বিদেশি সেনা প্রত্যাহারে জার্মানির সঙ্গে আলোচনা ইরাকের

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ১১:৩৫, জানুয়ারি ১৫, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১১:৪১, জানুয়ারি ১৫, ২০২০

বিদেশি সেনা প্রত্যাহারে জার্মানির সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে ইরাক। মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে জার্মান সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেছেন ইরাকের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী আদিল আবদুল মাহদি।
আদিল আবদুল মাহদির আমন্ত্রণে তার দফতরে এ সংক্রান্ত বৈঠকে অংশ নেন জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক পরিচালক ফিলিপ অ্যাকারমান এবং ইরাকে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ওলে দিহ। ইরাক সরকারের এক বিবৃতিতে এ বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, বৈঠকে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা, উত্তেজনা হ্রাস এবং যুদ্ধের হুমকি মোকাবিলায় সহযোগিতার উপায় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং এ অঞ্চলের সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

এর আগে এ মাসের গোড়ার দিকে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো মাস জানান, ইরাকে সামরিক উপস্থিতি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে জার্মানি। ইরানি কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলাইমানি নিহতের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এ সিদ্ধান্ত নেয় দেশটি। জার্মান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের কাজ শিগগিরই শুরু হবে।

জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে জানিয়েছে, ইরাকের পার্লামেন্টে বিদেশি সেনাদের বহিষ্কারের বিল পাস হওয়ার পর দেশটি থেকে সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় বার্লিন। এক্ষেত্রে একসঙ্গে সব সেনা প্রত্যাহার না করে ধীরে ধীরে এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হবে।

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রীও বলেছেন, ইরাকের সার্বভৌম সরকারের যে কোনও সিদ্ধান্তের প্রতি বার্লিন সম্মান জানায়। এজন্যই দেশটি থেকে আমাদের সেনাদের প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক বাহিনী প্রত্যাহার করা হলে সেখানে পুনরায় আইএস-এর মতো সংগঠনগুলো মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। এ বিষয়টির দিকেও নজর দেওয়া দরকার।

মধ্যপ্রাচ্যে আইএসবিরোধী লড়াইয়ের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক বাহিনীতে জার্মান বাহিনীর ৪১৫ জন সদস্য রয়েছে। এর মধ্যে ইরাকে মোতায়েন করা রয়েছে ১২০ জন। এই ১২০ জনের মধ্যে প্রাথমিকভাবে অন্তত ৩০ জনকে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

/এমপি/

সম্পর্কিত

লাইভ

টপ