কানহাইয়া কুমারের বিচারে সম্মতি দিলেন কেজরিওয়াল

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ২২:২২, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১৩:৩৭, ফেব্রুয়ারি ২৯, ২০২০

ভারতের বামপন্থী নেতা কানহাইয়া কুমারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা চালিয়ে যেতে পুলিশকে অনুমোদন দিয়েছে দিল্লির আম আদমি পার্টি সরকার। পুলিশের আবেদনে শুক্রবার অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার সাড়া দিয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা পিটিআই।কানহাইয়া কুমার

২০১৬ সালে দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রবিরোধী স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে কানহাইয়া কুমারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ভারতীয় পার্লামেন্টে হামলায় অভিযুক্ত কাশ্মিরি নেতা আফজাল গুরুর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ওই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। প্রায় এক বছর আগে ওই মামলায় কানহাইয়াসহ আরও নয় জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। তবে আদালত তা প্রত্যাখ্যান করে জানায় এই মামলা চালিয়ে যেতে হলে রাজ্য সরকারের অনুমোদন নিতে হবে।

কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতিতে কানহাইয়া কুমারের বিরুদ্ধে মামলা চালিয়ে যেতে থাকা দিল্লি পুলিশ আদালতের আদেশের পর কেজরিওয়ালের সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে। গত সপ্তাহে দিল্লি পুলিশের তরফ থেকে আবারও রাজ্য সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়।

ওই চিঠি দেওয়ার পর গত ২২ ফেব্রুয়ারি আউটলুক ইন্ডিয়ার এক খবরে বলা হয়, ১৯ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে এক বৈঠকে কানহাইয়ার মামলার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখান দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তবে এই রাষ্ট্রদ্রোহ মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে আখ্যায়িত করেছেন কানহাইয়া কুমার। তিনি বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেটের তদন্তে বলা হয়েছিল এতে জেএনইউ-এর কোনও শিক্ষার্থী জড়িত নয়। তারপরও তিন বছর পর পুলিশ অভিযোগপত্র দেওয়ায় তাদের ধন্যবাদ। দেশের বিচার ব্যবস্থার ওপর আমার আস্থা আছে।’

উল্লেখ্য, ভারতের জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের (জেএনইউ) ছাত্রসংগঠনের সাবেক সভাপতি কানহাইয়া কুমার। জেএনইউ ক্যাম্পাসে বক্তৃতা করে গোটা দেশকে মাতিয়ে তোলা কানহাইয়া জাতীয় রাজনীতির নতুন তারকায় পরিণত হয়েছেন। ২০১৬ সালের মার্চে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে তিন সপ্তাহ তিহার জেলে কাটিয়েছেন। দিল্লি হাইকোর্টের আদেশে অন্তর্বর্তী জামিন পেয়ে মুক্ত হয়ে তিনি জাতীয় নেতায় পরিণত হন। ক্ষমতাসীন বিজেপি ও প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির কঠোর সমালোচক এই বামপন্থী নেতা গক লোকসভা নির্বাচনে বিহারের বেগুসরাই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে বিজেপির প্রভাবশালী মন্ত্রী গিরিরাজ সিং-এর কাছে পরাজিত হন তিনি।

/জেজে/বিএ/

লাইভ

টপ