জার্মানির লাইপজিগ বিমানবন্দরে গত মাসে ইউক্রেনীয় মালবাহী বিমানের কাছাকাছি বিস্ফোরকসহ ড্রোন উদ্ধারের ঘটনায় রাশিয়াকে দায়ী করেছে জার্মানি। আগামীতে জার্মানি পুনরায় হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যালেকজান্ডার ডোব্রিন্ড।
হামলার পেছনে রাশিয়ার জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ার পর বার্লিনে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ওয়াডেফুল একাধিক কঠোর পদক্ষেপের ঘোষণা দেন। তিনি বনে অবস্থিত রুশ কনস্যুলেট বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন এবং গুপ্তচরবৃত্তি ও বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ থাকা বার্লিনের রাশিয়ান হাউস-এর চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন। এ ছাড়া রাশিয়ান নাগরিকদের প্রবেশাধিকার কঠোর করা, নিষেধাজ্ঞা এড়ানো রাশিয়ার শ্যাডো ফ্লিটের ওপর চাপ বাড়ানো এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত সের্গেই নেচায়েভকে তলব করা হয়েছে।
জার্মানির এই কঠোর ব্যবস্থার জবাবে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাকারোভা বলেন, মস্কো একইভাবে এর জবাব দেবে। জার্মানির ইউক্রেন সহযোগিতার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি দাবি করেন, বার্লিন সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন করছে।
ঘটনাটির বিষয়ে ন্যাটোর প্রধান মার্ক রুটে জার্মানির প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছেন। ইইউ কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম রাশিয়ার উদ্যোগকে ব্যর্থ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
এদিকে একটি পৃথক ঘটনায় মঙ্গলবার জার্মানির ব্র্যান্ডেনবার্গ রাজ্যের একটি বিদ্যুতের সাবস্টেশনে বিস্ফোরক উদ্ধারের পর তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সেখানকার একটি বিদ্যুৎ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সাময়িকভাবে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নতার সৃষ্টি হয়।
সূত্র: বিবিসি

ইরানি স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, নিশ্চিত করলো সেন্টকম







