মিসরে সন্ত্রাসী তালিকা থেকে বাদ গেল মুরসির নাম

বিদেশ ডেস্ক
০৪ জুলাই ২০১৮, ২০:৪০আপডেট : ০৪ জুলাই ২০১৮, ২১:০০

মিসরে আপিল আদালতের রায়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ মুরসিসহ দেড় হাজারেরও বেশি ব্যক্তিকে সন্ত্রাসী তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করতে চাওয়া সরকারি তালিকার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়েছে। মুরসি ও ১৫৩৭ জন মিসরীয়’র করা আবেদনের প্রেক্ষিতে এই রায় দেয় দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।

মিসরে সন্ত্রাসী তালিকা থেকে বাদ গেল মুরসির নাম ২০১১ সালে গণঅভ্যুত্থানে হোসনি মোবারকের পতনের পর ২০১২ সালে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত  নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন মোহাম্মদ মুরসি। তবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি নিজের কর্তৃত্ব নিরঙ্কুশ করতে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার পথ নেন। আবারও তার পক্ষে-বিপক্ষে মানুষ রাস্তায় নামলে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সেই অস্থিরতার মধ্যে সেনাপ্রধান ফাত্তাহ আল সিসির নেতৃত্বে মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে মিসরীয় সেনাবাহিনী। একপর্যায়ে বিভিন্ন অভিযোগে তাকে বন্দি করা হয়। দেওয়া হয় বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড। বর্তমানে তোরা নামের এক অখ্যাত কারাগারে বন্দি আছেন সাবেক এ মিসরীয় প্রেসিডেন্ট।

ওই তালিকায় মুরসি ছাড়াও বিখ্যাত ফুটবল তারকা মোহামেদ আবু ত্রেইকাও ছিলেন। মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাদের সন্ত্রাসী তালিকায় অন্তর্ভূক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সরকার। এর প্রতিবাদে আদালতে আপিল করেছিলেন মুরসি।

প্রেসিডেন্ট প্রাসাদের বাইরে ২০১২ সালে বিক্ষোভকারীদের নির্যাতন ও গ্রেফতারের আদেশ দেওয়ার অভিযোগে ২০১৫ সালের এপ্রিলে মুরসিকে ২০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কাতারকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহের অভিযোগে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর দেওয়া হয় আরও ২৫ বছরের কারাদণ্ড। বিচার বিভাগ অবমাননায় দোষী সাব্যস্ত করে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে আরও তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় তাকে। ডিটেনশন রিভিউ প্যানেলের প্রতিবেদনে বলা হয়, মুরসিকে যে অবস্থায় রাখা হয়েছে তা মিসর ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নির্যাতনের শামিল। বর্তমান প্রেসিডেন্ট আব্দেল ফাত্তাহ আল সিসিকে নির্যাতনকারী হিসেবে দায়ী করা যেতে পারে।

/এমএইচ/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
বোফোর্ট দুর্গে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর হামলা
সর্বশেষ খবর
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম