জরুরি বৈঠকে বসছে নিরাপত্তা পরিষদ

Send
বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত : ০২:৪৬, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০ | সর্বশেষ আপডেট : ১১:৩৯, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০

বিরোধপূর্ণ নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধ নিয়ে আলোচনার জন্য জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রুদ্ধদ্বার এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, জার্মানি ও ফ্রান্স এই বৈঠকের অনুরোধ জানালেও এতে সমর্থন রয়েছে ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের সদস্য দেশ বেলজিয়াম, যুক্তরাজ্য ও এস্তোনিয়ার।আর্মেনিয়ার সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতির ছবিটি প্রকাশ করেছে আজারবাইজানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে গত রবিবার থেকে নতুন করে শুরু হয়েছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের পুরনো লড়াই। দুই দিনের এই লড়াইয়ে ইতোমধ্যে অন্তত ৬৭ জনের প্রাণহানিস হয়েছে। জাতিসংঘের বার্ষিক সাধারণ অধিবেশন চলার মধ্যে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দুই দেশের এই লড়াই ওই অঞ্চলকে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যকার যুদ্ধে রাশিয়া ও তুরস্কের মতো আঞ্চলিক শক্তিগুলো জড়িয়ে পড়তে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে। কারণ আর্মেনিয়ার সঙ্গে সামরিক জোট রয়েছে রাশিয়ার তার আজারবাইজানকে সমর্থন করছে তুরস্ক।

ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইরান ও ইউরোপীয় শক্তিগুলো লড়াই থামিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছে। তবে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে তুরস্ক। ইস্তানবুলে দেওয়া এক ভাষণে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান বলেছেন, আর্মেনিয়াকে অবিলম্বে আজারবাইজানের ভূখণ্ড ছেড়ে চলে যেতে হবে।

উল্লেখ্য, নাগোরনো-কারাবাখ অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভেতরে অবস্থিত হলেও ইয়েরেভান সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে তা নিয়ন্ত্রণ করছে আর্মেনীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। ১৯৮০-এর দশকের শেষদিকে অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়। ১৯৯১ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মুহূর্তে সংঘর্ষ চূড়ান্ত আকার ধারণ করে। ১৯৯৪ সালে দুই পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত এ সংঘর্ষে ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়। পরে ২০১৬ এবং এই বছরের শুরুতেও সংঘাতে জড়ায় দুই পক্ষ।

/জেজে/বিএ/

লাইভ

টপ
X