২২)। তাদের সবার বাড়ি গাছাবাড়ী এলাকায়। এ ঘটনায় বিপ্লব ওরফে ডিপজল নামে আরও এক যুবক পলাতক রয়েছে। তার বাড়ি বোনারপাড়া ইউনিয়নের ফুটানির বাজার এলাকায়।
এর আগে শুক্রবার (৫ জুন) গভীর রাতে উপজেলার গাছাবাড়ী এলাকায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে শনিবার সকালে সাঘাটা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিন অভিযুক্তকে আটক করে এবং ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এ ঘটনায় আরেক অভিযুক্ত মুক্তার মিয়ার সঙ্গে তরুণীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ ছিল। ঘটনার রাতে তরুণী বাইরে বের হওয়ার বিষয়টি জেনে কয়েকজন যুবক আগে থেকেই ওতপেতে ছিল। স্থানীয়রা ঘটনায় জড়িত মুক্তার মিয়াকেও গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।









