চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা ছিল ভর্তি কীভাবে হবে? জানা গেল, অবশেষে আগের নিয়মেই অনলাইনে ভর্তির ব্যবস্থা থাকছে।
মাধ্যমিক স্কুলে ভর্তিতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা লটারি পদ্ধতি বাতিল করে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয় গত ১৬ মার্চ এক পরিপত্রে। ২০২৭ সালের ভর্তিতে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছিল ওই সময়।
কিন্তু একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বড় কোনও পরিবর্তন আসছে না বলে জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ডের একটি সূত্র। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, আগের নিয়ম অনুযায়ী এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি নেওয়া হবে। তবে কোটা ব্যবস্থায় কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।
প্রতিবছর ভর্তির আগে শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা প্রণয়ন করে থাকে সরকার। নীতিমালা অনুযায়ী অনলাইনে আবেদন গ্রহণ এবং মেধা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। এবারও এভাবেই ভর্তি করা হবে।
ভর্তি প্রক্রিয়া
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। যা বিগত সময় ধরে পরিচালিত হচ্ছে। নির্ধারিত ফি দিয়ে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে অনলাইনে আবেদন করবে। পরে শিক্ষার্থীর ফল, কোটা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও পছন্দক্রম বিবেচনায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য মনোনয়ন দেওয়া হবে।
এ পদ্ধতিতে শুধু কলেজ ও মাদ্রাসায় ভর্তি কার্যক্রম পরিচালিত হয়। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি আলাদা প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়।
ভর্তি প্রক্রিয়ায় ব্যতিক্রম
দীর্ঘদিন ধরে জিপিএর ভিত্তিতে দেশের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির পদ্ধতি অনুসরণ করা হলেও ব্যতিক্রম হিসেবে নিজেদের স্বতন্ত্র ভর্তি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আসছে কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এসব কলেজে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য লিখিত ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। নটর ডেম কলেজ, হলি ক্রস কলেজ, সেন্ট যোসেফ হায়ার সেকেন্ডারি স্কুল এবং সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজসহ কিছু প্রতিষ্ঠান নিজস্ব ব্যবস্থায় পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করায়। এসব কলেজগুলোতে আবেদন প্রক্রিয়া আলাদা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ব্যয় কমিয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য খরচের উদ্যোগ







