রুশ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কিয়েভে ৯ জন নিহত

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
২৪ এপ্রিল ২০২৫, ১৩:১২আপডেট : ২৪ এপ্রিল ২০২৫, ১৩:২৫

রাতভর রুশ বাহিনীর সমন্বিত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে আগুন লাগে, ভবন ভেঙে পড়ে এবং বাসিন্দারা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে। এতে ৯ জন নিহত এবং ৭০ জনের বেশি আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) ইউক্রেনীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আহতদের মধ্যে ছয়জন শিশুও রয়েছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে স্টেট ইমার্জেন্সি সার্ভিস লিখেছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে মানুষজনের সন্ধান অব্যাহত রয়েছে।

সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ঘটে শহরের কেন্দ্র থেকে পশ্চিমে সভিয়াতোশিনস্কি জেলায় একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবন ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর।

জরুরি সেবা বিভাগ জানিয়েছে, রাজধানীর ১৩টি স্থানে উদ্ধার তৎপরতা চলছে, যেখানে ক্লাইম্বিং বিশেষজ্ঞ ও স্নিফার কুকুর ব্যবহার করা হচ্ছে। চল্লিশটি স্থানে আগুন লেগেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মোবাইল ফোনের রিং শোনা যাচ্ছে। যতক্ষণ না নিশ্চিত হওয়া যায় যে সবাইকে উদ্ধার করা হয়েছে, ততক্ষণ অনুসন্ধান চলবে বলে জানানো হয়েছে।

এছাড়া গ্যারেজ প্রশাসনিক ভবনে আগুন লেগেছে এবং ধাতব ধ্বংসাবশেষ পড়ে যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজধানীতে ছয় ঘণ্টা ধরে বিমান হামলার সতর্কতা কার্যকর ছিল।

ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভের রাতভর রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। টেলিগ্রামে মেয়র ইহর তেরেখোভ লিখেছেন, শহরটিতে ১৪ বার ড্রোন এবং ১০ বার ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। বহুতল আবাসিক ভবন, একটি শহর পলিক্লিনিক, একটি স্কুল ভবন, ব্যক্তিগত আঙিনা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং একটি হোটেল কমপ্লেক্স ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং একজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এই হামলা সম্পর্কে রাশিয়ার পক্ষ থেকে কোনও মন্তব্য আসেনি।

এই হামলাগুলো এমন এক গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ঘটেছে, যখন কিয়েভ ও মস্কো উভয়ই শান্তি চুক্তির পথে অগ্রগতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে রয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসন হুমকি দিয়েছে যে, যদি কিয়েভ ও মস্কো যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি চুক্তিতে সম্মত না হয়, তাহলে তারা যুদ্ধের অবসান চেষ্টার পথ থেকে সরে দাঁড়াবে।

/এস/
সম্পর্কিত
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
উচ্চ ক্ষমতার কার্বন ফাইবারের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু চীনে
শেষ মুহূর্তেও একে অপরকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছিলেন তারা
সর্বশেষ খবর
শুরু হচ্ছে বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর ভাতা পরিশোধ
শুরু হচ্ছে বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর ভাতা পরিশোধ
২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ
২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ কী, কেন এত গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার 
আসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
শিশু রামিসা হত্যা মামলাআসামিপক্ষের আইনজীবী নিয়ে সমালোচনা, যা বললেন মূসা কালিমুল্লাহ
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী