যুক্তরাষ্ট্র-তালেবান চুক্তির আগে বিদ্রোহী নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান

বিদেশ ডেস্ক
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১২:৫০আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৬:২৮

গত দুই সপ্তাহে আফগানভিত্তিক এক সশস্ত্র গোষ্ঠীর তিন পাকিস্তানি নেতাকে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়া পাকিস্তানি আরেকটি গোষ্ঠীর অবস্থানে প্রাণঘাতী অভিযান চালিয়েছে আফগানিস্তানের বিশেষ বাহিনী। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, সশস্ত্র গোষ্ঠীর সূত্রের বিশ্বাস আমেরিকা ও পাকিস্তানের মধ্যকার গোপন চুক্তি অনুযায়ী এই অভিযান চালানো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র-তালেবান চুক্তির আগে বিদ্রোহী নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান

দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে চলা আফগান যুদ্ধ অবসানে সম্প্রতি তালেবান ও যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তির কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। শুক্রবার মার্কিন বার্তা সংস্থা এপি ট্রাম্প প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে এই খবর জানিয়েছে। কাতারের রাজধানী দোহাতে ২০১৮ সাল থেকে আলোচনা শুরু করে দুই পক্ষ। ওই আলোচনায় পাকিস্তান ভূমিকা রেখেছে বলে ধারণা করা হয়ে থাকে।

সম্প্রতি পাকিস্তানি তালেবান গোষ্ঠীর নেতা শেহরিয়ার মাসুদকে আফগানিস্তানের কুনার প্রদেশে হত্যা করা হয়। আফগান তালেবান থেকে বের হয়ে যাওয়া এই নেতাকে হত্যা করতে তার বাড়ির পাশে পুঁতে রাখা হয় রিমোট কন্ট্রোল বোমা। নিজ গোষ্ঠীর মধ্যে তার প্রতিদ্বন্দ্বী থাকলেও ওই গোষ্ঠীর বিশ্বাস এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে রয়েছে পাকিস্তানি গোয়েন্দারা। এর আগে এই মাসে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে মারা যায় পাকিস্তানি তালেবানের দুই কমান্ডার। এছাড়া গত সপ্তাহে পাকিস্তানি গোষ্ঠী হিজবুল আজহারের অবস্থানে নাঙ্গাহার প্রদেশে হামলা চালায় আফগান বাহিনী।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানি তালেবান ও আফগান তালেবান আলাদা গোষ্ঠী। তারা উভয়েই নিজ নিজ দেশে হামলা চালিয়ে থাকে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী তালেবান বিরোধী অভিযান শুরুর পর গোষ্ঠীটির কোনও কোনও অংশ আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চল থেকে কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করে। অভিযোগ রয়েছে আফগান তালেবানের অভ্যন্তরে পাকিস্তানের সমর্থন ঠেকাতে এর কোনও কোনও গোষ্ঠীর অভ্যন্তরে সংযোগ স্থাপন করেছে আফগান নিরাপত্তা বাহিনী।

/জেজে/বিএ/
সম্পর্কিত
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতা কে এই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়
সর্বশেষ খবর
বাবা-মেয়েসহ ইজিবাইকের ৩ যাত্রী নিহত
বাবা-মেয়েসহ ইজিবাইকের ৩ যাত্রী নিহত
‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করবে’
‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করবে’
নজরুলের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গানের শতবর্ষ পালনের আহ্বান ১৪ সাংস্কৃতিক সংগঠনের
নজরুলের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গানের শতবর্ষ পালনের আহ্বান ১৪ সাংস্কৃতিক সংগঠনের
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের