X
সকল বিভাগ
সেকশনস
সকল বিভাগ

এমপিওভুক্তির দাবিতে প্রধানমন্ত্রীকে বেসরকারি কলেজের অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষকদের খোলা চিঠি

আপডেট : ২৯ জুন ২০২১, ১৮:৪৩

১৬ মাস ধরে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না বেসরকারি কলেজের অনার্স-মাস্টার্স স্তরের শিক্ষকরা। উল্টো চাকরি হারানোর আতঙ্কে রয়েছেন তারা। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন শিক্ষকরা। প্রধানমন্ত্রীকে দেওয়া খোলা চিঠিটি মঙ্গলবার (২৯ জুন) গণমাধ্যমে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ বেসরকারি কলেজ অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক ফেডারেশনের আহবায়ক হারুন-অর-রশিদ প্রধানমন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠিটি লিখেন।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে শিক্ষকদের অন্য একটি সংগঠন ‘বাংলাদেশ নিগৃহীত অনার্স-মাস্টার্স শিক্ষক পরিষদ' বেতন-ভাতা দাবি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দেয়।

সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নোটিশ করে বেসরকারি কলেজগুলোকে জানিয়ে দিয়েছে, শিক্ষকদের বেতন দেওয়া না হলে অধিভুক্তি বাতিল করা হবে। এই পরিস্থিতিতে অনার্স-মাস্টার্স স্তরের শিক্ষকরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি দেন।

চিঠিতে হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত বেসরকারি কলেজগুলোয় অনার্স-মাস্টার্স স্তরের সাড়ে ৫ হাজার শিক্ষক গত কয়েক বছর শান্তিপূর্ণ ও অহিংস আন্দোলনসহ যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অনেকবার আবেদন-নিবেদন করেছে।

চিঠিতে বলা হয়, সংখ্যায় আমরা সাড়ে ৫ হাজার  শিক্ষক  এবং দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের সাড়ে ৩ লাখ গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থী আমাদের দ্বারা উচ্চশিক্ষা লাভ করলেও আমরা ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত। একই কলেজে ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষকরা এমপিওভুক্ত হলেও আমাদের দীর্ঘ ২৯ বছর নন-এমপিও রাখা হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, কোভিড-১৯ তাণ্ডবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘ ১৬ মাস ধরে বন্ধ থাকায় এবং সঙ্গত কারণে টিউশন ফিস আদায় হয়নি। ফলে বেতন- ভাতা পাবার সম্ভাবনা নেই। এমতাবস্থায় স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ঈদের কেনাকাটা তো দূরের কথা, ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনবল কাঠামো অনুযায়ী ডিগ্রিস্তর পর্যন্ত পরিচালিত এমপিওভুক্ত কলেজগুলোয় ১৯৯৩ সালে অনার্স-মাস্টার্সের অনুমোদন দেয় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। বিধিবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত স্কেলে কলেজ কর্তৃপক্ষ শিক্ষকদের মূল বেতন দেওয়ার শর্তে অনার্স-মাস্টার্সের বিষয় অনুমোদন পায়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট কলেজের টিউশন ফি থেকে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা দেওয়ার নির্দেশনা দেয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে। এই পর্যায়ে কলেজগুলোর জনবল কাঠামোতে স্থান পায় না অনার্স ও মাস্টার্স স্তরের শিক্ষকদের পদ। ফলে সরকারি বিধিবিধানের আলোকে এমপিওভুক্ত হওয়ার সুযোগ বঞ্চিত হন তারা।

/এসএমএ/এমএস/
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
ডনবাস আবারও ইউক্রেনের হবে: জেলেনস্কি
ডনবাস আবারও ইউক্রেনের হবে: জেলেনস্কি
দুপুরে শহীদ মিনারে গাফফার চৌধুরীকে শেষ শ্রদ্ধা
দুপুরে শহীদ মিনারে গাফফার চৌধুরীকে শেষ শ্রদ্ধা
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার তারিখ এগোচ্ছে, বাড়ছে ফি
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার তারিখ এগোচ্ছে, বাড়ছে ফি
পুতিনের অর্জন শূন্য: পেন্টাগন
পুতিনের অর্জন শূন্য: পেন্টাগন
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত