সিলেটে সড়ক দুর্ঘটনা

ভাটিপাড়া গ্রামে কান্নার রোল

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি
০৭ জুন ২০২৩, ১৫:৫৩আপডেট : ০৭ জুন ২০২৩, ১৭:০৯

কেউ হারিয়েছেন সন্তান, কেউ হারিয়েছেন স্বামী, কেউ ভাই। স্বজনহারাদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রাম। নিহতদের বাড়িতে বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। শোকাচ্ছন্ন স্বজনরা লাশ আসার প্রহর গুনছেন। বুধবার (৭ জুন) সকালে ভাটিপাড়ার গ্রামের আকাশে কান্নার রোল পড়েছে। 

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ১৪ জনের মধ্যে সাত জন ভাটিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তারা হলেন- ভাটিপাড়া গ্রামের সৌরভ (২৫), সাধু মিয়া (৪০), তায়েফ নুর (৪৫), সাগর (১৮), রশিদ মিয়া (৪০), বাদশা মিয়া (৪৫) ও সায়েদ নুর (৫৫)। 

এই গ্রামের ১২টি মহল্লার মধ্যে গাংপাড়হাটি, বাজারহাটি, চৌধুরীবাড়ি, পূর্বপাড়া আলীনগর হাটির সাতটি বাড়িতে চলছে স্বজনহারাদের বিলাপ। 

জানা গেছে, হাওরে ফসল কাটার পর এলাকায় কর্মসংস্থান না থাকায় এই গ্রামের নির্মাণশ্রমিকরা সিলেটে গিয়েছিলেন কাজ করতে। তাদের  কেউ কেউ আসন্ন ঈদের খরচ যোগাড় করতে গিয়েছিলেন ভবনের ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করতে।

 

আরও পড়ুন: সিলেটে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহতদের ১২ জন সুনামগঞ্জের

 

ভাটিপাড়া গ্রামের স্বজনহারারা এখন মরদেহ আসার প্রহর গুনছেন। অতি দরিদ্র এসব পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যদের হারিয়ে নির্বাক তারা। আশপাশের গ্রাম গুলোতে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ায় নিহতদের বাড়িতে দলে দলে আসছেন তারা।  

ভাটিপাড়ার বাজারে জটলা বেঁধে স্থানীয়রা টিভিতে দেখছেন দুর্ঘটনার খবর। কেউ কেউ মোবাইল দিয়ে আহতদের সব শেষ খবর জানছেন। 

নিহত রশিদ মিয়ার স্ত্রী রাফিছা বেগম জানান, ছয় মাস আগে একমাত্র মেয়ের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। মেয়ের বিয়ের ঋণের টাকা পরিশোধ করতে রশিদ শনিবার সিলেটে ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করতে যান। পরিবারে আয় করার মতো আর কেউ নেই। 

ভাটিপাড়ার গ্রামের মাছিন কাজী জানান, গ্রামের অনেক লোক সিলেটে ১২ মাস ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করেন। তারা সিলেটে বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ছাদ ঢালাই, সড়ক ঢালাইয়ের কাজ করেন। মজুরি নগদ তাই এই কাজে গ্রামের দরিদ্র মানুষ কাজে যান। কেউ কেউ স্থায়ীভাবে সিলেটে থেকে এই কাজ করেন।

/আরআর/
সম্পর্কিত
দিল্লির রেস্তোরাঁয় ভয়াবহ আগুন, বিদেশি নাগরিকসহ নিহত ২১
১০ বছর পর এলেন দেশে, বাড়ি ফিরলেন মা-ভাই-বোনসহ লাশ হয়ে
সড়কে প্রাণ হারালেন যুবদল নেতা
সর্বশেষ খবর
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম